📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

📄 কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে


কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

আহলে কিতাব তথা ইয়াহূদী ও নাসারারা যখন তোমাদেরকে সালাম দিবে, তখন তোমরা বলবে,

وَعَلَيْكُمْ

ওয়া ‘আলাইকুম।

আর তোমাদেরও উপর।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/৪২, নং ৬২৫৮; মুসলিম ৪/১৭০৫, নং ২১৬৩

আহলে কিতাব তথা ইয়াহূদী ও নাসারারা যখন তোমাদেরকে সালাম দিবে, তখন তোমরা বলবে,

وَعَلَيْكُمْ

আর তোমাদেরও উপর।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/৪২, নং ৬২৫৮; মুসলিম ৪/১৭০৫, নং ২১৬৩

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ

📄 যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ


যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ

যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ

اَللّٰهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

আল্লা-হুম্মা ফাআইয়্যূমা মু’মিনিন্ সাবাবতুহু ফাজ্‘আল যা-লিকা লাহু কুরবাতান ইলাইকা ইয়াউমাল ক্বিয়া-মাতি

হে আল্লাহ! যে মুমিনকেই আমি গালি দিয়েছি, তা তার জন্য কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যের মাধ্যম করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১৭১, নং ৬৩৬১; মুসলিম ৪/২০০৭, নং ৩৯৬, আর তার শব্দ হচ্ছে, “ফাজ‘আলহা লাহূ যাকাতান ও রাহমাতান”। অর্থাৎ ‘সেটা তার জন্য পবিত্রতা ও রহমত বানিয়ে দিন’।

اَللّٰهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

হে আল্লাহ! যে মুমিনকেই আমি গালি দিয়েছি, তা তার জন্য কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যের মাধ্যম করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১৭১, নং ৬৩৬১; মুসলিম ৪/২০০৭, নং ৩৯৬, আর তার শব্দ হচ্ছে, “ফাজ‘আলহা লাহূ যাকাতান ও রাহমাতান”। অর্থাৎ ‘সেটা তার জন্য পবিত্রতা ও রহমত বানিয়ে দিন’।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে

📄 কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে


কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে

কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে

কোন মানুষের পিছনে নিন্দা করা এবং সামনে ঢালাও প্রশংসা করা অপরাধ। প্রশংসার ক্ষেত্রে কারো বিশেষ স্বভাব বা গুণের প্রশংসা করা যেতে পারে। কারো ঢালাও প্রশংসা করতে বা নিশ্চিতরূপে কাউকে ‘ভাল’ বলতে হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশংসার ক্ষেত্রে বলতে হবে: আমার ধারণা, অমুক ব্যক্তি ভাল; নিশ্চয়তা প্রকাশ করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তোমাদের যদি কখনো কাউকে প্রশংসা করতে-ই হয় তাহলে বলবে:

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللّٰهُ حَسِيْبُهُ وَلَا أُزَكِّيْ عَلَى اللّٰهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

“আমি অমুককে এরূপ মনে করি, আল্লাহই তাকে ভাল জানেন (তিনি তার পরিপূর্ণ হিসেব সংরক্ষক), আল্লাহর উপরে আমি কাউকে ভাল বলছি না। আমি তাকে অমুক অমুক গুণের অধিকারী বলে মনে করি।

রেফারেন্স: বুখারী (৫৬-কিতাবুশ শাহাদাত, ১৬-বাব ইযা যাক্কা) ২/৯৪৬ (ভারতীয় ১/৩৬৬); মুসলিম (৫৩-কিতাবুয যুহদ, ১৪-বাবুন নাহয়ি আনিল মাদহি) ৪/২২৯৬ (২/৪১৪) ।

কোন মানুষের পিছনে নিন্দা করা এবং সামনে ঢালাও প্রশংসা করা অপরাধ। প্রশংসার ক্ষেত্রে কারো বিশেষ স্বভাব বা গুণের প্রশংসা করা যেতে পারে। কারো ঢালাও প্রশংসা করতে বা নিশ্চিতরূপে কাউকে ‘ভাল’ বলতে হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশংসার ক্ষেত্রে বলতে হবে: আমার ধারণা, অমুক ব্যক্তি ভাল; নিশ্চয়তা প্রকাশ করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তোমাদের যদি কখনো কাউকে প্রশংসা করতে-ই হয় তাহলে বলবে:

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللّٰهُ حَسِيْبُهُ وَلَا أُزَكِّيْ عَلَى اللّٰهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

“আমি অমুককে এরূপ মনে করি, আল্লাহই তাকে ভাল জানেন (তিনি তার পরিপূর্ণ হিসেব সংরক্ষক), আল্লাহর উপরে আমি কাউকে ভাল বলছি না। আমি তাকে অমুক অমুক গুণের অধিকারী বলে মনে করি।

রেফারেন্স: বুখারী (৫৬-কিতাবুশ শাহাদাত, ১৬-বাব ইযা যাক্কা) ২/৯৪৬ (ভারতীয় ১/৩৬৬); মুসলিম (৫৩-কিতাবুয যুহদ, ১৪-বাবুন নাহয়ি আনিল মাদহি) ৪/২২৯৬ (২/৪১৪) ।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে

📄 কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে


কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে

কোনো মুসলিমের প্রশংসা করা হলে সে যা বলবে

সাহাবী-তাবেয়ীগণের রীতি ছিল, কেউ তাঁদেরকে ধার্মিক বললে বা প্রশংসা করলে তাঁরা কষ্ট পেতেন। কেউ তাঁদের ‘ভাল’ বললে তারা বলতেন:

اَللّٰهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ، وَاغْفِرْ لِيْ مَا لَا يَعْلَمُوْنَ، (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِّمَّا يَظُنُّوْنَ)

আল্লা-হুম্মা লা-তু’আ-খিযনী বিমা ইয়াক্বূলূনা, ওয়াগফিরলী মা-লা ইয়া‘লামূনা, (ওয়াজ‘আলনী খাইরাম মিম্মা ইয়াযুন্নূনা)

হে আল্লাহ, তারা যা বলছে তার জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, তারা (আমার ব্যাপারে) যা জানে না সে ব্যাপারে আমাকে ক্ষমা করুন। (আর তারা যা ধারণা করে তার চাইতেও আমাকে উত্তম বানান)

রেফারেন্স: বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, নং ৭৬১ আর শাইখ আলবানী তাঁর সহীহুল আদাবিল মুফরাদ গ্রন্থে নং ৫৮৫, সেটার সনদকে সহীহ বলেছেন। আর দু’ ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর শু‘আবুল ঈমান গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, ৪/২২৮, যা অন্য পদ্ধতিতে এসেছে।

সাহাবী-তাবেয়ীগণের রীতি ছিল, কেউ তাঁদেরকে ধার্মিক বললে বা প্রশংসা করলে তাঁরা কষ্ট পেতেন। কেউ তাঁদের ‘ভাল’ বললে তারা বলতেন:

اَللّٰهُمَّ لَا تُؤَاخِذْنِيْ بِمَا يَقُوْلُوْنَ، وَاغْفِرْ لِيْ مَا لَا يَعْلَمُوْنَ، (وَاجْعَلْنِيْ خَيْرًا مِّمَّا يَظُنُّوْنَ)

হে আল্লাহ, তারা যা বলছে তার জন্য আমাকে পাকড়াও করবেন না, তারা (আমার ব্যাপারে) যা জানে না সে ব্যাপারে আমাকে ক্ষমা করুন। (আর তারা যা ধারণা করে তার চাইতেও আমাকে উত্তম বানান)

রেফারেন্স: বুখারী, আল-আদাবুল মুফরাদ, নং ৭৬১ আর শাইখ আলবানী তাঁর সহীহুল আদাবিল মুফরাদ গ্রন্থে নং ৫৮৫, সেটার সনদকে সহীহ বলেছেন। আর দু’ ব্রাকেটের মাঝখানের অংশ বাইহাকীর শু‘আবুল ঈমান গ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে, ৪/২২৮, যা অন্য পদ্ধতিতে এসেছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px