📄 ৫.অশ্বের উপর আসীন থেকে তরবারী হস্তে দুষ্টদের দমন করবেন
শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণে আছে, কল্কি অবতার দ্রুতগামী অশ্বের উপর আসীন থেকে তরবারী হস্তে দুষ্টদের দমন করবেন। অশ্বমাশুগমারুহ্য দেবদত্তং জগৎপতিঃ। অসিনাসাধুদমনমষ্টৈশ্বর্যগুণান্বিতঃ।। এই মন্ত্রটিও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে মিলে যায়। কারণ তিনি ঘোড়ায় চড়ে তরবারী দিয়ে যুদ্ধ করেছেন। অনেক হিন্দুভাইকে এসব মন্ত্র বললে বলেন, কল্কি আসবেন। যদি বলি কল্কি আসবেন তাহলে ঘোড়ায় চড়ে তরবারী দিয়ে শত্রু দমন করবেন। তাহলে প্রশ্ন হলো সে যুগ কি আরো আসবে? এখন তো বিমান ও ট্যাং-এর যুগ। আর তরবারী ও ঘোড়ার যুগ ছিল নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে। এর দ্বারা বোঝা যায়, এই কল্কি এসে চলেও গিয়েছেন। আপনাদের খবরও নেই। তাই আমরা হিন্দুভাইদেরকে দাওয়াত দিব। আপনারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে মানেন। তাহলে আপনারা নরক থেকে মুক্তি পাবেন। স্বর্গে যেতে পারবেন।
টিকাঃ
০ শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণ ১২ স্কন্দ ২ অঃ ১৯ মন্ত্র
📄 ৬. গুপ্তাঙ্গের অগ্রভাগ ছেদিত হবে (খতনাকৃত হবে)
ভগবত পুরাণে আছে কল্কি অবতারের গুপ্তাঙ্গের অগ্রভাগ ছেদিত থাকবে অর্থাৎ খতনাকৃত থাকবে। বিচরন্নাশুনা ক্ষোণ্যাং হয়েনাপ্রতিমদ্যুতিঃ। নৃপলিঙ্গচ্ছদো দস্যূন্ কোটিশো নিহনিষ্যতি।। অর্থাৎ তিনি বেগবান অশ্বে বিচরণকারী, অপ্রতিম, কান্তিময়, গুপ্তাঙ্গের অগ্রভাগ ছেদিত, রাজবেশে অসংখ্য গুপ্ত দস্যুকে সংহার করবেন। উল্লেখ্য যে, হযরত মুহাম্মদ এর গুপ্তাঙ্গের অগ্রভাগ ছেদিত ছিল। তিনিও রাষ্ট্রপ্রধান হন এবং বিভিন্ন রণাঙ্গনে অসংখ্য গুপ্তশত্রুকে দমন করেছেন।
টিকাঃ
- ভাগবত পুরাণ ১২ স্কন্দ ২ অঃ ২০ মন্ত্র
📄 ৭. চার সঙ্গীর সহিত করি দমন
কল্কি পুরাণে উল্লেখ আছে যে, কল্কি অবতার তাঁহার চারজন সঙ্গীকে নিয়ে কলি অর্থাৎ শয়তানকে নিবারিত করবেন। চতুর্ভিভ্রাতৃভিদের। করিষামি কলিক্ষয়ম। তদ্রূপ হযরত মুহাম্মদ তার সহচরগণের সহিত শয়তানকে নিবারিত করেছেন। সেই চারজন একান্ত অনুগত সহচরগণ হলেন- (১) হযরত আবুবকর রা. (২) হযরত উমর রা. (৩) হযরত উসমান রা. ও (৪) হযরত আলী রা.।
টিকাঃ
০ কল্কি পুরাণ, প্রথম পরিচ্ছেদ: ২য় অধ্যায়, ৫ম শ্লোক
📄 ৮. শরীর হতে সুগন্ধি বের হওয়া
অন্তিম অবতারের শরীর হতে সুগন্ধি নির্গত হবে। তার সৌরভে মানুষের মন নির্মল ও পবিত্র হবে। বাসুদেবাঙ্গ্যগন্ধানিলস্পশান। এই গুণটিও নবীজী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে মিলে যায়। কারণ তাঁর শরীর থেকে সুঘ্রাণ বের হতো। তিনি যেই পথে যেতেন সে পথে কিছুক্ষণ পরে কেউ চললে বুঝতেন এই পথে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গিয়েছেন। কারণ সে পথ সুবাসিত হতো।
টিকাঃ
- শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণ- স্কন্ধ-১২ অধ্যায়-২ মন্ত্র-২১