📄 একমাত্র মুহাম্মাদ (সা:) এর অনুসরণ করতে হবে
পন্নী বলেছে, “আমরা যাদের অনুসারী- সেই বুদ্ধ, শ্রীকৃষ্ণ, ঈসা (আ), মোহাম্মদ (দ)” অর্থাৎ তারা মুহাম্মাদ এর অনুসরণের পাশাপাশি বুদ্ধ, কৃষ্ণ ও অন্যান্যদের অনুসরণ করে। কুরআনুল কারীমের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মাদ ছাড়া বা তাঁর সাথে অন্য কারো অনুসরণ করলে সে কোনোভাবে নাজাত পাবে না। ইরশাদ হচ্ছে-
(হে নবী) বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবেসে থাক, তবে আমার অনুসরণ কর, তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। বলে দিন, আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য কর। তারপরও যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আল্লাহ কাফিরদেরকে পছন্দ করেন না।
এই আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা ও তাঁর পক্ষ থেকে ক্ষমা পেতে হলে একমাত্র মুহাম্মাদ এর অনুসরণ অনুকরণ করতে হবে। সূরা আনফাল ১ আয়াতে বলা হয়েছে, “তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর, যদি তোমরা মুমিন হও।” এছাড়াও সুরা বাকারা ১৪৩, সূরা আল ইমরান ৫৩, ৬৮, ১৩২, সূরা নিসা ৫৯, ৮০, সূরা মায়িদা ৯২, সূরা আনফাল ১, ২০, ৪৬, ৬৪, সূরা আরাফ ১৫৭, ১৫৮, সূরা তাওবাহ ১১৭, সূরা ইউসুফ ১০৮, সূরা ইবরাহিম ৪৪, সূরা নূর ৫৪, ৫৬, সূরা আহযাব ২১, সূরা হাদীদ ৫৭, সূরা মুহাম্মাদ ৩৩, সূরা মুজাদালাহ ১৩, সূরা হাশর ৭, সূরা মুমতাহিনা ৬, সূরা তাগাবুন ১২, ১৬ আয়াতে মুহাম্মাদ সা.-এর অনুসরণ করা কথা বলা হয়েছে। পন্নী কুরআনের এতগুলো আয়াতের বিপরীতে বলছে, “আমরা বুদ্ধ, শ্রীকৃষ্ণ, ঈসা আ. এর অনুসারী।” আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “হে মুমিনগণ! তোমরা ইসলামে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ কর।”
সূরা নিসা ৬৫ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন-
অর্থ: না, (হে নবী) আপনার প্রতিপালকের শপথ! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না নিজেদের পারস্পরিক ঝগড়া-বিবাদের ক্ষেত্রে আপনাকে বিচারক মানে, তারপর আপনি যে রায় দিবেন, সে ব্যাপারে নিজেদের অন্তরে কোনোরূপ কুণ্ঠাবোধ না করে এবং অবনত মস্তকে তা গ্রহণ করে নেয়।
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
আমার সকল উম্মতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কিন্তু যে অস্বীকার করবে সে ব্যতিত। তারা বলল, কে অস্বীকার করবে? তিনি বললেন, যারা আমার অনুসরণ করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে সেই অস্বীকার করবে। বুদ্ধ, কৃষ্ণ তো অনেক অনেক দূরের কথা, যদি মুসা আ. জীবিত থাকতেন আর মানুষেরা মুসার অনুসরণ করত; তবে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে যেত। মহানবী বলেছেন-
'যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন, তাঁর কসম, যদি আজ মুসা তোমাদের নিকট থাকতেন। আর তোমরা তার অনুসরণ করতে এবং আমাকে পরিত্যাগ করতে, তাহলে অবশ্যই তোমরা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হতে। যদি মুসা বেঁচে থাকতেন ও আমার নবুয়াতকাল পেতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি আমার অনুসরণ করতেন।
টিকাঃ
৬৭. সকল ধর্মের মর্মকথা সবার উর্ধ্বে মানবতা, পৃষ্ঠা ৬
৬৮. সূরা আল ইমরান: আয়াত-৩১-৩২
৬৯. -সূরা বাকারা: আয়াত-২০৮
৭০. বুখারী: হাদীস-৭২৮০
৭১. দারেমী: ৪৪৯, মিশকাত: ১৯৪, কানযুল উম্মাল: ৩২৯৭৩, মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বাহ: ৩২৯৭৩
পন্নী বলেছে, “আমরা যাদের অনুসারী- সেই বুদ্ধ, শ্রীকৃষ্ণ, ঈসা (আ), মোহাম্মদ (দ)” অর্থাৎ তারা মুহাম্মাদ এর অনুসরণের পাশাপাশি বুদ্ধ, কৃষ্ণ ও অন্যান্যদের অনুসরণ করে। কুরআনুল কারীমের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মাদ ছাড়া বা তাঁর সাথে অন্য কারো অনুসরণ করলে সে কোনোভাবে নাজাত পাবে না। ইরশাদ হচ্ছে-
(হে নবী) বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবেসে থাক, তবে আমার অনুসরণ কর, তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। বলে দিন, আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য কর। তারপরও যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আল্লাহ কাফিরদেরকে পছন্দ করেন না।
এই আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা ও তাঁর পক্ষ থেকে ক্ষমা পেতে হলে একমাত্র মুহাম্মাদ এর অনুসরণ অনুকরণ করতে হবে। সূরা আনফাল ১ আয়াতে বলা হয়েছে, “তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর, যদি তোমরা মুমিন হও।” এছাড়াও সুরা বাকারা ১৪৩, সূরা আল ইমরান ৫৩, ৬৮, ১৩২, সূরা নিসা ৫৯, ৮০, সূরা মায়িদা ৯২, সূরা আনফাল ১, ২০, ৪৬, ৬৪, সূরা আরাফ ১৫৭, ১৫৮, সূরা তাওবাহ ১১৭, সূরা ইউসুফ ১০৮, সূরা ইবরাহিম ৪৪, সূরা নূর ৫৪, ৫৬, সূরা আহযাব ২১, সূরা হাদীদ ৫৭, সূরা মুহাম্মাদ ৩৩, সূরা মুজাদালাহ ১৩, সূরা হাশর ৭, সূরা মুমতাহিনা ৬, সূরা তাগাবুন ১২, ১৬ আয়াতে মুহাম্মাদ সা.-এর অনুসরণ করা কথা বলা হয়েছে। পন্নী কুরআনের এতগুলো আয়াতের বিপরীতে বলছে, “আমরা বুদ্ধ, শ্রীকৃষ্ণ, ঈসা আ. এর অনুসারী।” আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “হে মুমিনগণ! তোমরা ইসলামে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ কর।”
সূরা নিসা ৬৫ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন-
না, (হে নবী) আপনার প্রতিপালকের শপথ! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না নিজেদের পারস্পরিক ঝগড়া-বিবাদের ক্ষেত্রে আপনাকে বিচারক মানে, তারপর আপনি যে রায় দিবেন, সে ব্যাপারে নিজেদের অন্তরে কোনোরূপ কুণ্ঠাবোধ না করে এবং অবনত মস্তকে তা গ্রহণ করে নেয়।
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
আমার সকল উম্মতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কিন্তু যে অস্বীকার করবে সে ব্যতিত। তারা বলল, কে অস্বীকার করবে? তিনি বললেন, যারা আমার অনুসরণ করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে সেই অস্বীকার করবে। বুদ্ধ, কৃষ্ণ তো অনেক অনেক দূরের কথা, যদি মুসা আ. জীবিত থাকতেন আর মানুষেরা মুসার অনুসরণ করত; তবে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে যেত।
মহানবী বলেছেন-
'যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন, তাঁর কসম, যদি আজ মুসা তোমাদের নিকট থাকতেন। আর তোমরা তার অনুসরণ করতে এবং আমাকে পরিত্যাগ করতে, তাহলে অবশ্যই তোমরা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হতে। যদি মুসা বেঁচে থাকতেন ও আমার নবুয়াতকাল পেতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি আমার অনুসরণ করতেন।
টিকাঃ
৬৭. সকল ধর্মের মর্মকথা সবার উর্ধ্বে মানবতা, পৃষ্ঠা ৬
৬৮. সূরা আল ইমরান: আয়াত-৩১-৩২
৬৯. সূরা বাকারা: আয়াত-২০৮
৭০. বুখারী: হাদীস-৭২৮০
৭১. দারেমী: ৪৪৯, মিশকাত: ১৯৪, কানযুল উম্মাল: ৩২৯৭৩, মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বাহ: ৩২৯৭৩