📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 হাঁচির দো‘আ

📄 হাঁচির দো‘আ


হাঁচির দো‘আ

হাঁচির দো‘আ

তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে বলবে,

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ

আলহামদু লিল্লা-হি

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَلْحَمْدُ - সকল প্রশংসা
لِلّٰهِ - আল্লাহর

এবং তার মুসলিম ভাই বা সাথী যেন অবশ্যই বলে,

يَرْحَمُكَ اللّٰهُ

ইয়ারহামুকাল্লা-হ

আল্লাহ আপনাকে রহমত করুন

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
يَرْحَمُكَ - আপনাকে রহমত করুন
اللّٰهُ - আল্লাহ

যখন তাকে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা হয়, তখন হাঁচিদাতা যেন তার উত্তরে বলে,

يَهْدِيْكُمُ اللّٰهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ

ইয়াহ্‌দীকুমুল্লা-হু ওয়া ইউসলিহু বা-লাকুম

আল্লাহ আপনাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করুন এবং আপনাদের অবস্থা উন্নত করুন।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
يَهْدِيْكُمُ - আপনাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করুন
اللّٰهُ - আল্লাহ
وَيُصْلِحُ - এবং উন্নত/সুন্দর করুন
بَالَكُمْ - আপনাদের অবস্থা

রেফারেন্স: বুখারী ৭/১২৫, নং ৫৮৭০।

তোমাদের কেউ হাঁচি দিলে বলবে,

اَلْحَمْدُ সকল প্রশংসা لِلّٰهِ আল্লাহর

সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র

এবং তার মুসলিম ভাই বা সাথী যেন অবশ্যই বলে,

يَرْحَمُكَ আপনাকে রহমত করুন اللّٰهُ আল্লাহ

আল্লাহ আপনাকে রহমত করুন

যখন তাকে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা হয়, তখন হাঁচিদাতা যেন তার উত্তরে বলে,

يَهْدِيْكُمُ আপনাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করুন اللّٰهُ আল্লাহ وَيُصْلِحُ এবং উন্নত/সুন্দর করুন بَالَكُمْ আপনাদের অবস্থা

আল্লাহ আপনাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করুন এবং আপনাদের অবস্থা উন্নত করুন।

রেফারেন্স: বুখারী ৭/১২৫, নং ৫৮৭০।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কাফের ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে তার জবাবে যা বলা হবে

📄 কাফের ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে তার জবাবে যা বলা হবে


কাফের ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে তার জবাবে যা বলা হবে

কাফের ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে আলহামদুলিল্লাহ বললে তার জবাবে যা বলা হবে

يَهْدِيْكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ

ইয়াহদীকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বা-লাকুম

আল্লাহ আপনাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করুন এবং আপনাদের অবস্থা উন্নত করুন।

রেফারেন্স: বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১০/৮৮; নং ৫৬২৩; মুসলিম, ৩/১৫৯৫, নং ২০১২

يَهْدِيْكُمُ اللَّهُ وَيُصْلِحُ بَالَكُمْ

আল্লাহ আপনাদেরকে সৎপথ প্রদর্শন করুন এবং আপনাদের অবস্থা উন্নত করুন।

রেফারেন্স: বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১০/৮৮; নং ৫৬২৩; মুসলিম, ৩/১৫৯৫, নং ২০১২

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 নব বিবাহিতের জন্য দো‘আ

📄 নব বিবাহিতের জন্য দো‘আ


নব বিবাহিতের জন্য দো‘আ

নব বিবাহিতের জন্য দো‘আ

بَارَكَ اللّٰهُ لَكَ، وَبَارَكَ عَلَيْكَ، وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

বা-রাকাল্লা-হু লাকা ওয়াবা-রাকা ‘আলাইকা ওয়া জামা‘আ বাইনাকুমা ফী খাইরিন্

আল্লাহ আপনার জন্য বরকতদান করুন, আপনার উপর বরকত নাযিল করুন এবং কল্যাণের সাথে আপনাদের উভয়কে একত্রিত করুন।

রেফারেন্স: হাদীসটি নাসাঈ ব্যতীত সকল সুনানগ্রন্থকারগণই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ২১৩০; তিরমিযী, নং ১০৯১; ইবন মাজাহ, নং ১৯০৫; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ২৫৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/৩১৬।

بَارَكَ اللّٰهُ لَكَ، وَبَارَكَ عَلَيْكَ، وَجَمَعَ بَيْنَكُمَا فِي خَيْرٍ

আল্লাহ আপনার জন্য বরকতদান করুন, আপনার উপর বরকত নাযিল করুন এবং কল্যাণের সাথে আপনাদের উভয়কে একত্রিত করুন।

রেফারেন্স: হাদীসটি নাসাঈ ব্যতীত সকল সুনানগ্রন্থকারগণই সংকলন করেছেন। আবু দাঊদ, নং ২১৩০; তিরমিযী, নং ১০৯১; ইবন মাজাহ, নং ১৯০৫; নাসাঈ, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল-লাইলাহ, নং ২৫৯। আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী ১/৩১৬।

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 মজলিসে যা বলতে হয়

📄 মজলিসে যা বলতে হয়


মজলিসে যা বলতে হয়

মজলিসে যা বলতে হয়

ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, গণনা করে দেখা যেত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বৈঠক থেকে উঠে যাবার পূর্বে একশবার এই দো‘আ পড়তেনঃ

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَىَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُوْرُ

রব্বিগফির লী ওয়াতুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত্ তাউওয়া-বুল গাফূর

হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে মাফ করুন এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনিই তওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল।

রেফারেন্স: তিরমিযী, নং ৩৪৩৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮১৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৩; সহীহু ইবনি মাজাহ, ২/৩২১ আর শব্দটি তিরমিযীর।

ইবন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, গণনা করে দেখা যেত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বৈঠক থেকে উঠে যাবার পূর্বে একশবার এই দো‘আ পড়তেনঃ

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَىَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الْغَفُوْرُ

হে আমার রব্ব! আপনি আমাকে মাফ করুন এবং তাওবাহ কবুল করুন; নিশ্চয় আপনিই তওবা কবুলকারী ক্ষমাশীল।

রেফারেন্স: তিরমিযী, নং ৩৪৩৪; ইবন মাজাহ, নং ৩৮১৪ আরও দেখুন, সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৫৩; সহীহু ইবনি মাজাহ, ২/৩২১ আর শব্দটি তিরমিযীর।

মাজলিসের আখিরী দুআ

মাজলিসের আখিরী দুআ

اَللّٰهُمَّ اَقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُوْلُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيْكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِيْنِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مُصِيْبَاتِ الدُّنْيَا وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَی مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَی مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيْبَتَنَا فِيْ دِيْنِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَا

আল্লা-হুম্মাক্ক্সিম্ লানা- মিন্ ‘খাশ্ইয়াতিকা মা- ইয়া‘হূলূ বাইনানা- ওয়া বাইনা মা‘আ-স্বীকা, ওয়া মিন্ ত্বা-‘আতিকা মা- তুবাল্লি‘গুনা- বিহী জান্নাতাকা, ওয়া মিনাল ইয়াক্কীনি মা- তুহাওয়িনু বিহী ‘আলাইনা মুস্বীবা-তিদ্ দুন্ইয়া। ওয়ামাত্তি‘অ্না বিআস্মা-‘য়িনা- ওয়াআব্স্বারিনা- ওয়াক্কুওয়াতিনা- মা- আ‘হ্ইয়াইতানা-, ওয়াজ্‘আল্হুল ওয়া-রিসা মিন্না-, ওয়াজ্‘আল সা‘অ্রানা ‘আলা- মান্ যোয়ালামানা- ওয়ার্ন্স্বুনা- ‘আলা- মান্ ‘আ-দা-না-, ওয়ালা- তাজ্‘আল্ মুস্বীবাতানা ফী দীনিনা ওয়ালা- তাজ্‘আলিদ্ দুন্ইয়া আকবারা হাম্মিনা- ওয়ালা- মাব্লা‘গা ‘ইলমিনা ওয়ালা- তুসাল্লিত্ব্ ‘আলাইনা- মান্ লা ইর্য়া‘হামুনা-।

হে আল্লাহ, আপনি আমাদেরকে আপনার ভয় করার তাওফীক দিন যে ভয় আমাদেরকে আপনার অবাধ্যতা থেকে রক্ষা করবে। এবং আপনি আমাদেরকে আপনার আনুগত্য করার তাওফীক প্রদান করুন, যে আনুগত্যের দ্বারা আপনি আমাদেরকে আপনার জান্নাতে পৌঁছাবেন। এবং আপনি আমাদেরকে দৃঢ়বিশ্বাস প্রদান করুন, যে বিশ্বাস আমাদের জন্য দুনিয়ার বিপদ-আপদকে সহজ করে দেবে। আপনি আমাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও দেহের শক্তিকে আমাদের জন্য মরণ পর্যন্ত অক্ষুণœ রাখুন এবং এগুলোকে বহাল রেখে আমাদের মৃত্যু দান করুন। যারা আমাদের জুলুম করেছে তাদের উপর আমাদের প্রতিশোধ অর্পণ করুন এবং যারা আমাদের শত্র“তা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের দীনকে বিপদযুক্ত করবেন না, দুনিয়াকে আমাদের চিন্তাভাবনার মূল বিষয় বানাবেন না এবং আমাদের জ্ঞানকে দুনিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবেন না। আমাদের প্রতি মমতাবিহীন কাউকে আমাদের উপর ক্ষমতাবান করবেন না।

রেফারেন্স: [১] তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ দাআওয়াত, ৮০-বাব) ৫/৪৯২-৪৯৩ (ভারতীয় ২/১৮৮)। [২] নাসায়ী, আস-সুনানুল কুবরা ৬/১০৬; ইবনুল আসীর, জামিউল উসূল ৪/২৭৯। ; যিকর নং -২৫০

আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) বলেন, “রাসূলুল্লাহ (স) মাজলিস থেকে উঠার আগে এ কথা বলে তাঁর সাথীদের জন্য দুআ না করে খুব কমই মাজলিস ত্যাগ করতেন।” হাদীসটি হাসান।[১] অন্য বর্ণনায় তাবিয়ী নাফি বলেন, “আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা) কোনো মাজলিসে বসলে মাসলিসে বসা মানুষদের জন্য এ কথাগুলো বলে দুআ না করে দাঁড়াতেন না।[২]

اَللّٰهُمَّ اَقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُوْلُ بَيْنَنَا وَبَيْنَ مَعَاصِيْكَ وَمِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ جَنَّتَكَ وَمِنَ الْيَقِيْنِ مَا تُهَوِّنُ بِهِ عَلَيْنَا مُصِيْبَاتِ الدُّنْيَا وَمَتِّعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَأَبْصَارِنَا وَقُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَاجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَاجْعَلْ ثَأْرَنَا عَلَی مَنْ ظَلَمَنَا وَانْصُرْنَا عَلَی مَنْ عَادَانَا وَلَا تَجْعَلْ مُصِيْبَتَنَا فِيْ دِيْنِنَا وَلَا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَلَا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَلَا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لَا يَرْحَمُنَا

হে আল্লাহ, আপনি আমাদেরকে আপনার ভয় করার তাওফীক দিন যে ভয় আমাদেরকে আপনার অবাধ্যতা থেকে রক্ষা করবে। এবং আপনি আমাদেরকে আপনার আনুগত্য করার তাওফীক প্রদান করুন, যে আনুগত্যের দ্বারা আপনি আমাদেরকে আপনার জান্নাতে পৌঁছাবেন। এবং আপনি আমাদেরকে দৃঢ়বিশ্বাস প্রদান করুন, যে বিশ্বাস আমাদের জন্য দুনিয়ার বিপদ-আপদকে সহজ করে দেবে। আপনি আমাদের শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও দেহের শক্তিকে আমাদের জন্য মরণ পর্যন্ত অক্ষুণœ রাখুন এবং এগুলোকে বহাল রেখে আমাদের মৃত্যু দান করুন। যারা আমাদের জুলুম করেছে তাদের উপর আমাদের প্রতিশোধ অর্পণ করুন এবং যারা আমাদের শত্র“তা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন। আমাদের দীনকে বিপদযুক্ত করবেন না, দুনিয়াকে আমাদের চিন্তাভাবনার মূল বিষয় বানাবেন না এবং আমাদের জ্ঞানকে দুনিয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখবেন না। আমাদের প্রতি মমতাবিহীন কাউকে আমাদের উপর ক্ষমতাবান করবেন না।

রেফারেন্স: [১] তিরমিযী (৪৯-কিতাবুদ দাআওয়াত, ৮০-বাব) ৫/৪৯২-৪৯৩ (ভারতীয় ২/১৮৮)। [২] নাসায়ী, আস-সুনানুল কুবরা ৬/১০৬; ইবনুল আসীর, জামিউল উসূল ৪/২৭৯। ; যিকর নং -২৫০

ফন্ট সাইজ
15px
17px