📄 ৭. চার সঙ্গীর সহিত করি দমন
কল্কি পুরাণে উল্লেখ আছে যে, কল্কি অবতার তাঁহার চারজন সঙ্গীকে নিয়ে কলি অর্থাৎ শয়তানকে নিবারিত করবেন। চতুর্ভিভ্রাতৃভিদের। করিষামি কলিক্ষয়ম। তদ্রূপ হযরত মুহাম্মদ তার সহচরগণের সহিত শয়তানকে নিবারিত করেছেন। সেই চারজন একান্ত অনুগত সহচরগণ হলেন- (১) হযরত আবুবকর রা. (২) হযরত উমর রা. (৩) হযরত উসমান রা. ও (৪) হযরত আলী রা.।
টিকাঃ
০ কল্কি পুরাণ, প্রথম পরিচ্ছেদ: ২য় অধ্যায়, ৫ম শ্লোক
📄 ৮. শরীর হতে সুগন্ধি বের হওয়া
অন্তিম অবতারের শরীর হতে সুগন্ধি নির্গত হবে। তার সৌরভে মানুষের মন নির্মল ও পবিত্র হবে। বাসুদেবাঙ্গ্যগন্ধানিলস্পশান। এই গুণটিও নবীজী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মিলে যায়। কারণ তাঁর শরীর থেকে সুঘ্রাণ বের হতো। তিনি যেই পথে যেতেন সে পথে কিছুক্ষণ পরে কেউ চললে বুঝতেন এই পথে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গিয়েছেন। কারণ সে পথ সুবাসিত হতো।
টিকাঃ
- শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণ- স্কন্ধ-১২ অধ্যায়-২ মন্ত্র-২১
📄 ৯. জগতগুরুভাগবত
পুরাণে কল্কি অবতারকে 'জগতপতি' বলা হয়েছে। যিনি উপদেশাবলী দ্বারা নিপাতী পৃথিবীকে উদ্ধার ও রক্ষা করেন, তাঁকে জগতপতি বলা হয়। তিনি নির্দিষ্ট কোন জাতির গুরু নহেন, তিনি হলেন সমগ্র বিশ্বের গুরু। এই দৃষ্টিকোণে দেখা যায় যে, কুরআনে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সমগ্র বিশ্বের নবী ঘোষণা করা হয়েছে।
📄 ১৪. দেবতা কর্তৃক সহায়তা
কল্কি পুরাণে উল্লেখ আছে যে, যুদ্ধক্ষেত্রে দেবতাগণ কল্কি অবতারকে সহায়তা করবেন।
যাত যায়ং ভুবং দেবাঃ স্বায়শাব তরনে রতাঃ
এরূপ ঘটনা হযরত মুহাম্মদ-এর জীবনে 'বদর' নামক যুদ্ধে বাস্তবে পরিণত হয়। উক্ত যুদ্ধে ফেরেশতাগণ অবতীর্ণ হয়ে তাঁর সাহায্য করেন। পবিত্র কুরআনে এই সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে যে, আল্লাহ্ আপনাকে বদরের যুদ্ধে সাহায্য করেছেন। অথচ আপনারা সংখ্যায় অল্প ছিলেন। সুতরাং একমাত্র আল্লাহকে ভয় করুন এবং আপনার উচিত তাঁহারই আনুগত্য প্রকাশ করা।
টিকাঃ
• ফেরেশতাদেরকে দেবতা বলা হয়।
- কল্কিপুরাণ, ২ অধ্যায় ৭ শ্লোক
০ আল ইমরান-১২০-১২৫ আয়াত