📄 মূর্তি পূজা যেভাবে শুরু হয়
মা দূর্গা কাঠামো -বইতে এভাবে আছে যে, বেদের দেবতাদের চেহারা ছিল না। ঋষিরা যজ্ঞ করতেন এবং স্তব-স্তুতি করে সেই যজ্ঞে (মুরাকাবা) দেবতাদের আহ্বান করতেন। দেবতারা সংখ্যায় অনেক, কিন্তু এক ঈশ্বরের বহু প্রকাশ। অনেক দিন পরে ঋষিদের কাছে তা আবার প্রতিভাত হইল।
সত্যং শিবং সুন্দরম্। বিজ্ঞানমানন্দং বম্মনং।।
ঈশ্বর ব্রহ্ম, তিনি সত্যস্বরূপ, মঙ্গলময় ও সকল সৌন্দর্যের আধার। তিনি জ্ঞানময়ও আনন্দস্বরূপ।
মূলকথা : সনাতন ধর্মের শুরুর দিকে মূর্তিপূজার প্রথা ছিল না তারা শুধু ধ্যান তথা মুরাকাবা করতো। এরপর তাদের ধর্মের ঋষিরা মুরাকাবা করে একটি রূপ দিয়েছে এবং তাকে উছিলা করে মূল ঈশ্বরের পূজা করে।
আল্লাহ্র কোন শরিক নেই
আল্লাহ্ কোন শরিক নেই। তাঁর কোন সমকক্ষ নেই। এ কথাটি সকল ধর্me স্বীকৃত। হিন্দুধর্মও এ কথা বলে-
ন তস্য কশ্চিৎ পতিরস্তি লোকে ন চেশিতা নৈব চ তস্য লিজ্ঞাম।
স কারনং করনাধি পাধিপে ন চাস্যকচিৎ জনিতা ন চাধিপ :॥ ৯
অর্থ : এই জগতে তাহার প্রভু কেহ নেই, নিয়ন্তাত্ত কেহ নেই। এমন কোন লিঙ্গ বা চিহ্ন নেই যাহা দ্বারা তাহাকে অনুমান করা চলে। তিনি সকলের কারণ ইন্দ্রিয় অধিষ্ঠাতা দেবতাদেরও অধিপতি; তাহার কোন জনক বা অধ্যক্ষ নাই।
টিকাঃ
*-মা দুর্গার কাঠামো
০-শ্বেতাশ্বতর উপনিষদ-৬নং অধ্যায় ৯নং মন্ত্র
📄 মূর্তিপূজাকারীর শাস্তি
১। অন্ধকারে প্রবেশ করা: যজুর্বেদে মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে এবং মূর্তিপূজারীর শাস্তি সম্পর্কে বিধান দেয়া হয়েছে।
“অন্ধকারে (নরকে) প্রবেশ করবে তারা, যারা প্রকৃতির পূজা করে (যেমন আগুন, পানি, বাতাস)। আর যারা মূর্তিপূজা করে, তারা আরো বেশি অন্ধকারে প্রবেশ করবে (শম্ভুতি- যেমন: চেয়ার, টেবিল, অর্থাৎ মানুষের বানানো বস্তু)।”
দেখুন-
অন্ধং তমঃ প্রবিশন্তি যেহসংভূতিমুপাসতে।
ততো ভুয় ইব তে তমো য উ সম্ভূত্যাঃরতাঃ।।
যারা অবিদ্যা কাম্য কর্মের বীজ স্বরূপ প্রকৃতির উপসনা করে, তারা অন্ধকার সংসারে প্রবেশ করে। আর যারা কার্যব্রক্ষে আসক্ত হয় তারা তাহা থেকেউ অধিক অন্ধকারে প্রবেশ করে।
টিকাঃ
০-যজুর্বেদ ৪০/৯ পৃ২০৫
📄 হিন্দুধর্মে রিসালাত
হিন্দুধর্মের পরিভাষায় রাসূলকে অবতার বলা হয়। সামনে আমরা অবতার নিয়েই আলোচনা করবো। ঈশ্বরের পক্ষ থেকে যাকে অবতীর্ণ করা হয় তাকেই অবতার বলা হয়। সে হিসেবে যিনি সর্বশেষে আসবেন তাকেই অন্তিম অবতার বলা হয়। অন্তিম অর্থ শেষ এবং অবতার অর্থ রাসূল অর্থাৎ শেষ রাসূল।
হিন্দুধর্মে যুগ চারটি সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর, কলি।
চার যুগের সময় কাল
১. সত্য: ১৭২৮০০০ বছর।
২. ত্রেতা: ১২৯৬০০০ বছর।
৩. দ্বাপর: ৮৬৪০০০ বছর।
৪. কলি: ৪৩২০০০ বছর।
কলিযুগের শেষ অবতার, যাকে আমাদের পরিভাষায় শেষনবী বলি। সেই কল্কি অবতারের নাম, পিতার নাম, জন্মস্থান ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা আপনাদের ধর্মীয় গ্রন্থে পাওয়া যায়, আপনারা যার অপেক্ষা করছেন, এগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সকল মানুষের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রমাণিত হয়। নিম্নে তার বর্ণনা দেয়া হলো-
টিকাঃ
• সিন্ধু থেকে হিন্দু-১৩৪
📄 অন্তিম অবতারের নাম
অন্তিম অবতার বা শেষ রাসূলের নাম হবে 'নরাশংস'।
“নরাশংসং সৃধৃষ্টমমপশ্যং সপ্রথস্তমং দিবো ন সদ্মমখসম ॥
আমরা একটু বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, 'নরাশংস' সংস্কৃত ভাষা। যার বাংলা অর্থ হয় 'মানব প্রশংসিত'। যার আরবী অর্থ হয় 'মুহাম্মদ'। আর সকল মানুষের সর্বশেষ নবীর নাম হলো মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।
টিকাঃ
০-ঋগ্বেদ ১/১৮/৯ ঋগ্বেদ সংহিতা ১ম খন্ড, ৯৬ পৃষ্ঠা