📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সালাতের শুরুতে দো‘আ

📄 সালাতের শুরুতে দো‘আ


সালাতের শুরুতে দো‘আ #১

সালাতের শুরুতে দো‘আ #১

আবু হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) সালাতে দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমার পরে কিরা’আতের করার আগে অল্প সময় চুপ করে থাকতেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবানি হোক, আপনি তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাআতের মধ্যবর্তী সময়ে নীরব থাকেন, এ সময়ে আপনি কী বলেন? তিনি বললেন, আমি এ সময়ে বলি:

اَللّٰهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِيْ وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اَللّٰهُمَّ نَقِّنِيْ مِنْ خَطَايَايَ كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اَللّٰهُمَّ اغْسِلْنِيْ مِنْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ

আল্লা-হুম্মা বা-‘ইদ বাইনী ওয়া বাইনা খাত্বা-ইয়া-ইয়া কামা বা-‘আদতা বাইনাল মাশরিক্বি ওয়াল মাগরিব। আল্লা-হুম্মা নাক্বক্বিনী মিন খাত্বা-ইয়া-ইয়া কামা ইয়ুনাক্কাস্ ছাওবুল আবইয়াদু মিনাদ দানাসি। আল্লা-হুম্মাগসিলনী মিন খাত্বা-ইয়া-ইয়া বিল মা-’ই ওয়াস সালজি ওয়াল বারাদ

হে আল্লাহ! আপনি আমার এবং আমার গুনাহসমূহের মধ্যে এমন দূরত্ব সৃষ্টি করুন যেরূপ দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আমার গুনাহসমূহ থেকে এমন পরিষ্কার করে দিন, যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আমার পাপসমূহ থেকে বরফ, পানি ও মেঘের শিলাখণ্ড দ্বারা ধৌত করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী ১/১৮১, নং ৭৪৪; মুসলিম ১/৪১৯, নং ৫৯৮।

আবু হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) সালাতে দাঁড়িয়ে তাকবীরে তাহরীমার পরে কিরা’আতের করার আগে অল্প সময় চুপ করে থাকতেন। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল, আমার পিতামাতা আপনার জন্য কুরবানি হোক, আপনি তাকবীরে তাহরীমা ও কিরাআতের মধ্যবর্তী সময়ে নীরব থাকেন, এ সময়ে আপনি কী বলেন? তিনি বললেন, আমি এ সময়ে বলি:

اَللّٰهُمَّ بَاعِدْ بَيْنِيْ وَبَيْنَ خَطَايَايَ كَمَا بَاعَدْتَ بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، اَللّٰهُمَّ نَقِّنِيْ مِنْ خَطَايَايَ كَمَا يُنَقَّى الثَّوْبُ الْأَبْيَضُ مِنَ الدَّنَسِ، اَللّٰهُمَّ اغْسِلْنِيْ مِنْ خَطَايَايَ بِالْمَاءِ وَالثَّلْجِ وَالْبَرَدِ

হে আল্লাহ! আপনি আমার এবং আমার গুনাহসমূহের মধ্যে এমন দূরত্ব সৃষ্টি করুন যেরূপ দূরত্ব সৃষ্টি করেছেন পূর্ব ও পশ্চিমের মধ্যে। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আমার গুনাহসমূহ থেকে এমন পরিষ্কার করে দিন, যেমন সাদা কাপড় ময়লা থেকে পরিষ্কার করা হয়। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে আমার পাপসমূহ থেকে বরফ, পানি ও মেঘের শিলাখণ্ড দ্বারা ধৌত করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী ১/১৮১, নং ৭৪৪; মুসলিম ১/৪১৯, নং ৫৯৮।

সালাতের শুরুতে দো‘আ #২

সালাতের শুরুতে দো‘আ #২

سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَتَعَالَى جَدُّكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা ওয়া তাবা-রাকাসমুকা ওয়া তা‘আ-লা জাদ্দুকা ওয়া লা- ইলা-হা গাইরুকা

হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসাসহ আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আপনার নাম বড়ই বরকতময়, আপনার প্রতিপত্তি অতি উচ্চ। আর আপনি ব্যতীত অন্য কোনো হক্ব ইলাহ্‌ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিম, নং ৩৯৯; আর সুনান গ্রন্থকার চারজন। আবু দাউদ, নং ৭৭৫; তিরমিযী, নং ২৪৩; ইবন মাজাহ্‌, নং ৮০৬; নাসাঈ, নং ৮৯৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ১/৭৭; সহীহ ইবন মাজাহ্ ১/১৩৫।

سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَتَعَالَى جَدُّكَ، وَلَا إِلٰهَ غَيْرُكَ

হে আল্লাহ! আপনার প্রশংসাসহ আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আপনার নাম বড়ই বরকতময়, আপনার প্রতিপত্তি অতি উচ্চ। আর আপনি ব্যতীত অন্য কোনো হক্ব ইলাহ্‌ নেই।

রেফারেন্স: মুসলিম, নং ৩৯৯; আর সুনান গ্রন্থকার চারজন। আবু দাউদ, নং ৭৭৫; তিরমিযী, নং ২৪৩; ইবন মাজাহ্‌, নং ৮০৬; নাসাঈ, নং ৮৯৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ১/৭৭; সহীহ ইবন মাজাহ্ ১/১৩৫।

সালাতের শুরুতে দো‘আ #৩

সালাতের শুরুতে দো‘আ #৩

وَجَّهْتُ وَجْهِيَ لِلَّذِيْ فَطَرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ حَنِيْفًا وَّمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ، إِنَّ صَلاَتِيْ، وَنُسُكِيْ، وَمَحْيَايَ، وَمَمَاتِيْ لِلّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ، لَا شَرِيْكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَا مِنَ الْمُسْلِمِيْنَ

ওয়াজ্জাহ্‌তু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাত্বারাস্ সামা-ওয়াতি ওয়াল আরদ্বা হানীফাও ওয়ামা আনা মিনাল মুশরিকীন। ইন্না সালা-তী, ওয়া নুসুকী ওয়া মাহইয়া-ইয়া ওয়া মামা-তী লিল্লা-হি রাব্বিল ‘আ-লামীন। লা শারীকা লাহু ওয়াবিযা-লিকা উমিরতু ওয়া আনা মিনাল মুসলিমীন।

যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন আমি একনিষ্টভাবে আমার মুখমণ্ডল তাঁর দিকেই ফিরালাম, আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। নিশ্চয় আমার সালাত, আমার কুরবানী বা যাবতীয় ইবাদাত, আমার জীবন ও আমার মরণ সৃষ্টিকুলের রব্ব আল্লাহ্‌র জন্য। তাঁর কোনো শরীক নেই। আর আমি এরই আদেশ প্রাপ্ত হয়েছি এবং আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَجَّهْتُ - আমি ফিরালাম
وَجْهِيَ - আমার মুখমণ্ডল
لِلَّذِيْ - তাঁর দিকেই যিনি
فَطَرَ - সৃষ্টি করেছেন
السَّمَاوَاتِ - আসমানসমূহ
وَالْأَرْضَ - ও যমীন
حَنِيْفًا - একনিষ্টভাবে
وَّمَا - এবং নই
أَنَا - আমি
مِنَ - অন্তর্ভুক্ত
الْمُشْرِكِيْنَ، - মুশরিকদের
إِنَّ - নিশ্চয়
صَلاَتِيْ، - আমার স্বালাত
وَنُسُكِيْ، - আমার কুরবানী/ইবাদত
وَمَحْيَايَ، - ও আমার জীবন
وَمَمَاتِيْ - ও আমার মরণ
لِلّٰهِ - আল্লাহ্‌র জন্য
رَبِّ - রব্ব
الْعَالَمِيْنَ، - সৃষ্টিকুলের
لَا - নাই
شَرِيْكَ - অংশীদার
لَهُ - তাঁর
وَبِذَلِكَ - এবং এরই সাথে
أُمِرْتُ - আমি আদেশ প্রাপ্ত হয়েছি
وَأَنَا - এবং আমি
مِنَ - অন্তর্ভুক্ত
الْمُسْلِمِيْنَ - মুসলিমদের

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম, ৭৭১। বইঃ ৬ মুসাফিরের সালাত ও কসর। অধ্যায়ঃ ২৬। রাত্রিকালীন সালাত ও কিয়ামের দুআ

اَللّٰهُمَّ أَنْتَ الْمَلِكُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، أَنْتَ رَبِّيْ وَأَنَا عَبْدُكَ، ظَلَمْتُ نَفْسِيْ، وَاعْتَرَفْتُ بِذَنْبِيْ، فَاغْفِرْ لِيْ ذُنُوْبِيْ جَمِيْعًا، إِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوْبَ إِلَّا أَنْتَ، وَاهْدِنِيْ لِأَحْسَنِ الْأَخْلَاقِ لَا يَهْدِيْ لِأَحْسَنِهَا إِلَّا أَنْتَ وَاصْرِفْ عَنِّيْ سَيِّئَهَا لَا يَصْرِفُ عَنِّيْ سَيِّئَهَا إِلَّا أَنْتَ

আল্লা-হুম্মা আনতাল মালিকু লা ইলা-হা ইল্লা আনতা, আনতা রব্বী ওয়া আনা ‘আবদুকা। যালামতু নাফসী ওয়া‘তারাফতু বিযাম্বী। ফাগফির লী যুনূবী জামী‘আন ইন্নাহু লা- ইয়াগফিরুয্ যুনূবা ইল্লা আনতা। ওয়াহদিনী লিআহসানিল আখলা-ক্বি, লা ইয়াহ্‌দী লিআহ্‌সানিহা ইল্লা আনতা। ওয়াসরিফ ‘আন্নী সায়্যিআহা লা ইয়াসরিফু সায়্যিআহা ইল্লা আনতা।

হে আল্লাহ! আপনিই অধিপতি, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমার রব্ব, আমি আপনার বান্দা। আমি আমার নিজের প্রতি অন্যায় করেছি এবং আমি আমার পাপসমূহ স্বীকার করছি। সুতরাং আপনি আমার সমুদয় গুনাহ মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করতে পারে না। আর আপনি আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করুন, আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করতে পারে না। আর আপনি আমার থেকে আমার খারাপ চরিত্রগুলো দূরীভূত করুন, আপনি ব্যতীত আর কেউ সে খারাপ চরিত্রগুলো অপসারিত করতে পারে না।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ
أَنْتَ - আপনিই
الْمَلِكُ - অধিপতি
لَا - নেই
إِلَهَ - কোনো ইলাহ
إِلَّا - ব্যতীত
أَنْتَ، - আপনি
أَنْتَ - আপনি
رَبِّيْ - আমার রব্ব
وَأَنَا - এবং আমি
عَبْدُكَ، - আপনার বান্দা
ظَلَمْتُ - অন্যায় করেছি
نَفْسِيْ، - নিজের প্রতি
وَاعْتَرَفْتُ - এবং স্বীকার করছি
بِذَنْبِيْ، - আমার পাপসমূহ
فَاغْفِرْ - অতএব ক্ষমা করুন
لِيْ - আমাকে
ذُنُوْبِيْ - আমার গুনাহসমূহ
جَمِيْعًا، - সমুদয়
إِنَّهُ - নিশ্চয়
لَا - (কেউ) না
يَغْفِرُ - ক্ষমা করবে
الذُّنُوْبَ - পাপরাশি
إِلَّا - ছাড়া
أَنْتَ، - আপনি
وَاهْدِنِيْ - এবং আমাকে পরিচালিত করুন
لِأَحْسَنِ - সর্বোত্তম
الْأَخْلَاقِ - যোগ্য চরিত্রের পথে
لَا - না (কেউ)
يَهْدِيْ - পরিচালিত করতে পারে
لِأَحْسَنِهَا - আমাকে সর্বোত্তম পথে
إِلَّا - ছাড়া
أَنْتَ - আপনি
وَاصْرِفْ - ও দূরীভূত করুন
عَنِّيْ - আমার থেকে
سَيِّئَهَا - আমার খারাপগুলো
لَا - না (কেউ)
يَصْرِفُ - অপসারিত করতে পারে
عَنِّيْ - আমার থেকে
سَيِّئَهَا - আমার খারাপগুলো
إِلَّا - ব্যতীত
أَنْتَ - আপনি

لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ كُلُّهُفِيْ يَدَيْكَ، وَالشَّرُّ لَيْسَ إِلَيْكَ، أَنَا بِكَ وَإِلَيْكَ، تَبَارَكْتَ وَتَعَالَيْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ

লাববাইকা ওয়া সা‘দাইকা ওয়াল-খাইরু কুল্লুহু বিয়াদাইকা, ওয়াশশাররু লাইসা ইলাইকা। আনা বিকা ওয়া ইলাইকা, তাবা-রাক্তা ওয়া তা‘আ-লাইতা। আসতাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা

আমি আপনার হুকুম মানার জন্য সদা-সর্বদা হাজির, সকল কল্যাণই আপনার দু’ হাতে নিহিত। অকল্যাণ আপনার দিকে নয় (অর্থাৎ মন্দকে আপনার দিকে সম্পৃক্ত করা উচিত নয়, অথবা মন্দ দ্বারা আপনার নিকটবর্তী হওয়া যায় না, বা মন্দ আপনার দিকে উঠে না)। আমি আপনার দ্বারাই (প্রতিষ্ঠিত আছি, সহযোগিতা পেয়ে থাকি) এবং আপনার দিকেই (আমার সকল প্রবণতা, বা আমার প্রত্যাবর্তন)। আপনি বরকতময় এবং আপনি সুঊচ্চ। আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই এবং আপনার কাছে তাওবাহ্‌ করছি।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَبَّيْكَ - আমি হাজির
وَسَعْدَيْكَ - আপনার হুকুম মানার জন্য
وَالْخَيْرُ - এবং কল্যাণই
كُلُّهُفِيْ - সকল
يَدَيْكَ، - আপনার দু’ হাতে নিহিত
وَالشَّرُّ - এবং অকল্যাণ
لَيْسَ - নয়
إِلَيْكَ، - আপনার দিকে
أَنَا - আমি
بِكَ - আপনার দ্বারাই
وَإِلَيْكَ، - এবং আপনার দিকেই
تَبَارَكْتَ - আপনি বরকতময়
وَتَعَالَيْتَ، - ও আপনি সুঊচ্চ
أَسْتَغْفِرُكَ - আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই
وَأَتُوْبُ - এবং তাওবাহ্‌ করছি
إِلَيْكَ - আপনার কাছে

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১

وَجَّهْتُ আমি ফিরালাম وَجْهِيَ আমার মুখমণ্ডল لِلَّذِيْ তাঁর দিকেই যিনি فَطَرَ সৃষ্টি করেছেন السَّمَاوَاتِ আসমানসমূহ وَالْأَرْضَ ও যমীন حَنِيْفًا একনিষ্টভাবে وَّمَا এবং নই أَنَا আমি مِنَ অন্তর্ভুক্ত الْمُشْرِكِيْنَ، মুশরিকদের إِنَّ নিশ্চয় صَلاَتِيْ، আমার স্বালাত وَنُسُكِيْ، আমার কুরবানী/ইবাদত وَمَحْيَايَ، ও আমার জীবন وَمَمَاتِيْ ও আমার মরণ لِلّٰهِ আল্লাহ্‌র জন্য رَبِّ রব্ব الْعَالَمِيْنَ، সৃষ্টিকুলের لَا নাই شَرِيْكَ অংশীদার لَهُ তাঁর وَبِذَلِكَ এবং এরই সাথে أُمِرْتُ আমি আদেশ প্রাপ্ত হয়েছি وَأَنَا এবং আমি مِنَ অন্তর্ভুক্ত الْمُسْلِمِيْنَ মুসলিমদের

যিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছেন আমি একনিষ্টভাবে আমার মুখমণ্ডল তাঁর দিকেই ফিরালাম, আর আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই। নিশ্চয় আমার সালাত, আমার কুরবানী বা যাবতীয় ইবাদাত, আমার জীবন ও আমার মরণ সৃষ্টিকুলের রব্ব আল্লাহ্‌র জন্য। তাঁর কোনো শরীক নেই। আর আমি এরই আদেশ প্রাপ্ত হয়েছি এবং আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।

রেফারেন্স: সহিহ মুসলিম, ৭৭১। বইঃ ৬ মুসাফিরের সালাত ও কসর। অধ্যায়ঃ ২৬। রাত্রিকালীন সালাত ও কিয়ামের দুআ

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ أَنْتَ আপনিই الْمَلِكُ অধিপতি لَا নেই إِلَهَ কোনো ইলাহ إِلَّا ব্যতীত أَنْتَ، আপনি أَنْتَ আপনি رَبِّيْ আমার রব্ব وَأَنَا এবং আমি عَبْدُكَ، আপনার বান্দা ظَلَمْتُ অন্যায় করেছি نَفْسِيْ، নিজের প্রতি وَاعْتَرَفْتُ এবং স্বীকার করছি بِذَنْبِيْ، আমার পাপসমূহ فَاغْفِرْ অতএব ক্ষমা করুন لِيْ আমাকে ذُنُوْبِيْ আমার গুনাহসমূহ جَمِيْعًا، সমুদয় إِنَّهُ নিশ্চয় لَا (কেউ) না يَغْفِرُ ক্ষমা করবে الذُّنُوْبَ পাপরাশি إِلَّا ছাড়া أَنْتَ، আপনি وَاهْدِنِيْ এবং আমাকে পরিচালিত করুন لِأَحْسَنِ সর্বোত্তম الْأَخْلَاقِ যোগ্য চরিত্রের পথে لَا না (কেউ) يَهْدِيْ পরিচালিত করতে পারে لِأَحْسَنِهَا আমাকে সর্বোত্তম পথে إِلَّا ছাড়া أَنْتَ আপনি وَاصْرِفْ ও দূরীভূত করুন عَنِّيْ আমার থেকে سَيِّئَهَا আমার খারাপগুলো لَا না (কেউ) يَصْرِفُ অপসারিত করতে পারে عَنِّيْ আমার থেকে سَيِّئَهَا আমার খারাপগুলো إِلَّا ব্যতীত أَنْتَ আপনি

হে আল্লাহ! আপনিই অধিপতি, আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আপনি আমার রব্ব, আমি আপনার বান্দা। আমি আমার নিজের প্রতি অন্যায় করেছি এবং আমি আমার পাপসমূহ স্বীকার করছি। সুতরাং আপনি আমার সমুদয় গুনাহ মাফ করে দিন। নিশ্চয় আপনি ছাড়া আর কেউ গুনাহসমূহ মাফ করতে পারে না। আর আপনি আমাকে সর্বোত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করুন, আপনি ছাড়া আর কেউ উত্তম চরিত্রের পথে পরিচালিত করতে পারে না। আর আপনি আমার থেকে আমার খারাপ চরিত্রগুলো দূরীভূত করুন, আপনি ব্যতীত আর কেউ সে খারাপ চরিত্রগুলো অপসারিত করতে পারে না।

لَبَّيْكَ আমি হাজির وَسَعْدَيْكَ আপনার হুকুম মানার জন্য وَالْخَيْرُ এবং কল্যাণই كُلُّهُفِيْ সকল يَدَيْكَ، আপনার দু’ হাতে নিহিত وَالشَّرُّ এবং অকল্যাণ لَيْسَ নয় إِلَيْكَ، আপনার দিকে أَنَا আমি بِكَ আপনার দ্বারাই وَإِلَيْكَ، এবং আপনার দিকেই تَبَارَكْتَ আপনি বরকতময় وَتَعَالَيْتَ، ও আপনি সুঊচ্চ أَسْتَغْفِرُكَ আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই وَأَتُوْبُ এবং তাওবাহ্‌ করছি إِلَيْكَ আপনার কাছে

আমি আপনার হুকুম মানার জন্য সদা-সর্বদা হাজির, সকল কল্যাণই আপনার দু’ হাতে নিহিত। অকল্যাণ আপনার দিকে নয় (অর্থাৎ মন্দকে আপনার দিকে সম্পৃক্ত করা উচিত নয়, অথবা মন্দ দ্বারা আপনার নিকটবর্তী হওয়া যায় না, বা মন্দ আপনার দিকে উঠে না)। আমি আপনার দ্বারাই (প্রতিষ্ঠিত আছি, সহযোগিতা পেয়ে থাকি) এবং আপনার দিকেই (আমার সকল প্রবণতা, বা আমার প্রত্যাবর্তন)। আপনি বরকতময় এবং আপনি সুঊচ্চ। আমি আপনার নিকট ক্ষমা চাই এবং আপনার কাছে তাওবাহ্‌ করছি।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১

সালাতের শুরুতে দো‘আ #৪

সালাতের শুরুতে দো‘আ #৪

اَللّٰهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيْلَ، وَمِيْكَائِيْلَ، وَإِسْرَافِيْلَ، فَاطِرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيْمَا كَانُوْا فِيْهِ يَخْتَلِفُوْنَ، إِهْدِنِيْ لِمَا اخْتُلِفَ فِيْهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِيْ مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيْمٍ

আল্লা-হুম্মা রববা জিব্রাঈলা ওয়া মীকাঈলা ওয়া ইস্রা-ফীলা ফা-তিরাস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ‘আ-লিমাল গাইবি ওয়াশশাহা-দাতি। আনতা তাহকুমু বাইনা ইবা-দিকা ফীমা কা-নূ ফীহি ইয়াখতালিফূন। ইহদিনী লিমাখতুলিফা ফীহি মিনাল হাককি বিইযনিকা ইন্নাকা তাহ্‌দী তাশা-উ ইলা- সিরা-তিম মুস্তাকীম

হে আল্লাহ! জিবরাঈল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের রব্ব, আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, গায়েব ও প্রকাশ্য সব কিছুর জ্ঞানী, আপনার বান্দাগণ যেসব বিষয়ে মতভেদে লিপ্ত আপনিই তার মীমাংসা করে দিবেন। যেসব বিষয়ে মতভেদ হয়েছে তন্মধ্যে আপনি আপনার অনুমতিক্রমে আমাকে যা সত্য সেদিকে পরিচালিত করুন। নিশ্চয় আপনি যাকে ইচ্ছা সরল পথ প্রদর্শন করেন।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭০।

اَللّٰهُمَّ رَبَّ جِبْرَائِيْلَ، وَمِيْكَائِيْلَ، وَإِسْرَافِيْلَ، فَاطِرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ، عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيْمَا كَانُوْا فِيْهِ يَخْتَلِفُوْنَ، إِهْدِنِيْ لِمَا اخْتُلِفَ فِيْهِ مِنَ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِيْ مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيْمٍ

হে আল্লাহ! জিবরাঈল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের রব্ব, আসমান ও যমীনের স্রষ্টা, গায়েব ও প্রকাশ্য সব কিছুর জ্ঞানী, আপনার বান্দাগণ যেসব বিষয়ে মতভেদে লিপ্ত আপনিই তার মীমাংসা করে দিবেন। যেসব বিষয়ে মতভেদ হয়েছে তন্মধ্যে আপনি আপনার অনুমতিক্রমে আমাকে যা সত্য সেদিকে পরিচালিত করুন। নিশ্চয় আপনি যাকে ইচ্ছা সরল পথ প্রদর্শন করেন।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭০।

সালাতের শুরুতে দো‘আ #৫

সালাতের শুরুতে দো‘আ #৫

তিনবার বলবে,

اَللّٰهُ أَكْبَرُ كَبِيْرًا، اَللّٰهُ أَكْبَرُ كَبِيْرًا، اَللّٰهُ أَكْبَرُ كَبِيْرًا، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ كَثِيْرًا، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ كَثِيْرًا، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ كَثِيْرًا، وَسُبْحَانَ اللّٰهِ بُكْرَةً وَّأَصِيْلًا

আল্লা-হু আকবার কাবীরান, আল্লা-হু আকবার কাবীরান, আল্লা-হু আকবার কাবীরান, ওয়ালহামদু লিল্লা-হি কাসীরান, ওয়ালহামদু লিল্লা-হি কাসীরান। ওয়ালহামদু লিল্লা-হি কাসী-রান ওয়াসুবহা-নাল্লাহি বুকরাতাঁও ওয়া আসীলা

আল্লাহ সবচেয়ে বড় অতীব বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড় অতীব বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড় অতীব বড়। আর আল্লাহ্‌র জন্যই অনেক ও অজস্র প্রশংসা, আল্লাহ্‌র জন্যই অনেক ও অজস্র প্রশংসা, আল্লাহ্‌র জন্যই অনেক ও অজস্র প্রশংসা। সকালে ও বিকালে আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُ - আল্লাহ
أَكْبَرُ - সবচেয়ে বড়
كَبِيْرًا، - অতীব বড়
اَللّٰهُ - আল্লাহ
أَكْبَرُ - সবচেয়ে বড়
كَبِيْرًا، - অতীব বড়
اَللّٰهُ - আল্লাহ
أَكْبَرُ - সবচেয়ে বড়
كَبِيْرًا، - অতীব বড়
وَالْحَمْدُ - এবং প্রশংসা
لِلّٰهِ - আল্লাহ্‌র জন্যই
كَثِيْرًا، - অজস্র ও অনেক
وَالْحَمْدُ - এবং প্রশংসা
لِلّٰهِ - আল্লাহ্‌র জন্যই
كَثِيْرًا، - অজস্র ও অনেক
وَالْحَمْدُ - এবং প্রশংসা
لِلّٰهِ - আল্লাহ্‌র জন্যই
كَثِيْرًا، - অজস্র ও অনেক
وَسُبْحَانَ - এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি
اللّٰهِ - আল্লাহ্‌র
بُكْرَةً - সকালে
وَّأَصِيْلًا - ও বিকালে

অতঃপর বলবে,

أَعُوْذُ بِاللّٰهِ مِنَ الشَّيْطَانِ مِنْ نَفْخِهِ، وَنَفْثِهِ، وَهَمْزِهِ

আউযু বিল্লা-হি মিনাশ শায়তানি, মিন নাফখিহী ওয়ানাফসিহী ওয়াহামযিহী

আমি শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। আশ্রয় চাই তার ফুঁ তথা দম্ভ-অহংকার থেকে, তার থুতু তথা কবিতা থেকে ও তার চাপ তথা পাগলামি থেকে

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
أَعُوْذُ - আমি আশ্রয় চাই
بِاللّٰهِ - আল্লাহর নিকট
مِنَ - হতে
الشَّيْطَانِ - শয়তান
مِنْ - থেকে
نَفْخِهِ، - তাঁর দম্ভ/অহংকার
وَنَفْثِهِ، - ও তার থুতু/উচ্চারণ
وَهَمْزِهِ - ও তার কুমন্ত্রনা/প্ররোচনা

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ১/২০৩, নং ৭৬৪; ইবন মাজাহ্‌ ১/২৬৫, ৮০৭; আহমাদ, আহমাদ ৪/৮৫, নং ১৬৭৩৯। শাইখ শু‘আইব আল-আরনাউত তার মুসনাদের তাহকীকে এ হাদীসের সনদকে হাসান লি-গাইরিহি বলেছেন। আর আব্দুল কাদের আরনাউত ইবন তাইমিয়্যার ‘আল-কালেমুত তাইয়্যেব’ গ্রন্থের নং ৭৮, এর তাহকীক বলেন, এটি তার শাওয়াহেদ বা সমার্থবোধক হাদীসের দ্বারা সহীহ লি-গাইরিহী প্রমাণিত হয়। আর আলবানী তার সহীহুল কালেমিত তাইয়্যেব এর ৬২ নং এ হাদিসটি উল্লেখ করেছেন। তাছাড়া ইমাম মুসলিম ইবন উমর থেকে অনুরূপ হাদীস উদ্ধৃত করেছেন, তবে সেখানে একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। ১/৪২০, নং ৬০১

তিনবার বলবে,

اَللّٰهُ আল্লাহ أَكْبَرُ সবচেয়ে বড় كَبِيْرًا، অতীব বড় اَللّٰهُ আল্লাহ أَكْبَرُ সবচেয়ে বড় كَبِيْرًا، অতীব বড় اَللّٰهُ আল্লাহ أَكْبَرُ সবচেয়ে বড় كَبِيْرًا، অতীব বড় وَالْحَمْدُ এবং প্রশংসা لِلّٰهِ আল্লাহ্‌র জন্যই كَثِيْرًا، অজস্র ও অনেক وَالْحَمْدُ এবং প্রশংসা لِلّٰهِ আল্লাহ্‌র জন্যই كَثِيْرًا، অজস্র ও অনেক وَالْحَمْدُ এবং প্রশংসা لِلّٰهِ আল্লাহ্‌র জন্যই كَثِيْرًا، অজস্র ও অনেক وَسُبْحَانَ এবং পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি اللّٰهِ আল্লাহ্‌র بُكْرَةً সকালে وَّأَصِيْلًا ও বিকালে

আল্লাহ সবচেয়ে বড় অতীব বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড় অতীব বড়, আল্লাহ সবচেয়ে বড় অতীব বড়। আর আল্লাহ্‌র জন্যই অনেক ও অজস্র প্রশংসা, আল্লাহ্‌র জন্যই অনেক ও অজস্র প্রশংসা, আল্লাহ্‌র জন্যই অনেক ও অজস্র প্রশংসা। সকালে ও বিকালে আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি

অতঃপর বলবে,

أَعُوْذُ আমি আশ্রয় চাই بِاللّٰهِ আল্লাহর নিকট مِنَ হতে الشَّيْطَانِ শয়তান مِنْ থেকে نَفْخِهِ، তাঁর দম্ভ/অহংকার وَنَفْثِهِ، ও তার থুতু/উচ্চারণ وَهَمْزِهِ ও তার কুমন্ত্রনা/প্ররোচনা

আমি শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র নিকট আশ্রয় চাই। আশ্রয় চাই তার ফুঁ তথা দম্ভ-অহংকার থেকে, তার থুতু তথা কবিতা থেকে ও তার চাপ তথা পাগলামি থেকে

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ১/২০৩, নং ৭৬৪; ইবন মাজাহ্‌ ১/২৬৫, ৮০৭; আহমাদ, আহমাদ ৪/৮৫, নং ১৬৭৩৯। শাইখ শু‘আইব আল-আরনাউত তার মুসনাদের তাহকীকে এ হাদীসের সনদকে হাসান লি-গাইরিহি বলেছেন। আর আব্দুল কাদের আরনাউত ইবন তাইমিয়্যার ‘আল-কালেমুত তাইয়্যেব’ গ্রন্থের নং ৭৮, এর তাহকীক বলেন, এটি তার শাওয়াহেদ বা সমার্থবোধক হাদীসের দ্বারা সহীহ লি-গাইরিহী প্রমাণিত হয়। আর আলবানী তার সহীহুল কালেমিত তাইয়্যেব এর ৬২ নং এ হাদিসটি উল্লেখ করেছেন। তাছাড়া ইমাম মুসলিম ইবন উমর থেকে অনুরূপ হাদীস উদ্ধৃত করেছেন, তবে সেখানে একটি ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। ১/৪২০, নং ৬০১

সালাতের শুরুতে দো‘আ #৬

সালাতের শুরুতে দো‘আ #৬

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দো‘আটি রাতে উঠে তাহাজ্জুদের সালাত পড়ার সময় বলতেন।

اَللّٰهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ، أَنْتَ نُوْرُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيْهِنَّ، وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ قَيِّمُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيْهِنَّ، وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيْهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ لَكَ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَنْ فِيْهِنَّ وَلَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ مَلِكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ

আল্লা-হুম্মা লাকাল হামদু আনতা নুরুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়ামান ফীহিন্না ওয়া লাকাল হাম্‌দু। আনতা ক্বায়্যিমুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়ামান ফীহিন্না, ওয়া লাকাল হামদু আনতা রববুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়ামান ফীহিন্না, ওয়া লাকাল হাম্‌দু, লাকা মূলকুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি ওয়ামান ফীহিন্না, ওয়া লাকাল হাম্‌দু, আনতা মা-লিকুস সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি

হে আল্লাহ! আপনার জন্যই সকল হামদ-প্রশংসা; আসমানসমূহ, যমীন ও এ-দুটির মাঝে যা কিছু আছে আপনিই এগুলোর নূর (আলো)। আর আপনার জন্যই সব প্রশংসা; আসমানসমূহ, যমীন ও এ-দুটির মাঝে যা আছে আপনিই এসবের রক্ষণাবেক্ষণকারী-পরিচালক। আর আপনার জন্যই সকল প্রশংসা; আসমানসমূহ, যমীন ও এ-দুটির মাঝে যা কিছু আছে আপনিই এসবের রব্ব। আর আপনার জন্যই সব প্রশংসা; আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু’টির মাঝে যা আছে তার সার্বভৌমত্ব আপনারই। আর আপনার জন্যই সকল প্রশংসা; আসমানসমূহ ও যমীনের রাজা আপনিই।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ
لَكَ - আপনার জন্যই
الْحَمْدُ، - সকল হামদ-প্রশংসা
أَنْتَ - আপনিই
نُوْرُ - নূর/আলো
السَّمَاوَاتِ - আসমানসমূহের
وَالْأَرْضِ - ও যমীনের
وَمَنْ - এবং যা কিছু আছে
فِيْهِنَّ، - এদের মাঝে
وَلَكَ - আপনার জন্যই
الْحَمْدُ - সকল প্রশংসা
أَنْتَ - আপনিই
قَيِّمُ - রক্ষণাবেক্ষণকারী/তত্ত্বাবধায়ক
السَّمَاوَاتِ - আসমানসমূহের
وَالْأَرْضِ - ও যমীন
وَمَنْ - এবং যা কিছু আছে
فِيْهِنَّ، - এদের মাঝে
وَلَكَ - ও আপনার জন্যই
الْحَمْدُ - সকল প্রশংসা
أَنْتَ - আপনিই
رَبُّ - রব্ব
السَّمَاوَاتِ - আসমানসমূহের
وَالْأَرْضِ - ও যমীন
وَمَنْ - এবং যা কিছু আছে
فِيْهِنَّ - এদের মাঝে
وَلَكَ - ও আপনার জন্যই
الْحَمْدُ - সকল প্রশংসা
لَكَ - আপনার জন্য
مُلْكُ - কতৃত্ব/রাজত্ব
السَّمَاوَاتِ - আসমানসমূহের
وَالْأَرْضِ - ও যমীন
وَمَنْ - এবং যা কিছু আছে
فِيْهِنَّ - এদের মাঝে
وَلَكَ - ও আপনার জন্যই
الْحَمْدُ - সকল প্রশংসা
أَنْتَ - আপনিই
مَلِكُ - রাজা/অধিপতি
السَّمَاوَاتِ - আসমানসমূহের
وَالْأَرْضِ - ও যমীন

وَلَكَ الْحَمْدُ، أَنْتَ الْحَقُّ، وَوَعْدُكَ الْحَقُّ، وَقَوْلُكَ الْحَقُّ، وَلِقَاؤُكَ الْحَقُّ، وَالْجَنَّةُ حَقٌّ، وَالنَّارُ حَقٌّ، وَالنَّبِيُّوْنَ حَقٌّ، وَمُحَمَّدٌ حَقٌّ، وَالسَّاعَةُ حَقٌّ

ওয়া লাকাল হামদু, আনতাল হাক্কু, ওয়া ওয়া‘দুকাল হাক্কু, ওয়া ক্বাওলুকাল হাক্কু, ওয়া লিক্বা-উকাল হাক্কু, ওয়াল জান্নাতু হাক্কুন, ওয়ান না-রু হাক্কুন, ওয়ান নাবিয়্যূনা হাক্কুন, ওয়া মুহাম্মাদুন হাক্কুন, ওয়াস্‌সা‘আতু হাক্কুন

আর আপনার জন্যই সকল প্রশংসা; আসমানসমূহ ও যমীনের রাজা আপনিই। আর আপনার জন্যই সকল প্রশংসা; আপনিই হক্ব, আপনার ওয়াদা হক্ব (বাস্তব ও সঠিক), আপনার বাণী হক্ব, আপনার সাক্ষাৎ লাভ হক্ব, জান্নাত হক্ব, জাহান্নাম হক্ব, নবীগণ হক্ব, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হক্ব এবং কিয়ামত হক্ব।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَلَكَ - ও আপনার জন্যই
الْحَمْدُ، - সকল প্রশংসা
أَنْتَ - আপনিই
الْحَقُّ، - সত্য/ সঠিক
وَوَعْدُكَ - এবং আপনার ওয়াদা
الْحَقُّ، - সত্য
وَقَوْلُكَ - আপনার বাণী
الْحَقُّ، - সত্য
وَلِقَاؤُكَ - আপনার সাক্ষাৎ লাভ
الْحَقُّ، - সত্য
وَالْجَنَّةُ - এবং জান্নাত
حَقٌّ، - সত্য
وَالنَّارُ - এবং জাহান্নাম
حَقٌّ، - সত্য
وَالنَّبِيُّوْنَ - এবং নবীগণ
حَقٌّ، - সত্য
وَمُحَمَّدٌ - ও মুহাম্মাদ (সা:)
حَقٌّ، - সত্য
وَالسَّاعَةُ - এবং কিয়ামত
حَقٌّ - সত্য

اَللّٰهُمَّ لَكَ أَسْلَمْتُ، وَعَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَإِلَيْكَ أَنَبْتُ، وَبِكَ خَاصَمْتُ، وَإِلَيْكَ حَاكَمْتُ، فَاغْفِرْ لِيْ مَا قَدَّمْتُ، وَمَا أَخَّرْتُ، وَمَا أَسْرَرْتُ، وَمَا أَعْلَنْتُ

আল্লা-হুম্মা লাকা আসলামতু, ওয়া আলাইকা তাওয়াক্কালতু ওয়াবিকা আ--মানতু, ওয়া ইলাইকা আনাবতু, ওয়া বিকা খা-সাম্‌তু, ওয়া ইলাইকা হা-কামতু, ফাগফির লী মা কাদ্দামতু, ওয়ামা আখখারতু, ওয়ামা আসরারতু, ওয়ামা আ‘লানতু,

হে আল্লাহ! আপনার কাছেই আত্মসমর্পণ করি, আপনার উপরই ভরসা করি, আপনার উপরই ঈমান আনি, আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তন করি, আপনার সাহায্যেই বা আপনার জন্যই শত্রুর সাথে বিবাদে লিপ্ত হই, আর আপনার কাছেই বিচার পেশ করি; অতএব ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ— যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপন করেছি আর যা প্রকাশ্যে করেছি। আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ
لَكَ - আপনার কাছেই
أَسْلَمْتُ، - আত্মসমর্পণ করি
وَعَلَيْكَ - এবং আপনার উপরই
تَوَكَّلْتُ، - ভরসা করি
وَبِكَ - ও আপনার কাছে
آمَنْتُ، - ঈমান আনি
وَإِلَيْكَ - ও আপনার দিকেই
أَنَبْتُ، - প্রত্যাবর্তন করি
وَبِكَ - এবং আপনার জন্যই
خَاصَمْتُ، - বিতর্ক/বিবাদ করি
وَإِلَيْكَ - ও আপনার কাছেই
حَاكَمْتُ، - বিচার পেশ করি
فَاغْفِرْ - অতএব ক্ষমা করুন
لِيْ - আমাকে
مَا - যা
قَدَّمْتُ، - পূর্বে করেছি
وَمَا - এবং যা
أَخَّرْتُ، - পরে করেছি
وَمَا - এবং যা
أَسْرَرْتُ، - গোপনে করেছি
وَمَا - এবং যা
أَعْلَنْتُ - আমি প্রকাশ্যে করেছি

أَنْتَ الْمُقَدِّمُ، وَأَنْتَ الْمُؤَخِّرُ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

আনতাল মুকাদ্দিমু ওয়া আন্তাল্ মুআখখিরু, লা ইলা-হা ইল্লা আনতা

আপনিই (কাউকে) করেন অগ্রগামী, আর আপনিই (কাউকে) করেন পশ্চাদগামী,

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
أَنْتَ - আপনি
الْمُقَدِّمُ، - অগ্রগামী করেন
وَأَنْتَ - এবং আপনি
الْمُؤَخِّرُ - পশ্চাদগামী করেন
لَا - নেই ( কোনো )
إِلٰهَ - ইলাহ
إِلَّا - ব্যতীত
أَنْتَ - আপনি

أَنْتَ إِلٰهِي لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ

আনতা ইলা-হী, লা ইলা-হা ইল্লা আন্তা

আপনিই আমার ইলাহ। আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
أَنْتَ - আপনিই
إِلٰهِي - আমার ইলাহ
لَا - নেই ( কোনো )
إِلٰهَ - ইলাহ
إِلَّا - ব্যতীত
أَنْتَ - আপনি

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৩/৩, ১১/১১৬, ১৩/৩৭১, ৪২৩, ৪৬৫, নং ১১২০, ৬৩১৭, ৭৩৮৫, ৭৪৪২, ৭৪৯৯; ও মুসলিম সংক্ষিপ্তাকারে ১/৫৩২, নং ৭৬৯।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দো‘আটি রাতে উঠে তাহাজ্জুদের সালাত পড়ার সময় বলতেন।

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ لَكَ আপনার জন্যই الْحَمْدُ، সকল হামদ-প্রশংসা أَنْتَ আপনিই نُوْرُ নূর/আলো السَّمَاوَاتِ আসমানসমূহের وَالْأَرْضِ ও যমীনের وَمَنْ এবং যা কিছু আছে فِيْهِنَّ، এদের মাঝে وَلَكَ আপনার জন্যই الْحَمْدُ সকল প্রশংসা أَنْتَ আপনিই قَيِّمُ রক্ষণাবেক্ষণকারী/তত্ত্বাবধায়ক السَّمَاوَاتِ আসমানসমূহের وَالْأَرْضِ ও যমীন وَمَنْ এবং যা কিছু আছে فِيْهِنَّ، এদের মাঝে وَلَكَ ও আপনার জন্যই الْحَمْدُ সকল প্রশংসা أَنْتَ আপনিই رَبُّ রব্ব السَّمَاوَاتِ আসমানসমূহের وَالْأَرْضِ ও যমীন وَمَنْ এবং যা কিছু আছে فِيْهِنَّ এদের মাঝে وَلَكَ ও আপনার জন্যই الْحَمْدُ সকল প্রশংসা لَكَ আপনার জন্য مُلْكُ কতৃত্ব/রাজত্ব السَّمَاوَاتِ আসমানসমূহের وَالْأَرْضِ ও যমীন وَمَنْ এবং যা কিছু আছে فِيْهِنَّ এদের মাঝে وَلَكَ ও আপনার জন্যই الْحَمْدُ সকল প্রশংসা أَنْتَ আপনিই مَلِكُ রাজা/অধিপতি السَّمَاوَاتِ আসমানসমূহের وَالْأَرْضِ ও যমীন

হে আল্লাহ! আপনার জন্যই সকল হামদ-প্রশংসা; আসমানসমূহ, যমীন ও এ-দুটির মাঝে যা কিছু আছে আপনিই এগুলোর নূর (আলো)। আর আপনার জন্যই সব প্রশংসা; আসমানসমূহ, যমীন ও এ-দুটির মাঝে যা আছে আপনিই এসবের রক্ষণাবেক্ষণকারী-পরিচালক। আর আপনার জন্যই সকল প্রশংসা; আসমানসমূহ, যমীন ও এ-দুটির মাঝে যা কিছু আছে আপনিই এসবের রব্ব। আর আপনার জন্যই সব প্রশংসা; আসমানসমূহ, যমীন ও এ দু’টির মাঝে যা আছে তার সার্বভৌমত্ব আপনারই। আর আপনার জন্যই সকল প্রশংসা; আসমানসমূহ ও যমীনের রাজা আপনিই।

وَلَكَ ও আপনার জন্যই الْحَمْدُ، সকল প্রশংসা أَنْتَ আপনিই الْحَقُّ، সত্য/ সঠিক وَوَعْدُكَ এবং আপনার ওয়াদা الْحَقُّ، সত্য وَقَوْلُكَ আপনার বাণী الْحَقُّ، সত্য وَلِقَاؤُكَ আপনার সাক্ষাৎ লাভ الْحَقُّ، সত্য وَالْجَنَّةُ এবং জান্নাত حَقٌّ، সত্য وَالنَّارُ এবং জাহান্নাম حَقٌّ، সত্য وَالنَّبِيُّوْنَ এবং নবীগণ حَقٌّ، সত্য وَمُحَمَّدٌ ও মুহাম্মাদ (সা:) حَقٌّ، সত্য وَالسَّاعَةُ এবং কিয়ামত حَقٌّ সত্য

আর আপনার জন্যই সকল প্রশংসা; আসমানসমূহ ও যমীনের রাজা আপনিই। আর আপনার জন্যই সকল প্রশংসা; আপনিই হক্ব, আপনার ওয়াদা হক্ব (বাস্তব ও সঠিক), আপনার বাণী হক্ব, আপনার সাক্ষাৎ লাভ হক্ব, জান্নাত হক্ব, জাহান্নাম হক্ব, নবীগণ হক্ব, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হক্ব এবং কিয়ামত হক্ব।

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ لَكَ আপনার কাছেই أَسْلَمْتُ، আত্মসমর্পণ করি وَعَلَيْكَ এবং আপনার উপরই تَوَكَّلْتُ، ভরসা করি وَبِكَ ও আপনার কাছে آمَنْتُ، ঈমান আনি وَإِلَيْكَ ও আপনার দিকেই أَنَبْتُ، প্রত্যাবর্তন করি وَبِكَ এবং আপনার জন্যই خَاصَمْتُ، বিতর্ক/বিবাদ করি وَإِلَيْكَ ও আপনার কাছেই حَاكَمْتُ، বিচার পেশ করি فَاغْفِرْ অতএব ক্ষমা করুন لِيْ আমাকে مَا যা قَدَّمْتُ، পূর্বে করেছি وَمَا এবং যা أَخَّرْتُ، পরে করেছি وَمَا এবং যা أَسْرَرْتُ، গোপনে করেছি وَمَا এবং যা أَعْلَنْتُ আমি প্রকাশ্যে করেছি

হে আল্লাহ! আপনার কাছেই আত্মসমর্পণ করি, আপনার উপরই ভরসা করি, আপনার উপরই ঈমান আনি, আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তন করি, আপনার সাহায্যেই বা আপনার জন্যই শত্রুর সাথে বিবাদে লিপ্ত হই, আর আপনার কাছেই বিচার পেশ করি; অতএব ক্ষমা করে দিন আমার গুনাহসমূহ— যা পূর্বে করেছি, যা পরে করেছি, যা আমি গোপন করেছি আর যা প্রকাশ্যে করেছি। আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

أَنْتَ আপনি الْمُقَدِّمُ، অগ্রগামী করেন وَأَنْتَ এবং আপনি الْمُؤَخِّرُ পশ্চাদগামী করেন لَا নেই ( কোনো ) إِلٰهَ ইলাহ إِلَّا ব্যতীত أَنْتَ আপনি

আপনিই (কাউকে) করেন অগ্রগামী, আর আপনিই (কাউকে) করেন পশ্চাদগামী,

أَنْتَ আপনিই إِلٰهِي আমার ইলাহ لَا নেই ( কোনো ) إِلٰهَ ইলাহ إِلَّا ব্যতীত أَنْتَ আপনি

আপনিই আমার ইলাহ। আপনি ব্যতীত আর কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৩/৩, ১১/১১৬, ১৩/৩৭১, ৪২৩, ৪৬৫, নং ১১২০, ৬৩১৭, ৭৩৮৫, ৭৪৪২, ৭৪৯৯; ও মুসলিম সংক্ষিপ্তাকারে ১/৫৩২, নং ৭৬৯।

সালাতের শুরুতে দো'আ #৭

সালাতের শুরুতে দো'আ #৭

আমরা দেখেছি যে, কুরআনই আল্লাহর শ্রেষ্ঠ যিকর। সালাতে দাঁড়ানো অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত মূল যিকর। এছাড়া তাহাজ্জুদের সালাতে রাসূলুল্লাহ স তিলাওয়াতের ফাঁকে ফাঁকে দুআ করতেন বলে বিভিন্ন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। আমরা দেখেছি যে, ইমাম আবূ হানীফা ফরয সালাতে ও জামাতে সালাতেও ইমাম ও মুক্তাদীদের জন্য এরূপ দুআ করার অনুমতি দিয়েছেন, যদি এভাবে দুআ না করে কুরআন তিলাওয়াত বা শ্রবণের শ্রেষ্ঠ যিকরে ব্যস্ত থাকাকেই উত্তম বলে গণ্য করেছেন। তবে তাহাজ্জুদের সালাতে বা একাকী সালাতে এভাবে তিলাওয়াতের মাঝে মাঝে দুআ করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত এবং সালাতের খুশু বা মনোযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক। রাসূলুল্লাহ স সাধারণ তিলাওয়াত-কৃত আয়াতের অর্থের ভিত্তিতে দুআ করতেন। এখানে একটি সাধারণ দুআ উদ্ধৃত করছি।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا لاَ يَرْتَدُّ، وَنَعِيْمًا لاَ يَنْفَدُ، وَمُرَافَقَةَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيْ أَعْلَی جَنَّةِ الْخُلْدِ

আল্লা-হুম্মা, ইন্নী আস্আলুকা ঈমা-নান লা- ইর্য়াতাদ্দু, ওয়া না‘ঈমান লা- ইয়ান্ফাদু, ওয়া মুরা-ফাক্কাতা মুহাম্মাদিন  ফী আ‘অ্লা জান্নাতিল ‘খুল্দি।

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই, সৃদৃঢ় ঈমান যা পশ্বাদপসারণ বা পক্ষত্যাগ করে না, স্থায়ী নিয়ামত যা শেষ হয় না এবং সবোর্চ্চ জান্নাতুল খুলদ-এ মুহাম্মাদ -এর সাহচর্য

রেফারেন্স: [১]আহমাদ,আল-মুসনাদ ১/৪৫৪; ইবন হিব্বান, আস-সহীহ ৫/৩০৩; আলবানী, সহীহাহ ৫/৩৭৯; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৫০

আব্দুল্লাহ ইবন মাসঊদ (রা) বলেন, তিনি মসজিদে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করছিলেন। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ (স) আবূ বাকর (রা) ও উমার (রা) উভয়ের সাথে মসজিদে প্রবেশ করেন। আব্দুল্লাহ ইবন মাসঊদ (রা) তখন সূরা নিসা পাঠ করছিলেন। তিনি সূরা নিসার ১০০ আয়াতে পৌঁছে সালাতে দণ্ডায়মান অবস্থায় দুআ করতে শুরু করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (স) তিন বার বললেন: তুমি দুআ কর তোমার দুআ কবুল হবে। তখন আব্দুল্লাহ ইবন মাসঊদ (রা) এ কথাগুলো বলে দুআ করেন। হাদীসটি হাসান। তাহাজ্জুদের সালাতে কুরআন পাঠের সময়, সালাতের মধ্যে, সালামের আগে, পরে ও সকল সময়ে এ দুআটি পাঠ করা উচিত।

আমরা দেখেছি যে, কুরআনই আল্লাহর শ্রেষ্ঠ যিকর। সালাতে দাঁড়ানো অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত মূল যিকর। এছাড়া তাহাজ্জুদের সালাতে রাসূলুল্লাহ স তিলাওয়াতের ফাঁকে ফাঁকে দুআ করতেন বলে বিভিন্ন হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। আমরা দেখেছি যে, ইমাম আবূ হানীফা ফরয সালাতে ও জামাতে সালাতেও ইমাম ও মুক্তাদীদের জন্য এরূপ দুআ করার অনুমতি দিয়েছেন, যদি এভাবে দুআ না করে কুরআন তিলাওয়াত বা শ্রবণের শ্রেষ্ঠ যিকরে ব্যস্ত থাকাকেই উত্তম বলে গণ্য করেছেন। তবে তাহাজ্জুদের সালাতে বা একাকী সালাতে এভাবে তিলাওয়াতের মাঝে মাঝে দুআ করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত এবং সালাতের খুশু বা মনোযোগ বৃদ্ধিতে অত্যন্ত সহায়ক। রাসূলুল্লাহ স সাধারণ তিলাওয়াত-কৃত আয়াতের অর্থের ভিত্তিতে দুআ করতেন। এখানে একটি সাধারণ দুআ উদ্ধৃত করছি।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ إِيْمَانًا لاَ يَرْتَدُّ، وَنَعِيْمًا لاَ يَنْفَدُ، وَمُرَافَقَةَ مُحَمَّدٍ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيْ أَعْلَی جَنَّةِ الْخُلْدِ

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাই, সৃদৃঢ় ঈমান যা পশ্বাদপসারণ বা পক্ষত্যাগ করে না, স্থায়ী নিয়ামত যা শেষ হয় না এবং সবোর্চ্চ জান্নাতুল খুলদ-এ মুহাম্মাদ -এর সাহচর্য

রেফারেন্স: [১]আহমাদ,আল-মুসনাদ ১/৪৫৪; ইবন হিব্বান, আস-সহীহ ৫/৩০৩; আলবানী, সহীহাহ ৫/৩৭৯; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৫০

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 রুকূ‘র দো‘আ

📄 রুকূ‘র দো‘আ


রুকূ‘র দো‘আ #১

রুকূ‘র দো‘আ #১

তিনবার বলবে,

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ

সুবহা-না রব্বিয়াল ‘আযীম

আমার মহান রব্বের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি

রেফারেন্স: সুনানের গ্রন্থাকারগণ ও আহমাদ হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন। আবূ দাউদ, নং ৮৭০; তিরমিযী, নং ২৬২; নাসাঈ, নং ১০০৭; ইবন মাজাহ্‌, নং ৮৯৭; আহমাদ, নং ৩৫১৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ১/৮৩

তিনবার বলবে,

سُبْحَانَ رَبِّيَ الْعَظِيْمِ

আমার মহান রব্বের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি

রেফারেন্স: সুনানের গ্রন্থাকারগণ ও আহমাদ হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন। আবূ দাউদ, নং ৮৭০; তিরমিযী, নং ২৬২; নাসাঈ, নং ১০০৭; ইবন মাজাহ্‌, নং ৮৯৭; আহমাদ, নং ৩৫১৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ১/৮৩

রুকূ‘র দো‘আ #২

রুকূ‘র দো‘আ #২

سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ

সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা রব্বানা ওয়াবিহামদিকা, আল্লা-হুম্মাগফির লী

হে আল্লাহ! আমাদের রব্ব! আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি আপনার প্রশংসাসহ। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী ১/৯৯, নং ৭৯৪; মুসলিম ১/৩৫০, নং ৪৮৪

سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ

হে আল্লাহ! আমাদের রব্ব! আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি আপনার প্রশংসাসহ। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী ১/৯৯, নং ৭৯৪; মুসলিম ১/৩৫০, নং ৪৮৪

রুকূ‘র দো‘আ #৩

রুকূ‘র দো‘আ #৩

سُبُّوْحٌ، قُدُّوْسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

সুব্বূহুন কুদ্দূসুন রব্বুল মালা-’ইকাতি ওয়াররূহ

(তিনি/আপনি) সম্পূর্ণরূপে দোষ-ত্রুটিমুক্ত, অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত; ফেরেশতাগণ ও রূহ এর রব্ব।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৩৫৩, নং ৪৭৪; আবূ দাউদ ১/২৩০, নং ৮৭২

سُبُّوْحٌ، قُدُّوْسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

(তিনি/আপনি) সম্পূর্ণরূপে দোষ-ত্রুটিমুক্ত, অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত; ফেরেশতাগণ ও রূহ এর রব্ব।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৩৫৩, নং ৪৭৪; আবূ দাউদ ১/২৩০, নং ৮৭২

রুকূ‘র দো‘আ #৪

রুকূ‘র দো‘আ #৪

اَللّٰهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، خَشَعَ لَكَ سَمْعِيْ، وَبَصَرِيْ، وَمُخِّيْ، وَعَظْمِيْ، وَعَصَبِيْ، وَمَا اسْتَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِيْ

আল্লা-হুম্মা লাকা রাকা‘তু, ওয়াবিকা আ-মানতু ওয়া লাকা আস্‌লামতু। খাশা‘আ লাকা সাম‘ঈ ওয়া বাসারী ওয়া মুখ্‌খী ওয়া ‘আযমী ওয়া ‘আসাবী ওয়ামাস্তাক্বাল্লাত বিহি কাদামী

হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যেই রুকু করেছি, আপনার উপরই ঈমান এনেছি এবং আপনার কাছেই আত্মসমর্পণ করেছি। আমার কান, আমার চোখ, আমার মস্তিষ্ক, আমার হাড়, আমার পেশী, সবই আপনার জন্য বিনয়াবনত। আর যা আমার পা বহন করে দাঁড়িয়ে আছে [মানে আমার সমগ্র সত্তা] তাও (আপনার জন্য বিনয়াবনত)

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১; তাছাড়া চার সুনান গ্রন্থকারগণের মধ্যে ইবন মাজাহ ব্যতীত সবাই তা উদ্ধৃত করেছেন। আবূ দাউদ, নং ৭৬০, ৭৬১; তিরমিযী, নং ৩৪২১; নাসাঈ, নং ১০৪৯; তবে দুই ব্রাকেটের অংশ ইবন খুযাইমার শব্দ, নং ৬০৭; ইবন হিব্বান, নং ১৯০১

اَللّٰهُمَّ لَكَ رَكَعْتُ، وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، خَشَعَ لَكَ سَمْعِيْ، وَبَصَرِيْ، وَمُخِّيْ، وَعَظْمِيْ، وَعَصَبِيْ، وَمَا اسْتَقَلَّتْ بِهِ قَدَمِيْ

হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যেই রুকু করেছি, আপনার উপরই ঈমান এনেছি এবং আপনার কাছেই আত্মসমর্পণ করেছি। আমার কান, আমার চোখ, আমার মস্তিষ্ক, আমার হাড়, আমার পেশী, সবই আপনার জন্য বিনয়াবনত। আর যা আমার পা বহন করে দাঁড়িয়ে আছে [মানে আমার সমগ্র সত্তা] তাও (আপনার জন্য বিনয়াবনত)

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১; তাছাড়া চার সুনান গ্রন্থকারগণের মধ্যে ইবন মাজাহ ব্যতীত সবাই তা উদ্ধৃত করেছেন। আবূ দাউদ, নং ৭৬০, ৭৬১; তিরমিযী, নং ৩৪২১; নাসাঈ, নং ১০৪৯; তবে দুই ব্রাকেটের অংশ ইবন খুযাইমার শব্দ, নং ৬০৭; ইবন হিব্বান, নং ১৯০১

রুকূ‘র দো‘আ #৫

রুকূ‘র দো‘আ #৫

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوْتِ، وَالْمَلَكُوْتِ، وَالْكِبْرِيَاءِ، وَالْعَظَمَةِ

সুবহা-নাযিল জাবারূতি ওয়াল মালাকূতি ওয়াল কিবরিয়া’ই ওয়াল ‘আযামাতি

পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি সেই সত্তার, যিনি প্রবল প্রতাপ, বিশাল সাম্রাজ্য, বিরাট গৌরব-গরিমা এবং অতুলনীয় মহত্ত্বের অধিকারী

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ১/২৩০, নং ৮৭৩; নাসাঈ, নং ১১৩১; আহমাদ, নং ১৩৯৮০। আর তার সনদ হাসান।

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوْتِ، وَالْمَلَكُوْتِ، وَالْكِبْرِيَاءِ، وَالْعَظَمَةِ

পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি সেই সত্তার, যিনি প্রবল প্রতাপ, বিশাল সাম্রাজ্য, বিরাট গৌরব-গরিমা এবং অতুলনীয় মহত্ত্বের অধিকারী

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ১/২৩০, নং ৮৭৩; নাসাঈ, নং ১১৩১; আহমাদ, নং ১৩৯৮০। আর তার সনদ হাসান।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 রুকু থেকে উঠার দো‘আ

📄 রুকু থেকে উঠার দো‘আ


রুকু থেকে উঠার দো‘আ #১

রুকু থেকে উঠার দো‘আ #১

سَمِعَ اللّٰهُ لِمَنْ حَمِدَهُ

সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদাহ

যে আল্লাহর হামদ-প্রশংসা করে, আল্লাহ তার প্রশংসা শোনেন (কবুল করুন)

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ২/২৮২, নং ৭৯৬।

سَمِعَ اللّٰهُ لِمَنْ حَمِدَهُ

যে আল্লাহর হামদ-প্রশংসা করে, আল্লাহ তার প্রশংসা শোনেন (কবুল করুন)

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ২/২৮২, নং ৭৯৬।

রুকু থেকে উঠার দো‘আ #২

রুকু থেকে উঠার দো‘আ #২

رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ، حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبارَكًا فِيْهِ

রব্বানা ওয়া লাকাল হামদু, হামদান কাছীরান ত্বায়্যিবান মুবা-রাকান ফীহি

হে আমাদের রব্ব! আর আপনার জন্যই সমস্ত প্রশংসা; অঢেল, পবিত্র ও বরকত-রয়েছে-এমন প্রশংসা।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ২/২৮৪, নং ৭৯৬।

رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ، حَمْدًا كَثِيرًا طَيِّبًا مُبارَكًا فِيْهِ

হে আমাদের রব্ব! আর আপনার জন্যই সমস্ত প্রশংসা; অঢেল, পবিত্র ও বরকত-রয়েছে-এমন প্রশংসা।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ২/২৮৪, নং ৭৯৬।

রুকু থেকে উঠার দো‘আ #৩

রুকু থেকে উঠার দো‘আ #৩

مِلْءَ السَّمَاوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ، وَمَا بَيْنَهُمَا، وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ، أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ، أَحَقُّ مَا قَالَ الْعَبْدُ، وَكُلُّنَا لَكَ عَبْدٌ، اَللّٰهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

মিল’আস সামা-ওয়া-তি ওয়া মিল’আল আরদি ওয়ামা বাইনাহুমা, ও মিল’আ মা শি’তা মিন শাইয়িন বা‘দু, আহলাস সানা-য়ি ওয়াল মাজদি, আহাক্কু মা ক্বালাল ‘আবদু, ওয়া কুল্লুনা লাকা ‘আবদুন, আল্লা-হুম্মা লা মানি‘আ লিমা আ‘ত্বাইতা, ওয়ালা মু‘তিয়া লিমা মানা‘তা, ওয়ালা ইয়ানফা‘য়ু যাল-জাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।

(আপনার প্রশংসা করছি) আসমানসমূহ পূর্ণ করে, যমীন পূর্ণ করে ও যা এ দু’টির মাঝে রয়েছে (তাও পূর্ণ করে), আর এর পরে যা পূর্ণ করা আপনার ইচ্ছা তা পূর্ণ করে। হে প্রশংসা ও সম্মান-মর্যাদার যোগ্য সত্ত্বা! বান্দা সবচেয়ে যে সঠিক কথাটি বলেছে তা হচ্ছে—আর আমরা সবাই আপনার বান্দা— হে আল্লাহ, আপনি যা প্রদান করেছেন তা বন্ধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রুদ্ধ করেছেন তা প্রদান করার কেউ নেই। আর কোনো ক্ষমতা-প্রতিপত্তির অধিকারীর ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি আপনার কাছে কোনো কাজে লাগবে না।

রেফারেন্স: মুসলিম, ১/৩৪৬; নং ৪৭৭।

مِلْءَ السَّمَاوَاتِ وَمِلْءَ الْأَرْضِ، وَمَا بَيْنَهُمَا، وَمِلْءَ مَا شِئْتَ مِنْ شَيْءٍ بَعْدُ، أَهْلَ الثَّنَاءِ وَالْمَجْدِ، أَحَقُّ مَا قَالَ الْعَبْدُ، وَكُلُّنَا لَكَ عَبْدٌ، اَللّٰهُمَّ لَا مَانِعَ لِمَا أَعْطَيْتَ، وَلَا مُعْطِيَ لِمَا مَنَعْتَ، وَلَا يَنْفَعُ ذَا الْجَدِّ مِنْكَ الْجَدُّ

(আপনার প্রশংসা করছি) আসমানসমূহ পূর্ণ করে, যমীন পূর্ণ করে ও যা এ দু’টির মাঝে রয়েছে (তাও পূর্ণ করে), আর এর পরে যা পূর্ণ করা আপনার ইচ্ছা তা পূর্ণ করে। হে প্রশংসা ও সম্মান-মর্যাদার যোগ্য সত্ত্বা! বান্দা সবচেয়ে যে সঠিক কথাটি বলেছে তা হচ্ছে—আর আমরা সবাই আপনার বান্দা— হে আল্লাহ, আপনি যা প্রদান করেছেন তা বন্ধ করার কেউ নেই, আর আপনি যা রুদ্ধ করেছেন তা প্রদান করার কেউ নেই। আর কোনো ক্ষমতা-প্রতিপত্তির অধিকারীর ক্ষমতা ও প্রতিপত্তি আপনার কাছে কোনো কাজে লাগবে না।

রেফারেন্স: মুসলিম, ১/৩৪৬; নং ৪৭৭।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সিজদার দো‘আ

📄 সিজদার দো‘আ


সিজদার দো‘আ #১

সিজদার দো‘আ #১

তিনবার বলবে,

سُبْحَانَ رَبِّيَ الأَعْلَى

সুবহা-না রব্বিয়াল আ‘লা

আমার রব্বের পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করছি, যিনি সবার উপরে।

রেফারেন্স: হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ ও ইমাম আহমাদ সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, হাদীস নং ৮৭০; তিরমিযী, হাদীস নং ২৬২; নাসাঈ, হাদীস নং ১০০৭; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৮৯৭; আহমাদ, হাদীস নং ৩৫১৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ১/৮৩

তিনবার বলবে,

سُبْحَانَ رَبِّيَ الأَعْلَى

আমার রব্বের পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করছি, যিনি সবার উপরে।

রেফারেন্স: হাদীসটি সুনানগ্রন্থকারগণ ও ইমাম আহমাদ সংকলন করেছেন। আবূ দাউদ, হাদীস নং ৮৭০; তিরমিযী, হাদীস নং ২৬২; নাসাঈ, হাদীস নং ১০০৭; ইবন মাজাহ, হাদীস নং ৮৯৭; আহমাদ, হাদীস নং ৩৫১৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ১/৮৩

সিজদার দো‘আ #২

সিজদার দো‘আ #২

سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ

সুবহা-নাকাল্লা-হুম্মা রব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লা-হুম্মাগফির লী

হে আল্লাহ! আমাদের রব্ব! আপনার প্রশংসাসহ আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী, নং ৭৯৪; মুসলিম, নং ৪৮৪; দেখুন পরের দুআ (১৯.৩)

سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ رَبَّنَا وَبِحَمْدِكَ، اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ

হে আল্লাহ! আমাদের রব্ব! আপনার প্রশংসাসহ আপনার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি। হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী, নং ৭৯৪; মুসলিম, নং ৪৮৪; দেখুন পরের দুআ (১৯.৩)

সিজদার দো‘আ #৩

সিজদার দো‘আ #৩

سُبُّوْحٌ، قُدُّوْسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

সুব্বূহুন কুদ্দূসুন রব্বুল মালা-ইকাতি ওয়াররূহ

(তিনি/আপনি) সম্পূর্ণরূপে দোষ-ত্রুটিমুক্ত, অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত; ফেরেশতাগণ ও রূহ এর রব্ব।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৩৫৩, নং ৪৮৭; আবূ দাউদ, নং ৮৭২ দেখুন পরের দুআ (১৯.৪)

سُبُّوْحٌ، قُدُّوْسٌ، رَبُّ الْمَلَائِكَةِ وَالرُّوْحِ

(তিনি/আপনি) সম্পূর্ণরূপে দোষ-ত্রুটিমুক্ত, অত্যন্ত পবিত্র ও মহিমান্বিত; ফেরেশতাগণ ও রূহ এর রব্ব।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৩৫৩, নং ৪৮৭; আবূ দাউদ, নং ৮৭২ দেখুন পরের দুআ (১৯.৪)

সিজদার দো‘আ #৪

সিজদার দো‘আ #৪

اَللّٰهُمَّ لَكَ سَجَدْتُ وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِيْ خَلَقَهُ، وَصَوَّرَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، تَبَارَكَ اللّٰهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِيْنَ

আল্লা-হুম্মা লাকা সাজাদতু ওয়াবিকা আ-মানতু ওয়া লাকা আসলামতু। সাজাদা ওয়াজহিয়া লিল্লাযী খালাক্বাহু ওয়া সাওয়্যারাহু ওয়া শাক্কা সাম‘আহু ওয়া বাসারাহু, তাবারাকাল্লাহু আহ্‌সানুল খালিক্বীন

হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যই সিজদা করেছি, আপনার উপরই ঈমান এনেছি, আপনার কাছেই নিজেকে সঁপে দিয়েছি। আমার মুখমণ্ডল সিজদায় অবনত সেই মহান সত্তার জন্য; যিনি একে সৃষ্টি করেছেন এবং আকৃতি দিয়েছেন, আর তার কান ও চোখ বিদীর্ণ করেছেন। সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অত্যন্ত বরকতময়।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১ ও অন্যান্যগণ।

اَللّٰهُمَّ لَكَ سَجَدْتُ وَبِكَ آمَنْتُ، وَلَكَ أَسْلَمْتُ، سَجَدَ وَجْهِيَ لِلَّذِيْ خَلَقَهُ، وَصَوَّرَهُ، وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ، تَبَارَكَ اللّٰهُ أَحْسَنُ الْخَالِقِيْنَ

হে আল্লাহ! আমি আপনার জন্যই সিজদা করেছি, আপনার উপরই ঈমান এনেছি, আপনার কাছেই নিজেকে সঁপে দিয়েছি। আমার মুখমণ্ডল সিজদায় অবনত সেই মহান সত্তার জন্য; যিনি একে সৃষ্টি করেছেন এবং আকৃতি দিয়েছেন, আর তার কান ও চোখ বিদীর্ণ করেছেন। সর্বোত্তম স্রষ্টা আল্লাহ্‌ অত্যন্ত বরকতময়।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৫৩৪, নং ৭৭১ ও অন্যান্যগণ।

সিজদার দো‘আ #৫

সিজদার দো‘আ #৫

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوْتِ، وَالْمَلَكُوْتِ، وَالْكِبْرِيَاءِ، وَالْعَظَمَةِ

সুবহা-নাযিল জাবারূতি, ওয়াল মালাকুতি, ওয়াল কিবরিয়া-ই ওয়াল ‘আযামাতি

পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি সেই সত্তার, যিনি প্রবল প্রতাপ, বিশাল সাম্রাজ্য, বিরাট গৌরব-গরিমা এবং অতুলনীয় মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: আবু দাঊদ ১/২৩০, নং ৮৭৩; নাসাঈ, নং ১১৩১; আহমাদ, নং ২৩৯৮০। আর শাইখ আলবানী একে সহীহ আবু দাউদে ১/১৬৬ সহীহ বলেছেন। যার তাখরীজ ৩৭ নং এ চলে গেছে।

سُبْحَانَ ذِي الْجَبَرُوْتِ، وَالْمَلَكُوْتِ، وَالْكِبْرِيَاءِ، وَالْعَظَمَةِ

পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি সেই সত্তার, যিনি প্রবল প্রতাপ, বিশাল সাম্রাজ্য, বিরাট গৌরব-গরিমা এবং অতুলনীয় মহত্ত্বের অধিকারী।

রেফারেন্স: আবু দাঊদ ১/২৩০, নং ৮৭৩; নাসাঈ, নং ১১৩১; আহমাদ, নং ২৩৯৮০। আর শাইখ আলবানী একে সহীহ আবু দাউদে ১/১৬৬ সহীহ বলেছেন। যার তাখরীজ ৩৭ নং এ চলে গেছে।

সিজদার দো‘আ #৬

সিজদার দো‘আ #৬

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذَنْبِيْ كُلَّهُ، دِقَّهُ وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَعَلاَنِيَتَهُ وَسِرَّهُ

আল্লা-হুম্মাগফির লী যাম্বী কুল্লাহু; দিক্কাহু ওয়া জিল্লাহু, ওয়া আউয়ালাহু ওয়া ‘আখিরাহু, ওয়া ‘আলানিয়্যাতাহু ওয়া সিররাহু

হে আল্লাহ! আমার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিন— তার ক্ষুদ্র অংশ, তার বড় অংশ, আগের গুনাহ, পরের গুনাহ, প্রকাশ্য ও গোপন গুনাহ।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৩৫০, নং ৪৮৩

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ ذَنْبِيْ كُلَّهُ، دِقَّهُ وَجِلَّهُ، وَأَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، وَعَلاَنِيَتَهُ وَسِرَّهُ

হে আল্লাহ! আমার সমস্ত গুনাহ মাফ করে দিন— তার ক্ষুদ্র অংশ, তার বড় অংশ, আগের গুনাহ, পরের গুনাহ, প্রকাশ্য ও গোপন গুনাহ।

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৩৫০, নং ৪৮৩

সিজদার দো‘আ #৭

সিজদার দো‘আ #৭

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوْبَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আঊযুবিরিদ্বা-কা মিন সাখাত্বিকা, ওয়া বিমু‘আ-ফা-তিকা মিন ‘উক্বুবাতিকা, ওয়া আঊযু বিকা মিনকা, লা উহ্‌সী সানা-আন আলাইকা, আনতা কামা আসনাইতা ‘আলা নাফসিকা

হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে অসন্তুষ্টি থেকে, আর আপনার নিরাপত্তার মাধ্যমে আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি আপনার নিকটে আপনার (পাকড়াও) থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার প্রশংসা গুনতে সক্ষম নই; আপনি সেরূপই, যেরূপ প্রশংসা আপনি নিজের জন্য করেছেন

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৩৫২, নং ৪৮৬।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَبِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوْبَتِكَ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْكَ، لَا أُحْصِيْ ثَنَاءً عَلَيْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ

হে আল্লাহ! আমি আপনার সন্তুষ্টির মাধ্যমে অসন্তুষ্টি থেকে, আর আপনার নিরাপত্তার মাধ্যমে আপনার শাস্তি থেকে আশ্রয় চাই। আর আমি আপনার নিকটে আপনার (পাকড়াও) থেকে আশ্রয় চাই। আমি আপনার প্রশংসা গুনতে সক্ষম নই; আপনি সেরূপই, যেরূপ প্রশংসা আপনি নিজের জন্য করেছেন

রেফারেন্স: মুসলিম ১/৩৫২, নং ৪৮৬।

সিজদার দো‘আ #৮

সিজদার দো‘আ #৮

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ فِىْ قَلْبِىْ نُوْرًا وَفِىْ سَمْعِىْ نُوْرًا وَفِىْ بَصَرِىْ نُوْرًا وَعَنْ يَمِيْنِىْ نُوْرًا وَعَنْ شِمَالِىْ نُوْرًا وَأَمَامِىْ نُوْرًا وَخَلْفِىْ نُوْرًا وَفَوْقِىْ نُوْرًا وَتَحْتِىْ نُوْرًا وَاجْعَلْ لِىْ نُوْرًا (وَاجْعَلْنِىْ نُوْرًا) وَاجْعَلْ فِيْ نَفْسِيْ نُوْرًا (وَفِيْ عَصَبِيْ نُوْرًا وَفِيْ لَحْمِي نُوْرًا وَفِيْ دَمِي نُوْرًا وَفِيْ شَعْرِيْ نُوْرًا وَفِيْ بَشَرِيْ نُوْرًا)، اَللّٰهُمَّ أَعْطِنِيْ نُوْرًا

আল্লাহুম্মাজ্-‘আল ফী ক্বালবী নূরান, ওয়াফী সাম‘য়ী নূরান, ওয়াফী বাস্বারী নূরান, ওয়া ‘আন ইয়ামীনী নূরান, ওয়া ‘আন শিমালী নূরান, ওয়া আমা-মী নূরান, ওয়া খালফী নূরান, ওয়া ফাওক্বী নূরান, ওয়া তা‘হ্তী নূরান, ওয়াজ্-‘আল লী নূরান, ওয়াজ্-‘আলনী নূরান, ওয়াজ্‘আল ফী নাফ্সী নূরান, ওয়া ফী ‘আসাবী নূরান, ওয়াফী লা‘হ্মী নূরান, ওয়াফী দামী নূরান, ওয়াফী শা‘অ্রী নূরান, ওয়াফী বাশারী নূরান, আল্লাহুম্মা, আ‘অ্তিনী নূরান।

হে আল্লাহ আপনি প্রদান করুন আমার অন্তরে নূর, আমার শ্রবণে নূর, আমার দৃষ্টিতে নূর, আমার ডানে নূর, আমার বামে নূর, আমার সামনে নূর, আমার পিছনে নূর, আমার উপরে নূর, আমার নিচে নূর, আপনি আমার জন্য নূর দান করুন, আপনি আমাকে নূর বানিয়ে দিন। প্রদান করুন আমার নফসে নূর, আমার øায়ুতন্ত্রে নূর, আমার মাংসে নূর, আমার রক্তে নূর, আমার চুল-পশমে নূর, আমার চামড়ায় নূর। হে আল্লাহ আমাকে প্রদান করুন নূর।

রেফারেন্স: [১]বুখারী (৮৩-কিতাবুদ দাওয়াত, ১০-বাবুদ্দুআ ইযানতাবাহা...) ৫/২৩২৭,নং ৫৯৫৭ (ভা/২-৯৩৪-৯৩৫); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬২

রাসূলুল্লাহ (স) সালাতের মধ্যে বা সাজদায় এ দুআটি বলেন।

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْ فِىْ قَلْبِىْ نُوْرًا وَفِىْ سَمْعِىْ نُوْرًا وَفِىْ بَصَرِىْ نُوْرًا وَعَنْ يَمِيْنِىْ نُوْرًا وَعَنْ شِمَالِىْ نُوْرًا وَأَمَامِىْ نُوْرًا وَخَلْفِىْ نُوْرًا وَفَوْقِىْ نُوْرًا وَتَحْتِىْ نُوْرًا وَاجْعَلْ لِىْ نُوْرًا (وَاجْعَلْنِىْ نُوْرًا) وَاجْعَلْ فِيْ نَفْسِيْ نُوْرًا (وَفِيْ عَصَبِيْ نُوْرًا وَفِيْ لَحْمِي نُوْرًا وَفِيْ دَمِي نُوْرًا وَفِيْ شَعْرِيْ نُوْرًا وَفِيْ بَشَرِيْ نُوْرًا)، اَللّٰهُمَّ أَعْطِنِيْ نُوْرًا

হে আল্লাহ আপনি প্রদান করুন আমার অন্তরে নূর, আমার শ্রবণে নূর, আমার দৃষ্টিতে নূর, আমার ডানে নূর, আমার বামে নূর, আমার সামনে নূর, আমার পিছনে নূর, আমার উপরে নূর, আমার নিচে নূর, আপনি আমার জন্য নূর দান করুন, আপনি আমাকে নূর বানিয়ে দিন। প্রদান করুন আমার নফসে নূর, আমার øায়ুতন্ত্রে নূর, আমার মাংসে নূর, আমার রক্তে নূর, আমার চুল-পশমে নূর, আমার চামড়ায় নূর। হে আল্লাহ আমাকে প্রদান করুন নূর।

রেফারেন্স: [১]বুখারী (৮৩-কিতাবুদ দাওয়াত, ১০-বাবুদ্দুআ ইযানতাবাহা...) ৫/২৩২৭,নং ৫৯৫৭ (ভা/২-৯৩৪-৯৩৫); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬২

ফন্ট সাইজ
15px
17px