📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর দরূদ পাঠের ফযীলত

📄 নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর দরূদ পাঠের ফযীলত


নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর দরূদ পাঠের ফযীলত

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর দরূদ পাঠের ফযীলত

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে, তার বিনিময়ে আল্লাহ্ তার উপর দশবার দরুদ পাঠ করবেন।” [১] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “তোমরা আমার কবরকে ঈদ তথা সম্মিলনস্থলে পরিণত করবে না, আর তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ কর;কেননা তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়, তোমরা যেখানেই থাক না কেন।” [২] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যার সামনে আমার নাম উল্লেখ করা হলো অতঃপর সে আমার উপর দরূদ পড়লো না, সে-ই কৃপণ।” [৩] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “পৃথিবীতে আল্লাহর একদল ভ্রাম্যমাণ ফেরেশতা রয়েছে যারা উম্মতের পক্ষ থেকে প্রেরিত সালাম আমার কাছে পৌঁছিয়ে দেয়।” [৪] রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যখন কোনো ব্যক্তি আমাকে সালাম দেয়, তখন আল্লাহ আমার রূহ ফিরিয়ে দেন, যাতে আমি সালামের জবাব দিতে পারি।” [৫]

রেফারেন্স: [১] হাদীসটি সংকলন করেছেন, মুসলিম ১/২৮৮, নং ৩৮[৪] [২] আবূ দাউদ ২/২১৮, নং ২০৪৪; আহমাদ ২/৩৬৭, নং ৮৮০[৪] আর শাইখ আলবানী একে সহীহ আবি দাঊদে ২/৩৮৩, সহীহ বলেছেন। [৩] তিরমিযী, ৫/৫৫১, নং ৩৫৪৬, ইত্যাদি। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৩/২৫; সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৭৭। [৪] নাসাঈ, ৩/৪৩, নং ১২৮২; হাকেম, ২/৪২[১] আর শাইখ আলবানী একে সহীহুন নাসাঈ ১/২৭৪, সহীহ বলেছেন। [৫] আবূ দাউদ, নং ২০৪[১] আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাউদে ১/৩৮৩, একে হাসান হাদীস বলেছেন।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দরূদ পাঠ করবে, তার বিনিময়ে আল্লাহ্ তার উপর দশবার দরুদ পাঠ করবেন।” [১] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “তোমরা আমার কবরকে ঈদ তথা সম্মিলনস্থলে পরিণত করবে না, আর তোমরা আমার উপর দরূদ পাঠ কর;কেননা তোমাদের দরূদ আমার কাছে পৌঁছে যায়, তোমরা যেখানেই থাক না কেন।” [২] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যার সামনে আমার নাম উল্লেখ করা হলো অতঃপর সে আমার উপর দরূদ পড়লো না, সে-ই কৃপণ।” [৩] রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “পৃথিবীতে আল্লাহর একদল ভ্রাম্যমাণ ফেরেশতা রয়েছে যারা উম্মতের পক্ষ থেকে প্রেরিত সালাম আমার কাছে পৌঁছিয়ে দেয়।” [৪] রাসুলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যখন কোনো ব্যক্তি আমাকে সালাম দেয়, তখন আল্লাহ আমার রূহ ফিরিয়ে দেন, যাতে আমি সালামের জবাব দিতে পারি।” [৫]

রেফারেন্স: [১] হাদীসটি সংকলন করেছেন, মুসলিম ১/২৮৮, নং ৩৮[৪] [২] আবূ দাউদ ২/২১৮, নং ২০৪৪; আহমাদ ২/৩৬৭, নং ৮৮০[৪] আর শাইখ আলবানী একে সহীহ আবি দাঊদে ২/৩৮৩, সহীহ বলেছেন। [৩] তিরমিযী, ৫/৫৫১, নং ৩৫৪৬, ইত্যাদি। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৩/২৫; সহীহুত তিরমিযী, ৩/১৭৭। [৪] নাসাঈ, ৩/৪৩, নং ১২৮২; হাকেম, ২/৪২[১] আর শাইখ আলবানী একে সহীহুন নাসাঈ ১/২৭৪, সহীহ বলেছেন। [৫] আবূ দাউদ, নং ২০৪[১] আর শাইখ আলবানী সহীহ আবি দাউদে ১/৩৮৩, একে হাসান হাদীস বলেছেন।

দু'আর শুরুতে ও শেষে দুরুদ পাঠ

দু'আর শুরুতে ও শেষে দুরুদ পাঠ

يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম।

ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম।

রেফারেন্স: হাদীসটি সহীহ। তিরমিযী ৫/৫০৪ (নং ৩৫২৪, ৩৫২৫) (ভা ২/১৯২); মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৭৬, মুসনাদ আবী ইয়ালা ৬/৪৪৫, আলবানী, সহীহুল জামিয়িস সাগীর ১/২৬৯, নং ১২৫০, সিলসিলাতুস সাহীহাহ ৪/৪৯-৫১; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৩

আল্লাহর নাম নিয়ে দু‘আর ক্ষেত্রে বিশেষ একটি নাম ‘যুল জালালি ওয়াল ইকরাম’। দু‘আর মধ্যে এ নাম বেশি বেশি বলতে রাসূলুল্লাহ (স) নির্দেশ দিয়েছেন। রাবীয়া ইবনু আমের (রা) বলেন , রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন : “তোমরা ‘ইয়া যাল জালালি ওয়াল ইকরাম’-কে সর্বদা আঁকড়ে ধরে থাকবে (দু‘আয় বেশি বেশি বলবে)।”

يَا ذَا الْجَلَالِ وَالْإِكْرَامِ

ইয়া যাল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম।

রেফারেন্স: হাদীসটি সহীহ। তিরমিযী ৫/৫০৪ (নং ৩৫২৪, ৩৫২৫) (ভা ২/১৯২); মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৭৬, মুসনাদ আবী ইয়ালা ৬/৪৪৫, আলবানী, সহীহুল জামিয়িস সাগীর ১/২৬৯, নং ১২৫০, সিলসিলাতুস সাহীহাহ ৪/৪৯-৫১; রাহে বেলায়াত - যিকর নং ২৩

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 সন্ধায় উপনীত হলে করণীয়

📄 সন্ধায় উপনীত হলে করণীয়


সন্ধায় উপনীত হলে করণীয়

সন্ধায় উপনীত হলে করণীয়

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যখন রাত্রি অন্ধকার হবে” অথবা (বলেছেন) “সন্ধায় উপনীত হলে, তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে আগলে রাখবে; কারণ, তখন শয়তানরা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তারপর যখন রাতের একটা সময় অতিবাহিত হবে, তখন তাদের ছেড়ে দিবে। আর তোমরা দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে; কেননা শয়তান কোনো বন্ধ দরজা খুলে না। আর তোমরা তোমাদের পানপাত্রসমূহ বেঁধে রাখবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে। আর তোমরা তোমাদের থালা-বাসন ঢেকে রাখবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে, যদিও সামান্য কিছু তার উপর রাখ। আর তোমরা তোমাদের ঘরের প্রদীপগুলো নিভিয়ে রাখবে।”

রেফারেন্স: বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১০/৮৮; নং ৫৬২৩; মুসলিম, ৩/১৫৯৫, নং ২০১[২]

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যখন রাত্রি অন্ধকার হবে” অথবা (বলেছেন) “সন্ধায় উপনীত হলে, তখন তোমরা তোমাদের শিশুদেরকে আগলে রাখবে; কারণ, তখন শয়তানরা ছড়িয়ে পড়তে থাকে। তারপর যখন রাতের একটা সময় অতিবাহিত হবে, তখন তাদের ছেড়ে দিবে। আর তোমরা দরজাগুলো বন্ধ করবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে; কেননা শয়তান কোনো বন্ধ দরজা খুলে না। আর তোমরা তোমাদের পানপাত্রসমূহ বেঁধে রাখবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে। আর তোমরা তোমাদের থালা-বাসন ঢেকে রাখবে এবং আল্লাহ্‌র নাম নিবে, যদিও সামান্য কিছু তার উপর রাখ। আর তোমরা তোমাদের ঘরের প্রদীপগুলো নিভিয়ে রাখবে।”

রেফারেন্স: বুখারী, ফাতহুল বারীসহ, ১০/৮৮; নং ৫৬২৩; মুসলিম, ৩/১৫৯৫, নং ২০১[২]

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল ও তাকবীর-এর ফযীলত

📄 তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল ও তাকবীর-এর ফযীলত


তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল ও তাকবীর-এর ফযীলত

তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল ও তাকবীর-এর ফযীলত

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার বলে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ

সুব্‌হানাল্লা-হি ওয়াবিহামদিহী

আমি আল্লাহর সপ্রশংসা পবিত্রতা ঘোষণা করছি

রেফারেন্স: বুখারী ৭/১৬৮, নং ৬৪০৫; মুসলিম ৪/২০৭১, নং ২৬৯১; তাছাড়া এ কিতাবের ### পৃষ্ঠায় যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধায় একশতবার পড়বে, তার যে ফযিলত বর্ণিত হয়েছে তা দেখুন।

...তার পাপসমূহ মুছে ফেলা হয়, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির সমান হয়ে থাকে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার বলে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ

আমি আল্লাহর সপ্রশংসা পবিত্রতা ঘোষণা করছি

রেফারেন্স: বুখারী ৭/১৬৮, নং ৬৪০৫; মুসলিম ৪/২০৭১, নং ২৬৯১; তাছাড়া এ কিতাবের ### পৃষ্ঠায় যে ব্যক্তি সকাল ও সন্ধায় একশতবার পড়বে, তার যে ফযিলত বর্ণিত হয়েছে তা দেখুন।

ইসমাঈল (আ:) এর সন্তানদের চারজনকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করার সমান সওয়াব

ইসমাঈল (আ:) এর সন্তানদের চারজনকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করার সমান সওয়াব

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত বাণীটি ১০ বার বলবে,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عََلَی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: বুখারী ৭/৬৭ নং ৬৪০৪; মুসলিম, তার শব্দে ৪/২০৭১ নং ২৬৯৩; অনুরূপভাবে একশবার বলার ফযীলত দেখুন ২৭.১৯ নং দো‘আর হাদীসে।

...এটা তার জন্য এমন হবে যেন সে ইসমাঈলের (আ:) সন্তানদের চারজনকে দাসত্ব থেকে মুক্ত করল।”

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত বাণীটি ১০ বার বলবে,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عََلَی كُلِّ شَيْءٍ قَدِيْرٌ

একমাত্র আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই; রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসাও তাঁর; আর তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।

রেফারেন্স: বুখারী ৭/৬৭ নং ৬৪০৪; মুসলিম, তার শব্দে ৪/২০৭১ নং ২৬৯৩; অনুরূপভাবে একশবার বলার ফযীলত দেখুন ২৭.১৯ নং দো‘আর হাদীসে।

যিকির যা জবানে সহজ আর মীযানের পাল্লায় ভারী

যিকির যা জবানে সহজ আর মীযানের পাল্লায় ভারী

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা জবানে সহজ, মীযানের পাল্লায় ভারী এবং করুণাময় আল্লাহ্‌র নিকট অতি প্রিয়। আর তা হচ্ছে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ

সুব্‌হানাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহী, সুব্‌হানাল্লা-হিল ‘আযীম

আল্লাহ্‌র প্রশংসাসহকারে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করছি। মহান আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি”।

রেফারেন্স: বুখারী ৭/১৬৮, নং ৬৪০৪; মুসলিম ৪/২০৭২, নং ২৬৯৪

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “দুটি বাক্য এমন রয়েছে, যা জবানে সহজ, মীযানের পাল্লায় ভারী এবং করুণাময় আল্লাহ্‌র নিকট অতি প্রিয়। আর তা হচ্ছে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ

আল্লাহ্‌র প্রশংসাসহকারে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা বর্ণনা করছি। মহান আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি”।

রেফারেন্স: বুখারী ৭/১৬৮, নং ৬৪০৪; মুসলিম ৪/২০৭২, নং ২৬৯৪

আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় বাক্য

আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় বাক্য

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় বাক্য চারটি, তার যে কোনটি দিয়েই শুরু করাতে তোমার কোনো ক্ষতি নেই। আর তা হলো,

سُبْحَانَ اللّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ

সুবহানাল্লা-হি ওয়ালহাম্‌দু লিল্লা-হি ওয়ালা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াল্লা-হু আকবার

আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। [১]

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ৩/১৬৮৫, নং ২১৩৭। [২] মুসলিম, ৪/২০৭২, নং ২৬৯৫।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরও বলেন, “সূর্য যা কিছুর উপর উদিত হয় তার চেয়ে এগুলো বলা আমার কাছে অধিক প্রিয়।” [২]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আল্লাহ্‌র নিকট সর্বাধিক প্রিয় বাক্য চারটি, তার যে কোনটি দিয়েই শুরু করাতে তোমার কোনো ক্ষতি নেই। আর তা হলো,

سُبْحَانَ اللّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ

আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। [১]

রেফারেন্স: [১] মুসলিম ৩/১৬৮৫, নং ২১৩৭। [২] মুসলিম, ৪/২০৭২, নং ২৬৯৫।

এক হাজার সওয়াব লেখা অথবা এক হাজার পাপ মুছে ফেলা

এক হাজার সওয়াব লেখা অথবা এক হাজার পাপ মুছে ফেলা

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমাদের কেউ কি প্রতিদিন এক হাজার সওয়াব অর্জন করতে অপারগ?” তাঁর সাথীদের মধ্যে একজন প্রশ্ন করে বলল, আমাদের কেউ কী করে এক হাজার সওয়াব অর্জন করতে পারে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “যে ব্যক্তি ১০০ বার বলবে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ

সুবহা-নাল্লা-হ

আল্লাহ পবিত্র-মহান।

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/২০৭৩, নং ২৬৯৮।

তার জন্য এক হাজার সওয়াব লেখা হবে অথবা তার এক হাজার পাপ মুছে ফেলা হবে।”

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমাদের কেউ কি প্রতিদিন এক হাজার সওয়াব অর্জন করতে অপারগ?” তাঁর সাথীদের মধ্যে একজন প্রশ্ন করে বলল, আমাদের কেউ কী করে এক হাজার সওয়াব অর্জন করতে পারে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “যে ব্যক্তি ১০০ বার বলবে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ

আল্লাহ পবিত্র-মহান।

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/২০৭৩, নং ২৬৯৮।

জান্নাতের একটি খেজুর গাছ

জান্নাতের একটি খেজুর গাছ

“যে ব্যক্তি বলবে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ وَبِحَمْدِهِ

সুব্‌হানাল্লা-হিল ‘আযীম ওয়াবিহামদিহী

মহান আল্লাহর প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি

রেফারেন্স: তিরমিযী ৫/১১, নং ৩৪৬৪; হাকেম-১/৫০১ এবং এটাকে সহীহ বলেছেন। আর ইমাম যাহাবী তার সাথে একমত হয়েছেন। দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৫/৫৩১; সহীহুত তিরমিযী ৩/১৬০।

...তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ রোপণ করা হবে।”

“যে ব্যক্তি বলবে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ وَبِحَمْدِهِ

মহান আল্লাহর প্রশংসার সাথে তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি

রেফারেন্স: তিরমিযী ৫/১১, নং ৩৪৬৪; হাকেম-১/৫০১ এবং এটাকে সহীহ বলেছেন। আর ইমাম যাহাবী তার সাথে একমত হয়েছেন। দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৫/৫৩১; সহীহুত তিরমিযী ৩/১৬০।

জান্নাতের এক রত্নভাণ্ডার

জান্নাতের এক রত্নভাণ্ডার

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ওহে আব্দুল্লাহ ইবন কায়েস! আমি কি জান্নাতের এক রত্নভাণ্ডার সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করব না?” আমি বললাম, “নিশ্চয়ই হে আল্লাহর রাসূল।” তিনি বললেন, “তুমি বল,

لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

লা হাউলা ওয়ালা কূওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হ

আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।

রেফারেন্স: বুখারী, ফাতহুল বারীসহ ১১/২১৩, নং ৪২০৬; মুসলিম ৪/২০৭৬, নং ২৭০৪

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “ওহে আব্দুল্লাহ ইবন কায়েস! আমি কি জান্নাতের এক রত্নভাণ্ডার সম্পর্কে তোমাকে অবহিত করব না?” আমি বললাম, “নিশ্চয়ই হে আল্লাহর রাসূল।” তিনি বললেন, “তুমি বল,

لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।

রেফারেন্স: বুখারী, ফাতহুল বারীসহ ১১/২১৩, নং ৪২০৬; মুসলিম ৪/২০৭৬, নং ২৭০৪

তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল ও তাকবীর-এর ফযীলত #৮

তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল ও তাকবীর-এর ফযীলত #৮

এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, “আমাকে একটি কালেমা শিক্ষা দিন যা আমি বলব।” তখন রাসূল বললেন, “বল,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، اَللّٰهُ أَكْبَرُ كَبِيْراً، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ كَثِيْراً، سُبْحَانَ اللّٰهِ رَبِّ الْعَالَمِيْنَ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ الْعَزِيْزِ الْحَكِيْمِ

লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, আল্লা-হু আকবার কাবীরান, ওয়ালহামদুলিল্লা-হি কাসীরান, সুবহা-নাল্লা-হি রাব্বিল আ-লামীন, লা হাউলা ওয়ালা কূওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হিল ‘আযীযিল হাকীম।

একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়, অতীব বড়। আল্লাহ্‌র অনেক-অজস্র প্রশংসা। সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ কতই না পবিত্র-মহান। প্রবল পরাক্রমশীল ও প্রজ্ঞাময় আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَا - নাই (কোনো)
إِلٰهَ - মাবুদ/ইলাহ
إِلَّا - ছাড়া
اللّٰهُ - আল্লাহ
وَحْدَهُ - এবং তিনি এক
لَا - নাই
شَرِيْكَ - শরীক/অংশীদার
لَهُ، - তাঁর
اَللّٰهُ - আল্লাহ
أَكْبَرُ - সবচেয়ে বড়
كَبِيْراً، - অতীব বড়
وَالْحَمْدُ - এবং প্রশংসা
لِلّٰهِ - আল্লাহর
كَثِيْراً، - অনেক-অজস্র
سُبْحَانَ - আমি পবিত্রতা ঘোষণা করছি
اللّٰهِ - আল্লাহর
رَبِّ - পালনকর্তা
الْعَالَمِيْنَ، - সকল সৃষ্টি জগতের
لَا - নেই
حَوْلَ - সামর্থ্য/ক্ষমতা
وَلَا - এবং নেই
قُوَّةَ - শক্তি
إِلَّا - ব্যতীত
بِاللّٰهِ - আল্লাহ
الْعَزِيْزِ - পরাক্রমশীল
الْحَكِيْمِ - মহা প্রজ্ঞাময়

তখন বেদুঈন বলল, এগুলো তো আমার রবের জন্য; আমার জন্য কী?

তিনি বললেন: “বল,

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ، وَارْحَمْنِيْ، وَاهْدِنِيْ، وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

আল্লা-হুম্মাগফির লী ওয়ারহামনী ওয়াহদিনী ওয়া ‘আ-ফিনী ওয়ারযুক্বনী

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে দয়া করুন, আমাকে আপনি হেদায়াত দিন, আমাকে নিরাপদ রাখুন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَللّٰهُمَّ - হে আল্লাহ!
اغْفِرْ - ক্ষমা করুন
لِيْ، - আমাকে
وَارْحَمْنِيْ، - এবং আমার প্রতি দয়া করুন
وَاهْدِنِيْ، - এবং আমাকে হেদায়াত দিন
وَعَافِنِيْ - এবং আমাকে নিরাপদ/সুস্থ রাখুন
وَارْزُقْنِيْ - এবং আমাকে রিযিক দিন

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/২০৭২, নং ২৬৯৬। আর আবূ দাউদ বর্ধিত বর্ণনা করেন, ১/২২০, নং ৮৩২:

এরপর যখন বেদুঈন ফিরে গেল, তখন রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “লোকটি তার হাত কল্যাণে পূর্ণ করে নিল”।

এক বেদুঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, “আমাকে একটি কালেমা শিক্ষা দিন যা আমি বলব।” তখন রাসূল বললেন, “বল,

لَا নাই (কোনো) إِلٰهَ মাবুদ/ইলাহ إِلَّا ছাড়া اللّٰهُ আল্লাহ وَحْدَهُ এবং তিনি এক لَا নাই شَرِيْكَ শরীক/অংশীদার لَهُ، তাঁর اَللّٰهُ আল্লাহ أَكْبَرُ সবচেয়ে বড় كَبِيْراً، অতীব বড় وَالْحَمْدُ এবং প্রশংসা لِلّٰهِ আল্লাহর كَثِيْراً، অনেক-অজস্র سُبْحَانَ আমি পবিত্রতা ঘোষণা করছি اللّٰهِ আল্লাহর رَبِّ পালনকর্তা الْعَالَمِيْنَ، সকল সৃষ্টি জগতের لَا নেই حَوْلَ সামর্থ্য/ক্ষমতা وَلَا এবং নেই قُوَّةَ শক্তি إِلَّا ব্যতীত بِاللّٰهِ আল্লাহ الْعَزِيْزِ পরাক্রমশীল الْحَكِيْمِ মহা প্রজ্ঞাময়

একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই, তাঁর কোনো শরীক নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়, অতীব বড়। আল্লাহ্‌র অনেক-অজস্র প্রশংসা। সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ কতই না পবিত্র-মহান। প্রবল পরাক্রমশীল ও প্রজ্ঞাময় আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।

তিনি বললেন: “বল,

اَللّٰهُمَّ হে আল্লাহ! اغْفِرْ ক্ষমা করুন لِيْ، আমাকে وَارْحَمْنِيْ، এবং আমার প্রতি দয়া করুন وَاهْدِنِيْ، এবং আমাকে হেদায়াত দিন وَعَافِنِيْ এবং আমাকে নিরাপদ/সুস্থ রাখুন وَارْزُقْنِيْ এবং আমাকে রিযিক দিন

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে দয়া করুন, আমাকে আপনি হেদায়াত দিন, আমাকে নিরাপদ রাখুন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/২০৭২, নং ২৬৯৬। আর আবূ দাউদ বর্ধিত বর্ণনা করেন, ১/২২০, নং ৮৩২:

তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল ও তাকবীর-এর ফযীলত #৯

তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল ও তাকবীর-এর ফযীলত #৯

কোনো ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রথমে সালাত শিক্ষা দিতেন। অতঃপর এসব কথা দিয়ে দো‘আ করার আদেশ দিতেন,

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ، وَارْحَمْنِيْ، وَاهْدِنِيْ، وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

আল্লা-হুম্মাগফির লী ওয়ারহামনী ওয়াহদিনী ওয়া ‘আ-ফিনী ওয়ারযুক্বনী

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে দয়া করুন, আমাকে আপনি হেদায়াত দিন, আমাকে নিরাপদ রাখুন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/২০৭৩; নং ৩৬৯৭। মুসলিমের অপর বর্ণনায় এসেছে, “এগুলো তোমার জন্য দুনিয়া ও আখেরাত সবকিছুর সমন্বয় ঘটাবে।”

কোনো ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রথমে সালাত শিক্ষা দিতেন। অতঃপর এসব কথা দিয়ে দো‘আ করার আদেশ দিতেন,

اَللّٰهُمَّ اغْفِرْ لِيْ، وَارْحَمْنِيْ، وَاهْدِنِيْ، وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ

হে আল্লাহ! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন, আমাকে দয়া করুন, আমাকে আপনি হেদায়াত দিন, আমাকে নিরাপদ রাখুন এবং আমাকে রিযিক দান করুন।

রেফারেন্স: মুসলিম ৪/২০৭৩; নং ৩৬৯৭। মুসলিমের অপর বর্ণনায় এসেছে, “এগুলো তোমার জন্য দুনিয়া ও আখেরাত সবকিছুর সমন্বয় ঘটাবে।”

সর্বশ্রেষ্ঠ দো‘আ এবং সর্বোত্তম যিক্‌র

সর্বশ্রেষ্ঠ দো‘আ এবং সর্বোত্তম যিক্‌র

সর্বশ্রেষ্ঠ দো‘আ হল,

اَلْحَمْدُ لِلّٰهِ

আলহামদু লিল্লাহ

সকল প্রশংসা আল্লাহরই

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
اَلْحَمْدُ - যাবতীয় প্রশংসা
لِلّٰهِ - আল্লাহ তা”আলার জন্য

আর সর্বোত্তম যিক্‌র হল,

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ

আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
لَا - নাই (কোনো)
إِلٰهَ - মাবুদ/ইলাহ
إِلَّا - ছাড়া
اللّٰهُ - আল্লাহ

রেফারেন্স: তিরমিযী ৫/৪৬২, নং ৩৩৮৩; ইবন মাজাহ্‌ ২/১২৪৯, নং ৩৮০০; আল-হাকিম, ১/৫০৩ এবং সহীহ বলেছেন, আর ইমাম যাহাবী তা সমর্থন করেছেন। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ১/৩৬২

সর্বশ্রেষ্ঠ দো‘আ হল,

اَلْحَمْدُ যাবতীয় প্রশংসা لِلّٰهِ আল্লাহ তা”আলার জন্য

সকল প্রশংসা আল্লাহরই

আর সর্বোত্তম যিক্‌র হল,

لَا নাই (কোনো) إِلٰهَ মাবুদ/ইলাহ إِلَّا ছাড়া اللّٰهُ আল্লাহ

আল্লাহ ব্যতীত কোনো হক্ব ইলাহ নেই।

রেফারেন্স: তিরমিযী ৫/৪৬২, নং ৩৩৮৩; ইবন মাজাহ্‌ ২/১২৪৯, নং ৩৮০০; আল-হাকিম, ১/৫০৩ এবং সহীহ বলেছেন, আর ইমাম যাহাবী তা সমর্থন করেছেন। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ১/৩৬২

চিরস্থায়ী নেক আমল

চিরস্থায়ী নেক আমল

আল-বাকিয়াতুস সালিহাত’ তথা চিরস্থায়ী নেক আমল হচ্ছে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

সুবহা-নাল্লা-হি, ওয়ালহামদুলিল্লা-হি, ওয়া লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু, ওয়াল্লা-হু আকবার, ওয়ালা হাউলা ওয়ালা কূওয়াতা ইল্লা বিল্লা-হি

আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।

রেফারেন্স: মুসনাদে আহমাদ নং ৫১৩; আহমাদ শাকের এর তারতীব অনুসারে, আর তার সনদ বিশুদ্ধ। দেখুন, মাজমাউয যাওয়ায়িদ, ১/২৯৭; ইবন হাজার বুলুগুল মারাম গ্রন্থে এটাকে আবু সা‘ঈদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এর বর্ণনায় ইমাম নাসাঈ (আস-সুনানুল কুবরা, নং ১০৬১৭) নিয়ে এসেছেন বলে ইঙ্গিত করেছেন এবং বলেছেন যে, হাদীসটিকে ইবন হিব্বান (নং ৮৪০) ও হাকেম (১/৫৪১) সহীহ বলেছেন।

আল-বাকিয়াতুস সালিহাত’ তথা চিরস্থায়ী নেক আমল হচ্ছে,

سُبْحَانَ اللّٰهِ، وَالْحَمْدُ لِلّٰهِ، وَلَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ، وَاللّٰهُ أَكْبَرُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ

আল্লাহ পবিত্র-মহান। সকল হামদ-প্রশংসা আল্লাহর। আল্লাহ ছাড়া কোনো হক্ব ইলাহ নেই। আল্লাহ সবচেয়ে বড়। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।

রেফারেন্স: মুসনাদে আহমাদ নং ৫১৩; আহমাদ শাকের এর তারতীব অনুসারে, আর তার সনদ বিশুদ্ধ। দেখুন, মাজমাউয যাওয়ায়িদ, ১/২৯৭; ইবন হাজার বুলুগুল মারাম গ্রন্থে এটাকে আবু সা‘ঈদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এর বর্ণনায় ইমাম নাসাঈ (আস-সুনানুল কুবরা, নং ১০৬১৭) নিয়ে এসেছেন বলে ইঙ্গিত করেছেন এবং বলেছেন যে, হাদীসটিকে ইবন হিব্বান (নং ৮৪০) ও হাকেম (১/৫৪১) সহীহ বলেছেন।

তাহলীল

তাহলীল

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ

আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই

রেফারেন্স: [১] তিরমিযী ৫/৪৩১,(ভা ২/১৭৬) ইবন মাজাহ ২/১২৪৯ (ভা ২/২৬৯) সহিহ ইবন হিব্বান ৩/১২৬, মাওয়ারিদুয যামআন ৭/৩২৬-৩২৯, মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৭৬, ৬৮১ [২] বুখারি ১/৪৯ (ভা ১/২০) [৩] মুসতাদরাক হাকিম ১/১৪৩, ৫০২ [৪] মুসতাদরাক হাকিম ৪/২৮৫, মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫২, ২/২১১, ১০/৮২, আত-তারগীব ২/৩৯৪; ইতহাফুল খিয়ারাহ ২/৩৪৬; আলবানী, যায়ীফাহ ২/৩০০ [৫] মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৭৮ রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১

জাবির (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: “সর্বোত্তম যিকর ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ এবং সর্বোত্তম দু‘আ আলহামদুলিল্লাহ”। হাদীসটি সহীহ। [১] আবু হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: “কিয়ামতের দিন আমার শাফা’আত লাভকারী সবচেয়ে সৌভাগ্যবান ব্যক্তি সে-ই হবে, যে তাঁর অন্তরের পরিপূর্ণ একাগ্রতা দিয়ে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলবে।” [২] উমার (রা) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (স)-কে বলতে শুনেছি: “আমি এমন একটি বাক্য জানি, যে বাক্যটি যদি কেউ তাঁর অন্তর থেকে সত্যিকারভাবে বলে মৃত্যুবরণ করে, তাহলে জাহান্নাম তাঁর জন্য নিষিদ্ধ হয়ে যাবে। বাক্যটি হল: ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ ।” হাদীসটি সহীহ। [৩] কাজেই মুমিন সর্বান্তকরণে অন্তরের সকল আবেগ ও অনুভূতি দিয়ে সর্বদা এ বাক্যটি বলবেন, যেন মৃত্যুর আগে এ বাক্যটি তাঁর শেষ বাক্য হয়। আবু হুরাইরা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বললেন : “তোমাদের ঈমানকে নবায়ন কর।” তাঁকে প্রশ্ন করা হলো: “ইয়া রাসূলুল্লাহ, কিভাবে আমরা আমাদের ঈমানকে নবায়িত করবো?” তিনি বললেন: “তোমরা বেশি বেশি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলবে।” হাদীসটির সনদে দুর্বলতা আছে। [৪] অন্য হাদীসে মু’আয ইবনু জাবাল (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেন: “যার সর্বশেষ কথা হবে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” হাদীসটি সহীহ।[৫]

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ

আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই

রেফারেন্স: [১] তিরমিযী ৫/৪৩১,(ভা ২/১৭৬) ইবন মাজাহ ২/১২৪৯ (ভা ২/২৬৯) সহিহ ইবন হিব্বান ৩/১২৬, মাওয়ারিদুয যামআন ৭/৩২৬-৩২৯, মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৭৬, ৬৮১ [২] বুখারি ১/৪৯ (ভা ১/২০) [৩] মুসতাদরাক হাকিম ১/১৪৩, ৫০২ [৪] মুসতাদরাক হাকিম ৪/২৮৫, মাজমাউয যাওয়াইদ ১/৫২, ২/২১১, ১০/৮২, আত-তারগীব ২/৩৯৪; ইতহাফুল খিয়ারাহ ২/৩৪৬; আলবানী, যায়ীফাহ ২/৩০০ [৫] মুসতাদরাক হাকিম ১/৬৭৮ রাহে বেলায়াত - যিকর নং ১

তাহলীল

তাহলীল

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ (يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوْت بِيَدِهِ الْخَيْرُ) وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ

লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু, ওয়া‘হদাহু লা- শারীকা লাহ, লাহুল মুলক, ওয়া লাহুল হামদ, [ইউ‘হয়ী ওয়া ইউমীতু ওয়া হুআ হাইয়ুন লা ইয়ামু-ত, বিইয়াদিহিল খাইরু] ওয়া হুআ ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর।

নেই কোনো মা’বুদ আল্লাহ ছাড়া, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। (তিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দান করেন। আর তিনি চিরঞ্জীব অমর। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ) এবং তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।” অনেক বর্ণনায় শুধুমাত্র প্রথম বাক্যটি (ইউহয়ী ওয়া ইউমীতু) সংযুক্ত করে বলা হয়েছে।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৩

لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيْكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ، وَلَهُ الْحَمْدُ (يُحْيِيْ وَيُمِيْتُ وَهُوَ حَيٌّ لَا يَمُوْت بِيَدِهِ الْخَيْرُ) وَهُوَ عَلَی كُلِّ شَىْءٍ قَدِيْرٌ

নেই কোনো মা’বুদ আল্লাহ ছাড়া, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই। রাজত্ব তাঁরই এবং প্রশংসা তাঁরই। (তিনি জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দান করেন। আর তিনি চিরঞ্জীব অমর। তাঁর হাতেই সকল কল্যাণ) এবং তিনি সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।” অনেক বর্ণনায় শুধুমাত্র প্রথম বাক্যটি (ইউহয়ী ওয়া ইউমীতু) সংযুক্ত করে বলা হয়েছে।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৩

বিশেষ তাসবীহ

বিশেষ তাসবীহ

سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ

সুবহা-নাল্লা-হিল আযীম।

মহামহিমান্বিত আল্লাহরপবিত্রতা ঘোষণা করছি।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬

سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ

মহামহিমান্বিত আল্লাহরপবিত্রতা ঘোষণা করছি।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৬

বিশেষ তাসবীহ-তাহমীদ

বিশেষ তাসবীহ-তাহমীদ

سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ وَبِحَمْدِهِ

সুবাহা-নাল্লা-হিল আযীমি ওয়া বি‘হামদিহী।

মহামহিম আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ও প্রশংসা ঘোষণা করছি।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৯

سُبْحَانَ اللّٰهِ الْعَظِيْمِ وَبِحَمْدِهِ

মহামহিম আল্লাহ্‌র পবিত্রতা ও প্রশংসা ঘোষণা করছি।

রেফারেন্স: রাহে বেলায়াত - যিকর নং ৯

📘 হিসনুল মুসলিম - দোআ ও যিকর 📄 কীভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাসবীহ পাঠ করতেন?

📄 কীভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাসবীহ পাঠ করতেন?


কীভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাসবীহ পাঠ করতেন?

কীভাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাসবীহ পাঠ করতেন?

আব্দুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, “আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি আঙুল ভাঁজ করে তাসবীহ গুনতেন”। অপর বর্ণনায় অতিরিক্ত এসেছে, “তাঁর ডান হাতে।”

.

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৮১, নং ১৫০২; তিরমিযী ৫/৫২১, নং ৩৪৮৬। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৪/২৭১, নং ৪৮৬৫, আর শাইখ আলবানী সহীহ সুনান আবি দাউদে (১/৪১১) এটাকে সহীহ বলেছেন।

আব্দুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমা বলেন, “আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছি আঙুল ভাঁজ করে তাসবীহ গুনতেন”। অপর বর্ণনায় অতিরিক্ত এসেছে, “তাঁর ডান হাতে।”

.

রেফারেন্স: আবূ দাউদ ২/৮১, নং ১৫০২; তিরমিযী ৫/৫২১, নং ৩৪৮৬। আরও দেখুন, সহীহুল জামে‘ ৪/২৭১, নং ৪৮৬৫, আর শাইখ আলবানী সহীহ সুনান আবি দাউদে (১/৪১১) এটাকে সহীহ বলেছেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px