📄 ১.মিষ্টভাষী (বা বাণীর মাধুর্য)
ঋগ্বেদে নরাশংসকে মধুজিহ্বা (মধুর ভাষী, মিষ্টভাষী বা মধুকণ্ঠী) বলে অভিহিত করা হয়েছে।
“মধুজিহ্বৎ হবিষ্কৃিকতম্” অর্থাৎ তাঁর বাণী (ভাষা) হবে মধুর।
পক্ষান্তরে মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটি বড় গুণ ছিল যে তাঁর ভাষা ছিল খুবই মিষ্ট ও সুমধুর। তার মধুর মধুর কথা শুনে অনেক মানুষ ইসলাম গ্রহণ করেছে।
টিকাঃ
- ঋগ্বেদে ১/১৩/৩
০ তিরমিযী শরীফ
📄 ২. অপূর্ব দৈহিক সৌন্দর্যের অধিকারী
নরাশংসকে অপূর্ব সৌন্দর্যের অধিকারী বলে অভিহিত করা হয়েছে। এই বিশেষত্বের বর্ণনার প্রথমে ঋগ্বেদে 'স্বর্চি' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ সুন্দর বা দিব্যকান্তিযুক্ত।
"নরাশংসঃ প্রতি ধামান্যঞ্জন তিস্রো দিবঃ প্রতি মহ্না স্বর্চি।।" এর তাৎপর্য হলো, এমন অপরূপ সৌন্দর্যের অধিকারী যাঁর চেহারা থেকে আলোক বিচ্ছুরিত হয়।
টিকাঃ
- দেখুন, ঋগ্বেদের ২/৩/২ মন্ত্রে।
📄 ৩. তিনি ঘরে ঘরে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিবেন
ঋগ্বেদে আরও বলা হয়েছে যে, তিনি ঘরে ঘরে আপন মহত্বের আলোকদ্যুতি পৌঁছে দিবেন।
"ঘৃত প্রষা মনসা হব্যমূন্দনুর্ধনযজ্ঞস্য সমনজু দেবান ॥" উল্লেখ্য যে, হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষের ঘরে ঘরে জ্ঞানের আলো জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। অজ্ঞতার অন্ধকার বিদূরিত করেছিলেন এবং অন্ধকার (জাহেলিয়াত) থেকে মানুষকে আলোর পথে নিয়ে এসেছিলেন।
টিকাঃ
- দেখুন, ঋগ্বেদের ২/৩/২ মন্ত্রে।
📄 ৪.পাপ থেকে উদ্ধারকারী
ঋগ্বেদে নরাশংসকে 'জনসাধারণের পাপ থেকে উদ্ধারকারী' বলে অভিহিত করা হয়েছে।
“রথং ন দূর্গাদ্বসবঃ সুদানবো বিশ্বস্মান্নো (অংহসো) নিষ্পিপর্তন।।” সকল পাপ থেকে আমাদের উদ্ধারকারী। একথা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না যে, আমাদের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সমস্ত শিক্ষা তাঁর উপর অবতীর্ণ কুরআন একটি পাপকর্মহীন জীবনের সন্ধান দিয়েছে। এ হলো সৎ পথের একটি আয়না। যার নির্দেশনা সব রকমের পাপাচার থেকে মুক্তির উৎস।
টিকাঃ
০ ঋগ্বেদে ১/১০৬/৪