📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 জিম্মাদারী আদায়ের পদ্ধতি

📄 জিম্মাদারী আদায়ের পদ্ধতি


দাওয়াতী কাজ যেহেতু আমাদের উপর ফরজ। এই কাজ আমাদের করতেই হবে। এখন প্রশ্ন হলো কীভাবে করবো? সবাই কি একসাথে দাওয়াত দিবে? সাধ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী একেক জনের কাজের ধরণও ভিন্ন হবে। বিষয়টি বুঝার সুবিধার্থে কুরআন থেকে তিনটি উদাহরণ পেশ করছি। আল্লাহ তা'আলা সূরা নামলের মাঝে দুইটি প্রাণীর আলোচনা করেছেন।

পিপীলিকা: সুলাইমান (আ.)- এর ঘটনায় আল্লাহ তা'আলা বলেছেন, সুলাইমান যখন সৈন্যদের নিয়ে যাচ্ছিলেন, পথে এক স্থানে পিপীলিকার দল গর্ত থেকে বাইরে বের হয়ে এসেছিল। পিপীলিকার রাণী যখন বুঝতে পারলো যে তারা সুলাইমান (আ.) এর সৈন্য দলের পায়ের নিচে পরে পিষ্ট হয়ে যাবে। তখন রাণী পিপীলিকার দলকে ডাক দিয়ে বললো তোমরা তোমাদের গর্তে প্রবেশ কর। অন্যথায় তোমরা সুলাইমান (আ.) এর সৈন্যের পদদলিত হয়ে পিষ্ট হয়ে যাবে। কুরআনে করীম পিপীলিকাদের রাণীকে দা'ঈ হিসাবে পেশ করেছে। কতো ছোট একটি প্রাণী! তার অন্তরে ছোট একটি ব্যথিত হৃদয়! তার মধ্যে নিজ জাতিকে বিপদ থেকে বাঁচানোর কতো ফিকির। সে কোন মাধ্যম ছাড়াই সরাসরি নিজ জাতিকে বিপদ থেকে বাঁচানোর ফিকির করেছে। কিন্তু আমরা দেখছি আমাদের জাতি ঝাপ দিচ্ছে চিরস্থায়ী জাহান্নামের দিকে। প্রতি মুহূর্ত পা ফেলছে ধ্বংসের দিকে। এ ব্যাপারে আমাদের কোন ফিকির নেই।

হুদহুদ পাখি: আল্লাহ তা'আলা সূরা নামলে হুদহুদ পাখির ঘটনা আলোচনা করেছেন। হুদহুদ পাখি মুলকে সাবায় গেল। গিয়ে দেখল ওই দেশের রাণী বিলকিস এবং তার পুরো জাতি আল্লাহ তা'আলাকে ছেড়ে সূর্যের পূজা করছে। পাখি অস্থির হয়ে গেল। সে সরাসরি ওখানে লোকদের বুঝাতে পারলো না। কারণ তার ভাষা ভিন্ন, আর ওই দেশের ভাষাই ভিন্ন। পাখির ভাষা তারা বুঝতে পারতো না। সুলাইমান (আ.) পাখিদের ভাষা জানতেন। তাদের কথা বুঝতেন। তাই পাখি সুলাইমান (আ.) এর দরবারে উপস্থিত হয়ে প্রতিবেশী দেশের খবর দিলো। বলল সেখানে শিরক হচ্ছে। ফলে আপনি দ্রুত কোন পদক্ষেপ নিন। সুলাইমান (আ.) হুদহুদের কথা শুনে খবরটি যাচাই-বাছাই করলেন। এরপর রাণী বিলকিসের কাছে দাওয়াতী পত্র পাঠালেন। এর ফলে রাণী বিলকিস ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নেয়। একটি সাধারণ পাখির চেষ্টায় একটি দেশের রাণী ইসলাম কবুল করেছে। এর দ্বারা আমরা শিক্ষা অর্জন করতে পারি, আমরা যদি নিজে কোন কারণে দাওয়াতী কাজ না করতে পারি, তাহলে এমন লোককে এই কাজে নিয়োগ দেব, যে এই কাজ আঞ্জাম দিতে পারবে। আমরা যদি মাদ'উর ভাষা না বুঝি তাহলে মাদ'উর ভাষায় ইসলামী পুস্তিকা বই এবং কুরআন ইত্যাদি প্রকাশ করে বিতরণ করতে পারি।

আমাদের দেশে খ্রিস্টানরা বিভিন্ন বই পুস্তক বিতরণ করে। যেখানে সেখানে ইঞ্জিল বিতরণ করে। এসকেটি নামে ডাক যোগে বই ও প্রচারপত্র বিতরণ করে। এই কাজের জন্য তারা নির্দিষ্ট লোক নিয়োগ দিয়েছে। তারা এর জন্য চেষ্টা মেহনত চালিয়ে যাচ্ছে। এতে সফলতাও অর্জন করছে। যা আমাদের করার ছিল তা আমরা করছি না। প্রিয় পাঠক! বলুন তো এ পর্যন্ত কয়জন অমুসলিমের কাছে কয়টি বই বা কুরআন বিতরণ করেছেন? নিজেরা সরাসরি দাওয়াত না দিতে পারলে কমপক্ষে বই পুস্তক বা পত্রের মাধ্যমে খুব সহজেই দাওয়াত দিতে পারি।

আসহাবে কাহাফের কুকুর: সূরা কাহাফে আল্লাহ তা'আলা আসহাবে কাহাফের কুকুরের দৃষ্টান্ত পেশ করেছেন। সেই সাত যুবক যুগের বাদশার সামনে হকের আওয়াজ উঁচু করেছিল। ফলে পুরো রাষ্ট্র তাদের দুশমন হয়ে যায়। তারা তাদের জাতি থেকে দূরে এক স্থানে এসে একটি পাহাড়ের গুহায় আশ্রয় নেয়। তাদের সাথে ছিল একটি কুকুর, যা তাদের পাহারা দিচ্ছিলো। এর দ্বারা বুঝা গেল যে, কেউ যদি নিজে দাওয়াতী কাজ না করতে পারে অন্যকে দিয়েও করাতে পারছে না তাহলে কমপক্ষে দা'ঈ ইলাল্লাহ্র সহযোগী ও পাহারাদারী হিসাবে কাজ করবে। দা'ঈদের প্রয়োজন মিটানোর চেষ্টা করবে।

দাওয়াত ফরজ হওয়ার ব্যাপারে দলিল হিসাবে যে সকল আয়াত পেশ করা হয় তার মধ্যে কয়েকটি নিম্নে পেশ করা হলো-
كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِالْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِاللَّه
অর্থ: তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যাণের জন্যেই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাধা দেবে এবং আল্লাহ্র প্রতি ঈমান আনবে।

قُلْ هَذِهِ سَبِিলِي أَدْعُو إِلَى اللهِ عَلَى بَصِيرَةِ أَنَا وَمَنِ اتَّبَعَنِي وَسُبْحَانَ اللَّهِ وَمَا أَنَا مِنَ الْمُشْرِكِينَ
অর্থ: বলে দিন এটাই আমার পথ। আমি জেনে-বুঝে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেই এবং আমার অনুসারীরাও। আল্লাহ পবিত্র, আমি অংশীবাদীদের (শিরককারীদের) অন্তর্ভুক্ত নই।

ইমাম গাজালী রহ. একস্থানে লিখেছেন, যদি কোন এলাকায় কোন কাফের মারা যান, তাহলে সকল মুসলিম জিজ্ঞাসিত হবে।

টিকাঃ
১. সূরা নামল-১৮
২. নামল ২০-৪০
৩. আলহামদুলিল্লাহ হিলফুল ফুযুল প্রকাশনী থেকে দাওয়াতী কিছু বই প্রকাশিত হয়েছে আপনারা চাইলে সেখান থেকে সংগ্রহ করে অমুসলিমদের মাঝে বিতরণ করতে পারেন।
৪. আলে ইমরান-১১০
৫. ইউসুফ-১০৮
৬. কাসাস-৮৭
৭. তাওবা-১২২

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 দাওয়াত দেয়ার দায়িত্ব কাদের?

📄 দাওয়াত দেয়ার দায়িত্ব কাদের?


অমুসলিমদের দাওয়াত দেয়ার দায়িত্ব প্রতিটি মুসলমানের। আমরা অনেকে মনে করি এই দায়িত্ব শুধু ওলামায়ে কেরামের। না ভাই! বরং এই দায়িত্ব সকল মুসলমানের। আল্লাহ তা'আলা বলেন- “তোমরা উত্তম জাতি তোমাদেরকে বের করা হয়েছে মানুষের জন্য”। কিন্তু এখানে বলেননি যে, হে ওলামায়ে কেরাম! তোমরা উত্তম জাতি। বরং এখানে সকল মুসলমানদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন-"আমার কাছ থেকে একটি বাক্য হলেও মানুষের কাছে পৌঁছে দাও।” এখানে বলা হয়নি, হে ওলামায়ে কেরাম! তোমরা পৌঁছে দাও। উপরে উল্লিখিত আয়াত ও হাদীস দ্বারা বুঝা যায় এই দায়িত্ব সকল মুসলমানের উপর অর্পিত হয়েছে। অতএব বোঝা গেল, আপনি ইঞ্জিনিয়ার হোন, আর ডাক্তার হোন, কৃষক হোন আর দিন-মজুর হোন, যেই হোন না কেন, আপনাকে নিজের আত্মশুদ্ধির চিন্তা করতে হবে এবং অমুসলিমদেরকে দাওয়াত দিতে হবে। আল্লাহ তা'আলা অমুসলিমদের কাছে তাদের হক পৌঁছিয়ে দেয়ার তৌফিক দান করুন।

টিকাঃ
১. আলে ইমরান:১১০

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 অমুসলিমদের দাওয়াত দেয়া মানবতার দাবি

📄 অমুসলিমদের দাওয়াত দেয়া মানবতার দাবি


মানব থেকে মানবতা, প্রতিটি মানুষের মানবতার দাবি হলো, সে অন্য মানুষের উপকার করবে। আর কেউ যদি কোন বিপদে পড়ে তাহলে তাকে বিপদ থেকে উদ্ধার করবে। আমরা মুসলমানগণ জানি, প্রতিটি অমুসলিম মৃত্যুর পর চিরস্থায়ী জাহান্নামী। আল্লাহ তা'আলা বলেন-
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ وَالْمُشْرِكِينَ فِي نَارِ جَهَنَّমَ خَالِدِينَ فِيهَا أُولَئِكَ هُمْ শَرُّ الْبَرِيَّةِ
অর্থ: নিশ্চয়ই কিতাবীদের মধ্য থেকে যারা কুফরী করেছে এবং মুশরিকরা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারা সৃষ্টির অধম।

প্রিয় পাঠক! আপনার প্রতিবেশী হিন্দু বা খ্রিস্টানদের বাড়িতে যদি আগুন লেগে যায়, তাহলে আপনি কি বসে থাকবেন নাকি আগুন নিভাতে যাবেন? অবশ্যই আগুন নিভাতে যাবেন। আল্লাহ না করুন, যদি কোন মুসলিম মহল্লায় আগুন লেগে যায়, তাহলে প্রতিবেশী অমুসলিম ভাইয়েরা কি বসে থাকবেন নাকি আগুন নিভাতে আসবেন? অবশ্যই আগুন নিভাতে আসবে। দেখুন! আমরা দুনিয়াতে ক্ষণস্থায়ী আগুন থেকে উদ্ধার করার জন্য মানবতার পরিচয় দিয়ে থাকি। কিন্তু একটু কি ভেবেছি যে, দুনিয়ার আগুনে জ্বলে যদি কারো ত্বক নষ্ট হয়ে যায় বা ঘর-বাড়ি পুড়ে ছারখার হয়ে যায়, তাহলে ওষুধ দ্বারা পুনরায় ত্বক ফিরিয়ে আনা সম্ভব। নতুন ও উত্তম বাড়ি বানানো সম্ভব। কিন্তু যে ভাইটি ইসলাম গ্রহণ না করে, চিরস্থায়ী আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছে, যার থেকে ফিরানো বা বাঁচানোর কোন পথ নেই, সেই চিরস্থায়ী আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য কি কখনো ভেবেছি?

প্রিয় পাঠক! আমাদের অনেক অমুসলিম বন্ধু আছেন, যাদের সাথে একত্রে চলা-ফেরা করি। একই অফিসে চাকরি করি। তার দোকান থেকে কেনাকাটা করি। তার বিপদে-আপদে সহযোগিতার হাত বাড়াই। একথাও জানি- এই ভাইটি মৃত্যুর পর চিরস্থায়ী আগুনে জ্বলবে।

প্রিয় পাঠক! আমাদের কেমন মানবতা? আমার সামনে আমার এক ভাই বা বোন জাহান্নামের চিরস্থায়ী আগুনে ঝাঁপ দিচ্ছে, কিন্তু কোন দিন এই ভাইটিকে বলিনি যে, ভাই! তুমি যে পথে চলছো এটা জাহান্নামের পথ। কোন দিন তাকে জান্নাতের পথ ইসলাম দেখাইনি। কেমন জানি তাকে আগুনে জ্বলতে দেখেও আমি চুপ হয়ে আছি। এটা আমাদের কেমন মানবতা? আর কত দিন এভাবে দেখবো? বলুন! এভাবে আর কত দিন বসে বসে তাদেরকে আগুনে ঝাঁপ দিতে দেখবো? চলুন, আর সময় নেই, আমার কাছে যদি সত্যিকার মানবতা থাকে, তাহলে আমার প্রতিবেশী অমুসলিমকে আগুনে জ্বলতে দিব না। আমাদের দায়িত্ব হলো তাকে জান্নাতের পথ দেখিয়ে দেয়া। মানা না মানা তার ব্যাপার। দাওয়াত পাওয়া তাদের অধিকার। গ্রহণ করা-না করা তাদের এখতিয়ার। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে তাদের আমানত 'ইসলাম' তাদের পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দিয়ে ওদেরকে চিরস্থায়ী আগুন থেকে বাঁচানোর মাধ্যম বানিয়ে নিন এবং আমাদের উপর তিনি খুশি হয়ে যান। আমীন।

টিকাঃ
১. সূরা-বাইয়্যিনাহ:৬

📘 হিন্দু ভাইদের দাওয়াত দেয়ার পথ ও পদ্ধতি 📄 রাসূল ﷺ-এর সব চেয়ে প্রিয় সুন্নাত

📄 রাসূল ﷺ-এর সব চেয়ে প্রিয় সুন্নাত


রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সবচেয়ে বড় সুন্নাত ছিল দাওয়াত। বিশেষত অমুসলিম ভাই-বোনদের মাঝে দাওয়াত। তিনি ১০০ ভাগ অমুসলিমের মাঝে দাওয়াতী কাজ শুরু করেছেন। অমুসলিমদেরকে দাওয়াত দিয়েছেন এবং যারা মুসলমান হয়েছেন, তাদের ইসলাহ ও সংশোধন করেছেন। ঐতিহাসিক বিদায় হজ্বের ভাষণে সাহাবা (রা.) জিজ্ঞাসা করলেন- হে রাসূলুল্লাহ, আপনার অবর্তমানে আমাদের কী কাজ? নবী করীম বললেন, আমার যা কাজ ছিল তোমাদেরও একই কাজ। উত্তর শুনে সাহাবায়ে কেরাম বিভিন্ন দেশে দাওয়াত দিতে ছড়িয়ে পড়লেন। এখন প্রশ্ন হলো তারা বিভিন্ন দেশে সফর করে কাদেরকে দাওয়াত দিয়েছেন? অবশ্যই অমুসলিমদের কাছে ইসলাম প্রচার করেছেন এবং লোকেরা দলে দলে ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন।

মোটকথা, নবীজীর সবচেয়ে বড় আশা ছিল প্রতিটি মানুষ যেন ইসলাম গ্রহণ করে। হিন্দ ইবনে আবি হালা রা. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে বললেন নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বদা আখিরাতের চিন্তা করতেন এবং উম্মতের ফিকির করতেন। তিনি উম্মতের দরদে এতো অস্থির ছিলেন যে, আল্লাহ তা'আলা সান্ত্বনা দিয়ে আয়াত অবতীর্ণ করলেন। আল্লাহ তা'আলা তাঁর নবীকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন-
لَعَلَّكَ بَاخِعٌ نَفْسَكَ أَلَّا يَكُونُوا مُؤْمِنِينَ
অর্থ: তারা ঈমান আনছে না এই দুঃখে হয়ত তুমি নিজের জীবন শেষ করে দিবে।

এখানে, আল্লাহ তা'আলা নবীজীর চিন্তার কারণ উল্লেখ করে বলেন- أَلَّا يَكُونُوا مُؤْمِنِينَ তারা কেন মুসলমান হচ্ছে না, কেন ঈমান আনছে না। বলুন তো ঐ সময়ে কারা ঈমান আনছিল না? মুসলিমগণ না অমুসলিমগণ? অবশ্যই অমুসলিমরা; কাফের ও মুশরিকরা। আমরা কি নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসারী হিসেবে কোন দিন প্রতিবেশী অমুসলিমদেরকে চিরস্থায়ী জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচানোর জন্য ফিকির করেছি? ঈমানহীন লোকদেরকে ঈমানের দাওয়াত দেওয়া কি নবীজীর সুন্নত নয়? তাদের জন্য ফিকির করা কি আমাদের দায়িত্ব নয়? অবশ্যই নবীজীর সুন্নত ও আমাদের বড় দায়িত্ব। আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে নববী দরদ ও উম্মতের ফিকির দান করুন। আমিন।

টিকাঃ
১. শুআরা-৩

ফন্ট সাইজ
15px
17px