📄 হিন্দুশাস্ত্রে অশ্লীলতা
হিন্দুশাস্ত্রগুলো, বিশেষত পুরাণগুলো অশ্লীলতা, কামোদ্দীপক আচার-ভঙ্গি, যৌন উত্তেজনাবর্ধক বাক্যাবলী এবং যৌন আবেদনমূলক কাহিনীতে ভরা। এসব শাস্ত্র থেকে অনুপ্রেরণা লাভ করে কোন কোন হিন্দু সম্প্রদায় আনুষ্ঠানিক ব্যভিচারকে মুক্তি লাভের কার্যকর উপাসনা হিসেবে চালু করেছে। কামশাস্ত্র নামক পুস্তকে রতিক্রিয়ার যেসব ভঙ্গি বর্ণনা করা হয়েছে, তা অশ্লীলতার সব সীমা অতিক্রম করেছে।
📄 কৃষ্ণের বস্ত্রহরণ
ভাগবতে উল্লেখ আছে, বিষ্ণুর অন্যতম অবতার কৃষ্ণ স্নানরত নারীদের বস্ত্রহরণ করেছিলেন। এসব নারীর প্রত্যেকে পৃথকভাবে তাঁর সামনে উলঙ্গ অবস্থায় না আসা পর্যন্ত তিনি কাপড় ফেরত দেননি। এ ঘটনাটি কৃষ্ণের বস্ত্রহরণ নামে খ্যাত। কৃষ্ণের যে আটজন প্রধান স্ত্রী ছিলেন, তাদের কয়েকজনকে তিনি বলপূর্বক অপহরণ করে বিয়ে করেছিলেন। তার পরামর্শেই অর্জুন সুভদ্রাকে অপহরণ করে বিয়ে করেছিলেন। বিষ্ণুর অন্যতম অবতার রাম নিজের নিরপরাধ ও গর্ভবতী স্ত্রী সীতাকে বনবাসে দিয়েছিলেন। এসব ঘটনা থেকে মানুষের শেখার মতো কী আছে। তা বোঝা মুশকিল।
📄 হত্যা
নিরপরাধ লোককে হত্যা করা একটি মহাপাপ। এ কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু বিষ্ণুর অন্যতম অবতার রামের জীবন থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই? নির্দোষ বালীকে তিনি যেভাবে হত্যা করেছিলেন, তাকে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে মনে করা হয়। শম্বুক নামক একজন লোককে তিনি শুধু এ কারণে হত্যা করেছিলেন যে, নিম্নবর্ণের লোক হয়েও সে তপস্যায় আত্মনিয়োগ করেছিল। বিষ্ণুর অন্যতম অবতার কৃষ্ণও যে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছিলেন এবং এ কাজে অন্যদের সহযোগিতা করেছিলেন, তার বিবরণও শাস্ত্রে পাওয়া যায়।
📄 চুরি
চুরি যেকোন জনসমাজে একটি অপরাধমূলক কাজ বলে বিবেচিত হয়। কিন্তু শাস্ত্রে উল্লেখ আছে, হিন্দুদের অন্যতম প্রধান দেবতা কৃষ্ণ তার স্ত্রী সত্যভামার অনুরোধে ইন্দ্রের স্বর্গ থেকে পারিজাত নামক একটি বৃক্ষ চুরি করেছিলেন। ইন্দ্র নিজেও সাগর রাজার একটি ঘোড়া চুরি করেছিলেন বলে শাস্ত্রে উল্লেখ আছে।