📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 নব বিবাহিতের জন্য দো‘আ

📄 নব বিবাহিতের জন্য দো‘আ


নব বিবাহিতের জন্য দো‘আ

নব বিবাহিতের জন্য দো‘আ

بَارَكَ اللّٰهُ لَكَ، وَبَارَكَ عَلَيْكَ، وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ওয়াবা-রাকা ‘আলাইকা ওয়া জামা‘আ বাইনাকুমা ফী খাইরিন্

আল্লাহ আপনার জন্য বরকতদান করুন, আপনার উপর বরকত নাযিল করুন এবং কল্যাণের সাথে আপনাদের উভয়কে একত্রিত করুন।

রেফারেন্স: হাদীসটি নাসাঈ ব্যতীত সকল সুনানগ্রন্থকারগণই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ২১৩০; তিরমিযী, নং ১০৯১; ইবন মাজাহ, নং ১৯০৫; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ২৫৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/৩১৬।

بَارَكَ اللّٰهُ لَكَ، وَبَارَكَ عَلَيْكَ، وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

আল্লাহ আপনার জন্য বরকতদান করুন, আপনার উপর বরকত নাযিল করুন এবং কল্যাণের সাথে আপনাদের উভয়কে একত্রিত করুন।

রেফারেন্স: হাদীসটি নাসাঈ ব্যতীত সকল সুনানগ্রন্থকারগণই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ২১৩০; তিরমিযী, নং ১০৯১; ইবন মাজাহ, নং ১৯০৫; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ২৫৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/৩১৬।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 মজলিসে যা বলতে হয়

📄 মজলিসে যা বলতে হয়


মজলিসে যা বলতে হয়

মজলিসে যা বলতে হয়

ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, গণনা করে দেখা যেত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বৈঠক থেকে উঠে যাবার পূর্বে একশবার এই দো‘আ পড়তেনঃ

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَىَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُوْرُ

রব্বিগফির লী ওয়াতুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত্ তাউওয়া-বুল গাফূর

হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে মাফ করুন এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনিই তওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল।

রেফারেন্স: তিরমিযী, নং ৩৪৩৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮১৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৩; সহীহু ইবনি মাজাহ, ২/৩২১ আর শব্দটি তিরমিযীর।

ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, গণনা করে দেখা যেত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বৈঠক থেকে উঠে যাবার পূর্বে একশবার এই দো‘আ পড়তেনঃ

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَىَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُوْرُ

হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে মাফ করুন এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনিই তওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল।

রেফারেন্স: তিরমিযী, নং ৩৪৩৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮১৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৩; সহীহু ইবনি মাজাহ, ২/৩২১ আর শব্দটি তিরমিযীর।

মাজলিসের আখিরী দুআ

মাজলিসের আখিরী দুআ

اَللّٰهُمَّ اَقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُوْلُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيْكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِيْنِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مُصِيْبَاتِ الدُّنْيَا وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَی مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَی مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيْبَتَنَا فِيْ دِيْنِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَا

আল্লা-হুম্মাক্ক্সিম্ লানা- মিন্ ‘খাশ্ইয়াতিকা মা- ইয়া‘হূলূ বাইনানা- ওয়া বাইনা মা‘আ-স্বীকা, ওয়া মিন্ ত্বা-‘আতিকা মা- তুবাল্লি‘গুনা- বিহী জান্নাতাকা, ওয়া মিনাল ইয়াক্কীনি মা- তুহাওয়িনু বিহী ‘আলাইনা মুস্বীবা-তিদ্ দুন্ইয়া। ওয়ামাত্তি‘অ্না বিআস্মা-‘য়িনা- ওয়াআব্স্বারিনা- ওয়াক্কুওয়াতিনা- মা- আ‘হ্ইয়াইতানা-, ওয়াজ্‘আল্হুল ওয়া-রিসা মিন্না-, ওয়াজ্‘আল সা‘অ্রানা ‘আলা- মান্ যোয়ালামানা- ওয়ার্ন্স্বুনা- ‘আলা- মান্ ‘আ-দা-না-, ওয়ালা- তাজ্‘আল্ মুস্বীবাতানা ফী দীনিনা ওয়ালা- তাজ্‘আলিদ্ দুন্ইয়া আকবারা হাম্মিনা- ওয়ালা- মাব্লা‘গা ‘ইলমিনা ওয়ালা- তুসাল্লিত্ব্ ‘আলাইনা- মান্ লা ইর্য়া‘হামুনা-।

হে আল্লাহ, আপনি আমাদেরকে আপনার ভয় করার তাওফীক দিন যে ভয় আমাদেরকে আপনার অবাধ্যতা থেকে রক্ষা করবে। এবং আপনি আমাদেরকে আপনার আনুগত্য করার তাওফীক প্রদান করুন, যে আনুগত্যের দ্বারা আপনি আমাদেরকে আপনার জান্নাতে পৌঁছাবেন। এবং আপনি আমাদেরকে দৃঢ়বিশ্বাস প্রদান করুন, যে বিশ্বাস আমাদের জন্য দুনিয়ার বিপদ-আপদকে সহজ করে দেবে। আপনি আমাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও দেহের শক্তিকে আমাদের জন্য মরণ পর্যন্ত অক্ষুণœ রাখুন এবং এগুলোকে বহাল রেখে আমাদের মৃত্যু দান করুন। যারা আমাদের জুলুম করেছে তাদের উপর আমাদের প্রতিশোধ অর্পণ করুন এবং যারা আমাদের শত্র“তা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের দীনকে বিপদযুক্ত করবেন না, দুনিয়াকে আমাদের চিন্তাভাবনার মূল বিষয় বানাবেন না এবং আমাদের জ্ঞানকে দুনিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবেন না। আমাদের প্রতি মমতাবিহীন কাউকে আমাদের উপর ক্ষমতাবান করবেন না।

রেফারেন্স: [১] তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ দাআওয়াত, ৮০-বাব) ৫/৪৯২-৪৯৩ (ভারতীয় ২/১৮৮)। [২] নাসায়ী, আস-সুনানুল কুবরা ৬/১০৬; ইবনুল আসীর, জামিউল উসূল ৪/২৭৯। ; যিকর নং -২৫০

আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) বলেন, “রাসূলুল্লাহ (স) মাজলিস থেকে উঠার আগে এ কথা বলে তাঁর সাথীদের জন্য দুআ না করে খুব কমই মাজলিস ত্যাগ করতেন।” হাদীসটি হাসান।[১] অন্য বর্ণনায় তাবিয়ী নাফি বলেন, “আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) কোনো মাজলিসে বসলে মাসলিসে বসা মানুষদের জন্য এ কথাগুলো বলে দুআ না করে দাঁড়াতেন না।[২]

اَللّٰهُمَّ اَقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُوْلُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيْكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِيْنِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مُصِيْبَاتِ الدُّنْيَا وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَی مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَی مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيْبَتَنَا فِيْ دِيْنِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَا

হে আল্লাহ, আপনি আমাদেরকে আপনার ভয় করার তাওফীক দিন যে ভয় আমাদেরকে আপনার অবাধ্যতা থেকে রক্ষা করবে। এবং আপনি আমাদেরকে আপনার আনুগত্য করার তাওফীক প্রদান করুন, যে আনুগত্যের দ্বারা আপনি আমাদেরকে আপনার জান্নাতে পৌঁছাবেন। এবং আপনি আমাদেরকে দৃঢ়বিশ্বাস প্রদান করুন, যে বিশ্বাস আমাদের জন্য দুনিয়ার বিপদ-আপদকে সহজ করে দেবে। আপনি আমাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও দেহের শক্তিকে আমাদের জন্য মরণ পর্যন্ত অক্ষুণœ রাখুন এবং এগুলোকে বহাল রেখে আমাদের মৃত্যু দান করুন। যারা আমাদের জুলুম করেছে তাদের উপর আমাদের প্রতিশোধ অর্পণ করুন এবং যারা আমাদের শত্র“তা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের দীনকে বিপদযুক্ত করবেন না, দুনিয়াকে আমাদের চিন্তাভাবনার মূল বিষয় বানাবেন না এবং আমাদের জ্ঞানকে দুনিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবেন না। আমাদের প্রতি মমতাবিহীন কাউকে আমাদের উপর ক্ষমতাবান করবেন না।

রেফারেন্স: [১] তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ দাআওয়াত, ৮০-বাব) ৫/৪৯২-৪৯৩ (ভারতীয় ২/১৮৮)। [২] নাসায়ী, আস-সুনানুল কুবরা ৬/১০৬; ইবনুল আসীর, জামিউল উসূল ৪/২৭৯। ; যিকর নং -২৫০

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 বৈঠকের শেষে কাফ্‌ফারা হিসেবে দোআ

📄 বৈঠকের শেষে কাফ্‌ফারা হিসেবে দোআ


বৈঠকের শেষে কাফ্‌ফারা হিসেবে দোআ

বৈঠকের শেষে কাফ্‌ফারা হিসেবে দোআ

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোনো মজলিসে বসেছেন, অথবা কুরআন তেলাওয়াত করেছেন, অথবা সালাত আদায় করেছেন, তখনই একে কিছু বাক্যের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছেন [১],

سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ

সুব্‌হা-নাকাল্লা-হুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লা আনতা আস্তাগফিরুকা ওয়া আতূবু ইলাইকা

হে আল্লাহ! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট তওবা করি। [২]

রেফারেন্স: [১] হাদীসটি নাসাঈ তাঁর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থে নং ৩০৮ এ বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে আহমাদ, ৬/৭৭, নং ২৪৪৮৬। আর ড. ফারূক হাম্মাদাহ, ইমাম নাসাঈ এর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থের তাহকীকের সময় এ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। পৃ. ২৭৩ [২] হাদীসটি সুনান গ্রন্থকারগণ সবাই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ৪৮৫৮; তিরমিযী, নং ৩৪৩৩; নাসাঈ, নং ১৩৪[৪] আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫৩ [৩] আবূ দাউদ (কিতাবুুল আদাব, বাব ফি কাফ্‌ফারাতিল মাজলিস) ৪/২৬৬ (ভারতীয় ২/৬৬৭); হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/৭২০-৭২১; আলবানী, সহীহুত তারগীব ২/১০১-১০২

আব্দুল্লাহ ইবন আমর ইবনুল আস (রা), আবূ বারযা আসলামী (রা), আবূ হুরাইরা (রা) প্রমুখ সাহাবী থেকে পৃথক সহীহ সনদে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (স) মাজলিসের শেষে মাজলিস থেকে উঠার আগে এ কথাগুলি বলতেন। তিনি বলেছেন, কোনো মাজলিস বা বৈঠক থেকে উঠার সময় যদি কেউ এ কথাগুলো বলে তবে তা মাজলিসের কাফ্ফারা হবে, এর কারণে মহান আল্লাহ তার মাজলিসের অন্যায় কথাবার্তা ও পাপগুলো ক্ষমা করবেন। হাদীসটি সহীহ। [৩]

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখনই কোনো মজলিসে বসেছেন, অথবা কুরআন তেলাওয়াত করেছেন, অথবা সালাত আদায় করেছেন, তখনই একে কিছু বাক্যের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছেন [১],

سُبْحَانَكَ اللّٰهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُكَ وَأَتُوْبُ إِلَيْكَ

হে আল্লাহ! আমি আপনার প্রশংসা সহকারে আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করি। আমি সাক্ষ্য দেই যে, আপনি ছাড়া হক্ব কোনো ইলাহ নেই। আমি আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট তওবা করি। [২]

রেফারেন্স: [১] হাদীসটি নাসাঈ তাঁর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থে নং ৩০৮ এ বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে আহমাদ, ৬/৭৭, নং ২৪৪৮৬। আর ড. ফারূক হাম্মাদাহ, ইমাম নাসাঈ এর আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ গ্রন্থের তাহকীকের সময় এ হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। পৃ. ২৭৩ [২] হাদীসটি সুনান গ্রন্থকারগণ সবাই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ৪৮৫৮; তিরমিযী, নং ৩৪৩৩; নাসাঈ, নং ১৩৪[৪] আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ৩/১৫৩ [৩] আবূ দাউদ (কিতাবুুল আদাব, বাব ফি কাফ্‌ফারাতিল মাজলিস) ৪/২৬৬ (ভারতীয় ২/৬৬৭); হাকিম, আল-মুসতাদরাক ১/৭২০-৭২১; আলবানী, সহীহুত তারগীব ২/১০১-১০২

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন’, তার জন্য দো‘আ

📄 কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন’, তার জন্য দো‘আ


কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন’, তার জন্য দো‘আ

কেউ যদি বলে, ‘আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন’, তার জন্য দো‘আ

আব্দুল্লাহ ইবনে সারজিস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম আর তাঁর কাছ থেকে খাবার খেলাম। অতঃপর বললাম,

غَفَرَ اللّٰهُ لَكَ

গাফারাল্লাহু লাকা

আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
غَفَرَ - ক্ষমা করুন
اللّٰهُ - আল্লাহ
لَكَ - আপনাকে

অতঃপর তিনি বললেন,

وَلَكَ

ওয়া লাকা

আর আপনাকেও।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
وَلَكَ - এবং আপনাকেও

রেফারেন্স: আহমাদ ৫/৮২, নং ২০৭৭৮; আন-নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, পৃ. ২১৮, নং ৪২১ তাহকীক, ড. ফারূক হাম্মাদাহ।

আব্দুল্লাহ ইবনে সারজিস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম আর তাঁর কাছ থেকে খাবার খেলাম। অতঃপর বললাম,

غَفَرَ ক্ষমা করুন اللّٰهُ আল্লাহ لَكَ আপনাকে

আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন

অতঃপর তিনি বললেন,

وَلَكَ এবং আপনাকেও

আর আপনাকেও।

রেফারেন্স: আহমাদ ৫/৮২, নং ২০৭৭৮; আন-নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, পৃ. ২১৮, নং ৪২১ তাহকীক, ড. ফারূক হাম্মাদাহ।

ফন্ট সাইজ
15px
17px