📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদের মাঝে দো‘আ

📄 রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদের মাঝে দো‘আ


রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদের মাঝে দো‘আ

রুকনে ইয়ামানী ও হাজরে আসওয়াদের মাঝে দো‘আ

رَبَّنَآ اٰتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْاٰخِرَةِ حَسَـنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

রব্বানা আ-তিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাতাওঁ ওয়াফিল আ-খিরাতি হাসানাতাওঁ ওয়াকিনা ‘আযা-বান্না-র

হে আমাদের রব্ব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন এবং আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/১৭৯, নং ১৮৯৪; মুসনাদে আহমাদ ৩/৪১১, নং ১৫৩৯৮; আল-বাগভী ফী শারহিস সুন্নাহ, ৭/১২৮। আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাউদে ১/৩৫৪ একে সহীহ বলেছেন। আয়াতটি সূরা আল-বাকারাহ্‌র আয়াত নং ২০১

رَبَّنَآ اٰتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّفِي الْاٰخِرَةِ حَسَـنَةً وَّقِنَا عَذَابَ النَّارِ

হে আমাদের রব্ব! আমাদেরকে দুনিয়াতে কল্যাণ দিন এবং আখেরাতেও কল্যাণ দিন এবং আমাদেরকে আগুনের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/১৭৯, নং ১৮৯৪; মুসনাদে আহমাদ ৩/৪১১, নং ১৫৩৯৮; আল-বাগভী ফী শারহিস সুন্নাহ, ৭/১২৮। আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাউদে ১/৩৫৪ একে সহীহ বলেছেন। আয়াতটি সূরা আল-বাকারাহ্‌র আয়াত নং ২০১

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সাফা ও মারওয়ায় দাঁড়িয়ে যা পড়বে

📄 সাফা ও মারওয়ায় দাঁড়িয়ে যা পড়বে


সাফা ও মারওয়ায় দাঁড়িয়ে যা পড়বে

সাফা ও মারওয়ায় দাঁড়িয়ে যা পড়বে

যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফা পর্বতের নিকটবর্তী হলেন, তখন এই আয়াত পড়লেনঃ

إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَآئِرِ اللّٰهِ

ইন্নাস্‌সাফা ওয়াল-মারওয়াতা মিন শা‘আ-ইরিল্লা-হ

নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
إِنَّ - নিশ্চয়ই
الصَّفَا - সাফা
وَالْمَرْوَةَ - এবং মারওয়া
مِنْ - মধ্যে
شَعَآئِرِ - নিদর্শনসমূহের
اللّٰهِ - আল্লাহর

আর বলেন,

أَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللّٰهُ بِهِ

আল্লাহ্‌ যেখান থেকে শুরু করেছেন আমিও সেখান থেকে শুরু করব।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
أَبْدَأُ - আমি শুরু করছি
بِمَا - যা দিয়ে
بَدَأَ - শুরু করেছেন
اللّٰهُ - আল্লাহ
بِهِ - তা দিয়ে

অতঃপর তিনি সাফা পর্বতে আরোহণ করতে লাগলেন যতক্ষণ না কা‘বা দেখলেন, অতঃপর কিবলামুখী হলেন, তারপর আল্লাহ্‌র তাওহীদ (লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ) ঘোষণা করেন এবং তাকবীর (আল্লাহু আকবার) বলেন

অতঃপর এই দো‘আ পড়েন,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ، لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ، أَنْجَزَ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর। লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু, আনজাযা ওয়া‘দাহু, ওয়ানাসারা ‘আবদাহু, ওয়া হাযামাল-আহযা-বা ওয়াহদাহু

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর তিনি সকল বিরোধী দল-গোষ্ঠীকে একাই পরাস্ত করেছেন।”

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَا - নাই (কোনো)
إِلٰهَ - মাবুদ/ইলাহ
إِلَّا - ছাড়া
اللّٰهُ - আল্লাহ
وَحْدَهُ - তিনি এক
لَا - নাই
شَرِيْكَ - শরীক/অংশীদার
لَهُ، - তাঁর
لَهُ - তাঁরই
الْمُلْكُ - রাজত্ব
وَلَهُ - ও তাঁর
الْحَمْدُ - সমস্ত প্রশংসাও
وَهُوَ - এবং তিনি
عَلَی - উপর
كُلِّ - সকল
شَيْءٍ - কিছুর
قَدِيْرٌ، - ক্ষমতাবান
لَا - নাই (কোনো)
إِلٰهَ - মাবুদ/ইলাহ
إِلَّا - ছাড়া
اللّٰهُ - আল্লাহ
وَحْدَهُ، - তিনি এক
أَنْجَزَ - পরিপুর্ন/বাস্তবায়ন করেছেন
وَعْدَهُ، - তাঁর ওয়াদা
وَنَصَرَ - এবং সাহায্য করেছেন
عَبْدَهُ، - তাঁর বান্দাকে
وَهَزَمَ - এবং পরাস্ত করেছেন
الْأَحْزَابَ - সকল বিরোধীদল-গোষ্ঠীকে
وَحْدَهُ - একাই

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৮৮৮, নং ১২১৮; আর আয়াতটি সূরা আল-বাকারার আয়াত নং ১৫৮।

এভাবে তিনি এর মধ্যবর্তী স্থানেও দো‘আ করতে থাকেন। এই দো‘আ তিনবার পাঠ করেন। হাদীসটিতে আরও আছে, “তিনি সাফা পাহাড়ে যেমন করেছিলেন মারওয়াতেও অনুরূপ করেন।”

যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফা পর্বতের নিকটবর্তী হলেন, তখন এই আয়াত পড়লেনঃ

إِنَّ নিশ্চয়ই الصَّفَا সাফা وَالْمَرْوَةَ এবং মারওয়া مِنْ মধ্যে شَعَآئِرِ নিদর্শনসমূহের اللّٰهِ আল্লাহর

নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহ্‌র নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত।

আর বলেন,

أَبْدَأُ আমি শুরু করছি بِمَا যা দিয়ে بَدَأَ শুরু করেছেন اللّٰهُ আল্লাহ بِهِ তা দিয়ে

আল্লাহ্‌ যেখান থেকে শুরু করেছেন আমিও সেখান থেকে শুরু করব।

অতঃপর এই দো‘আ পড়েন,

لَا নাই (কোনো) إِلٰهَ মাবুদ/ইলাহ إِلَّا ছাড়া اللّٰهُ আল্লাহ وَحْدَهُ তিনি এক لَا নাই شَرِيْكَ শরীক/অংশীদার لَهُ، তাঁর لَهُ তাঁরই الْمُلْكُ রাজত্ব وَلَهُ ও তাঁর الْحَمْدُ সমস্ত প্রশংসাও وَهُوَ এবং তিনি عَلَی উপর كُلِّ সকল شَيْءٍ কিছুর قَدِيْرٌ، ক্ষমতাবান لَا নাই (কোনো) إِلٰهَ মাবুদ/ইলাহ إِلَّا ছাড়া اللّٰهُ আল্লাহ وَحْدَهُ، তিনি এক أَنْجَزَ পরিপুর্ন/বাস্তবায়ন করেছেন وَعْدَهُ، তাঁর ওয়াদা وَنَصَرَ এবং সাহায্য করেছেন عَبْدَهُ، তাঁর বান্দাকে وَهَزَمَ এবং পরাস্ত করেছেন الْأَحْزَابَ সকল বিরোধীদল-গোষ্ঠীকে وَحْدَهُ একাই

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান। একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তিনি তাঁর ওয়াদা পূর্ণ করেছেন, তিনি তাঁর বান্দাকে সাহায্য করেছেন, আর তিনি সকল বিরোধী দল-গোষ্ঠীকে একাই পরাস্ত করেছেন।”

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৮৮৮, নং ১২১৮; আর আয়াতটি সূরা আল-বাকারার আয়াত নং ১৫৮।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 আরাফাতের দিনে দো‘আ

📄 আরাফাতের দিনে দো‘আ


আরাফাতের দিনে দো‘আ

আরাফাতের দিনে দো‘আ

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “শ্রেষ্ঠ দো‘আ হচ্ছে আরাফাত দিবসের দো‘আ। আর আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ যা বলেছি তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হচ্ছে:

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মূলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: তিরমিযী নং ৩৫৮৫; আর শাইখুল আলবানী সহীহুত তিরমিযীতে হাদীসটিকে হাসান বলেছেন, ৩/১৮৪; অনুরূপভাবে সিলসিলা সহীহায় ৪/৬।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “শ্রেষ্ঠ দো‘আ হচ্ছে আরাফাত দিবসের দো‘আ। আর আমি এবং আমার পূর্ববর্তী নবীগণ যা বলেছি তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ হচ্ছে:

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: তিরমিযী নং ৩৫৮৫; আর শাইখুল আলবানী সহীহুত তিরমিযীতে হাদীসটিকে হাসান বলেছেন, ৩/১৮৪; অনুরূপভাবে সিলসিলা সহীহায় ৪/৬।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 মাশ‘আরুল হারাম তথা মুযদালিফায় যিক্‌র

📄 মাশ‘আরুল হারাম তথা মুযদালিফায় যিক্‌র


মাশ‘আরুল হারাম তথা মুযদালিফায় যিক্‌র

মাশ‘আরুল হারাম তথা মুযদালিফায় যিক্‌র

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘কাসওয়া’ নামক উষ্ট্রীতে আরোহণ করলেন, অবশেষে তিনি যখন মাশ‘আরুল হারামে (মুযদালিফার একটি স্থানে) আসেন, তখন তিনি কিবলামুখী হয়ে দো‘আ করেন এবং তাকবীর বলেন,

اَللّٰهُ أَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُ - আল্লাহ
أَكْبَرُ - সর্বশ্রেষ্ঠ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু পাঠ করেন,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَا - নাই (কোনো)
إِلٰهَ - মাবুদ/ইলাহ
إِلَّا - ছাড়া
اللّٰهُ - আল্লাহ

এবং তাঁর তাওহীদ বা একত্ব ঘোষণা করেন,

اَللّٰهُ اَحَدٌ

আল্লা-হু আহা'দ

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُ - আল্লাহ
اَحَدٌ - এক

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৮৯১, নং ১২১৮।

তারপর তিনি (আকাশ) পূর্ণ ফর্সা না হওয়া পর্যন্ত সেখানেই অবস্থান করেন। অতঃপর সূর্য উদিত হওয়ার পূর্বেই তিনি মুযদালিফা ত্যাগ করেন।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘কাসওয়া’ নামক উষ্ট্রীতে আরোহণ করলেন, অবশেষে তিনি যখন মাশ‘আরুল হারামে (মুযদালিফার একটি স্থানে) আসেন, তখন তিনি কিবলামুখী হয়ে দো‘আ করেন এবং তাকবীর বলেন,

اَللّٰهُ আল্লাহ أَكْبَرُ সর্বশ্রেষ্ঠ

আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু পাঠ করেন,

لَا নাই (কোনো) إِلٰهَ মাবুদ/ইলাহ إِلَّا ছাড়া اللّٰهُ আল্লাহ

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই

এবং তাঁর তাওহীদ বা একত্ব ঘোষণা করেন,

اَللّٰهُ আল্লাহ اَحَدٌ এক

রেফারেন্স: মুসলিম ২/৮৯১, নং ১২১৮।

ফন্ট সাইজ
15px
17px