প্রশংসিতের দু‘আ
সাহাবী-তাবেয়ীগণের রীতি ছিল, কেউ তাঁদেরকে ধার্মিক বললে বা প্রশংসা করলে তাঁরা কষ্ট পেতেন। কেউ তাঁদের ‘ভাল’ বললে তারা বলতেন:
اَللّٰهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ وَاغْفِرْ لِيْ مَا لَا يَعْلَمُوْنَ (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِمَّا يَظُنُّوْنَ)
“হে আল্লাহ, এরা যা বলছে এজন্য আমাকে দায়ী করবেন না, আর তারা যা জানে না, আমার সে সব পাপ আপনি ক্ষমা করে দিন (এবং তারা যেরূপ ধারণা করছে আমাকে তার চেয়েও উত্তম বানিয়ে দিন।)”।
রেফারেন্স: বুুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ ১/২৬৭, বাইহাকী, শুআবুল ইমান ৪/২২৭,২২৮; আলবানী, সহীহুল আদাব ১/২৮[২] হাদীসটি সহীহ, তবে শেষ বাক্যটি পৃথক দূর্বল সনদে বর্ণিত; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২০২
সাহাবী-তাবেয়ীগণের রীতি ছিল, কেউ তাঁদেরকে ধার্মিক বললে বা প্রশংসা করলে তাঁরা কষ্ট পেতেন। কেউ তাঁদের ‘ভাল’ বললে তারা বলতেন:
اَللّٰهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ وَاغْفِرْ لِيْ مَا لَا يَعْلَمُوْنَ (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِمَّا يَظُنُّوْنَ)
“হে আল্লাহ, এরা যা বলছে এজন্য আমাকে দায়ী করবেন না, আর তারা যা জানে না, আমার সে সব পাপ আপনি ক্ষমা করে দিন (এবং তারা যেরূপ ধারণা করছে আমাকে তার চেয়েও উত্তম বানিয়ে দিন।)”।
রেফারেন্স: বুুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ ১/২৬৭, বাইহাকী, শুআবুল ইমান ৪/২২৭,২২৮; আলবানী, সহীহুল আদাব ১/২৮[২] হাদীসটি সহীহ, তবে শেষ বাক্যটি পৃথক দূর্বল সনদে বর্ণিত; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২০২