📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 বেদে মুহাম্মদ ﷺ এর আলোচনা

📄 বেদে মুহাম্মদ ﷺ এর আলোচনা


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলী আলোচনা করা যেতে পারে। যা বেদে উল্লিখিত আছে। এই বইয়ের ৯১ পৃষ্ঠায় দেখুন।

* আসুন এবার আমরা আমাদের পিতা আদম (আ.)-এর দিকে চিন্তা করি। তিনি যেই ধর্ম নিয়ে এসেছেন সেটিই হলো ইসলাম। আরবীতে ইসলাম বলা হয়েছে। বাংলায় যাকে বলা হয় আত্মসমর্পণকারী ধর্ম। আমাদের সকলের পিতা একজন। আমাদের ধর্মও একটিই, আর আপনি সে যুগেই রয়ে গেছেন। আর সর্বশেষ নবী 'নরাশংস' মুহাম্মদকে চিনেননি ও মানেননি। আমরা তাঁর উপর আস্থা রেখেছি ঈমান এনেছি।

*মোটকথা, আমরা আপনার ধর্ম পরিবর্তন করছি না বরং আপনার ভুলে যাওয়া সবক স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি। যাতে আপনি সঠিক ধর্মে চলে আসেন এবং ওই জিনিস থেকে ফিরে আসেন যা নিজেদের জন্য বানিয়ে নিয়েছেন। তাই আমি আপনার মাথা থেকে একথা বের করতে চাই যে, ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ নন। বরং ইসলামের হলেন মানবজাতির আদি পিতা আদম (আ.)। মুহাম্মদ-এর মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম পূর্ণতা লাভ করেছে। এ জন্য আপনি তো অর্ধেক মানেন। আর যদি শেষ নবীকে না মানেন, তাহলে পরিত্রাণ পাওয়ার কোন উপায় থাকবে না। অর্ধ মানুষ হয়ে থাকতে হবে। না এদিক, না ওদিক।

* আপনার এখানে যেই খারাবিগুলো এসেছে এসব তার স্থানে ঠিক। এই জন্য যে, মুহাম্মদ-এর অনুসারীগণ মাত্র ১৪শত বছর পরে তাদের মাঝে কবর পূজা এসে গেছে, তাতো আপনার এখানে হাজার বছর পর মুর্তিপূজা হয় এতে আশ্চর্যের কি আছে? কিন্তু তখন আশ্চর্য লাগে, যখন কাউকে কোন হিতাকাঙ্ক্ষী তাকে তার ভুলে যাওয়া পথের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় তখন সে মুহসিনকে দুশমন মনে করে বসে। অথবা মনে করে যে, সে আমাকে ধোঁকা দিচ্ছে। হ্যাঁ, এই যুগ অবশ্যই ধোঁকার যুগ। কিন্তু সতর্ক করিয়ে দেয়ার পর তার উপর চলতে অসুবিধা কীসের? তাই, এক আল্লাহকে উপাস্য হিসাবে মেনে এবং মুহাম্মদ-কে নবী স্বীকার করে তাঁর উপর অর্পিত হুকুমগুলির আমল করার অঙ্গীকার নিয়ে মুসলমান হয়ে যান।

এবার যদি সে মুসলমান হতে চায় তাহলে তাকে কালেমা শাহাদত পড়িয়ে মুসলমান বানিয়ে নিন। অন্যথায় তাকে দু'টি মন্ত্র বা দু'আ শিখিয়ে দিন। মন্ত্রটি হলো 'ইয়া হাদি, ইয়া রাহীম"। আল্লাহ্তা'আলাআমাদেরকে দরদের সাথে দাওয়াত দেওয়ার তৌফিক দান করুন। আমিন।

টিকাঃ
০-অথর্ব বেদ-১২৭:২০
ঋগ্বেদ- ২:৩:২
ঋগ্বেদ-২:৫:৫
ঋগ্বেদ-৩:১৩:১

ফন্ট সাইজ
15px
17px