📄 চোখে-মুখে মূর্খের প্রলাপ
এই বক্তব্যটি পন্নী সাহেবের অজ্ঞতার প্রমাণ। মহানবী মাত্র একটি কাজের জন্য আসেননি। আল্লাহ তাআলা তাঁকে অনেক কাজের জন্য পাঠিয়েছেন। যেমন, সুরা বাকারা ১২৯, সুরা আল ইমরান ১৬৪, সুরা জুমআ ২ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, মহানবীকে কুরআন তিলাওয়াত, কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দেয়া এবং মানুষকে পরিশুদ্ধ করার জন্য পাঠিয়েছেন। সূরা আহযাব ৪৫- ৪৬ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “হে নবী! আমি তো আপনাকে পাঠিয়েছি সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে- এবং আল্লাহর নির্দেশে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বানকারী ও আলো বিস্তারকারী প্রদীপরূপে।” সূরা নাহল ৩৬ আয়াতে বলা হয়েছে, সকল নবী-রাসূলগণকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দেয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে।
হাদীস শরীফের বর্ণনানুযায়ী মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব কাজের জন্য প্রেরিত হয়েছেন তার কয়েকটি হলো; তিনি 'জাওয়ামিউল কালিম' (ব্যাপক অর্থবহ সংক্ষিপ্ত কথা) জ্ঞান ও হিদায়াতসহ শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছেন। মহানবী বলেছেন, আমি মানুষের সাথে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য প্রেরিত হয়েছি যতক্ষণ না তারা এ সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়িম করবে এবং যাকাত দিবে।
উপরোক্ত আয়াত ও হাদীস থেকে যে কয়েকটি কাজের কথা জানা যায় তা হলো; (১) কুরআন তিলাওয়াত, (২) কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দেয়া (৩) মানুষকে পরিশুদ্ধ করা (৪) সাক্ষ্যদাতা (৫) সুসংবাদদাতা (৬) সতর্ককারী (৭) আল্লাহর নির্দেশে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বানকারী (৮) আলো বিস্তারকারী প্রদীপরূপে। (৯) একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দেয়া (১০) মানব জাতিকে আল্লাহর কিতাব ও হেকমত শিক্ষা প্রদান করা (১১) সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে মানুষের সাথে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য যতক্ষণ না মানুষ এ সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়িম করবে এবং যাকাত দিবে। এভাবে অনেক দায়িত্ব দিয়ে আল্লাহ তাআলা তাঁর হাবীবকে পাঠিয়েছিলেন।
টিকাঃ
১২৪. বুখারী ৭২৭৩
১২৫. বুখারী ৭৯
১২৬. ইবনে মাজাহ (পরিচ্ছেদ: আলিমদের মর্যাদা ও জ্ঞানার্জনে উৎসাহিত করা) হাদীস নং ২২৯
১২৭. মুসলিম ১৩৩, বুখারী ৬৮৫৫
এই বক্তব্যটি পন্নী সাহেবের অজ্ঞতার প্রমাণ। মহানবী মাত্র একটি কাজের জন্য আসেননি। আল্লাহ তাআলা তাঁকে অনেক কাজের জন্য পাঠিয়েছেন। যেমন, সুরা বাকারা ১২৯, সুরা আল ইমরান ১৬৪, সুরা জুমআ ২ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, মহানবীকে কুরআন তিলাওয়াত, কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দেয়া এবং মানুষকে পরিশুদ্ধ করার জন্য পাঠিয়েছেন। সূরা আহযাব ৪৫- ৪৬ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “হে নবী! আমি তো আপনাকে পাঠিয়েছি সাক্ষ্যদাতা, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারীরূপে- এবং আল্লাহর নির্দেশে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বানকারী ও আলো বিস্তারকারী প্রদীপরূপে।” সূরা নাহল ৩৬ আয়াতে বলা হয়েছে, সকল নবী-রাসূলগণকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দেয়ার জন্য পাঠানো হয়েছে।
হাদীস শরীফের বর্ণনানুযায়ী মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব কাজের জন্য প্রেরিত হয়েছেন তার কয়েকটি হলো; তিনি 'জাওয়ামিউল কালিম' (ব্যাপক অর্থবহ সংক্ষিপ্ত কথা) জ্ঞান ও হিদায়াতসহ শিক্ষকরূপে প্রেরিত হয়েছেন। মহানবী বলেছেন, আমি মানুষের সাথে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য প্রেরিত হয়েছি যতক্ষণ না তারা এ সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়িম করবে এবং যাকাত দিবে।
উপরোক্ত আয়াত ও হাদীস থেকে যে কয়েকটি কাজের কথা জানা যায় তা হলো; (১) কুরআন তিলাওয়াত, (২) কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দেয়া (৩) মানুষকে পরিশুদ্ধ করা (৪) সাক্ষ্যদাতা (৫) সুসংবাদদাতা (৬) সতর্ককারী (৭) আল্লাহর নির্দেশে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বানকারী (৮) আলো বিস্তারকারী প্রদীপরূপে। (৯) একমাত্র আল্লাহর ইবাদতের দাওয়াত দেয়া (১০) মানব জাতিকে আল্লাহর কিতাব ও হেকমত শিক্ষা প্রদান করা (১১) সত্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে মানুষের সাথে ততক্ষণ পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য যতক্ষণ না মানুষ এ সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর রাসূল, সালাত কায়িম করবে এবং যাকাত দিবে। এভাবে অনেক দায়িত্ব দিয়ে আল্লাহ তাআলা তাঁর হাবীবকে পাঠিয়েছিলেন।
টিকাঃ
১২৪. বুখারী ৭২৭৩
১২৫. বুখারী ৭৯
১২৬. ইবনে মাজাহ (পরিচ্ছেদ: আলিমদের মর্যাদা ও জ্ঞানার্জনে উৎসাহিত করা) হাদীস নং ২২৯
১২৭. মুসলিম ১৩৩, বুখারী ৬৮৫৫