📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 অগ্নিপূজা

📄 অগ্নিপূজা


বজ্রপাত, বিদ্যুৎ চমক, ইত্যাদিতে মানুষ ভয় পায়। মানুষ ঘর বাড়ি যা তৈরি করে অগ্নি সব কিছু গ্রাস করে নেয়। তাই মানুষ অগ্নি দেবতার পূজা শুরু করে।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 গঙ্গা দেবী

📄 গঙ্গা দেবী


নদী পথে মানুষের চলাফেরা করতে হয়। সমুদ্র যাত্রায় জাহাজ ডুবির আশংকা থাকে। নৌকাডুবি ও জাহাজডুবি বিপদ থেকে আত্মরক্ষার জন্য গঙ্গা দেবীর পূজা করা হয়।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 দেবতা পূজার বৈশিষ্ট্য

📄 দেবতা পূজার বৈশিষ্ট্য


হিন্দু ধর্মাবলম্বীগণ গর্ববোধ করেন যে, মুসলিমদের আল্লাহ মাত্র একজন। তাদের দেবদেবী তেত্রিশ কোটি বা তিনশত ত্রিশ মিলিয়ন। ভক্তের আচরণে একজন দেবতা সন্তুষ্ট না হলে আরেকজন দেবতা সন্তুষ্ট হতে পারেন। বর্তমানে চিকিৎসাশাস্ত্রে একাধিক চিকিৎসকের সাহায্য নেয়া হয়। কিন্তু আত্মার চিকিৎসাশাস্ত্রে একাধিক চিকিৎসক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও এমন কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো সহজে মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। এগুলোকে পূজার বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 পূজার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যহীনতা

📄 পূজার উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যহীনতা


দেবদেবীর পূজা করার পেছনে অন্তরের পরিশুদ্ধি, আত্মার পবিত্রতা, নৈতিক চরিত্রের উন্নতি, রিপুর ওপর বিজয়লাভ, ঈশ্বরের সন্তুষ্টি, এ ধরনের কোন মহৎ উদ্দেশ্য থাকে বলে মনে হয় না। পূজার সময় যা করা হয় তার মধ্যে প্রধান হলো প্রতিমার সম্মুখে মন্ত্রপাঠ (তাও পুরোহিতের মুখে), ফুল ছড়ানো, ধূপকাঠি দান, পানি ছিঁটানো, ধূপ জ্বালানো ইত্যাদি। এসব কাজ করে ভক্তগণ কী পায়, তা বোঝা যায় না। পুরোহিতগণ যে সব মন্ত্র আওড়ান তা সংস্কৃত ভাষায় হওয়ায় এর থেকে কেউ কোন কিছু শিখবারও কথা নয়। এসব কারণে, পূজায় অংশগ্রহণ বা তীর্থস্থান ভ্রমণের পরও কারো ব্যক্তি জীবনে কোন পরিবর্তন আসে না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px