📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সিজদার আয়াত তেলাওয়াতের পর সিজদায় দো‘আ

📄 সিজদার আয়াত তেলাওয়াতের পর সিজদায় দো‘আ


সিজদার আয়াত তেলাওয়াতের পর সিজদায় দো‘আ #১

সিজদার আয়াত তেলাওয়াতের পর সিজদায় দো‘আ #১

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِيْ خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ، فَتَبَارَكَ اللّٰهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِيْنَ

সাজাদা ওয়াজহিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহু, ওয়া শাক্কা সাম্‘আহু ওয়া বাসারাহু, বিহাওলিহি ওয়া কুওয়াতিহি,  ফাতবারাকাল্লা-হু আহ্‌সানুল খা-লিক্বীন

আমার মুখমণ্ডল সিজদা করেছে সে সত্তার জন্য, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন, আর নিজ শক্তি ও ক্ষমতাবলে এর কান ও চোখ বিদীর্ণ করেছেন।  সুতরাং সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অত্যন্ত বরকতময়।

রেফারেন্স: তিরমিযী, ২/৪৭৪, নং ৩৪২৫; আহমাদ ৬/৩০; নং ২৪০২২; হাকিম ও সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন, ১/২২০; আর বাড়তি অংশটুকু তাঁরই। আয়াতটুকু সূরা আল-মুমিনূন এর ১৪ নং আয়াত।

سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِيْ خَلَقَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ بِحَوْلِهِ وَقُوَّتِهِ، فَتَبَارَكَ اللّٰهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِيْنَ

আমার মুখমণ্ডল সিজদা করেছে সে সত্তার জন্য, যিনি একে সৃষ্টি করেছেন, আর নিজ শক্তি ও ক্ষমতাবলে এর কান ও চোখ বিদীর্ণ করেছেন।  সুতরাং সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অত্যন্ত বরকতময়।

রেফারেন্স: তিরমিযী, ২/৪৭৪, নং ৩৪২৫; আহমাদ ৬/৩০; নং ২৪০২২; হাকিম ও সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী সেটা সমর্থন করেছেন, ১/২২০; আর বাড়তি অংশটুকু তাঁরই। আয়াতটুকু সূরা আল-মুমিনূন এর ১৪ নং আয়াত।

সিজদার আয়াত তেলাওয়াতের পর সিজদায় দো‘আ #২

সিজদার আয়াত তেলাওয়াতের পর সিজদায় দো‘আ #২

اَللّٰهُمَّ اكْتُبْ لِيْ بِهَا عِنْدَكَ أَجْرًا، وَضَعْ عَنِّيْ بِهَا وِزْرًا، وَاجْعَلْهَا لِيْ عِنْدَكَ ذُخْرًا، وَتَقَبَّلْهَا مِنِّيْ كَمَا تَقَبَّلْتَهَا مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ

আল্লা-হুম্মাক্তুব লী বিহা ‘ইনদাকা আজরান, ওয়াদা‘ ‘আন্নী বিহা উইযরান, ওয়াজ ‘আলহা লী ‘ইনদাকা যুখরান, ওয়া তাক্বাব্বালহা মিন্নী কামা তাক্বাব্বালতাহা মিন আবদিকা দাঊদ

হে আল্লাহ! এই সিজদার বদৌলতে আপনার নিকট আমার জন্য প্রতিদান লিখে রাখুন, এর দ্বারা আমার পাপসমূহ ফেলে দিন, এটাকে আপনার কাছে আমার জন্য সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখুন, আর একে আমার থেকে কবুল করুন যেমন কবুল করেছেন আপনার বান্দা দাউদ (আলাইহিস সালাম) এর থেকে

রেফারেন্স: তিরমিযী ২/৪৭৩, নং ৫৭৯; হাকেম ও সহীহ বলেছেন, আর ইমাম যাহাবী সমর্থন করেছেন, ১/২১৯।

اَللّٰهُمَّ اكْتُبْ لِيْ بِهَا عِنْدَكَ أَجْرًا، وَضَعْ عَنِّيْ بِهَا وِزْرًا، وَاجْعَلْهَا لِيْ عِنْدَكَ ذُخْرًا، وَتَقَبَّلْهَا مِنِّيْ كَمَا تَقَبَّلْتَهَا مِنْ عَبْدِكَ دَاوُدَ

হে আল্লাহ! এই সিজদার বদৌলতে আপনার নিকট আমার জন্য প্রতিদান লিখে রাখুন, এর দ্বারা আমার পাপসমূহ ফেলে দিন, এটাকে আপনার কাছে আমার জন্য সঞ্চয় হিসেবে জমা রাখুন, আর একে আমার থেকে কবুল করুন যেমন কবুল করেছেন আপনার বান্দা দাউদ (আলাইহিস সালাম) এর থেকে

রেফারেন্স: তিরমিযী ২/৪৭৩, নং ৫৭৯; হাকেম ও সহীহ বলেছেন, আর ইমাম যাহাবী সমর্থন করেছেন, ১/২১৯।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 তাশাহ্‌হুদ

📄 তাশাহ্‌হুদ


তাশাহ্‌হুদ

তাশাহ্‌হুদ

أَلتَّحِيَّاتُ لِلّٰهِ، وَالصَّلَوَاتُ، وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللّٰهِ الصَّالِحِيْنَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

আত্তাহিয়্যা-তু লিল্লা-হি ওয়াস্‌সালাওয়া-তু ওয়াত্তায়্যিবা-তু আস্‌সালা-মু ‘আলাইকা আইয়্যূহান নাবিয়্যূ ওয়া রাহমাতুল্লা-হি ওয়া বারাকা-তুহু। আস্‌সালা-মু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লা-হিস সা-লেহীন। আশহাদু আল্লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু

যাবতীয় অভিবাদন আল্লাহ্‌র জন্য, অনুরূপভাবে সকল সালাত ও পবিত্র কাজও। হে নবী! আপনার উপর বর্ষিত হোক সালাম, আল্লাহর রহমত ও বরকতসমূহ। আমাদের উপর এবং আল্লাহ্‌র সৎ বান্দাদের উপরও বর্ষিত হোক সালাম। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১/১৩, নং ৮৩১; মুসলিম ১/৩০১, নং ৪০[২]

أَلتَّحِيَّاتُ لِلّٰهِ، وَالصَّلَوَاتُ، وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَى عِبَادِ اللّٰهِ الصَّالِحِيْنَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ

যাবতীয় অভিবাদন আল্লাহ্‌র জন্য, অনুরূপভাবে সকল সালাত ও পবিত্র কাজও। হে নবী! আপনার উপর বর্ষিত হোক সালাম, আল্লাহর রহমত ও বরকতসমূহ। আমাদের উপর এবং আল্লাহ্‌র সৎ বান্দাদের উপরও বর্ষিত হোক সালাম। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১/১৩, নং ৮৩১; মুসলিম ১/৩০১, নং ৪০[২]

তাশাহহুদ #২

তাশাহহুদ #২

বিভিন্ন সাহাবী থেকে তাশাহহুদ বর্ণিত। ইবনু মাস’ঊদ (রা) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ -এর পিছে সালাত আদায়ের সময় বসলে বলতাম: আল্লাহর উপর সালাম, ফিরিশতাগণের উপর সালাম, অমুকের উপর সালাম, ...। রাসূলুল্লাহ  একদিন আমাদেরকে বললেন : আল্লাহই সালাম (কাজেই, তাঁকে সালাম প্রদান করা ঠিক নয়)। অতএব, তোমরা যখন সালাতের মধ্যে বসবে তখন বলবে :

التَّحِيَّاتُ ِلِلّٰهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَی عِبَادِ اللّٰهِ الصَّالِحِيْنَ (فَإِذَا قَالَهَا أَصَابَتْ كُلَّ عَبْدٍ لِلّٰهِ صَالِحٍ فِي السَّمَاءِ وَالأَرْضِ) أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ (ثُمَّ يَتَخَيَّرُ مِنَ الْمَسْأَلَةِ مَا شَاءَ)

মর্যাদাজ্ঞাপন-অভিবাদন আল্লাহর জন্য এবং ইবাদত-প্রার্থনা এবং পবিত্র কর্ম ও দানসমূহ (সবই আল্লাহর জন্য)। সালাম আপনার উপর, হে নবী; এবং আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকতসমূহ। সালাম আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেককার বান্দার উপর। (রাসূলুল্লাহ  বলেন: এ কথা বললে আসমান ও যমিনে আল্লাহর সকল নেক বান্দাকেই সালাম দেওয়া হয়ে যাবে) আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। এবং সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা (দাস) ও রাসূল (প্রেরিত বার্তাবাহক)। (রাসূলুল্লাহ  বলেন: এরপর মুসল্লী নিজের জন্য পছন্দমতো প্রার্থনা বা দু‘আ করবে।)

রেফারেন্স: [১]বুখারী(১৬-সিফাতিস সালাত,৬৪-৬৬ তাশাহহুদ ফিল আখিরা...) ১/২৮৬-২৮৭ (ভা ১/১১০); মুসলিম(৪-সালাত, ১৬-বাবুত তাশাহহুদ) ১/৩০১ (ভা ১/১৭৩); ইবন হাজার,ফাতহুল বারী ২/৩১৮-৩২২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬৫

বিভিন্ন সাহাবী থেকে তাশাহহুদ বর্ণিত। ইবনু মাস’ঊদ (রা) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ -এর পিছে সালাত আদায়ের সময় বসলে বলতাম: আল্লাহর উপর সালাম, ফিরিশতাগণের উপর সালাম, অমুকের উপর সালাম, ...। রাসূলুল্লাহ  একদিন আমাদেরকে বললেন : আল্লাহই সালাম (কাজেই, তাঁকে সালাম প্রদান করা ঠিক নয়)। অতএব, তোমরা যখন সালাতের মধ্যে বসবে তখন বলবে :

التَّحِيَّاتُ ِلِلّٰهِ وَالصَّلَوَاتُ وَالطَّيِّبَاتُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا النَّبِيُّ وَرَحْمَةُ اللّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ، اَلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَی عِبَادِ اللّٰهِ الصَّالِحِيْنَ (فَإِذَا قَالَهَا أَصَابَتْ كُلَّ عَبْدٍ لِلّٰهِ صَالِحٍ فِي السَّمَاءِ وَالأَرْضِ) أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُوْلُهُ (ثُمَّ يَتَخَيَّرُ مِنَ الْمَسْأَلَةِ مَا شَاءَ)

মর্যাদাজ্ঞাপন-অভিবাদন আল্লাহর জন্য এবং ইবাদত-প্রার্থনা এবং পবিত্র কর্ম ও দানসমূহ (সবই আল্লাহর জন্য)। সালাম আপনার উপর, হে নবী; এবং আল্লাহর রহমত ও তাঁর বরকতসমূহ। সালাম আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেককার বান্দার উপর। (রাসূলুল্লাহ  বলেন: এ কথা বললে আসমান ও যমিনে আল্লাহর সকল নেক বান্দাকেই সালাম দেওয়া হয়ে যাবে) আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। এবং সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ তাঁর বান্দা (দাস) ও রাসূল (প্রেরিত বার্তাবাহক)। (রাসূলুল্লাহ  বলেন: এরপর মুসল্লী নিজের জন্য পছন্দমতো প্রার্থনা বা দু‘আ করবে।)

রেফারেন্স: [১]বুখারী(১৬-সিফাতিস সালাত,৬৪-৬৬ তাশাহহুদ ফিল আখিরা...) ১/২৮৬-২৮৭ (ভা ১/১১০); মুসলিম(৪-সালাত, ১৬-বাবুত তাশাহহুদ) ১/৩০১ (ভা ১/১৭৩); ইবন হাজার,ফাতহুল বারী ২/৩১৮-৩২২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬৫

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ

📄 তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ


তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #১

তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #১

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ، اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আলা আ-লি মুহাম্মাদিন কামা সাল্লাইতা ‘আলা ইবরাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ। আল্লা-হুম্মা বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আলা আলি মুহাম্মাদিন, কামা বা-রাকতা ‘আলা ইব্রাহীমা ওয়া ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম্ মাজীদ

হে আল্লাহ! আপনি (আপনার নিকটস্থ উচ্চসভায়) মুহাম্মাদকে সম্মানের সাথে স্মরণ করুন এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে, যেমন আপনি সম্মানের সাথে স্মরণ করেছেন ইবরাহীমকে ও তাঁর পরিবার-পরিজনদেরকে। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার পরিজনের উপর বরকত নাযিল করুন যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৪০৮, নং ৩৩৭০; মুসলিম, নং ৪০৬।

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ، وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا صَلَّيتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ، وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ، اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى إِبْرَاهِيمَ وَعَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

হে আল্লাহ! আপনি (আপনার নিকটস্থ উচ্চসভায়) মুহাম্মাদকে সম্মানের সাথে স্মরণ করুন এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে, যেমন আপনি সম্মানের সাথে স্মরণ করেছেন ইবরাহীমকে ও তাঁর পরিবার-পরিজনদেরকে। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত। হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিবার পরিজনের উপর বরকত নাযিল করুন যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীম ও তাঁর পরিবার-পরিজনের উপর। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৪০৮, নং ৩৩৭০; মুসলিম, নং ৪০৬।

তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #২

তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #২

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى أَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى أَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

আল্লা-হুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আলা আযওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা সাল্লাইতা ‘আলা আলি ইবরাহীমা, ওয়া বারিক ‘আলা মুহাম্মাদিউওয়া ‘আলা আযওয়াজিহি ওয়া যুররিয়্যাতিহি কামা বা-রাক্তা ‘আলা আ-লি ইব্রাহীমা ইন্নাকা হামীদুম মাজীদ

হে আল্লাহ! আপনি (আপনার নিকটস্থ উচ্চসভায়) মুহাম্মাদকে সম্মানের সাথে স্মরণ করুন এবং তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর বংশধরকেও, যেমন আপনি সম্মানের সাথে স্মরণ করেছেন ইবরাহীমের পরিবার-পরিজনকে। আর আপনি মুহাম্মাদ এবং তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর বংশধরের উপর বরকত নাযিল করুন যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীমের পরিবার- পরিজনের উপর। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৪০৭, নং ৩৩৬৯; মুসলিম ১/৩০৬, নং ৪০৭। আর শব্দটি মুসলিমের।

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى أَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَّعَلَى أَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ، كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيْمَ، إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

হে আল্লাহ! আপনি (আপনার নিকটস্থ উচ্চসভায়) মুহাম্মাদকে সম্মানের সাথে স্মরণ করুন এবং তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর বংশধরকেও, যেমন আপনি সম্মানের সাথে স্মরণ করেছেন ইবরাহীমের পরিবার-পরিজনকে। আর আপনি মুহাম্মাদ এবং তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর বংশধরের উপর বরকত নাযিল করুন যেমন আপনি বরকত নাযিল করেছিলেন ইবরাহীমের পরিবার- পরিজনের উপর। নিশ্চয় আপনি অত্যন্ত প্রশংসিত ও মহামহিমান্বিত

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৪০৭, নং ৩৩৬৯; মুসলিম ১/৩০৬, নং ৪০৭। আর শব্দটি মুসলিমের।

তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #৩

তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #৩

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ (عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ) (النَّبِىِّ الْأُمِّيِّ) وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَی إِبْرَاهِيْمَ وَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ (عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ) (النَّبِىِّ الْأُمِّيِّ) وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَی إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

হে আল্লাহ আপনি (আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল) (উম্মী নবী) মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিজনের উপর সালাত প্রেরণ করুন যেমন আপনি সালাত প্রদান করেছেন ইবরাহীম ও তাঁর পরিজনের উপর, নিশ্চয় আপনি মহাপ্রশংসিত মহাসম্মানিত। এবং আপনি বরকত প্রদান করুন (আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল) (উম্মী নবী) মুহাম্মাদের উপরে এবং মুহাম্মাদের পরিজনের উপরে যেমন আপনি বরকত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের উপরে এবং ইবরাহীমের পরিজনের উপরে। নিশ্চয় আপনি মহাপ্রশংসিত মহা সম্মানিত ।

রেফারেন্স: বুখারি ৩/১২৩৩, ৪/১৮০২ (ভা ২/৭০৪), ৫/২৩৩৯ (ভা ২/৯৪০); মুসলিম ১/৩০৫-৩০৬ (ভা ১/১৭৫); আবু দাঊদ ১/২৫৫,৯৭৬ (ভা ১/১৪১); আস-সুনান ৩/১৬২; হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/৪০১; ইবনুল আসীর, জামিউল উসূল ৪/৪০১; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৭

আবূ মাসঊদ বদরী (রা), কা’ব বিন আজুরা (রা) প্রমুখ সাহাবী বলেন, উপরের আয়াতটি নাযিল হলে রাসূলুল্লাহ (স) সাহাবীগণকে এভাবে সালাত পাঠ শিক্ষা দেন। উল্লেখ্য যে, বিভিন্ন সহীহ হাদীসে “মুহাম্মাদিন”-এর পরে “আবদিকা ওয়া রাসূলিকা (আপনার বান্দা এবং আপনার রাসূল) বিশেষণ বলা হয়েছে। অন্যান্য সহীহ বা হাসান হাদীসে “মুহাম্মাদিন”-এর পরে “আন-নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি” (উম্মী নবী) শব্দ দুটি উল্লেখ করা হয়েছে।

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ (عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ) (النَّبِىِّ الْأُمِّيِّ) وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَی إِبْرَاهِيْمَ وَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ (عَبْدِكَ وَرَسُوْلِكَ) (النَّبِىِّ الْأُمِّيِّ) وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَی إِبْرَاهِيْمَ وَعَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

হে আল্লাহ আপনি (আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল) (উম্মী নবী) মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিজনের উপর সালাত প্রেরণ করুন যেমন আপনি সালাত প্রদান করেছেন ইবরাহীম ও তাঁর পরিজনের উপর, নিশ্চয় আপনি মহাপ্রশংসিত মহাসম্মানিত। এবং আপনি বরকত প্রদান করুন (আপনার বান্দা ও আপনার রাসূল) (উম্মী নবী) মুহাম্মাদের উপরে এবং মুহাম্মাদের পরিজনের উপরে যেমন আপনি বরকত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের উপরে এবং ইবরাহীমের পরিজনের উপরে। নিশ্চয় আপনি মহাপ্রশংসিত মহা সম্মানিত ।

রেফারেন্স: বুখারি ৩/১২৩৩, ৪/১৮০২ (ভা ২/৭০৪), ৫/২৩৩৯ (ভা ২/৯৪০); মুসলিম ১/৩০৫-৩০৬ (ভা ১/১৭৫); আবু দাঊদ ১/২৫৫,৯৭৬ (ভা ১/১৪১); আস-সুনান ৩/১৬২; হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/৪০১; ইবনুল আসীর, জামিউল উসূল ৪/৪০১; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৭

তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #৪

তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #৪

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ وَعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ. اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

হে আল্লাহ আপনি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিজনের উপর সালাত প্রেরণ করুন যেমন আপনি সালাত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের পরিজনের উপর, নিশ্চয় আপনি মহা প্রশংসিত মহা সম্মানিত। এবং আপনি বরকত প্রদান করুন মুহাম্মাদের উপরে এবং মুহাম্মাদের পরিজনের উপরে যেমন আপনি বরকত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের পরিজনের উপরে। নিশ্চয় আপনি মহাপ্রশংসিত মহা সম্মানিত

রেফারেন্স: বুখারি ৫/২৩৩৯ (ভা ২/৯৪০); মুসলিম ১/৩০৫-৩০৬( ভা ১/১৭৫); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৮

কা’ব (রা) বলেন, সাহাবীগণ বলেন, হে আল্লাহ্‌র রাসূল, আপনাকে কিভাবে সালাম দিব তা তো আমরা জানি, কিন্তু আপনার উপর ‘সালাত’ আমরা কিভাবে প্রদান করব? তখন তিনি বললেন, তোমরা বলবে... তিনি এ বাক্যগুলি শেখান। এ হাদীসে (কামা সাল্লাইতা ‘আলা- ইবরাহীমা) ও (কামা- বা-রাকতা ‘আলা ইবরাহীমা) বাক্য দু’টি নেই, সরাসরি (আ-লি ইবরাহীমা) বলা হয়েছে।

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ وَعَلٰى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ. اَللّٰهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَی آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

হে আল্লাহ আপনি মুহাম্মাদ ও তাঁর পরিজনের উপর সালাত প্রেরণ করুন যেমন আপনি সালাত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের পরিজনের উপর, নিশ্চয় আপনি মহা প্রশংসিত মহা সম্মানিত। এবং আপনি বরকত প্রদান করুন মুহাম্মাদের উপরে এবং মুহাম্মাদের পরিজনের উপরে যেমন আপনি বরকত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের পরিজনের উপরে। নিশ্চয় আপনি মহাপ্রশংসিত মহা সম্মানিত

রেফারেন্স: বুখারি ৫/২৩৩৯ (ভা ২/৯৪০); মুসলিম ১/৩০৫-৩০৬( ভা ১/১৭৫); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৮

তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #৫

তাশাহ্‌হুদের পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দরুদ পাঠ #৫

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ وَعَلَی أَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَی أَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا بَارَكْتَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

আল্লা-হু্মমা স্বাল্লি- ‘আলা- মু‘হাম্মাদিন ওয়া ‘আলা- আযওয়া-জিহী ওয়া র্যুরিয়্যা-তিহী কামা- স্বাল্লাইতা আলা আ-লি ইবরা-হীম। ওয়া বা-রিক ‘আলা- মু‘হাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আযওয়া-জিহী ওয়া র্যুরিয়্যা-তিহী কামা- বা-রাক্তা আলা আ-লি ইবরা-হীম।

হে আল্লাহ, সালাত প্রদান করুন মুহাম্মাদের উপরে এবং তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর সন্তানসন্ততিগণের উপরে, যেমন আপনি সালাত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের পরিজনদের উপরে। এবং আপনি বরকত প্রদান করুন মুহাম্মাদের উপরে এবং তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর সন্তানসন্ততিগণের উপরে, যেমন আপনি বরকত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের পরিজনদের উপরে।

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ১/৩০৬, ৪০৭ (ভা ১/১৭৫); [২] তাবারী, তাফসীর ২২/৪৩-৪৪; ইবনে কাসীর, তাফসীর ৩/৪৮৬-৪৯৫; [৩] ইবনুল আসীর, আন-নিহায়া ফী গরীবিল হাদীস ৩/৫০ [৪] রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৯

আবূ হুমাইদ সায়ীদী (রা) বলেন, সাহাবীগণ বলেন: হে আল্লাহর রাসূল, আমরা কিভাবে আপনার উপর সালাত পাঠ করব? তখন তিনি এভাবে সালাত পাঠ করতে শিক্ষা দেন। [১] হাদীস শরীফে আমরা দেখতে পাই আরো অনেক সাহাবীই এ আয়াত নাজিল হওয়ার পরে রাসূলে আকরাম (সা)-এর কাছে সালাত প্রদানের পদ্ধতি জিজ্ঞাসা করেছেন। [২] আর তিনি তাঁদের সকলকেই “দরুদে ইবরাহিমী” শিক্ষা দিয়েছেন। ভাষার ক্ষেত্রে এরূপ সামান্য কম-বেশি আছে। আল্লামা ইবনুল আসীর মুবারাক বিন মুহাম্মাদ (৬০৬ হি) বলেছেন: “আল্লাহ তা’আলা আমাদেরকে তাঁর প্রিয়তম নবীর (সা) উপর সালাত প্রদানের নির্দেশ দেন। কিন্তু আমরা তো তাঁর মর্যাদা অনুধাবন করতে পারব না, তাঁর প্রতি আমাদের কর্তব্যও পুরো বুঝতে পারব না। তাই আমরা এ দায়িত্ব আবার মহান আল্লাহকেই দিলাম, আমরা বললাম: হে আল্লাহ আপনি তাঁর উপর সালাত প্রদান করুন, কারণ তাঁর মর্যাদা সম্পর্কে আপনিই ভাল অবগত আছেন।” তিনি আরো বলেন: “আমরা যখন বলি: ‘আল্লা-হুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ’, হে আল্লাহ মুহাম্মাদের উপর সালাত প্রেরণ করুন, তার অর্থ: হে আল্লাহ, দুনিয়াতে তাঁর সম্মান প্রতিষ্ঠা করে, তাঁর দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করে, তাঁর শরীয়তকে হেফাজত করে তাঁকে সর্বোচ্চ মর্যাদায় ভূষিত করুন এবং আখেরাতে তাঁর শাফা’আত কবুল করে, তাঁকে সর্বোত্তম পুরস্কার প্রদান করে তাঁকে মর্যাদাময় করুন।” [৩]

اَللّٰهُمَّ صَلِّ عَلَی مُحَمَّدٍ وَعَلَی أَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيْمَ وَبَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَی أَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ كَمَا بَارَكْتَ عَلَی آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيْدٌ مَجِيْدٌ

হে আল্লাহ, সালাত প্রদান করুন মুহাম্মাদের উপরে এবং তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর সন্তানসন্ততিগণের উপরে, যেমন আপনি সালাত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের পরিজনদের উপরে। এবং আপনি বরকত প্রদান করুন মুহাম্মাদের উপরে এবং তাঁর স্ত্রীগণ ও তাঁর সন্তানসন্ততিগণের উপরে, যেমন আপনি বরকত প্রদান করেছেন ইবরাহীমের পরিজনদের উপরে।

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ১/৩০৬, ৪০৭ (ভা ১/১৭৫); [২] তাবারী, তাফসীর ২২/৪৩-৪৪; ইবনে কাসীর, তাফসীর ৩/৪৮৬-৪৯৫; [৩] ইবনুল আসীর, আন-নিহায়া ফী গরীবিল হাদীস ৩/৫০ [৪] রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৯

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ

📄 সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ


কবর ও জাহান্নামের আযাব এবং জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

কবর ও জাহান্নামের আযাব এবং জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযু বিকা মিন ‘আযা-বিল ক্বাবরি ওয়া মিন ‘আযা-বি জাহান্নামা, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহ্ইয়া ওয়াল মামা-তি, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জা-ল

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার অনিষ্টতা থেকে

রেফারেন্স: বুখারী ২/১০২, নং ১৩৭৭; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৮। আর শব্দ মুসলিমের।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাচ্ছি কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং মাসীহ দাজ্জালের ফিতনার অনিষ্টতা থেকে

রেফারেন্স: বুখারী ২/১০২, নং ১৩৭৭; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৮। আর শব্দ মুসলিমের।

কবর ও জাহান্নামের আযাব, জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা এবং গুনাহ ও ঋণ থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

কবর ও জাহান্নামের আযাব, জীবন, মৃত্যু ও দাজ্জালের ফিতনা এবং গুনাহ ও ঋণ থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْـيَا وَالْمَمَاتِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিন আযা-বিল ক্বাবরি, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাসীহিদ্ দাজ্জা-লি, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামা-ত। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল মা’ছামি ওয়াল মাগরামি

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং আশ্রয় চাই জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই পাপাচার ও ঋণের বোঝা থেকে

রেফারেন্স: বুখারী ১/২০২, নং ৮৩২; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৭।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الْمَحْـيَا وَالْمَمَاتِ. اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْمَأْثَمِ وَالْمَغْرَمِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, আশ্রয় চাই মাসীহ দাজ্জালের ফিতনা থেকে এবং আশ্রয় চাই জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে। হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই পাপাচার ও ঋণের বোঝা থেকে

রেফারেন্স: বুখারী ১/২০২, নং ৮৩২; মুসলিম ১/৪১২, নং ৫৮৭।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৩

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৩

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী যলামতু নাফসী যুলমান কাসীরা। ওয়ালা ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা। ফাগফির লী মাগফিরাতাম মিন ‘ইনদিকা ওয়ারহামনী ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রাহীম

হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর অনেক যুলুম করেছি। আর আপনি ছাড়া গুনাহসমূহ কেউই ক্ষমা করতে পারে না। অতএব আমাকে আপনার পক্ষ থেকে বিশেষ ক্ষমা দ্বারা মাফ করে দিন, আর আমার প্রতি দয়া করুন; আপনিই তো ক্ষমাকারী, পরম দয়ালু

রেফারেন্স: বুখারী ৮/১৬৮, নং ৮৩৪; মুসলিম ৪/২০৭৮, নং ২৭০৫।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ ظَلَمْتُ نَفْسِيْ ظُلْمًا كَثِيرًا، وَلَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ، فَاغْفِرْ لِيْ مَغْفِرَةً مِّنْ عِنْدِكَ وَارْحَمْنِيْ، إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِيْمُ

হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর অনেক যুলুম করেছি। আর আপনি ছাড়া গুনাহসমূহ কেউই ক্ষমা করতে পারে না। অতএব আমাকে আপনার পক্ষ থেকে বিশেষ ক্ষমা দ্বারা মাফ করে দিন, আর আমার প্রতি দয়া করুন; আপনিই তো ক্ষমাকারী, পরম দয়ালু

রেফারেন্স: বুখারী ৮/১৬৮, নং ৮৩৪; মুসলিম ৪/২০৭৮, নং ২৭০৫।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৪

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৪

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ مَا قَدَّمْتُ، وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ، وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَسْرَفْتُ، وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّيْ، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ، وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মাগফিরলী মা ক্বাদ্দামতু ওয়া মা আখ্‌খারতু ওয়া মা আসরারতু ওয়া মা আ’লান্তু ওয়া মা আসরাফ্‌তু ওয়া মা আনতা আল’লামু বিহী মিন্নী। আনতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আনতাল মুআখখিরু লা ইলাহা ইল্লা আনতা

হে আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ— যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপন করেছি, যা প্রকাশ্যে করেছি, যা সীমালঙ্ঘন করে করেছি, আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনিই (কাউকে) করেন অগ্রগামী, আর আপনিই (কাউকে) করেন পশ্চাদগামী, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ مَا قَدَّمْتُ، وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ، وَمَا أَعْلَنْتُ، وَمَا أَسْرَفْتُ، وَمَا أَنْتَ أَعْلَمُ بِهِ مِنِّيْ، أَنْتَ الْمُقَدِّمُ، وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

হে আল্লাহ! ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ— যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপন করেছি, যা প্রকাশ্যে করেছি, যা সীমালঙ্ঘন করে করেছি, আর যা আপনি আমার চেয়ে বেশি জানেন। আপনিই (কাউকে) করেন অগ্রগামী, আর আপনিই (কাউকে) করেন পশ্চাদগামী, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৫

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৫

اَللّٰهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

আল্লা-হুম্মা আ‘ইন্নী ‘আলা যিকরিকা ও শুকরিকা ওয়াহুসনি ইবা-দাতিকা

হে আল্লাহ! আপনার যিক্‌র করতে, আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৮৬, নং ১৫২২; নাসাঈ ৩/৫৩, নং ২৩০২ আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাঊদ ১/২৮৪ এটাকে সহীহ বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ أَعِنِّيْ عَلَى ذِكْرِكَ، وَشُكْرِكَ، وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ

হে আল্লাহ! আপনার যিক্‌র করতে, আপনার শুকরিয়া জ্ঞাপন করতে এবং সুন্দরভাবে আপনার ইবাদত করতে আমাকে সাহায্য করুন

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৮৬, নং ১৫২২; নাসাঈ ৩/৫৩, নং ২৩০২ আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাঊদ ১/২৮৪ এটাকে সহীহ বলেছেন।

কৃপণতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্য এবং ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

কৃপণতা, কাপুরুষতা, বার্ধক্য এবং ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার দোআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْقَبْرِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উযু বিকা মিনাল বুখলি, ওয়া ‘আউযু বিকা মিনাল জুবনি, ওয়া আ‘উযু বিকা মিন আন উরাদ্দা ইলা আরযালিল্ ‘উমুরি, ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন্ ফিতনাতিদ দুনইয়া ও আযা-বিল ক্বাবরি

হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই কৃপণতা থেকে, আপনার আশ্রয় চাই কাপুরুষতা থেকে, আপনার আশ্রয় চাই চরম বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে, আর আপনার আশ্রয় চাই দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের আযাব থেকে

রেফারেন্স: বুখারি, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৩৫, নং ২৮২২ ও নং ৬৩৯০।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْبُخْلِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْجُبْنِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أُرَدَّ إِلَى أَرْذَلِ الْعُمُرِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فِتْنَةِ الدُّنْيَا وَعَذَابِ الْقَبْرِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার আশ্রয় চাই কৃপণতা থেকে, আপনার আশ্রয় চাই কাপুরুষতা থেকে, আপনার আশ্রয় চাই চরম বার্ধক্যে উপনীত হওয়া থেকে, আর আপনার আশ্রয় চাই দুনিয়ার ফিতনা ও কবরের আযাব থেকে

রেফারেন্স: বুখারি, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/৩৫, নং ২৮২২ ও নং ৬৩৯০।

জাহান্নাম থেকে আশ্রয় এবং জান্নাত চাওয়ার দোআ

জাহান্নাম থেকে আশ্রয় এবং জান্নাত চাওয়ার দোআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ‘উযু বিকা মিনান্নার

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই

রেফারেন্স: আবূ দাউদ, নং ৭৯২; ইবন মাজাহ্‌ নং ৯১০। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৮।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই

রেফারেন্স: আবূ দাউদ, নং ৭৯২; ইবন মাজাহ্‌ নং ৯১০। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৮।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৮

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৮

اَللّٰهُمَّ بِعِلْمِكَ الْغَيْبَ وَقُدْرَتِكَ عَلَى الْخَلْقِ أَحْيِنِيْ مَا عَلِمْتَ الْحَيَاةَ خَيْرًا لِيْ، وَتَوَفَّنِيْ إِذَا عَلِمْتَ الْوَفَاةَ خَيْرًا لِيْ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ خَشْيَتَكَ فِيْ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ

আল্লা-হুম্মা বি‘ইলমিকাল গাইবি ওয়া কুদরাতিকা ‘আলাল খালক্বি আহয়িনী মা আলিম্‌তাল হায়া-তা খাইরাল্ লী ওয়া তাওয়াফ্‌ফানী ইযা আলিম্‌তাল ওয়াফা-তা খাইরাল লী। আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা খাশইয়াতাকা ফিল গাইবি ওয়াশ-শাহাদাতি

হে আল্লাহ! আপনার গায়েবী জ্ঞান এবং সকল সৃষ্টির উপর আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার অসিলায় (চাই), আমাকে আপনি জীবিত রাখুন সে-সময় পর্যন্ত, যে সময় পর্যন্ত জীবিত থাকা আপনার জ্ঞানে আমার জন্য কল্যাণকর; আর আমাকে মৃত্যু দিন যখন আপনি জানেন যে, মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট চাই গোপনে ও প্রকাশ্যে আপনাকে ভয় করা

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
بِعِلْمِكَ - আপনার জ্ঞান
الْغَيْبَ - গায়েবী
وَقُدْرَتِكَ - এবং আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার
عَلَى - উপর
الْخَلْقِ - সকল সৃষ্টির
أَحْيِنِيْ - আমাকে জীবিত রাখুন
مَا - যা
عَلِمْتَ - আপনার জ্ঞানে
الْحَيَاةَ - জীবিত থাকা
خَيْرًا - উত্তম
لِيْ، - আমার জন্য
وَتَوَفَّنِيْ - ও আমাকে মৃত্যু দিন
إِذَا - যা
عَلِمْتَ - আপনার জ্ঞানে
الْوَفَاةَ - মৃত্যু
خَيْرًا - উত্তম
لِيْ، - আমার জন্য
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
إِنِّيْ - নিশ্চয় আমি
أَسْأَلُكَ - আমি আপনার নিকট চাই
خَشْيَتَكَ - আপনাকে ভয় করা
فِيْ - এ
الْغَيْبِ - গোপন
وَالشَّهَادَةِ - ও প্রকাশ্যে

وَأَسْأَلُكَ كَلِمَةَ الْحَقِّ فِيْ الرِّضَا وَالْغَضَبِ، وَأَسْأَلُكَ الْقَصْدَ فِيْ الْغِنٰى وَالْفَقْرِ، وَأَسْأَلُكَ نَعِيْمًا لَا يَنْفَدُ، وَأَسْأَلُكَ قُرَّةَ عَيْنٍ لَا تَنْقَطِعُ، وَأَسْأَلُكَ الرِّضَا بَعْدَ الْقَضَاءِ

ওয়া আসআলুকা কালিমাতাল হাক্বক্বি ফির-রিদা ওয়াল-গাদাবি। ওয়া আসআলুকাল কাসদা ফিল গিনা ওয়াল ফাক্বরি, ওয়া আসআলুকা না‘ঈমান লা ইয়ানফাদু, ওয়া আসআলুকা ক্বুররতা আইনিন লা তানকাতি‘উ, ওয়া আস্আলুকার-রিদা বা‘দাল কাদায়ে,

আপনার নিকট চাই সন্তুষ্টি ও ক্রোধ উভয় অবস্থায় সত্য কথা বলা; আপনার নিকট চাই দারিদ্র্যে ও প্রাচুর্যে ভারসাম্যপূর্ণ (মধ্যম) পন্থা। আপনার নিকট চাই এমন নে‘আমত, যা কখনো শেষ হবে না; আপনার নিকট চাই এমন নয়নাভিরাম বস্তু, যা কখনো বিচ্ছিন্ন হবে না। আর আমি আপনার নিকট চাই (তাকদীরের) ফয়সালার পর সন্তোষ;

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
كَلِمَةَ - কথা বলা
الْحَقِّ - সত্য
فِيْ - মধ্যে
الرِّضَا - সন্তুষ্টির
وَالْغَضَبِ، - ও ক্রোধ
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
الْقَصْدَ - মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে
فِيْ - মধ্যে
الْغِنٰى - প্রাচুর্যের
وَالْفَقْرِ، - ও দারিদ্র্যে
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
نَعِيْمًا - নে‘আমত
لَا - না
يَنْفَدُ، - নি:শেষ হবে
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
قُرَّةَ - প্রশান্তি
عَيْنٍ - নয়নের
لَا - না
تَنْقَطِعُ، - কখনো বিচ্ছিন্ন হবে
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
الرِّضَا - সন্তোষ
بَعْدَ - পর
الْقَضَاءِ - (তাকদীরের) ফয়সালার

وَأَسْــــأَلُكَ بَرْدَ الْعَيْشِ بَعْدَ الْمَوْتِ، وَأَسْأَلُكَ لَذَّةَ النَّظَرِ إِلَى وَجْهِكَ، وَالشَّوْقَ إِلَى لِقائِكَ فِي غَيْرِ ضَرَّاءَ مُضِرَّةٍ، وَلَا فِتْنَةٍ مُضِلَّةٍ، اَللّٰهُمَّ زَيِّنَا بِزِيْنَةِ الْإِيْمَانِ، وَاجْعَلْنَا هُدَاةً مُهْتَدِيْنَ

ওয়া আসআলুকা বারদাল ‘আইশি বা‘দাল মাওতি, ওয়া আসআলুকা লাযযাতান-নাযারি ইলা ওয়াজহিকা, ওয়াশ-শাওক্বা ইলা লিক্বাইকা, ফী গাইরি দাররাআ মুদিররাতিন ওয়ালা ফিতনাতিম মুদিল্লাহ। আল্লা-হুম্মা যাইইন্না বিযীনাতিল ঈমানি ওয়াজ‘আলনা হুদাতাম মুহতাদীন

আমি আপনার নিকট চাই মৃত্যুর পর প্রশান্ত জীবন। আমি আপনার নিকট চাই আপনার চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাতের স্বাদ, আপনার নিকট চাই আপনার সাথে সাক্ষাৎ লাভের ব্যাকুলতা; এমন যে, তাতে থাকবে না কোনো ক্ষতিকর কষ্ট কিংবা ভ্রষ্টকারী ফেতনা। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে ঈমানের সৌন্দর্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন এবং আমাদেরকে হেদায়াত-প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক বানান

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَأَسْــــأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
بَرْدَ - প্রশান্ত/শীতল
الْعَيْشِ - জীবন
بَعْدَ - পর
الْمَوْتِ، - মৃত্যুর
وَأَسْأَلُكَ - এবং আমি আপনার নিকট চাই
لَذَّةَ - স্বাদ
النَّظَرِ - দৃষ্টিপাতের
إِلَى - প্রতি
وَجْهِكَ، - আপনার চেহারার
وَالشَّوْقَ - ও ব্যাকুলতা/আগ্রহ
إِلَى - প্রতি
لِقائِكَ - আপনার সাক্ষাৎ লাভের
فِي - এর মধ্যে
غَيْرِ - থাকবে না
ضَرَّاءَ - কষ্ট/বিপদ/দুর্দশা
مُضِرَّةٍ، - ক্ষতিকর
وَلَا - এবং না
فِتْنَةٍ - ফেতনা
مُضِلَّةٍ، - ভ্রষ্টকারী
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
زَيِّنَا - সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন
بِزِيْنَةِ - সৌন্দর্যে
الْإِيْمَانِ، - ঈমানের
وَاجْعَلْنَا - এবং আমাদেরকে করুন
هُدَاةً - পথপ্রদর্শন/পরিচালনা
مُهْتَدِيْنَ - (যারা) হেদায়াত/সুপথ প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক

রেফারেন্স: নাসাঈ ৩/৫৪, ৫৫, নং ১৩০৪; আহমাদ ৪/৩৬৪, নং ২১৬৬৬। আর শাইখ আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮১ তে একে সহীহ বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! بِعِلْمِكَ আপনার জ্ঞান الْغَيْبَ গায়েবী وَقُدْرَتِكَ এবং আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার عَلَى উপর الْخَلْقِ সকল সৃষ্টির أَحْيِنِيْ আমাকে জীবিত রাখুন مَا যা عَلِمْتَ আপনার জ্ঞানে الْحَيَاةَ জীবিত থাকা خَيْرًا উত্তম لِيْ، আমার জন্য وَتَوَفَّنِيْ ও আমাকে মৃত্যু দিন إِذَا যা عَلِمْتَ আপনার জ্ঞানে الْوَفَاةَ মৃত্যু خَيْرًا উত্তম لِيْ، আমার জন্য اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! إِنِّيْ নিশ্চয় আমি أَسْأَلُكَ আমি আপনার নিকট চাই خَشْيَتَكَ আপনাকে ভয় করা فِيْ الْغَيْبِ গোপন وَالشَّهَادَةِ ও প্রকাশ্যে

হে আল্লাহ! আপনার গায়েবী জ্ঞান এবং সকল সৃষ্টির উপর আপনার সার্বভৌম ক্ষমতার অসিলায় (চাই), আমাকে আপনি জীবিত রাখুন সে-সময় পর্যন্ত, যে সময় পর্যন্ত জীবিত থাকা আপনার জ্ঞানে আমার জন্য কল্যাণকর; আর আমাকে মৃত্যু দিন যখন আপনি জানেন যে, মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর। হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট চাই গোপনে ও প্রকাশ্যে আপনাকে ভয় করা

وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই كَلِمَةَ কথা বলা الْحَقِّ সত্য فِيْ মধ্যে الرِّضَا সন্তুষ্টির وَالْغَضَبِ، ও ক্রোধ وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই الْقَصْدَ মধ্যমপন্থা অবলম্বন করতে فِيْ মধ্যে الْغِنٰى প্রাচুর্যের وَالْفَقْرِ، ও দারিদ্র্যে وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই نَعِيْمًا নে‘আমত لَا না يَنْفَدُ، নি:শেষ হবে وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই قُرَّةَ প্রশান্তি عَيْنٍ নয়নের لَا না تَنْقَطِعُ، কখনো বিচ্ছিন্ন হবে وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই الرِّضَا সন্তোষ بَعْدَ পর الْقَضَاءِ (তাকদীরের) ফয়সালার

আপনার নিকট চাই সন্তুষ্টি ও ক্রোধ উভয় অবস্থায় সত্য কথা বলা; আপনার নিকট চাই দারিদ্র্যে ও প্রাচুর্যে ভারসাম্যপূর্ণ (মধ্যম) পন্থা। আপনার নিকট চাই এমন নে‘আমত, যা কখনো শেষ হবে না; আপনার নিকট চাই এমন নয়নাভিরাম বস্তু, যা কখনো বিচ্ছিন্ন হবে না। আর আমি আপনার নিকট চাই (তাকদীরের) ফয়সালার পর সন্তোষ;

وَأَسْــــأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই بَرْدَ প্রশান্ত/শীতল الْعَيْشِ জীবন بَعْدَ পর الْمَوْتِ، মৃত্যুর وَأَسْأَلُكَ এবং আমি আপনার নিকট চাই لَذَّةَ স্বাদ النَّظَرِ দৃষ্টিপাতের إِلَى প্রতি وَجْهِكَ، আপনার চেহারার وَالشَّوْقَ ও ব্যাকুলতা/আগ্রহ إِلَى প্রতি لِقائِكَ আপনার সাক্ষাৎ লাভের فِي এর মধ্যে غَيْرِ থাকবে না ضَرَّاءَ কষ্ট/বিপদ/দুর্দশা مُضِرَّةٍ، ক্ষতিকর وَلَا এবং না فِتْنَةٍ ফেতনা مُضِلَّةٍ، ভ্রষ্টকারী اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! زَيِّنَا সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন بِزِيْنَةِ সৌন্দর্যে الْإِيْمَانِ، ঈমানের وَاجْعَلْنَا এবং আমাদেরকে করুন هُدَاةً পথপ্রদর্শন/পরিচালনা مُهْتَدِيْنَ (যারা) হেদায়াত/সুপথ প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক

আমি আপনার নিকট চাই মৃত্যুর পর প্রশান্ত জীবন। আমি আপনার নিকট চাই আপনার চেহারার প্রতি দৃষ্টিপাতের স্বাদ, আপনার নিকট চাই আপনার সাথে সাক্ষাৎ লাভের ব্যাকুলতা; এমন যে, তাতে থাকবে না কোনো ক্ষতিকর কষ্ট কিংবা ভ্রষ্টকারী ফেতনা। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকে ঈমানের সৌন্দর্যে সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন এবং আমাদেরকে হেদায়াত-প্রাপ্ত পথপ্রদর্শক বানান

রেফারেন্স: নাসাঈ ৩/৫৪, ৫৫, নং ১৩০৪; আহমাদ ৪/৩৬৪, নং ২১৬৬৬। আর শাইখ আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮১ তে একে সহীহ বলেছেন।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৯

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #৯

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ يَا اَللّٰهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ، أَنْ تَغْفِرَ لِيْ ذُنُوبِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِّيْمُ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা ইয়া আল্লা-হু বিআন্নাকাল ওয়া-হিদুল আহাদুস্ সমাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইয়ূলাদ ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফূওয়ান আহাদ, আন্ তাগফিরালী যুনূবী, ইন্নাকা আনতাল গাফূরুর রহীম

হে আল্লাহ! আপনিই একক, অদ্বিতীয়, অমুখাপেক্ষী; যিনি জন্ম দেন নি, জন্ম নেনও নি; আর যার সমকক্ষ কেউ নেই। তাই হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই, যেন আপনি আমার সকল গুনাহ্‌ ক্ষমা করে দেন; নিশ্চয় আপনি অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু

রেফারেন্স: নাসাঈ ৩/৫২, নং ১৩০০; শব্দ তাঁরই, আহমাদ ৪/৩৩৮, নং ১৮৯৭। আর আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ يَا اَللّٰهُ بِأَنَّكَ الْوَاحِدُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ، وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ، أَنْ تَغْفِرَ لِيْ ذُنُوبِيْ إِنَّكَ أَنْتَ الْغَفُوْرُ الرَّحِّيْمُ

হে আল্লাহ! আপনিই একক, অদ্বিতীয়, অমুখাপেক্ষী; যিনি জন্ম দেন নি, জন্ম নেনও নি; আর যার সমকক্ষ কেউ নেই। তাই হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই, যেন আপনি আমার সকল গুনাহ্‌ ক্ষমা করে দেন; নিশ্চয় আপনি অতীব ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু

রেফারেন্স: নাসাঈ ৩/৫২, নং ১৩০০; শব্দ তাঁরই, আহমাদ ৪/৩৩৮, নং ১৮৯৭। আর আলবানী সহীহুন নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১০

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১০

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيْعَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্না লাকাল হামদু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা ওয়াহদাকা লা শারীকা লাকাল মান্না-নু, ইয়া বাদী‘আস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল-আরদী, ইয়া যালজালা-লি ওয়াল-ইকরা-ম। ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যূমু, ইন্নী আসআলুকাল্ জান্নাতা ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনান্না-র

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্তার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ সকলে সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪৯৫; তিরমিযী, নং ৩৫৪৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৫৮; নাসাঈ, নং ১২৯৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৯।

আনাস (রা) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ (স) এর সাথে বৃত্তাকারে বসে ছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি সালাত আদায় করছিল। সে সালাতের তাশাহহুদের পরে দু‘আর মধ্যে উপরের কথাগুলো বলল। তখন রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: “নিশ্চয় সে আল্লাহ্‌র কাছে তাঁর ইসমে আ’যম ধরে দু‘আ করেছে, যে নামে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নামে চাইলে তিনি প্রদান করেন।” হাদীসটির সনদ সহীহ।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنَّ لَكَ الْحَمْدَ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ وَحْدَكَ لَا شَرِيْكَ لَكَ، الْمَنَّانُ، يَا بَدِيْعَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالْإِكْرَامِ، يَا حَيُّ يَا قَيُّوْمُ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই; কারণ, সকল প্রশংসা আপনার, কেবলমাত্র আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই, আপনার কোনো শরীক নেই, সীমাহীন অনুগ্রহকারী; হে আসমানসমূহ ও যমীনের অভিনব স্রষ্টা! হে মহিমাময় ও মহানুভব! হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী-সর্বসত্তার ধারক! আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই।

রেফারেন্স: হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ সকলে সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, নং ১৪৯৫; তিরমিযী, নং ৩৫৪৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮৫৮; নাসাঈ, নং ১২৯৯। আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ, ২/৩২৯।

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১১

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১১

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنِّيْ أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বিআন্নী আশ্‌হাদু আন্নাকা আনতাল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা আনতাল আহাদুস সামাদুল্লাযী লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইয়ূলাদ ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই। কেননা, আমি সাক্ষ্য দেই যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই; আপনি একক সত্তা, অমুখাপেক্ষী—সকল কিছু আপনার মুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেন নি এবং জন্ম নেনও নি। আর যাঁর সমকক্ষ কেউ নেই

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৬২, নং ১৪৯৩; তিরমিযী ৫/৫১৫, নং ৩৪৭৫; ইবন মাজাহ, ২/১২৬৭, নং ৩৮৫৭; নাসাঈ, নং ১৩০০, আর শব্দ তাঁরই; আহমাদ নং ১৮৯৭৪ আর শাইখ আলবানী সহীহ নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন। তাছাড়া আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ২/৩২৯; সহীহ আত-তিরমিযী, ৩/১৬৩

বুরাইদাহ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) দেখেন যে, এক ব্যক্তি সালাতরত অবস্থায় দু‘আয় উপরের কথাগুলো বলছে। তখন তিনি বলেন : “যার হাতে আমার জীবন তাঁর শপথ, নিশ্চয় এ ব্যক্তি আল্লাহ্‌র কাছে তাঁর ইসমু আ’যম ধরে প্রার্থনা করেছে, যে নাম ধরে ডাকলে তিনি সাড়া দেন এবং যে নাম ধরে চাইলে তিনি প্রদান করেন।” হাদীসটি সহীহ।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ بِأَنِّيْ أَشْهَدُ أَنَّكَ أَنْتَ اللّٰهُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِيْ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُوْلَدْ وَلَمْ يَكُنْ لَّهُ كُفُوًا أَحَدٌ

হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে চাই। কেননা, আমি সাক্ষ্য দেই যে, নিশ্চয় আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই; আপনি একক সত্তা, অমুখাপেক্ষী—সকল কিছু আপনার মুখাপেক্ষী, যিনি কাউকে জন্ম দেন নি এবং জন্ম নেনও নি। আর যাঁর সমকক্ষ কেউ নেই

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৬২, নং ১৪৯৩; তিরমিযী ৫/৫১৫, নং ৩৪৭৫; ইবন মাজাহ, ২/১২৬৭, নং ৩৮৫৭; নাসাঈ, নং ১৩০০, আর শব্দ তাঁরই; আহমাদ নং ১৮৯৭৪ আর শাইখ আলবানী সহীহ নাসাঈ ১/২৮০ তে একে সহীহ বলেছেন। তাছাড়া আরও দেখুন, সহীহ ইবন মাজাহ ২/৩২৯; সহীহ আত-তিরমিযী, ৩/১৬৩

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১২

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১২

اَللّٰهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوْبِنَا وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ وَنَجِّنَا مِنْ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوْرِ وَجَنِّبْنَا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَبَارِكْ لَنَا فِيْ أَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُلُوْبِنَا وَأَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ وَاجْعَلْنَا شَاكِرِيْنَ لِنِعْمَتِكَ مُثْنِيْنَ بِهَا قَابِلِيْهَا وَأَتِمَّهَا

আল্লা-হুম্মা, আল্লিফ বাইনা কুলুবিনা-, ওয়া আসলি‘হ যা-তা বাইনিনা-, ওয়াহ্দিনা- সুবুলাস সালা-ম, ওয়া নাজ্জিনা- মিনায যুলুমা-তি ইলান নূর। ওয়া জান্নিবনাল ফাওয়া-‘িহশা মা যাহারা মিনহা- ওয়া মা- বাতান। ওয়া বা-রিক লানা- ফী আসমা-‘ইনা-, ওয়া আবসা-রিনা-, ওয়া কুলুবিনা-, ওয়া আযওয়া-জিনা, ওয়া যুররিয়্যা-তিনা-। ওয়া তুব ‘আলাইনা-, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। ওয়াজ্ ‘আলনা- শা-কিরীনা লিনি’মাতিকা, মুসনীনা বিহা- কাবিলীহা, ওয়া আতমিমহা- ‘আলাইনা-।

হে আল্লাহ, আপনি আমাদের অন্তরের মধ্যে পরস্পরের প্রতি ভালবাসা ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দিন। আপনি আমাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্য প্রদান করুন। আপনি আমাদেরকে শান্তির পথে পরিচালিত করুন, আমাদেরকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করে আলোয় নিয়ে আসুন, আমাদেরকে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করুন। আপনি আমাদের শ্রবণযন্ত্রে, আমাদের দৃষ্টিশক্তিতে, আমাদের অন্তরে, আমাদের দাম্পত্য সঙ্গীগণের মধ্যে এবং আমাদের সন্তানগণের মধ্যে বরকত প্রদান করুন। আপনি আমাদের তওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি তওবা কবুলকারী পরম করুণাময়। আপনি আমাদেরকে আপনার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায়ের, নিয়ামতের জন্য আপনার প্রশংসা করার এবং নিয়ামতকে সসম্মানে গ্রহণ করার তাওফীক প্রদান করুন এবং আপনি আমাদের জন্য প্রদত্ত আপনার নিয়ামতকে পূর্ণ করুন।

রেফারেন্স: [১]আবু দাঊদ (কিতাবুস সালাত,বাবুত তাশাহহুদ) ১/২৫২, নং ৯৬৯ (ভা ১/১৩৯) মুসতাদরাক হাকিম ১/৩৯৭, মাওয়ারিদুয যামআন ৮/৭৪,জামিউল উসূল ৪/২০৫-২০৬; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬৬

আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) আমাদেরকে তাশাহহুদের পরে দু‘আর এ বাক্যগুলো শেখাতেন। হাদীসটির সনদ সহীহ।

اَللّٰهُمَّ أَلِّفْ بَيْنَ قُلُوْبِنَا وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ وَنَجِّنَا مِنْ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّوْرِ وَجَنِّبْنَا الْفَوَاحِشَ مَا ظَهَرَ مِنْهَا وَمَا بَطَنَ وَبَارِكْ لَنَا فِيْ أَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُلُوْبِنَا وَأَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا وَتُبْ عَلَيْنَا إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ وَاجْعَلْنَا شَاكِرِيْنَ لِنِعْمَتِكَ مُثْنِيْنَ بِهَا قَابِلِيْهَا وَأَتِمَّهَا

হে আল্লাহ, আপনি আমাদের অন্তরের মধ্যে পরস্পরের প্রতি ভালবাসা ও সম্প্রীতি সৃষ্টি করে দিন। আপনি আমাদের মধ্যে সুসম্পর্ক ও সৌহার্দ্য প্রদান করুন। আপনি আমাদেরকে শান্তির পথে পরিচালিত করুন, আমাদেরকে অন্ধকার থেকে মুক্ত করে আলোয় নিয়ে আসুন, আমাদেরকে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল অশ্লীলতা থেকে রক্ষা করুন। আপনি আমাদের শ্রবণযন্ত্রে, আমাদের দৃষ্টিশক্তিতে, আমাদের অন্তরে, আমাদের দাম্পত্য সঙ্গীগণের মধ্যে এবং আমাদের সন্তানগণের মধ্যে বরকত প্রদান করুন। আপনি আমাদের তওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি তওবা কবুলকারী পরম করুণাময়। আপনি আমাদেরকে আপনার নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা আদায়ের, নিয়ামতের জন্য আপনার প্রশংসা করার এবং নিয়ামতকে সসম্মানে গ্রহণ করার তাওফীক প্রদান করুন এবং আপনি আমাদের জন্য প্রদত্ত আপনার নিয়ামতকে পূর্ণ করুন।

রেফারেন্স: [১]আবু দাঊদ (কিতাবুস সালাত,বাবুত তাশাহহুদ) ১/২৫২, নং ৯৬৯ (ভা ১/১৩৯) মুসতাদরাক হাকিম ১/৩৯৭, মাওয়ারিদুয যামআন ৮/৭৪,জামিউল উসূল ৪/২০৫-২০৬; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬৬

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১৩

সালামের আগে শেষ তাশাহহুদের পরের দো‘আ #১৩

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌٌ ﷺ) وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌ ﷺ)، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَسْأَلُكَ مَا قَضَيْتَ لِيْ مِنْ أَمْرٍ أَنْ تَجْعَلَ عَاقِبَتَهُ رَشَدًا

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা মিনাল খাইরি কুল্লিহী, ‘আ-জিলিহী ওয়া আজিলিহী, মা- ‘আলিম্তু মিন্হু ওয়ামা- লাম্ আ‘অ্লাম। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনাশ্ র্শারি কুল্লিহী মা- ‘আলিম্তু মিন্হু ওয়ামা- লাম্ আ‘অ্লাম।। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা মিন খাইরি মা- সাআলাকা ‘আব্দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা (মুহাম্মাদুন ), ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন র্শারি মা ‘আ-যা বিহী ‘আব্দুকা ওয়া নাবিয়্যুকা (মুহাম্মাদুন )। আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকাল জান্নাতা ওয়ামা- র্ক্বারাবা ইলাইহা- মিন ক্বাওলিন আও ‘আমাল। ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিনান না-রি ওয়ামা- র্ক্বারাবা ইলাইহা মিন ক্বাওলিন আও ‘আমাল। ওয়া আস্আলুকা মা- ক্বাদ্বাইতা লী মিন আম্রিন আন তাজ্‘আলা ‘আ-ক্বিবাতাহু রাশাদান।

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই সকল কল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী কল্যাণ, দূরবর্তী কল্যাণ, আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অকল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী অকল্যাণ, দূরবর্তী অকল্যাণ, আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে সে সকল কল্যাণ চাই যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন আপনার কাছে আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সে সকল অকল্যাণ থেকে যে সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটে নিয়ে যায় এরূপ সকল কথা বা কাজের তাওফীক। এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নাম থেকে এবং সেই সব কথা বা কাজ থেকে যা জাহান্নামের কাছে নিয়ে যায়। আর আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি যে, আপনি আমার জন্য যা কিছু ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন সব কিছুর চূড়ান্ত পরিণতি আমার জন্য মঙ্গলময় কল্যাণকর করে দিন।

রেফারেন্স: [১]ইবনু মাজাহ ২/১২৬৪ (ভা ১/২৭৩); সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১৫০; মুসতাদরাক হাকিম ১/৭০২;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১৪২-১৪৩,২৩২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৭১ হাদিসটির সব বর্ণনাই সহীহ।

আয়েশা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) তাঁকে এ দু‘আটি শিক্ষা দেন। অন্য বর্ণনায় তিনি বলেন, তিনি সালাতে রত ছিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তুমি পূর্ণ বাক্যাবলি ব্যবহার করবে। সালাতের পরে তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি তাকে এ দুআটি শিখিয়ে দেন। অন্য হাদীসে ইবনু মাসঊদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) তাশাহ্হুদের পরে পাঠের জন্য এ প্রকারের দু‘আ শিক্ষা দেন।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنَ الْخَيْرِ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ الشَّرِّ كُلِّهِ عَاجِلِهِ وَآجِلِهِ مَا عَلِمْتُ مِنْهُ وَمَا لَمْ أَعْلَمْ، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌٌ ﷺ) وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا عَاذَ بِهِ عَبْدُكَ وَنَبِيُّكَ (مُحَمَّدٌ ﷺ)، اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنَ النَّارِ وَمَا قَرَّبَ إِلَيْهَا مِنْ قَوْلٍ أَوْ عَمَلٍ وَأَسْأَلُكَ مَا قَضَيْتَ لِيْ مِنْ أَمْرٍ أَنْ تَجْعَلَ عَاقِبَتَهُ رَشَدًا

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই সকল কল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী কল্যাণ, দূরবর্তী কল্যাণ, আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে কল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। আর আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি সকল অকল্যাণ থেকে: নিকটবর্তী অকল্যাণ, দূরবর্তী অকল্যাণ, আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত আছি এবং আমি যে অকল্যাণ সম্পর্কে অবগত নই। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে সে সকল কল্যাণ চাই যে সকল কল্যাণ চেয়েছেন আপনার কাছে আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই সে সকল অকল্যাণ থেকে যে সকল অকল্যাণ থেকে আপনার আশ্রয় চেয়েছেন আপনার বান্দা এবং আপনার নবী (মুহাম্মাদ )। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই জান্নাত এবং জান্নাতের নিকটে নিয়ে যায় এরূপ সকল কথা বা কাজের তাওফীক। এবং আমি আপনার আশ্রয় চাই জাহান্নাম থেকে এবং সেই সব কথা বা কাজ থেকে যা জাহান্নামের কাছে নিয়ে যায়। আর আমি আপনার নিকট প্রার্থনা করি যে, আপনি আমার জন্য যা কিছু ভাগ্য নির্ধারণ করেছেন সব কিছুর চূড়ান্ত পরিণতি আমার জন্য মঙ্গলময় কল্যাণকর করে দিন।

রেফারেন্স: [১]ইবনু মাজাহ ২/১২৬৪ (ভা ১/২৭৩); সহীহ ইবনু হিব্বান ৩/১৫০; মুসতাদরাক হাকিম ১/৭০২;হাইসামী,মাজমাউয যাওয়াইদ ২/১৪২-১৪৩,২৩২; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৭১ হাদিসটির সব বর্ণনাই সহীহ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px