📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 প্রধান ধর্মগ্রন্থ বেদ

📄 প্রধান ধর্মগ্রন্থ বেদ


প্রত্যেক ধর্মাবলম্বীদের নিজস্ব ধর্মগ্রন্থ আছে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রধান ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক। খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ হলো ইঞ্জিল বা বাইবেল নতুন নিয়ম। ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থ যবুর, তৌরাত বা পুরাতন নিয়ম। মুসলিমদের ধর্মগ্রন্থ আল- কুরআন। হিন্দুধর্মের সবচয়ে মৌলিক তত্ত্ব ভিত্তিক ও পবিত্র গ্রন্থ হলো বেদ।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 বেদের পরিচয়

📄 বেদের পরিচয়


বেদ গ্রন্থসমূহে বিষয়বস্তু হলো ধর্মীয় বিশ্বাস, আমল বা করণীয় কর্ম। বেদ ধর্মগ্রন্থে যে সমস্ত তথ্য বর্ণনা ও বিশ্লেষণ আছে-তা মনে করা হয় চিরন্তন সত্য। এর শুরু নেই, শেষ নেই। বেদ গ্রন্থগুলো ছন্দবদ্ধ শ্লোক বা মন্ত্রের সংকলন। হিন্দুদের মতে মন্ত্রের কথাগুলো হলো ঈশ্বর থেকে প্রাপ্ত। মন্ত্র হলো- ধর্মীয় কথা যা ছন্দ আকারে রচিত এবং যা ছন্দ বা সুরের মাধ্যমে গঠিত এবং পঠিত হয়।

মন্ত্র পাঠ করার পর যে সমস্ত আনুষ্ঠানিক ধর্মীয় কাজ করা হয় তারই বিশদ ব্যাখ্যা ও তাৎপর্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে ৪টি বেদ গ্রন্থে। ৪টি বেদের মিলিত নাম হলো সংহিতা। সংহিতা শব্দের অর্থ যা সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে।

শ্রুতি ও স্মৃতি
বেদ হলো দেবতাদের নিজেদের মধ্যে আলোচিত তথ্য এবং যা মানুষের নিকট এসেছে। যা মানব কর্ণে শ্রুত হয়েছে। তারপর স্মৃতিতে রাখা হয়েছে এবং "স্মৃতি” হতে স্মরণ করা হয়েছে।

বেদের ছন্দবদ্ধ শ্লোকগুলো শ্রোতারা শুনে শুনে মনে রাখতেন এবং প্রচার করতেন। তাই বেদের পদ্মাবলীর নাম হয় শ্রুতি।

বেদের মূলতত্ত্বের গভীরতা ও অর্থ বোধের বাইরে। শ্রুতি হলো এমন তত্ত্ব যা স্রষ্টার নিকট থেকে কর্ণে শ্রুত হয়েছে এবং যা শ্রুতিলিপি হয়েছে বা শুনে শুনে লেখা হয়েছে। সোজা কথায় বেদ হলো হিন্দুদের ধর্মশাস্ত্র যা মৌলিক তত্ত্ব কথা হিসেবে বিবেচিত।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 বেদের রচয়িতা

📄 বেদের রচয়িতা


বেদের শ্লোকগুলো কে রচনা করেছেন এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে এগুলো নানা মুনি-ঋষির রচনা হিসেবে প্রচলিত। বেদের সংকলন করেছেন কৃষ্ণদৈপায়ন বেদব্যাস। অর্থাৎ ব্যাস বা ব্যাসদেব। তিনি কালো রঙের বলে কৃষ্ণ এবং দ্বীপে জন্ম গ্রহণ করেন বলে দ্বৈপায়ন এবং বেদ সংকলন করেন বলে বদেব্যাস বলে পরিচিত।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 বেদের কাঠামো

📄 বেদের কাঠামো


চারটি বেদে সর্ব মোট ২০,৩৭৯টি ঋক আছে। নিচে বেদের নাম ও ঋক সংখ্যা দেওয়া হলো।

বেদ — ঋকসংখ্যা
ঋগ্বেদ — ১০৫৫২
যজুর্বেদ — ১৯৭৫
সামবেদ — ১৮৭৫
অথর্ববেদ — ৫৯৭৭

টিকাঃ
- সিন্ধু থেকে হিন্দু-১৯

ফন্ট সাইজ
15px
17px