📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সালামের প্রসার

📄 সালামের প্রসার


সালামের প্রসার

সালামের প্রসার

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর তোমরা পরস্পরকে না ভালোবাসা পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দিবো না যা করলে তোমরা পরস্পরকে ভালবাসবে? (তা হলো) তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের ব্যাপক প্রসার ঘটাও।” [১] “তিনটি জিনিস যে ব্যক্তি একত্রিত করতে পারবে সে ঈমান একত্রিত করল, ১. নিজের ব্যাপারেও ইনসাফ করা, ২. জগতের সকলকে সালাম দেওয়া, আর ৩. অল্প সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তা থেকে ব্যয় করা” [২] ‘আবদুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, ইসলামের কোন কাজটি শ্রেষ্ঠ? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তুমি খাবার খাওয়াবে এবং তোমার পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দিবে।” [৩]

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ১/৭৪, নং ৫৪; আহমাদ, নং ১৪৩০; আর শব্দ তাঁরই। মুসলিমের শব্দ হচ্ছে, “লা তাদখুলূনা...” ‘তোমরা প্রবেশ করবে না...’। [২] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১/৮২, নং ২৮; আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাওকূফ ও মু‘আল্লাক হিসেবে। [৩] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ)১/৫৫, নং ১২; মুসলিম ১/৬৫, নং ৩৯।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর তোমরা পরস্পরকে না ভালোবাসা পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দিবো না যা করলে তোমরা পরস্পরকে ভালবাসবে? (তা হলো) তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের ব্যাপক প্রসার ঘটাও।” [১] “তিনটি জিনিস যে ব্যক্তি একত্রিত করতে পারবে সে ঈমান একত্রিত করল, ১. নিজের ব্যাপারেও ইনসাফ করা, ২. জগতের সকলকে সালাম দেওয়া, আর ৩. অল্প সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তা থেকে ব্যয় করা” [২] ‘আবদুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, ইসলামের কোন কাজটি শ্রেষ্ঠ? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তুমি খাবার খাওয়াবে এবং তোমার পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দিবে।” [৩]

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ১/৭৪, নং ৫৪; আহমাদ, নং ১৪৩০; আর শব্দ তাঁরই। মুসলিমের শব্দ হচ্ছে, “লা তাদখুলূনা...” ‘তোমরা প্রবেশ করবে না...’। [২] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১/৮২, নং ২৮; আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাওকূফ ও মু‘আল্লাক হিসেবে। [৩] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ)১/৫৫, নং ১২; মুসলিম ১/৬৫, নং ৩৯।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

📄 কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে


কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

আহলে কিতাব তথা ইয়াহূদী ও নাসারারা যখন তোমাদেরকে সালাম দিবে, তখন তোমরা বলবে,

وَعَلَيْكُمْ

ওয়া ‘আলাইকুম।

আর তোমাদেরও উপর।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/৪২, নং ৬২৫৮; মুসলিম ৪/১৭০৫, নং ২১৬৩

আহলে কিতাব তথা ইয়াহূদী ও নাসারারা যখন তোমাদেরকে সালাম দিবে, তখন তোমরা বলবে,

وَعَلَيْكُمْ

আর তোমাদেরও উপর।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/৪২, নং ৬২৫৮; মুসলিম ৪/১৭০৫, নং ২১৬৩

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ

📄 যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ


যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ

যাকে আপনি গালি দিয়েছেন তার জন্য দো‘আ

اَللّٰهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

আল্লা-হুম্মা ফাআইয়্যূমা মু’মিনিন্ সাবাবতুহু ফাজ্‘আল যা-লিকা লাহু কুরবাতান ইলাইকা ইয়াউমাল ক্বিয়া-মাতি

হে আল্লাহ! যে মুমিনকেই আমি গালি দিয়েছি, তা তার জন্য কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যের মাধ্যম করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১৭১, নং ৬৩৬১; মুসলিম ৪/২০০৭, নং ৩৯৬, আর তার শব্দ হচ্ছে, “ফাজ‘আলহা লাহূ যাকাতান ও রাহমাতান”। অর্থাৎ ‘সেটা তার জন্য পবিত্রতা ও রহমত বানিয়ে দিন’।

اَللّٰهُمَّ فَأَيُّمَا مُؤْمِنٍ سَبَبْتُهُ فَاجْعَلْ ذَلِكَ لَهُ قُرْبَةً إِلَيْكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

হে আল্লাহ! যে মুমিনকেই আমি গালি দিয়েছি, তা তার জন্য কিয়ামতের দিন আপনার নৈকট্যের মাধ্যম করে দিন।

রেফারেন্স: বুখারী (ফাতহুল বারীসহ) ১১/১৭১, নং ৬৩৬১; মুসলিম ৪/২০০৭, নং ৩৯৬, আর তার শব্দ হচ্ছে, “ফাজ‘আলহা লাহূ যাকাতান ও রাহমাতান”। অর্থাৎ ‘সেটা তার জন্য পবিত্রতা ও রহমত বানিয়ে দিন’।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে

📄 কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে


কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে

কোনো মুসলিম অপর মুসলিমকে প্রশংসা করলে যা বলবে

কোন মানুষের পিছনে নিন্দা করা এবং সামনে ঢালাও প্রশংসা করা অপরাধ। প্রশংসার ক্ষেত্রে কারো বিশেষ স্বভাব বা গুণের প্রশংসা করা যেতে পারে। কারো ঢালাও প্রশংসা করতে বা নিশ্চিতরূপে কাউকে ‘ভাল’ বলতে হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশংসার ক্ষেত্রে বলতে হবে: আমার ধারণা, অমুক ব্যক্তি ভাল; নিশ্চয়তা প্রকাশ করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তোমাদের যদি কখনো কাউকে প্রশংসা করতে-ই হয় তাহলে বলবে:

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللّٰهُ حَسِيْبُهُ وَلَا أُزَكِّيْ عَلَى اللّٰهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

“আমি অমুককে এরূপ মনে করি, আল্লাহই তাকে ভাল জানেন (তিনি তার পরিপূর্ণ হিসেব সংরক্ষক), আল্লাহর উপরে আমি কাউকে ভাল বলছি না। আমি তাকে অমুক অমুক গুণের অধিকারী বলে মনে করি।

রেফারেন্স: বুখারী (৫৬-কিতাবুশ শাহাদাত, ১৬-বাব ইযা যাক্কা) ২/৯৪৬ (ভারতীয় ১/৩৬৬); মুসলিম (৫৩-কিতাবুয যুহদ, ১৪-বাবুন নাহয়ি আনিল মাদহি) ৪/২২৯৬ (২/৪১৪) ।

কোন মানুষের পিছনে নিন্দা করা এবং সামনে ঢালাও প্রশংসা করা অপরাধ। প্রশংসার ক্ষেত্রে কারো বিশেষ স্বভাব বা গুণের প্রশংসা করা যেতে পারে। কারো ঢালাও প্রশংসা করতে বা নিশ্চিতরূপে কাউকে ‘ভাল’ বলতে হাদীসে নিষেধ করা হয়েছে। প্রশংসার ক্ষেত্রে বলতে হবে: আমার ধারণা, অমুক ব্যক্তি ভাল; নিশ্চয়তা প্রকাশ করা যাবে না। রাসূলুল্লাহ (স) বলেন, তোমাদের যদি কখনো কাউকে প্রশংসা করতে-ই হয় তাহলে বলবে:

أَحْسِبُ فُلَانًا وَاللّٰهُ حَسِيْبُهُ وَلَا أُزَكِّيْ عَلَى اللّٰهِ أَحَدًا أَحْسِبُهُ كَذَا وَكَذَا

“আমি অমুককে এরূপ মনে করি, আল্লাহই তাকে ভাল জানেন (তিনি তার পরিপূর্ণ হিসেব সংরক্ষক), আল্লাহর উপরে আমি কাউকে ভাল বলছি না। আমি তাকে অমুক অমুক গুণের অধিকারী বলে মনে করি।

রেফারেন্স: বুখারী (৫৬-কিতাবুশ শাহাদাত, ১৬-বাব ইযা যাক্কা) ২/৯৪৬ (ভারতীয় ১/৩৬৬); মুসলিম (৫৩-কিতাবুয যুহদ, ১৪-বাবুন নাহয়ি আনিল মাদহি) ৪/২২৯৬ (২/৪১৪) ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية