📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 সৌন্দর্য দাতা (কার্তিক)

📄 সৌন্দর্য দাতা (কার্তিক)


কার্তিক শক্তি ও সৌন্দর্যের প্রতীক। কার্তিককে দেবতাদের সেনাপতি রূপে গণ্য করা হয়। যুদ্ধে তার আসল পরিচয়। গায়ের রং দেবী দুর্গার মতো। দেখতে খুব সুন্দর। চিরযৌবন ও ধনুর্বানধারী। ময়ূর তার বাহন। ময়ূর হিংস্রতার বিরোধী। কার্তিক মাসের শেষের দিকে তার প্রতি পূজা নিবেদিত হয়। শিব ও পার্বতীর পুত্র কার্তিক। হিন্দুধর্মের যুবশক্তির প্রতিমূর্তিরূপে কার্তিককে পূজা করা হয়। কোন নির্দিষ্ট দিনে বা মাসে কার্তিক পূজা হয় না।

কার্তিককে গৃহেই পূজা করা হয়ে থাকে।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 অলঙ্কার শিল্পের স্রষ্টা (বিশ্বকর্মা)

📄 অলঙ্কার শিল্পের স্রষ্টা (বিশ্বকর্মা)


দেবতাদের মধ্যে বিশ্বকর্মা সৃষ্টিশৈলীর প্রতীক। বিশ্বকর্মা চতুর্ভুজ ও গজারুঢ়। তার আকৃতি অনেকটা কার্তিকের ন্যায়। বেদে বিশ্বকর্মাকে পৃথিবীর নির্মাতারূপে বর্ণনা করা হয়েছে। হিন্দুধর্মের বিশ্বাস মতে তিনি বিশ্বের তাবৎ কর্মের সম্পাদক। তিনি শিল্পসমূহের প্রকাশক। অলঙ্কার শিল্পের স্রষ্টা, দেবতাদের চলাচলের জন্য যান সমূহের নির্মাতা ইত্যাদি। অর্থাৎ শিল্পবিদ্যায় তার একচ্ছত্র অধিকার। তাই শিল্পকর্মের পারদর্শিতা অর্জন প্রত্যাশীগণ বিশ্বকর্মা অনুগ্রহ কামনায় পূজা নিবেদন করে থাকে। ভাদ্রমাসের সংক্রান্তিতে কল-কারখানা মূর্তি গড়ে অথবা পথে ঘাটে বিশ্বকর্মার পূজা করা হয়।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 শক্তির অধিকারী

📄 শক্তির অধিকারী


কালী ঈশ্বরের মাতৃরূপ। কালী শক্তির দেবী। কালীর দুটি রূপ। একটি শান্ত অপরটি ভয়ঙ্কর। শান্তরূপে তিনি মঙ্গল করেন। ভয়ঙ্কর রূপে ধ্বংস করেন তিনি ভালো লোকদের রক্ষা করেন এবং অন্যায়কারীকে ধ্বংস করেন। গৃহে ও মন্দিরে প্রতিষ্ঠিত কালীর পূজা হয় নিত্য। এছাড়া দীপান্বিতা (কার্তিক অমাবস্যা), মাঘী, কৃষ্ণচতুর্দশী, জ্যৈষ্ঠের কৃষ্ণ চতুর্দশী প্রভৃতি তিথিতে বিশেষ পূজার বিধান আছে। মাঘে পূজিত দেবীর নাম রটন্তী, জ্যৈষ্ঠের ফলহারিণী। বিশেষ কোন কামনা পূরণের জন্যও কালী পূজা হয়ে থাকে। কালীপূজায় সাধারণত পাঠা, ভেড়া, কিম্বা মহিষ বলি দেয়া হয়। হিন্দুধর্মের অধিকাংশ দেব-দেবীর পূজা হয় দিনে কিন্তু কালী পূজা হয় রাতে। কালীকে কালিকাদেবী ও শ্রীদুর্গা নামেও ডাকা হয়।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 পরমেশ্বরের পূজার ব্যাপারে হিন্দুদের বিশ্বাস

📄 পরমেশ্বরের পূজার ব্যাপারে হিন্দুদের বিশ্বাস


পরমেশ্বরের নিরঙ্কুশ সর্বময় ক্ষমতা ও একত্বে বিশ্বাস করলেও হিন্দুরা তাঁর পূজা করেন না। এ ব্যাপারে তাদের যুক্তি হচ্ছে, পূজা যার বা যেভাবেই করা হোক না কেন, তার দ্বারা ওই সর্বশক্তিমান সত্ত্বার প্রতিই ভক্তি প্রকাশ করা হয়। এ যুক্তির মূলে রয়েছে হিন্দুদের বিশ্বাস যে, যে কোন বস্তুই ঈশ্বরের অংশবিশেষ এবং এ কারণেই যা কিছুর পূজা করা হোক না কেন, তা ঈশ্বরের পূজা হিসেবে বিবেচিত হবে। হিন্দুদের এ বিশ্বাসের ফলেই নতুন দেবতা তৈরি করা আর পুরাতন দেবতাকে পরিত্যাগ করার কাজ সহজ হয়েছে। এভাবেই দেবতাদের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px