📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 বিপদকালীন দেবতা

📄 বিপদকালীন দেবতা


এমন কিছু দেবতা আছেন যাদের নিকট বিশেষ বিশেষ বিপদের সময় প্রার্থনা করা হয়। এদের মধ্যে রয়েছেন মনসা (সাপ দংশন করলে), জুরাসুর (জ্বর হলে) শীতলা (কলেরা ও বসন্ত দেখা দিলে), ইটে-কুমার (চুলকানি ও চর্মরোগ হলে), দুর্গা (যেকোন বিপদের সময়-) গণেশ (ব্যবসায়িক উন্নতির জন্য।) কার্তিক (শত্রু থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য) এবং গঙ্গা (নৌকাডুবির ভয় হলে)। এরা হলেন ভয়কালীন দেবতা।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 অস্ত্রধারী দেবতা

📄 অস্ত্রধারী দেবতা


কোন কোন দেবতারা বিশেষ বিশেষ অস্ত্র ব্যবহার করেন। এরা হলেন মহাদেব (ত্রিশূল) কৃষ্ণ (চক্র), বলরাম (লাঙল), পরশুরাম (কুড়াল), রাম (তীর) নারায়ণ (শঙ্খ, গদা, চক্র, পদ্ম), কার্তিক (ধনুর্বান), ইন্দ্র (বজ্র), দুর্গা (খড়গ), ভীম (গদা), মনসা (সাপ) এরা এবং আরও কয়েকজন দেবতা অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 শক্তিপূজা

📄 শক্তিপূজা


মানুষ নিজের থেকে যাকে শক্তিশালী মনে করেন- সেরূপ শক্তির পূজা করেন। এটা প্রাকৃতিক শক্তি, প্রাণী শক্তি, এমন কি মানব শক্তি হলেও। রাজা-বাদশাহ, সেনাপতি হতে মানুষ পর্যন্ত আশ্রয় প্রার্থনা করে। আর্থিক ও সামাজিক উন্নতি কামনা করে। আধ্যাত্মিক শক্তি সম্পন্ন পুরুষদেরকে দেবতার প্রতিমূর্তি কল্পনা করে তাদের পূজা করা হয়। মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। তার একটি বৈশিষ্ট্য হলো- নিজের থেকে শক্তিশালী ব্যক্তি বা শক্তির পূজা করে।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 মানব মর্যাদা

📄 মানব মর্যাদা


এই পৃথিবীতে অসংখ্য জীব-জন্তু, কীট-পতঙ্গ আছে। হিমালয় পর্বত, প্রশান্ত মহাসাগর, ইত্যাদি সৃষ্টির মধ্যে বৃহত্তম। শিশু মায়ের কোলে পায়খানা, প্রস্রাব করলেও- মা প্রতিবাদ করে না। আবহাওয়া কীরূপ- তা অনুধাবন করে বর্তমানে বিমানযোগে আকাশচারি হওয়া যায়। গ্রহযানে চাঁদেও ভ্রমণ করা যায়। আবার ফিরেও আসা যায়। এরূপ মানুষ ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে নদী পূজা করে। পাহাড় পূজা করে। জীব-জন্তুর পূজা করে। বৃক্ষ পূজা করে। সাপ পূজা করে। বিশেষ স্থানের পূজা করে। ৩৩ কোটি দেবতার পূজা করে। অর্থাৎ ৩৩ কোটি দেবদেবী অথবা প্রতীক সৃষ্টবস্তু পূজার যোগ্য ও উপযুক্ত। আধুনিক যুগে কারো কারো মতে পূজারীগণ কেউ কেউ হয়ত তাদের চিন্তাধারার ফলে নিজেদেরই অবমাননা করেন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px