📄 মূল উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়নের উপকরণ
আল্লাহ তাআলা বলেছেন, পাপিষ্ঠ জাহান্নামীদেরকে ফিরিশতা জিজ্ঞাসাবাদ করবে- কোন্ জিনিস তোমাদেরকে জাহান্নামে প্রবেশ করিয়েছে? তারা বলবে, আমার নামাযী ছিলাম না, আমরা মিসকীনদেরকে খাবার দিতাম না। আর যারা অহেতুক আলাপ-আলোচনায় মগ্ন হত, আমরাও তাদের সঙ্গে তাতে মগ্ন হতাম এবং কর্মফল দিবসকে মিথ্যা সাব্যস্ত করতাম। “ধ্বংস মুশকিদের জন্য- যারা যাকাত আদায় করে না।” সূরা আনফাল শুরুতে মুমিনের পরিচয় দিয়ে বলা হয়েছে, আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর ভীত হয়, কুরআন শ্রবণে তাদের ঈমান বেড়ে যায়, তারা আল্লাহর উপর ভরসা রাখে, নামায কায়েম করে এবং দান করে। তারপর বলা হয়েছে, "তারা হলো প্রকৃত মুমিন।”
এ সকল আয়াত থেকে পরিস্কার জানা যায়, নামায, যাকাত ইত্যাদি ইবাদত দীনী ব্যবস্থাপনার মাঝে মৌলিক ও কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখে; বরং এগুলোই হলো প্রকৃত লক্ষ্য ও প্রকৃত কাম্য। এগুলো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে এবং জবাবদিহীও করতে হবে। বাকী অন্যান্য বিষয়গুলো যেমন, আল্লাহর শাসন কায়িম করা ও মানবসভ্যতাকে কল্যাণ ও সফলতার ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করা; এগুলো হচ্ছে মূল ইবাদতের মাধ্যম ও উপকরণমাত্র। মূল হলো, আল্লাহর ইবাদত করা। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “আমি জ্বিন ও মানুষকে কেবল আমার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছি।”
টিকাঃ
২৪৩. মুসলিম: হাদীস-১২৩, বুখারী: হাদীস-৪২৪৩
২৪৪. সূরা মুদ্দাসসির: আয়াত-৪০-৪৬
২৪৫. সূরা হা মীম সিজদাহ: আয়াত-৬-৭
২৪৬. সূরা যারিয়াত: আয়াত-৫৬