কুরআনের শেষ তিন সূরা
কুরআনের শেষ তিন সূরা
দুই হাতের তালু একত্রে মিলিয়ে নিম্নোক্ত সূরাগুলো পড়ে তাতে ফুঁ দিবে:
﷽ قُلۡ هُوَ اللّٰهُ اَحَدٌ ۚ﴿١﴾ اَللّٰهُ الصَّمَدُ ۚ﴿٢﴾ لَمۡ يَلِدۡ ۙوَلَمۡ يُوۡلَدۡ ۙ﴿٣﴾ وَلَمۡ يَكُنۡ لَّهٗ كُفُوًا اَحَدٌ ﴿٤﴾
ক্বুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ। আল্লাহুস্ সামাদ। লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ। ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ
বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।
ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
﷽ - পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)
قُلۡ - বলুন
هُوَ - তিনি
اللّٰهُ - আল্লাহ
اَحَدٌ - এক, অদ্বিতীয়
ۚ﴿١﴾ - (১)
اَللّٰهُ - আল্লাহ
الصَّمَدُ - অমুখাপেক্ষী, অভাবমুক্ত
ۚ﴿٢﴾ - (২)
لَمۡ - নি
يَلِدۡ - তিনি কাউকে জন্ম দেন
ۙوَلَمۡ - এবং নি
يُوۡلَدۡ - কেউ তাঁকে জন্ম দেয়
ۙ﴿٣﴾ - (৩)
وَلَمۡ - এবং নাই
يَكُنۡ - (হয়)
لَّهٗ - তাঁর
كُفُوًا - সমতূল্য/সমকক্ষ
اَحَدٌ - কেউ
﴿٤﴾ - (৪)
﷽ قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ الۡفَلَقِۙ ﴿١﴾ مِنۡ شَرِّ مَا خَلَقَۙ ﴿٢﴾ وَمِنۡ شَرِّ غَاسِقٍ اِذَا وَقَبَۙ ﴿٣﴾ وَمِنۡ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى الۡعُقَدِۙ ﴿٤﴾ وَمِنۡ شَرِّ حَاسِدٍ اِذَا حَسَدَ ﴿٥﴾
ক্বুল আ‘উযু বিরব্বিল ফালাক্ব। মিন শাররি মা খালাক্ব। ওয়া মিন শাররি গা-সিক্বিন ইযা ওয়াক্বাব। ওয়া মিন শাররিন নাফফা-সা-তি ফিল ‘উক্বাদ। ওয়া মিন শাররি হা-সিদিন ইযা হাসাদ
বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।
ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
﷽ - পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)
قُلۡ - বলুুন
اَعُوۡذُ - আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি/চাই
بِرَبِّ - পালনকর্তার
الۡفَلَقِۙ - ভোর/প্রভাতের
﴿١﴾ - (১)
مِنۡ - থেকে
شَرِّ - অনিষ্ট
مَا - যা
خَلَقَۙ - তিনি সৃষ্টি করেছেন
﴿٢﴾ - (২)
وَمِنۡ - এবং হতে
شَرِّ - অনিষ্ট
غَاسِقٍ - অন্ধকার রাত্রির
اِذَا - যখন
وَقَبَۙ - আচ্ছন্ন হয়
﴿٣﴾ - (৩)
وَمِنۡ - এবং থেকে
شَرِّ - অনিষ্ট
النَّفّٰثٰتِ - ফুঁৎকার প্রদানকারীর
فِى - মধ্যে
الۡعُقَدِۙ - গ্রন্থি/গীরা
﴿٤﴾ - (৪)
وَمِنۡ - এবং থেকে
شَرِّ - অনিষ্ট
حَاسِدٍ - হিংসুকের
اِذَا - যখন
حَسَدَ - সে হিংসা করে
﴿٥﴾ - (৫)
﷽ قُلۡ اَعُوۡذُ بِرَبِّ النَّاسِۙ ﴿١﴾ مَلِكِ النَّاسِۙ ﴿٢﴾ اِلٰهِ النَّاسِۙ ﴿٣﴾ مِنۡ شَرِّ الۡوَسۡوَاسِ ۙ الۡخَـنَّاسِ ۙ﴿٤﴾ الَّذِىۡ يُوَسۡوِسُ فِىۡ صُدُوۡرِ النَّاسِۙ ﴿٥﴾ مِنَ الۡجِنَّةِ وَالنَّاسِ ﴿٦﴾
ক্বুল ‘আউযু বিরাব্বিন্না-স। মালিকিন্না-সি, ইলা-হিন্নাসি, মিন শাররিল ওয়াসওয়া-সিল খান্না-স, আল্লাযি ইউওয়াসউইসু ফী সুদূরিন না-সি, মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-স।
বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।
ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড:
﷽ - পরম করুণাময় অতি দয়ালু আল্লাহর নামে (শুরু করছি)
قُلۡ - বলুন
اَعُوۡذُ - আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি/চাই
بِرَبِّ - পালনকর্তার
النَّاسِۙ - মানুষের
﴿١﴾ - (১)
مَلِكِ - মালিক/বাদশাহ/অধিপতি
النَّاسِۙ - মানুষের
﴿٢﴾ - (২)
اِلٰهِ - উপাস্য/মা'বুদের
النَّاسِۙ - মানুষের
﴿٣﴾ - (৩)
مِنۡ - থেকে
شَرِّ - অনিষ্ট
الۡوَسۡوَاسِ ۙ - কুপরামর্শর/কুমন্ত্রণার
الۡخَـنَّاسِ - আত্নগোপনকারী
ۙ﴿٤﴾ - (৪)
الَّذِىۡ - যে
يُوَسۡوِسُ - কুপরামর্শ/কুমন্ত্রণা দেয়
فِىۡ - মধ্যে
صُدُوۡرِ - অন্তরের
النَّاسِۙ - মানুষের
﴿٥﴾ - (৫)
مِنَ - মধ্য থেকে
الۡجِنَّةِ - জ্বিনের
وَالنَّاسِ - এবং মানুষের
﴿٦﴾ - (৬)
রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৯/৬২, নং ৫০১৭; মুসলিম ৪/১৭২৩, নং ২১৯২
তারপর দুই হাতের তালু দ্বারা দেহের যতোটা অংশ সম্ভব মাসেহ করবে। মাসেহ আরম্ভ করবে তার মাথা, মুখমণ্ডল ও দেহের সামনের দিক থেকে। এভাবে ৩ বার করবে।
দুই হাতের তালু একত্রে মিলিয়ে নিম্নোক্ত সূরাগুলো পড়ে তাতে ফুঁ দিবে:
বলুন, তিনি আল্লাহ্, এক-অদ্বিতীয়। আল্লাহ্ হচ্ছেন ‘সামাদ’ (তিনি কারো মুখাপেক্ষী নন, সকলেই তাঁর মুখাপেক্ষী)। তিনি কাউকেও জন্ম দেন নি এবং তাঁকেও জন্ম দেয়া হয় নি। আর তাঁর সমতুল্য কেউই নেই।
বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি ঊষার রবের। তিনি যা সৃষ্টি করেছেন তার অনিষ্ট হতে। ‘আর অনিষ্ট হতে রাতের অন্ধকারের, যখন তা গভীর হয়। আর অনিষ্ট হতে সমস্ত নারীদের, যারা গিরায় ফুঁক দেয়। আর অনিষ্ট হতে হিংসুকের, যখন সে হিংসা করে।
বলুন, আমি আশ্রয় প্রার্থনা করছি মানুষের রবের, মানুষের অধিপতির, মানুষের ইলাহের কাছে, আত্মগোপনকারী কুমন্ত্রণাদাতার অনিষ্ট হতে; যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে, জিনের মধ্য থেকে এবং মানুষের মধ্য থেকে।
রেফারেন্স: বুখারী, (ফাতহুল বারীসহ) ৯/৬২, নং ৫০১৭; মুসলিম ৪/১৭২৩, নং ২১৯২