📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বাজারে প্রবেশের দো‘আ

📄 বাজারে প্রবেশের দো‘আ


বাজারে প্রবেশের দো‘আ

বাজারে প্রবেশের দো‘আ

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ، وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوْتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকালাহু লাহুল-মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ইয়ুহঈ ওয়াইয়ুমীতু ওয়াহুয়া হায়্যুন লা ইয়ামূতু বিয়াদিহিল খাইরু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা মাত্রই তাঁর। তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মারেন। আর তিনি চিরঞ্জীব, মারা যাবেন না। সকল প্রকার কল্যাণ তাঁর হাতে নিহিত। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: তিরমিযী, নং ৩৪২৮; ইবন মাজাহ, ৫/২৯১, নং ৩৮৬০; হাকেম ১/৫৩৮। আর শাইখ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/২১; সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫২ হাসান হাদীস বলেছেন।

উমার ইবনুল খাত্তাব (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, “যে ব্যক্তি বাজারে (শহর, বন্দর বা কর্মস্থলে) প্রবেশ করে এ যিকরগুলো বলবে, আল্লাহ তাঁর জন্য দশ লক্ষ সাওয়াব লিখবেন, তাঁর দশ লাখ (সাধারণ ছোটখাট) গোনাহ মুছে দিবেন, তাঁর দশ লাখ মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন এবং তার জন্য জান্নাতে একটি বাড়ি তৈরি করবেন।” হাদীসটির সনদে দুর্বলতা আছে। ইমাম বুখারী হাদীসটিকে মুন্কর বলেছেন। তবে বিভিন্ন সনদের সমন্বয়ে আলবানী হাদীসটি ‘হাসান’ বলেছেন। সাধারণত কোনো সহীহ হাদীসে কোনো যিকর বা আমলের এত বেশি সাওয়াবের কথা পাওয়া যায় না। এখানে পাঠক একটু চিন্তা করলেই এ অপরিমেয় সাওয়াবের কারণ বুঝতে পারবেন। যে স্থানে আল্লাহর স্মরণ ভুলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি সে স্থানে তাঁর যিকরের সাওয়াবও বেশি। বাজার, ঘাট, শহর, কর্মক্ষেত্র ইত্যাদি স্থানে মানুষের দেহ ও মন স্বভাবতই বিভিন্নমুখী কর্মে অত্যন্ত ব্যস্ত থাকে। এ সময়ে যে বান্দা নিজেকে আল্লাহর যিকরে নিয়োজিত রাখতে পারেন তিনি নিঃসন্দেহে এরূপ পুরস্কারের অধিকারী হবেন।

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ، وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوْتُ، بِيَدِهِ الْخَيْرُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরিক নেই, রাজত্ব তাঁরই, প্রশংসা মাত্রই তাঁর। তিনিই জীবন দান করেন এবং তিনিই মারেন। আর তিনি চিরঞ্জীব, মারা যাবেন না। সকল প্রকার কল্যাণ তাঁর হাতে নিহিত। তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: তিরমিযী, নং ৩৪২৮; ইবন মাজাহ, ৫/২৯১, নং ৩৮৬০; হাকেম ১/৫৩৮। আর শাইখ আলবানী হাদীসটিকে সহীহ ইবন মাজাহ্‌ ২/২১; সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫২ হাসান হাদীস বলেছেন।

বাজার বা কর্মস্থলে প্রবেশের দুআ

বাজার বা কর্মস্থলে প্রবেশের দুআ

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهَا وَخَيْرِ أَهْلِهَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا

আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্আলুকা মিন্ ‘খাইরিহা- ওয়া ‘খাইরি আহ্লিহা ওয়া আ‘ঊযু বিকা মিন র্শারিহা ওয়া র্শারি আহ্লিহা।

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এস্থানের কল্যাণ ও এখানে অবস্থানরতদের কল্যাণ এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এর অকল্যাণ এবং এখানে অবস্থানরতদের অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: সাঈদ ইবন মানসূর, আস সুনান, ২/৪৩৩; বাইহাকী, আস-সুনানুল কুবরা ১০৪৩ হাদীসটি সহীহ; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২২৩

আব্দুল্লাহ ইবন মাসঊদ থেকে বর্ণিত, তিনি বাজারের প্রবেশমুখে দাঁড়িয়ে বাজারের দিকে মুখ করে এ দুআটি পড়ে বাজারে প্রবেশ করেন। উপরে জনপদে প্রবেশের দুআ দুটি বাজারে প্রবেশের সময়েও পড়া প্রয়োজন। এছাড়া পূর্বোক্ত ৯৫/১৪৫ নং যিকরও পড়া উচিত।

اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهَا وَخَيْرِ أَهْلِهَا وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا وَشَرِّ أَهْلِهَا

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এস্থানের কল্যাণ ও এখানে অবস্থানরতদের কল্যাণ এবং আমি আপনার আশ্রয় গ্রহণ করছি এর অকল্যাণ এবং এখানে অবস্থানরতদের অকল্যাণ থেকে।

রেফারেন্স: সাঈদ ইবন মানসূর, আস সুনান, ২/৪৩৩; বাইহাকী, আস-সুনানুল কুবরা ১০৪৩ হাদীসটি সহীহ; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২২৩

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 উপরে উঠা ও নিচে নামার দো‘আ

📄 উপরে উঠা ও নিচে নামার দো‘আ


উপরে উঠা ও নিচে নামার দো‘আ

উপরে উঠা ও নিচে নামার দো‘আ

জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, “আমরা যখন উঁচুতে আরোহণ করতাম তখন

اَللّٰهُ أَكْبَرُ

আল্লা-হু আকবার

আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُ - আল্লাহ
أَكْبَرُ - সর্বশ্রেষ্ঠ

...আর যখন নীচের দিকে নামতাম তখন

سُبْحَانَ اللّٰهِ

সুবহা-নাল্লাহ

কতই না পবিত্র-মহান।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
سُبْحَانَ - কতই না পবিত্র-মহান
اللّٰهِ - আল্লাহর

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/১৩৫, নং ২৯৯৩

...বলতাম।”

জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, “আমরা যখন উঁচুতে আরোহণ করতাম তখন

اَللّٰهُ আল্লাহ أَكْبَرُ সর্বশ্রেষ্ঠ

আল্লাহ সবচেয়ে বড়।

...আর যখন নীচের দিকে নামতাম তখন

سُبْحَانَ কতই না পবিত্র-মহান اللّٰهِ আল্লাহর

কতই না পবিত্র-মহান।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৬/১৩৫, নং ২৯৯৩

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সালামের প্রসার

📄 সালামের প্রসার


সালামের প্রসার

সালামের প্রসার

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর তোমরা পরস্পরকে না ভালোবাসা পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দিবো না যা করলে তোমরা পরস্পরকে ভালবাসবে? (তা হলো) তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের ব্যাপক প্রসার ঘটাও।” [১] “তিনটি জিনিস যে ব্যক্তি একত্রিত করতে পারবে সে ঈমান একত্রিত করল, ১. নিজের ব্যাপারেও ইনসাফ করা, ২. জগতের সকলকে সালাম দেওয়া, আর ৩. অল্প সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তা থেকে ব্যয় করা” [২] ‘আবদুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, ইসলামের কোন কাজটি শ্রেষ্ঠ? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তুমি খাবার খাওয়াবে এবং তোমার পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দিবে।” [৩]

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ১/৭৪, নং ৫৪; আহমাদ, নং ১৪৩০; আর শব্দ তাঁরই। মুসলিমের শব্দ হচ্ছে, “লা তাদখুলূনা...” ‘তোমরা প্রবেশ করবে না...’। [২] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১/৮২, নং ২৮; আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাওকূফ ও মু‘আল্লাক হিসেবে। [৩] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ)১/৫৫, নং ১২; মুসলিম ১/৬৫, নং ৩৯।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমরা ঈমানদার না হওয়া পর্যন্ত জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। আর তোমরা পরস্পরকে না ভালোবাসা পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না। আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দিবো না যা করলে তোমরা পরস্পরকে ভালবাসবে? (তা হলো) তোমরা নিজেদের মধ্যে সালামের ব্যাপক প্রসার ঘটাও।” [১] “তিনটি জিনিস যে ব্যক্তি একত্রিত করতে পারবে সে ঈমান একত্রিত করল, ১. নিজের ব্যাপারেও ইনসাফ করা, ২. জগতের সকলকে সালাম দেওয়া, আর ৩. অল্প সম্পদ থাকা সত্ত্বেও তা থেকে ব্যয় করা” [২] ‘আবদুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলো, ইসলামের কোন কাজটি শ্রেষ্ঠ? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তুমি খাবার খাওয়াবে এবং তোমার পরিচিত-অপরিচিত সকলকে সালাম দিবে।” [৩]

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ১/৭৪, নং ৫৪; আহমাদ, নং ১৪৩০; আর শব্দ তাঁরই। মুসলিমের শব্দ হচ্ছে, “লা তাদখুলূনা...” ‘তোমরা প্রবেশ করবে না...’। [২] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১/৮২, নং ২৮; আম্মার রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে মাওকূফ ও মু‘আল্লাক হিসেবে। [৩] বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ)১/৫৫, নং ১২; মুসলিম ১/৬৫, নং ৩৯।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

📄 কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে


কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

কাফের সালাম দিলে কীভাবে জবাব দিবে

আহলে কিতাব তথা ইয়াহূদী ও নাসারারা যখন তোমাদেরকে সালাম দিবে, তখন তোমরা বলবে,

وَعَلَيْكُمْ

ওয়া ‘আলাইকুম।

আর তোমাদেরও উপর।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/৪২, নং ৬২৫৮; মুসলিম ৪/১৭০৫, নং ২১৬৩

আহলে কিতাব তথা ইয়াহূদী ও নাসারারা যখন তোমাদেরকে সালাম দিবে, তখন তোমরা বলবে,

وَعَلَيْكُمْ

আর তোমাদেরও উপর।

রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ১১/৪২, নং ৬২৫৮; মুসলিম ৪/১৭০৫, নং ২১৬৩

ফন্ট সাইজ
15px
17px