তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল ও তাকবীর-এর ফযীলত #৮
এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, “আমাকে একটি কালেমা শিক্ষা দিন যা আমি বলব।” তখন রাসূল বললেন, “বল,
لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ كَبِيْراً، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ كَثِيْراً، سُبْحَانَ اللّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ الْعَزِيْزِ الْحَكِيْمِ
লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, আল্লা-হু আকবার কাবীরান, ওয়ালহামদুলিল্লা-হি কাসীরান, সুবহা-নাল্লা-হি রাব্বিল আ-লামীন, লা হাউলা ওয়ালা কূওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হিল ‘আযীযিল হাকীম।
একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়, অতীব বড়। আল্লাহ্র অনেক-অজস্র প্রশংসা। সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ কতই না পবিত্র-মহান। প্রবল পরাক্রমশীল ও প্রজ্ঞাময় আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।
ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَا - নাই (কোনো)
إِلٰهَ - মাবুদ/ইলাহ
إِلَّا - ছাড়া
اللّٰهُ - আল্লাহ
وَحْدَهُ - এবং তিনি এক
لَا - নাই
شَرِيْكَ - শরীক/অংশীদার
لَهُ، - তাঁর
اَللّٰهُ - আল্লাহ
أَكْبَرُ - সবচেয়ে বড়
كَبِيْراً، - অতীব বড়
وَالْحَمْدُ - এবং প্রশংসা
لِلّٰهِ - আল্লাহর
كَثِيْراً، - অনেক-অজস্র
سُبْحَانَ - আমি পবিত্রতা ঘোষণা করছি
اللّٰهِ - আল্লাহর
رَبِّ - পালনকর্তা
الْعَالَمِيْنَ، - সকল সৃষ্টি জগতের
لَا - নেই
حَوْلَ - সামর্থ্য/ক্ষমতা
وَلَا - এবং নেই
قُوَّةَ - শক্তি
إِلَّا - ব্যতীত
بِاللّٰهِ - আল্লাহ
الْعَزِيْزِ - পরাক্রমশীল
الْحَكِيْمِ - মহা প্রজ্ঞাময়
তখন বেদুঈন বলল, এগুলো তো আমার রবের জন্য; আমার জন্য কী?
তিনি বললেন: “বল,
اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ، وَارْحَمْنِيْ، وَاهْدِنِيْ، وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ
আল্লা-হুম্মাগফির লী ওয়ারহামনী ওয়াহদিনী ওয়া ‘আ-ফিনী ওয়ারযুক্বনী
হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে দয়া করুন, আমাকে আপনি হেদায়াত দিন, আমাকে নিরাপদ রাখুন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।
ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
اغْفِرْ - ক্ষমা করুন
لِيْ، - আমাকে
وَارْحَمْنِيْ، - এবং আমার প্রতি দয়া করুন
وَاهْدِنِيْ، - এবং আমাকে হেদায়াত দিন
وَعَافِنِيْ - এবং আমাকে নিরাপদ/সুস্থ রাখুন
وَارْزُقْنِيْ - এবং আমাকে রিযিক দিন
রেফারেন্স: মুসলিম ৪/২০৭২, নং ২৬৯৬। আর আবূ দাউদ বর্ধিত বর্ণনা করেন, ১/২২০, নং ৮৩২:
এরপর যখন বেদুঈন ফিরে গেল, তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “লোকটি তার হাত কল্যাণে পূর্ণ করে নিল”।