📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 নওমুসলিমদের কালেমা পড়ানোতে বিলম্ব না করা

📄 নওমুসলিমদের কালেমা পড়ানোতে বিলম্ব না করা


একটি জরুরি আবেদন হলো কেউ যদি স্বেচ্ছায় ইসলাম গ্রহণ করতে আসেন কিংবা আপনার বা যে কোন কারো দাওয়াতে অথবা যে কোন কারণে প্রভাবিত হয়ে মুসলিম হবার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তাদের কালেমা পড়ানো এবং মুসলিম বানানোর কাজে বিলম্ব করবেন না। আর তার থেকে ইসলাম কবুল করার অজুহাতের ব্যাপারে ইতস্তত করবেন না বরং তাকে তাড়াতাড়ি কালেমা পড়িয়ে দিন। কেউ মুসলমান হতে এলে আমরা কালেমা পড়াতে ভয় পাই। বিভিন্ন ধরণের সন্দেহ করে থাকি। এমনটি না করা। তবে খেয়াল রাখতে হবে আঠারো বছর বয়স হয়েছে কি-না। বয়স যদি আঠারো বছরের নিচে হয়, তাকে মুসলমান বানালে তার পরিবার যদি আপত্তি করে তাহলে তা রাষ্ট্রীয় আইনে গ্রহণযোগ্য। তবে এটা শরয়ী আইন না।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 দাওয়াতের ব্যাপারে সংবিধান

📄 দাওয়াতের ব্যাপারে সংবিধান


অমুসলিমদের দাওয়াত দেওয়াত দেওয়ার ব্যাপারে সাংবিধানিক আইন হলো প্রত্যেক নাগরিক নিজ নিজ ধর্ম প্রচার করতে পারে। বাংলাদেশ সংবিধানের ৪১/১/ক. এ আছে মৌলিক অধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা। ক. প্রত্যেক নাগরিকের যেকোন ধর্ম অবলম্বন পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।

টিকাঃ
১. বাংলাদেশ সংবিধান ৪১/১/ক

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 নও মুসলিমদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা

📄 নও মুসলিমদের প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা


ইসলাম কবুল করার পর নওমুসলিমদের প্রশিক্ষণ দানের প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোন কোন সময় কেবল কালেমা পড়িয়ে দেয়া হয়। এরপর তাকে দ্বীন শেখানোর প্রতি কোন গুরুত্ব দেয়া হয় না। তাই তারা পূর্বের এবং পরের জীবনের মধ্যে বিশেষ পার্থক্য না পেয়ে ইসলাম সম্পর্কে ভুল ধারণা পোষণ করে। এজন্য এ গুরুত্বপূর্ণ কাজটির দিকেও খুবই মনোযোগ দেয়া উচিৎ যেখানে ছাত্রদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা আছে সেখানে এদের প্রশিক্ষণ দানের শাখাও প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন বরং দাওয়াতী কাজের জন্য এটা খুবই জরুরি। বিভিন্ন মাদ্রাসায় এ কাজের জন্য নিয়ম মাফিক তাবলিগ শাখা প্রতিষ্ঠিত করা।

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 নওমুসলিমদের জন্য প্রাথমিক যে কাজগুলো করতে হয়

📄 নওমুসলিমদের জন্য প্রাথমিক যে কাজগুলো করতে হয়


একজন ব্যক্তি মুসলিম হতে চাইলে বা মুসলমান হলে যে কাজগুলো আমাদের করতে হবে তা নিম্নে পেশ করা হলো-
১. প্রথমে তাকে কালেমা পড়িয়ে মুসলিম বানাতে হবে।
২. এফিডেভিট ও আইনি কাগজ প্রস্তুত করতে হবে।
৩. ঈমান মজবুত করার জন্য তাবলিগে পাঠানো যেতে পারে।
৪. তালিমের জন্য কোন আলেমের তত্ত্বাবধায়নে দ্বীন শিখানোর ব্যবস্থা করা।
৫. নওমুসলিম ভাইকে ভিক্ষুক না বানিয়ে কোন কাজ দিয়ে দেয়া।
৬. নওমুসলিম ভাই-বোনদের সন্তানদের মাদরাসায় ভর্তি করিয়ে দেয়া।
৭. প্রাপ্তবয়স্ক হলে বিয়ে-শাদির ব্যবস্থা করা।
৮. সবচেয়ে উত্তম হলো ভাতৃত্ব বন্ধন করে নেয়া। তাকে নিজের পরিবারের সদস্য করে নেয়া।
৯. মাঝে মাঝে তাদের খোঁজ খবর নেয়া।
১০. অনেক সময় নওমুসলিমদের বিভিন্ন আচরণে অনেক কষ্ট পেতে হয়, সেগুলো মেনে নেয়া।
১১. তাদের পুনর্বাসনের প্রতিও খেয়াল রাখা অতি জরুরি।
১২. কাউকে মুসলমান বানিয়ে ছেড়ে দিলে হবে না। তাদের তত্ত্বাবধায়ন ও নেগরানী করতে হবে।
১৩. কোন নওমুসলিম সাহায্যের জন্য এলে তার তাহকিক করার চেষ্টা করা।

ফন্ট সাইজ
15px
17px