📄 কার্তিক পূজা
মহাদেব শিব এবং দুর্গার পুত্র হলেন কার্তিক। কার্তিকের জন্ম কাহিনীও চমকপ্রদ। যৌন সম্রাট মহাদেব শিব একদা স্বীয় পত্নী পার্বতীর সঙ্গে প্রবল রমণ ও রতিকর্মে লিপ্ত ছিলেন। শিবের তীব্র যৌনতায় পার্বতীর জীবন সংশয় দেখা দেয়। তবু মহাদেব শিব পার্বতীকে যৌনতা হতে অব্যাহতি দিচ্ছিল না। অগত্যা সেখানে পার্বতীর আহ্বানে তার প্রাণ রক্ষার জন্য বিষ্ণু ও শ্রীকৃষ্ণের নির্দেশে দেবতাগণের আবির্ভাব হয়।
কার্তিক সৌন্দর্যে এতো অনুপম ছিলেন যে, স্বীয় মাতা দুর্গাদেবীও তার পুত্রের আকর্ষণ সংবরণ করতে পারেননি। কার্তিক ছিলেন সৌন্দর্যের দেবতা। সুন্দর মানুষের তুলনা করা হয় কার্তিকের ন্যায় সুন্দর বলে। কার্তিক এতো সুন্দর ছিলেন যে, তার কোন শত্রু ছিল না।
📄 কার্তিকের জন্ম
কার্তিকের জন্ম সেখানে আকষ্মিক দেবতাদের দেখে মহাদেব শিব গাত্রোত্থান করেন। ফলে মহাদেব শিবের বীর্যের ফোঁটা ভূমিতে নিক্ষিপ্ত হয়। পৃথিবী এই শক্তিশালী বীর্য দেহে ধারণে অক্ষম হয়ে তা অগ্নির দিকে নিক্ষেপ করেন। অগ্নি ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে তা শরবনে নিক্ষেপ করেন। এই শরবনে জন্ম হয় কার্তিকের। শিশু কার্তিককে প্রতিপালন করেন কর্তৃকগণ। কার্তিক প্রতিপালিত হয় কর্তৃকগণের কোলে। তাই তার নাম হয় কার্তিক।
টিকাঃ
১. শিব পুরাণ
📄 গো-পূজা
হিন্দুদের পূজনীয় দেবতাদের মধ্যে গাভী অন্যতম। এজন্য গো-হত্যা মহাপাপ বলে বিবেচিত হয়। গোমাতাও বলা হয়।
📄 তান্ত্রিক পূজা
তান্ত্রিক পূজা পূজাকালে ৮ যুগল অথবা ৯ যুগল অথবা ১১ জোড়া নারী পুরুষ পূর্ব নির্ধারিত স্থানে ও ব্যবস্থাপনায় মিলিত হয়। মধ্যরাত্রিতে এই পূজা শুরু হয়। এই পূজাকালে একজন সুন্দরী নগ্ন মহিলাকে মঞ্চে উপস্থাপন করা হয়। তার দেহ থাকে অলংকারে সজ্জিত এবং বিবস্ত্র। তাকে ধরা হয় নারী শক্তির প্রতীক।
জোড়ায় জোড়ায় নারী পুরুষ তান্ত্রিক পূজায় লিপ্ত হয়। পূজারীগণ নৃত্য, গীত, মদ্যপান এবং অন্যান্য যৌন কেলীতে অংশগ্রহণ করেন। এই যৌন কেলীতে কোন সীমাবদ্ধতা থাকে না। যার মন যা চায়- তাই করতে পারেন।
সকল পূজারী পুরুষকে ধারণা করতে হয় তিনি যৌনদেবতা শিব এবং প্রত্যেক নারীকে কল্পনা করতে হয় তার যৌনসঙ্গী।