📄 ইসলামে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের নাম সালাত
ইসলাম ধর্মে ঈমানের পর সর্বোত্তম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের নাম সালাত (নামায)। الصلاة শব্দটির বহু বচন صلوات। অর্থ- প্রার্থনা, তাসবীহ বা পবিত্রতা বর্ণনা, দয়া, অনুগ্রহ। প্রার্থনা, দুআ, ইবাদত, দুরূদ, অনুগ্রহ, দয়া, রহমত।
উল্লিখিত আরবি অভিধান ও ফিকহের গ্রন্থাবলীর আলোকে আমরা জানতে পারলাম, সালাতের আভিধানিক অর্থ দুআ। যেমন কুরআনে বলা হয়েছে, “তাদের জন্য দুআ করুন।” শরিয়তের পরিভাষায় সু-নির্দিষ্ট কর্ম এবং রোকনের সমষ্টিকে সালাত বলে। নির্দিষ্ট কর্ম এবং নির্দিষ্ট রোকনকে এজন্য সালাত বলে যে, এতেও দুআ বিদ্যমান রয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে-
“নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফিরিশতাগণ নবীর প্রতি দুরূদ পাঠান। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দুরূদ পাঠাও এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও।
আয়াতে ব্যবহৃত শব্দটি 'সালাত'। আল্লাহর সালাত হলো রহমত বর্ষণ, ফিরিশতাদের সালাত হল: ইসতিগফার আর মুমিনদের সালাত হল: রহমত বর্ষণের দুআ। এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ, মারিফুল কুরআনে বলা হয়েছে, আরবি ভাষায় সালাত শব্দের অর্থ রহমত, দুআ, প্রশংসাকীর্তন। আল্লাহ তাআলার প্রতি যে সালাত সম্পৃক্ত করা হয়েছে এর অর্থ তিনি রহমত নাযিল করেন। ফিরিশতাগণ সালাত প্রেরণ করেন কথার অর্থ তারা রাসূলুল্লাহ এর জন্য রহমতের দুআ করেন। আর সাধারণ মুমিনদের তরফ থেকে সালাতের অর্থ রসূলুল্লাহ এর সম্মান ও ফিরিশতাগণের সামনে প্রশংসাকীর্তন করা।
বায়াজীদ খান পন্নী ছাড়া পৃথিবীর অন্য কেউ সম্ভবত 'সালাতে'র এমন অদ্ভুত অর্থ বলেনি। 'প্রশিক্ষণ' বুঝাতে আরবিতে কখনো 'সালাত' শব্দ ব্যবহার হয় না। বায়াজীদ খান 'সালাত'কে প্রশিক্ষণ, কুচকাওয়াচ ইত্যাদি বলেছে। মহান আল্লাহ 'সালাত'কে সর্বশ্রেষ্ঠ যিকির বলেছেন। পন্নী বলেছে, সালাতের উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্র দখল করার শক্তি অর্জন করা। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, সালাত আল্লাহ তাআলার জন্য, সকল প্রকার অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা থেকে বেঁচে থাকা এবং সার্বক্ষণিক আল্লাহর যিকিরে (স্মরণে) থাকা।
টিকাঃ
১৩৪. মিসবাহুল লুগাত, পৃষ্ঠা ৪৮৩
১৩৫. আল মু'জামুল ওয়াফী, পৃষ্ঠা ৬৩২
১৩৬. সূরা তাওবাহ ১০৩ আয়াত।
১৩৭. আশরাফুল হেদায়া, কিতাবুস সালাহ
১৩৮. সূরা আহযাব ৫৬
১৩৯. তাওযীহুল কুরআন
১৪০. সূরা আনআম ১৬২ আয়াত।
১৪১. সূরা আনকাবুত ৪৫, সূরা ত্বহা ১৪, ১৩০
ইসলাম ধর্মে ঈমানের পর সর্বোত্তম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের নাম সালাত (নামায)। পন্নীর মতে ইসলামের মূল হলো জিহাদ আর "নামাজ ঐ জেহাদের জন্য চরিত্র গঠনের অনুশীলন। সংগ্রামের মাধ্যমে সমস্ত পৃথিবীতে এই জীবন-বিধানকে প্রতিষ্ঠা করতে যে অসাধারণ চরিত্রের মানুষ প্রয়োজন, সেই অসাধারণ মানুষের শারীরিক, চারিত্রিক ও আধ্যাত্মিক গঠনের জন্য প্রশিক্ষণ হলো নামাজ। কিন্তু উদ্দেশ্যে হলো সেই সংগ্রাম। "
الصلاة শব্দটির বহু বচন صلوات। অর্থ- প্রার্থনা, তাসবীহ বা পবিত্রতা বর্ণনা, দয়া, অনুগ্রহ। প্রার্থনা, দুআ, ইবাদত, দুরূদ, অনুগ্রহ, দয়া, রহমত।
উল্লিখিত আরবি অভিধান ও ফিকহের গ্রন্থাবলীর আলোকে আমরা জানতে পারলাম, সালাতের আভিধানিক অর্থ দুআ। যেমন কুরআনে বলা হয়েছে, “তাদের জন্য দুআ করুন।” শরিয়তের পরিভাষায় সু-নির্দিষ্ট কর্ম এবং রোকনের সমষ্টিকে সালাত বলে। নির্দিষ্ট কর্ম এবং নির্দিষ্ট রোকনকে এজন্য সালাত বলে যে, এতেও দুআ বিদ্যমান রয়েছে। ইরশাদ হচ্ছে-
“নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফিরিশতাগণ নবীর প্রতি দুরূদ পাঠান। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি দুরূদ পাঠাও এবং অধিক পরিমাণে সালাম পাঠাও।
আয়াতে ব্যবহৃত শব্দটি 'সালাত'। আল্লাহর সালাত হলো রহমত বর্ষণ, ফিরিশতাদের সালাত হল: ইসতিগফার আর মুমিনদের সালাত হল: রহমত বর্ষণের দুআ।
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিখ্যাত তাফসীর গ্রন্থ, মারিফুল কুরআনে বলা হয়েছে, আরবি ভাষায় সালাত শব্দের অর্থ রহমত, দুআ, প্রশংসাকীর্তন। আল্লাহ তাআলার প্রতি যে সালাত সম্পৃক্ত করা হয়েছে এর অর্থ তিনি রহমত নাযিল করেন। ফিরিশতাগণ সালাত প্রেরণ করেন কথার অর্থ তারা রাসূলুল্লাহ এর জন্য রহমতের দুআ করেন। আর সাধারণ মুমিনদের তরফ থেকে সালাতের অর্থ রসূলুল্লাহ এর সম্মান ও ফিরিশতাগণের সামনে প্রশংসাকীর্তন করা।
বায়াজীদ খান পন্নী ছাড়া পৃথিবীর অন্য কেউ সম্ভবত 'সালাতে'র এমন অদ্ভুত অর্থ বলেনি। 'প্রশিক্ষণ' বুঝাতে আরবিতে কখনো 'সালাত' শব্দ ব্যবহার হয় না। বায়াজীদ খান 'সালাত'কে প্রশিক্ষণ, কুচকাওয়াজ ইত্যাদি বলেছে। মহান আল্লাহ 'সালাত'কে সর্বশ্রেষ্ঠ যিকির বলেছেন। পন্নী বলেছে, সালাতের উদ্দেশ্য হলো রাষ্ট্র দখল করার শক্তি অর্জন করা। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, সালাত আল্লাহ তাআলার জন্য, সকল প্রকার অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা থেকে বেঁচে থাকা এবং সার্বক্ষণিক আল্লাহর যিকিরে (স্মরণে) থাকা।
টিকাঃ
১৩৪. মিসবাহুল লুগাত, পৃষ্ঠা ৪৮৩
১৩৫. আল মু'জামুল ওয়াফী, পৃষ্ঠা ৬৩২
১৩৬. সূরা তাওবাহ ১০৩ আয়াত।
১৩৭. আশরাফুল হেদায়া, কিতাবুস সালাহ
১৩৮. সূরা আহযাব ৫৬
১৩৯. তাওযীহুল কুরআন
১৪০. সূরা আনআম ১৬২ আয়াত।
১৪১. সূরা আনকাবুত ৪৫, সূরা ত্বহা ১৪, ১৩০