📄 কৃষ্ণ ও যুধিষ্ঠির কোনোভাবেই নবী হতে পারে না
আমরা জানি, শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণ, মহাভারত, ব্রহ্মবৈবর্তপরাণম্, পদ্মপুরাণম্ ইত্যাদি গ্রন্থে শ্রীকৃষ্ঠের যে চরিত্র বর্ণিত হয়েছে- এমন চরিত্রে ব্যক্তি কখনো নবী হতে পারে না। যেমন: শ্রীশ্রীবৈহ্মবৈবর্ত পুরাণ, শ্রীকৃষ্ঠজন্মখণ্ড, ৪৭৭-৪৮৫ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে, “কুমারী ও পরম সুন্দরী কতগুলো মেয়ে অগ্রহায়ণ মাসে খুব সকালে একসঙ্গে যমুনায় স্নান করতে যেত। একদিন তারা অন্যান্য দিনের মতই নদীতে এসে নিজেদের অঙ্গবস্ত্রগুলো খুলে তীরে রেখে আনন্দের সাথে জলক্রীড়া করতে লাগল। তখন শ্রীকৃষ্ণ তাদের সকলের জামাগুলো নিয়ে একটি কদমবৃক্ষে আরোহণ করলেন এবং বলেন ওহে অবলাগণ! এই যে দেখো, তোমাদের বস্তুগুলো এখানে, আমার কাছে রয়েছে, তোমরা ইচ্ছামতো এখানে এসে নিজের জামা নিয়ে যাও। তোমাদের একজন করে অথবা সকলে একসঙ্গে এসে তোমাদের কপড়গুলো নিয়ে যাও। তারা বলল, আমরা তোমার দাসী, তুমি যা বলবে আমরা তাই করবো। ধর্মতত্ত্ব তোমার চেয়ে ভালো আর কে জানে? সুতরাং হে ধর্মজ্ঞ! আমাদের কষ্ট দিও না, কাপড় দিয়ে দাও; অন্যথায় আমরা গিয়ে নন্দকে সব বলে দিতে বাধ্য হবো। শ্রীকৃষ্ণ বললেন, কুমারীগণ, তোমাদের হাসিটি বড় পবিত্র। তোমরা যখন নিজেদেরকে আমার দাসী বলেই স্বীকার করছ আর আমি যা বলবো তাই করবে বলেও অঙ্গীকার করছ, তাই এখানে এসে কাপড় নিয়ে যাও। নিরুপায় হয়ে মেয়েরা দু'হাতে লজ্জাস্থান আবৃত করে জল থেকে উঠে এলো। তখন শ্রীকৃষ্ণ কাপড়গুলো নিজের কাঁধে নিয়ে প্রীতিস্নিগ্ধ হাসির সঙ্গে বললেন, ... তোমরা উভয় হাত মাথায় উঠিয়ে প্রণাম কর এবং তোমাদের কাপড় নিয়ে যাও। তার কথানুযায়ী সিক্ত কম্পান্বিত ও বিবস্ত্র দেহে শুদ্ধহৃদয়া কুমারীদের প্রণাম করতে দেখে কৃষ্ণের হৃদয় করুণায় ভরে গেল, তিনি পরম সন্তুষ্টচিত্তে তাদের কাপড়গুলো ফিরিয়ে দিলেন। ..."
যুধিষ্ঠির : পরাশর ঋষি মৎসগন্ধা (সত্যবতী)র সঙ্গে ব্যভিচারের ফলে (কৃষ্ণদ্বৈপায়ন) বেদব্যাসের জন্ম হয়। পরে সত্যবতীর বিবাহ হয় রাজা শান্তনুর সঙ্গে। তার দু'ছেলে হয়, চিত্রাঙ্গদ ও বিচিত্রবীর্য্য। বিচিত্রবীর্য্য অম্বিকা ও অম্বালিকা দু'জন স্ত্রীকে রেখে মারা যায়। বিচিত্রবীর্য্যের মৃত্যুর পর মাতা সৎসগন্ধা/সত্যবতীর নির্দেশে কৃষ্ণদ্বৈপায়ন অম্বিকা ও অম্বালিকার সঙ্গে অজাচারে লিপ্ত হয়। ফলে অম্বিকার গর্ভে ধৃতরাষ্ট্র ও অম্বালিকার গর্ভে পাণ্ডুর জন্ম হয়। পাণ্ডুর স্ত্রীর কুন্তি। কুন্তি ধর্মদেবের সঙ্গে অজাচারের ফল স্বরূপ যুধিষ্ঠিরের জন্ম হয়।
পরাশর ঋষির মাধ্যমে কৃষ্ণদ্বৈপায়ন, কৃষ্ণদ্বৈপায়নের মাধ্যমে পাণ্ডু, আর ধর্মদেবের মাধ্যমে যুধিষ্ঠির অবৈধ সন্তান। সে কিভাবে নবী হতে পারে?
টিকাঃ
৬৪. মহাভারত, আদিপর্ব্ব, পঞ্চাধিকশততম অধ্যায়, ১৩০ পৃষ্ঠা
৬৫. মহাভারত, আদিপর্ব্ব, ষড়ধিকশততম অধ্যায়, ১৩২-১৩৩ পৃষ্ঠা
৬৬. মহাভারত, আদিপর্ব্ব, ত্রয়োবিংশত্যধিকশততম অধ্যায়, ১৪৭ পৃষ্ঠা
আমরা জানি, শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণ, মহাভারত, ব্রহ্মবৈবর্তপরাণম্, পদ্মপুরাণম্ ইত্যাদি গ্রন্থে শ্রীকৃষ্ণের যে চরিত্র বর্ণিত হয়েছে- এমন চরিত্রে ব্যক্তি কখনো নবী হতে পারে না। যেমন: শ্রীশ্রীবৈহ্মবৈবর্ত পুরাণ, শ্রীকৃষ্ঠজন্মখণ্ড, ৪৭৭-৪৮৫ পৃষ্ঠায় বর্ণিত হয়েছে, “কুমারী ও পরম সুন্দরী কতগুলো মেয়ে অগ্রহায়ণ মাসে খুব সকালে একসঙ্গে যমুনায় স্নান করতে যেত। একদিন তারা অন্যান্য দিনের মতই নদীতে এসে নিজেদের অঙ্গবস্ত্রগুলো খুলে তীরে রেখে আনন্দের সাথে জলক্রীড়া করতে লাগল। তখন শ্রীকৃষ্ণ তাদের সকলের জামাগুলো নিয়ে একটি কদমবৃক্ষে আরোহণ করলেন এবং বলেন ওহে অবলাগণ! এই যে দেখো, তোমাদের বস্তুগুলো এখানে, আমার কাছে রয়েছে, তোমরা ইচ্ছামতো এখানে এসে নিজের জামা নিয়ে যাও। তোমাদের একজন করে অথবা সকলে একসঙ্গে এসে তোমাদের কপড়গুলো নিয়ে যাও। তারা বলল, আমরা তোমার দাসী, তুমি যা বলবে আমরা তাই করবো। ধর্মতত্ত্ব তোমার চেয়ে ভালো আর কে জানে? সুতরাং হে ধর্মজ্ঞ! আমাদের কষ্ট দিও না, কাপড় দিয়ে দাও; অন্যথায় আমরা গিয়ে নন্দকে সব বলে দিতে বাধ্য হবো।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন, কুমারীগণ, তোমাদের হাসিটি বড় পবিত্র। তোমরা যখন নিজেদেরকে আমার দাসী বলেই স্বীকার করছ আর আমি যা বলবো তাই করবে বলেও অঙ্গীকার করছ, তাই এখানে এসে কাপড় নিয়ে যাও। নিরুপায় হয়ে মেয়েরা দু'হাতে লজ্জাস্থান আবৃত করে জল থেকে উঠে এলো। তখন শ্রীকৃষ্ণ কাপড়গুলো নিজের কাঁধে নিয়ে প্রীতিস্নিগ্ধ হাসির সঙ্গে বললেন, ... তোমরা উভয় হাত মাথায় উঠিয়ে প্রণাম কর এবং তোমাদের কাপড় নিয়ে যাও। তার কথানুযায়ী সিক্ত কম্পান্বিত ও বিবস্ত্র দেহে শুদ্ধহৃদয়া কুমারীদের প্রণাম করতে দেখে কৃণের হৃদয় করুণায় ভরে গেল, তিনি পরম সন্তুষ্টচিত্তে তাদের কাপড়গুলো ফিরিয়ে দিলেন। ..."
যুধিষ্ঠির : পরাশর ঋষি মৎসগন্ধা (সত্যবতী)র সঙ্গে ব্যভিচারের ফলে (কৃষ্ণদ্বৈপায়ন) বেদব্যাসের জন্ম হয়। পরে সত্যবতীর বিবাহ হয় রাজা শান্তনুর সঙ্গে। তার দু'ছেলে হয়, চিত্রাঙ্গদ ও বিচিত্রবীর্য্য। বিচিত্রবীর্য্য অম্বিকা ও অম্বালিকা দু'জন স্ত্রীকে রেখে মারা যায়। বিচিত্রবীর্য্যের মৃত্যুর পর মাতা সৎসগন্ধা/সত্যবতীর নির্দেশে কৃষ্ণদ্বৈপায়ন অম্বিকা ও অম্বালিকার সঙ্গে অজাচারে লিপ্ত হয়। ফলে অম্বিকার গর্ভে ধৃতরাষ্ট্র ও অম্বালিকার গর্ভে পাণ্ডুর জন্ম হয়। পাণ্ডুর স্ত্রীর কুন্তি। কুন্তি ধর্মদেবের সঙ্গে অজাচারের ফল স্বরূপ যুধিষ্ঠিরের জন্ম হয়।
পরাশর ঋষির মাধ্যমে কৃষ্ণদ্বৈপায়ন, কৃষ্ণদ্বৈপায়নের মাধ্যমে পাণ্ডু, আর ধর্মদেবের মাধ্যমে যুধিষ্ঠির অবৈধ সন্তান। সে কিভাবে নবী হতে পারে?
টিকাঃ
৬৪. মহাভারত, আদিপর্ব্ব, পঞ্চাধিকশততম অধ্যায়, ১৩০ পৃষ্ঠা
৬৫. মহাভারত, আদিপর্ব্ব, ষড়ধিকশততম অধ্যায়, ১৩২-১৩৩ পৃষ্ঠা
৬৬. মহাভারত, আদিপর্ব্ব, ত্রয়োবিংশত্যধিকশততম অধ্যায়, ১৪৭ পৃষ্ঠা
📄 একমাত্র মুহাম্মাদ (সা:) এর অনুসরণ করতে হবে
পন্নী বলেছে, “আমরা যাদের অনুসারী- সেই বুদ্ধ, শ্রীকৃষ্ণ, ঈসা (আ), মোহাম্মদ (দ)” অর্থাৎ তারা মুহাম্মাদ এর অনুসরণের পাশাপাশি বুদ্ধ, কৃষ্ণ ও অন্যান্যদের অনুসরণ করে। কুরআনুল কারীমের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মাদ ছাড়া বা তাঁর সাথে অন্য কারো অনুসরণ করলে সে কোনোভাবে নাজাত পাবে না। ইরশাদ হচ্ছে-
(হে নবী) বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবেসে থাক, তবে আমার অনুসরণ কর, তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। বলে দিন, আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য কর। তারপরও যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আল্লাহ কাফিরদেরকে পছন্দ করেন না।
এই আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা ও তাঁর পক্ষ থেকে ক্ষমা পেতে হলে একমাত্র মুহাম্মাদ এর অনুসরণ অনুকরণ করতে হবে। সূরা আনফাল ১ আয়াতে বলা হয়েছে, “তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর, যদি তোমরা মুমিন হও।” এছাড়াও সুরা বাকারা ১৪৩, সূরা আল ইমরান ৫৩, ৬৮, ১৩২, সূরা নিসা ৫৯, ৮০, সূরা মায়িদা ৯২, সূরা আনফাল ১, ২০, ৪৬, ৬৪, সূরা আরাফ ১৫৭, ১৫৮, সূরা তাওবাহ ১১৭, সূরা ইউসুফ ১০৮, সূরা ইবরাহিম ৪৪, সূরা নূর ৫৪, ৫৬, সূরা আহযাব ২১, সূরা হাদীদ ৫৭, সূরা মুহাম্মাদ ৩৩, সূরা মুজাদালাহ ১৩, সূরা হাশর ৭, সূরা মুমতাহিনা ৬, সূরা তাগাবুন ১২, ১৬ আয়াতে মুহাম্মাদ সা.-এর অনুসরণ করা কথা বলা হয়েছে। পন্নী কুরআনের এতগুলো আয়াতের বিপরীতে বলছে, “আমরা বুদ্ধ, শ্রীকৃষ্ণ, ঈসা আ. এর অনুসারী।” আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “হে মুমিনগণ! তোমরা ইসলামে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ কর।”
সূরা নিসা ৬৫ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন-
অর্থ: না, (হে নবী) আপনার প্রতিপালকের শপথ! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না নিজেদের পারস্পরিক ঝগড়া-বিবাদের ক্ষেত্রে আপনাকে বিচারক মানে, তারপর আপনি যে রায় দিবেন, সে ব্যাপারে নিজেদের অন্তরে কোনোরূপ কুণ্ঠাবোধ না করে এবং অবনত মস্তকে তা গ্রহণ করে নেয়।
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
আমার সকল উম্মতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কিন্তু যে অস্বীকার করবে সে ব্যতিত। তারা বলল, কে অস্বীকার করবে? তিনি বললেন, যারা আমার অনুসরণ করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে সেই অস্বীকার করবে। বুদ্ধ, কৃষ্ণ তো অনেক অনেক দূরের কথা, যদি মুসা আ. জীবিত থাকতেন আর মানুষেরা মুসার অনুসরণ করত; তবে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে যেত। মহানবী বলেছেন-
'যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন, তাঁর কসম, যদি আজ মুসা তোমাদের নিকট থাকতেন। আর তোমরা তার অনুসরণ করতে এবং আমাকে পরিত্যাগ করতে, তাহলে অবশ্যই তোমরা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হতে। যদি মুসা বেঁচে থাকতেন ও আমার নবুয়াতকাল পেতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি আমার অনুসরণ করতেন।
টিকাঃ
৬৭. সকল ধর্মের মর্মকথা সবার উর্ধ্বে মানবতা, পৃষ্ঠা ৬
৬৮. সূরা আল ইমরান: আয়াত-৩১-৩২
৬৯. -সূরা বাকারা: আয়াত-২০৮
৭০. বুখারী: হাদীস-৭২৮০
৭১. দারেমী: ৪৪৯, মিশকাত: ১৯৪, কানযুল উম্মাল: ৩২৯৭৩, মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বাহ: ৩২৯৭৩
পন্নী বলেছে, “আমরা যাদের অনুসারী- সেই বুদ্ধ, শ্রীকৃষ্ণ, ঈসা (আ), মোহাম্মদ (দ)” অর্থাৎ তারা মুহাম্মাদ এর অনুসরণের পাশাপাশি বুদ্ধ, কৃষ্ণ ও অন্যান্যদের অনুসরণ করে। কুরআনুল কারীমের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা আমাদের জানিয়েছেন, মুহাম্মাদ ছাড়া বা তাঁর সাথে অন্য কারো অনুসরণ করলে সে কোনোভাবে নাজাত পাবে না। ইরশাদ হচ্ছে-
(হে নবী) বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবেসে থাক, তবে আমার অনুসরণ কর, তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। বলে দিন, আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য কর। তারপরও যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে আল্লাহ কাফিরদেরকে পছন্দ করেন না।
এই আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা ও তাঁর পক্ষ থেকে ক্ষমা পেতে হলে একমাত্র মুহাম্মাদ এর অনুসরণ অনুকরণ করতে হবে। সূরা আনফাল ১ আয়াতে বলা হয়েছে, “তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর, যদি তোমরা মুমিন হও।” এছাড়াও সুরা বাকারা ১৪৩, সূরা আল ইমরান ৫৩, ৬৮, ১৩২, সূরা নিসা ৫৯, ৮০, সূরা মায়িদা ৯২, সূরা আনফাল ১, ২০, ৪৬, ৬৪, সূরা আরাফ ১৫৭, ১৫৮, সূরা তাওবাহ ১১৭, সূরা ইউসুফ ১০৮, সূরা ইবরাহিম ৪৪, সূরা নূর ৫৪, ৫৬, সূরা আহযাব ২১, সূরা হাদীদ ৫৭, সূরা মুহাম্মাদ ৩৩, সূরা মুজাদালাহ ১৩, সূরা হাশর ৭, সূরা মুমতাহিনা ৬, সূরা তাগাবুন ১২, ১৬ আয়াতে মুহাম্মাদ সা.-এর অনুসরণ করা কথা বলা হয়েছে। পন্নী কুরআনের এতগুলো আয়াতের বিপরীতে বলছে, “আমরা বুদ্ধ, শ্রীকৃষ্ণ, ঈসা আ. এর অনুসারী।” আল্লাহ তাআলা বলেছেন, “হে মুমিনগণ! তোমরা ইসলামে পরিপূর্ণভাবে প্রবেশ কর।”
সূরা নিসা ৬৫ আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেছেন-
না, (হে নবী) আপনার প্রতিপালকের শপথ! তারা ততক্ষণ পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না নিজেদের পারস্পরিক ঝগড়া-বিবাদের ক্ষেত্রে আপনাকে বিচারক মানে, তারপর আপনি যে রায় দিবেন, সে ব্যাপারে নিজেদের অন্তরে কোনোরূপ কুণ্ঠাবোধ না করে এবং অবনত মস্তকে তা গ্রহণ করে নেয়।
মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
আমার সকল উম্মতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কিন্তু যে অস্বীকার করবে সে ব্যতিত। তারা বলল, কে অস্বীকার করবে? তিনি বললেন, যারা আমার অনুসরণ করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে সেই অস্বীকার করবে। বুদ্ধ, কৃষ্ণ তো অনেক অনেক দূরের কথা, যদি মুসা আ. জীবিত থাকতেন আর মানুষেরা মুসার অনুসরণ করত; তবে তারা পথভ্রষ্ট হয়ে যেত।
মহানবী বলেছেন-
'যার হাতে মুহাম্মাদের জীবন, তাঁর কসম, যদি আজ মুসা তোমাদের নিকট থাকতেন। আর তোমরা তার অনুসরণ করতে এবং আমাকে পরিত্যাগ করতে, তাহলে অবশ্যই তোমরা সরল পথ থেকে বিচ্যুত হতে। যদি মুসা বেঁচে থাকতেন ও আমার নবুয়াতকাল পেতেন, তাহলে অবশ্যই তিনি আমার অনুসরণ করতেন।
টিকাঃ
৬৭. সকল ধর্মের মর্মকথা সবার উর্ধ্বে মানবতা, পৃষ্ঠা ৬
৬৮. সূরা আল ইমরান: আয়াত-৩১-৩২
৬৯. সূরা বাকারা: আয়াত-২০৮
৭০. বুখারী: হাদীস-৭২৮০
৭১. দারেমী: ৪৪৯, মিশকাত: ১৯৪, কানযুল উম্মাল: ৩২৯৭৩, মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বাহ: ৩২৯৭৩