📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে

📄 কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে


কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে

কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে

সাহাবী-তাবেয়ীগণের রীতি ছিল, কেউ তাঁদেরকে ধার্মিক বললে বা প্রশংসা করলে তাঁরা কষ্ট পেতেন। কেউ তাঁদের ‘ভাল’ বললে তারা বলতেন:

اَللّٰهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ، وَاغْفِرْ لِيْ مَا لَا يَعْلَمُوْنَ، (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِّمَّا يَظُنُّوْنَ)

আল্লা-হুম্মা লা-তু’আ-খিযনী বিমা ইয়াক্বূলূনা, ওয়াগফিরলী মা-লা ইয়া‘লামূনা, (ওয়াজ‘আলনী খাইরাম মিম্মা ইয়াযুন্নূনা)

হে আল্লাহ, তারা যা বলছে তার জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, তারা (আমার ব্যাপারে) যা জানে না সে ব্যাপারে আমাকে ক্ষমা করুন। (আর তারা যা ধারণা করে তার চাইতেও আমাকে উত্তম বানান)

রেফারেন্স: বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, নং ৭৬১ আর শাইখ আলবানী তাঁর সহীহুল আদাবিল মুফরাদ গ্রন্থে নং ৫৮৫, সেটার সনদকে সহীহ বলেছেন। আর দু’ ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর শু‘আবুল ঈমান গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, ৪/২২৮, যা অন্য পদ্ধতিতে এসেছে।

সাহাবী-তাবেয়ীগণের রীতি ছিল, কেউ তাঁদেরকে ধার্মিক বললে বা প্রশংসা করলে তাঁরা কষ্ট পেতেন। কেউ তাঁদের ‘ভাল’ বললে তারা বলতেন:

اَللّٰهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ، وَاغْفِرْ لِيْ مَا لَا يَعْلَمُوْنَ، (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِّمَّا يَظُنُّوْنَ)

হে আল্লাহ, তারা যা বলছে তার জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, তারা (আমার ব্যাপারে) যা জানে না সে ব্যাপারে আমাকে ক্ষমা করুন। (আর তারা যা ধারণা করে তার চাইতেও আমাকে উত্তম বানান)

রেফারেন্স: বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, নং ৭৬১ আর শাইখ আলবানী তাঁর সহীহুল আদাবিল মুফরাদ গ্রন্থে নং ৫৮৫, সেটার সনদকে সহীহ বলেছেন। আর দু’ ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর শু‘আবুল ঈমান গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, ৪/২২৮, যা অন্য পদ্ধতিতে এসেছে।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বিবিধ কল্যাণ ও সামষ্টিক কিছু আদব

📄 বিবিধ কল্যাণ ও সামষ্টিক কিছু আদব


বিবিধ কল্যাণ ও সামষ্টিক কিছু আদব

বিবিধ কল্যাণ ও সামষ্টিক কিছু আদব

আল্লাহ্ দরূদ ও সালাম এবং বরকত বর্ষণ করুন আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর বংশধর ও তাঁর সকল সাহাবীগণের উপর।

আল্লাহ্ দরূদ ও সালাম এবং বরকত বর্ষণ করুন আমাদের নবী মুহাম্মাদ, তাঁর বংশধর ও তাঁর সকল সাহাবীগণের উপর।

কাউকে প্রশংসা করার মাসনূন যিকর

কাউকে প্রশংসা করার মাসনূন যিকর

কোন মানুষের পিছনে নিন্দা করা এবং সামনে ঢালাও প্রশংসা করা অপরাধ। প্রশংসার ক্ষেত্রে কারো বিশেষ স্বভাব বা গুণের প্রশংসা করা যেতে পারে। কারো ঢালাও প্রশংসা করতে বা নিশ্চিতরূপে কাউকে ‘ভাল’ বলতে হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশংসার ক্ষেত্রে বলতে হবে: আমার ধারণা, অমুক ব্যক্তি ভাল; নিশ্চয়তা প্রকাশ করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ স বলেন, তোমাদের যদি কখনো কাউকে প্রশংসা করতে-ই হয় তাহলে বলবে :

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللّٰهُ حَسِيْبُهُ وَلَا أُزَكِّيْ عَلَى اللّٰهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

“আমি অমুককে এরূপ মনে করি, আল্লাহই তাকে ভাল জানেন (তিনি তার পরিপূর্ণ হিসেব সংরক্ষক), আল্লাহর উপরে আমি কাউকে ভাল বলছি না। আমি তাকে অমুক অমুক গুণের অধিকারী বলে মনে করি।

রেফারেন্স: বুখারী (৫৬-কিতাবুশ শাহাদাত, ১৬-বাব ইযা যাক্কা) ২/৯৪৬ (ভারতীয় ১/৩৬৬); মুসলিম (৫৩-কিতাবুয যুহদ, ১৪-বাবুন নাহয়ি আনিল মাদহি) ৪/২২৯৬ (২/৪১৪); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২০১

কোন মানুষের পিছনে নিন্দা করা এবং সামনে ঢালাও প্রশংসা করা অপরাধ। প্রশংসার ক্ষেত্রে কারো বিশেষ স্বভাব বা গুণের প্রশংসা করা যেতে পারে। কারো ঢালাও প্রশংসা করতে বা নিশ্চিতরূপে কাউকে ‘ভাল’ বলতে হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশংসার ক্ষেত্রে বলতে হবে: আমার ধারণা, অমুক ব্যক্তি ভাল; নিশ্চয়তা প্রকাশ করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ স বলেন, তোমাদের যদি কখনো কাউকে প্রশংসা করতে-ই হয় তাহলে বলবে :

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللّٰهُ حَسِيْبُهُ وَلَا أُزَكِّيْ عَلَى اللّٰهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

“আমি অমুককে এরূপ মনে করি, আল্লাহই তাকে ভাল জানেন (তিনি তার পরিপূর্ণ হিসেব সংরক্ষক), আল্লাহর উপরে আমি কাউকে ভাল বলছি না। আমি তাকে অমুক অমুক গুণের অধিকারী বলে মনে করি।

রেফারেন্স: বুখারী (৫৬-কিতাবুশ শাহাদাত, ১৬-বাব ইযা যাক্কা) ২/৯৪৬ (ভারতীয় ১/৩৬৬); মুসলিম (৫৩-কিতাবুয যুহদ, ১৪-বাবুন নাহয়ি আনিল মাদহি) ৪/২২৯৬ (২/৪১৪); রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২০১

প্রশংসিতের দু‘আ

প্রশংসিতের দু‘আ

সাহাবী-তাবেয়ীগণের রীতি ছিল, কেউ তাঁদেরকে ধার্মিক বললে বা প্রশংসা করলে তাঁরা কষ্ট পেতেন। কেউ তাঁদের ‘ভাল’ বললে তারা বলতেন:

اَللّٰهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ وَاغْفِرْ لِيْ مَا لَا يَعْلَمُوْنَ (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِمَّا يَظُنُّوْنَ)

“হে আল্লাহ, এরা যা বলছে এজন্য আমাকে দায়ী করবেন না, আর তারা যা জানে না, আমার সে সব পাপ আপনি ক্ষমা করে দিন (এবং তারা যেরূপ ধারণা করছে আমাকে তার চেয়েও উত্তম বানিয়ে দিন।)”।

রেফারেন্স: বুুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ ১/২৬৭, বাইহাকী, শুআবুল ইমান ৪/২২৭,২২৮; আলবানী, সহীহুল আদাব ১/২৮[২] হাদীসটি সহীহ, তবে শেষ বাক্যটি পৃথক দূর্বল সনদে বর্ণিত; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২০২

সাহাবী-তাবেয়ীগণের রীতি ছিল, কেউ তাঁদেরকে ধার্মিক বললে বা প্রশংসা করলে তাঁরা কষ্ট পেতেন। কেউ তাঁদের ‘ভাল’ বললে তারা বলতেন:

اَللّٰهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ وَاغْفِرْ لِيْ مَا لَا يَعْلَمُوْنَ (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِمَّا يَظُنُّوْنَ)

“হে আল্লাহ, এরা যা বলছে এজন্য আমাকে দায়ী করবেন না, আর তারা যা জানে না, আমার সে সব পাপ আপনি ক্ষমা করে দিন (এবং তারা যেরূপ ধারণা করছে আমাকে তার চেয়েও উত্তম বানিয়ে দিন।)”।

রেফারেন্স: বুুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ ১/২৬৭, বাইহাকী, শুআবুল ইমান ৪/২২৭,২২৮; আলবানী, সহীহুল আদাব ১/২৮[২] হাদীসটি সহীহ, তবে শেষ বাক্যটি পৃথক দূর্বল সনদে বর্ণিত; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২০২

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [৫৯:১০]

📄 তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [৫৯:১০]


তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [৫৯:১০]

তাওবা - ক্ষমা চাওয়ার দোয়া [৫৯:১০]

رَبَّنَا اغۡفِرۡ لَـنَا وَلِاِخۡوَانِنَا الَّذِيۡنَ سَبَقُوۡنَا بِالۡاِيۡمَانِ وَلَا تَجۡعَلۡ فِىۡ قُلُوۡبِنَا غِلًّا لِّلَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا رَبَّنَاۤ اِنَّكَ رَءُوۡفٌ رَّحِيۡمٌ

রব্বানাগ্ ফিরলানা-অলিইখ্ওয়া-নিনাল লাযীনা সাবাক্ব ক্রনা বিল্ ঈমা-নি অলা- তাজ্ব ‘আল্ ফী কুলূবিনা-গিল্লাল্লিল্লাযীনা আ-মানূ রব্বানা য় ইন্নাকা রায়ূফুর রহীম্

হে আমাদের রব, আমাদেরকে ও আমাদের ভাই যারা ঈমান নিয়ে আমাদের পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করুন; এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রাখবেন না; হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি দয়াবান, পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সূরা আল-হাশর - ৫৯:১০

দোয়ার প্রেক্ষাপট: অনুজ মুসলমানদের উচিত তাদের অগ্রজ মুসলমান ভাইদের ক্ষমা করে দেয়ার জন্যে এবং মুসলমানদের পরস্পরের মধ্যে যাতে বিদ্বেষ সৃষ্টি না হয় সে জন্য আল্লাহর দরবারে এরূপ প্রার্থনা করা।

رَبَّنَا اغۡفِرۡ لَـنَا وَلِاِخۡوَانِنَا الَّذِيۡنَ سَبَقُوۡنَا بِالۡاِيۡمَانِ وَلَا تَجۡعَلۡ فِىۡ قُلُوۡبِنَا غِلًّا لِّلَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا رَبَّنَاۤ اِنَّكَ رَءُوۡفٌ رَّحِيۡمٌ

হে আমাদের রব, আমাদেরকে ও আমাদের ভাই যারা ঈমান নিয়ে আমাদের পূর্বে অতিক্রান্ত হয়েছে তাদেরকে ক্ষমা করুন; এবং যারা ঈমান এনেছিল তাদের জন্য আমাদের অন্তরে কোন বিদ্বেষ রাখবেন না; হে আমাদের রব, নিশ্চয় আপনি দয়াবান, পরম দয়ালু।

রেফারেন্স: সূরা আল-হাশর - ৫৯:১০

ফন্ট সাইজ
15px
17px