বৈঠকের শেষে কাফ্ফারা হিসেবে দোআ
বৈঠকের শেষে কাফ্ফারা হিসেবে দোআ
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোনো মজলিসে বসেছেন, অথবা কুরআন তেলাওয়াত করেছেন, অথবা সালাত আদায় করেছেন, তখনই একে কিছু বাক্যের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছেন [১],
سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ
সুব্হা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা
হে আল্লাহ! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট তওবা করি। [২]
রেফারেন্স: [১] হাদীসটি নাসাঈ তাঁর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থে নং ৩০৮ এ বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে আহমাদ, ৬/৭৭, নং ২৪৪৮৬। আর ড. ফারূক হাম্মাদাহ, ইমাম নাসাঈ এর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থের তাহকীকের সময় এ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। পৃ. ২৭৩ [২] হাদীসটি সুনান গ্রন্থকারগণ সবাই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ৪৮৫৮; তিরমিযী, নং ৩৪৩৩; নাসাঈ, নং ১৩৪[৪] আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫৩ [৩] আবূ দাউদ (কিতাবুুল আদাব, বাব ফি কাফ্ফারাতিল মাজলিস) ৪/২৬৬ (ভারতীয় ২/৬৬৭); হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/৭২০-৭২১; আলবানী, সহীহুত তারগীব ২/১০১-১০২
আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রা), আবূ বারযা আসলামী (রা), আবূ হুরাইরা (রা) প্রমুখ সাহাবী থেকে পৃথক সহীহ সনদে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (স) মাজলিসের শেষে মাজলিস থেকে উঠার আগে এ কথাগুলি বলতেন। তিনি বলেছেন, কোনো মাজলিস বা বৈঠক থেকে উঠার সময় যদি কেউ এ কথাগুলো বলে তবে তা মাজলিসের কাফ্ফারা হবে, এর কারণে মহান আল্লাহ তার মাজলিসের অন্যায় কথাবার্তা ও পাপগুলো ক্ষমা করবেন। হাদীসটি সহীহ। [৩]
আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোনো মজলিসে বসেছেন, অথবা কুরআন তেলাওয়াত করেছেন, অথবা সালাত আদায় করেছেন, তখনই একে কিছু বাক্যের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছেন [১],
হে আল্লাহ! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট তওবা করি। [২]
রেফারেন্স: [১] হাদীসটি নাসাঈ তাঁর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থে নং ৩০৮ এ বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে আহমাদ, ৬/৭৭, নং ২৪৪৮৬। আর ড. ফারূক হাম্মাদাহ, ইমাম নাসাঈ এর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থের তাহকীকের সময় এ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। পৃ. ২৭৩ [২] হাদীসটি সুনান গ্রন্থকারগণ সবাই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ৪৮৫৮; তিরমিযী, নং ৩৪৩৩; নাসাঈ, নং ১৩৪[৪] আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫৩ [৩] আবূ দাউদ (কিতাবুুল আদাব, বাব ফি কাফ্ফারাতিল মাজলিস) ৪/২৬৬ (ভারতীয় ২/৬৬৭); হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/৭২০-৭২১; আলবানী, সহীহুত তারগীব ২/১০১-১০২