📘 হেযবুত তওহীদ স্বরূপ বিশ্লেষণ 📄 বাইবেল ও বেদ মানব রচিত গ্রন্থ

📄 বাইবেল ও বেদ মানব রচিত গ্রন্থ


বায়াজীদ খান পন্নী ও তাঁর অনুসারীদের বিশ্বাস হলো, বাইবেল ও বেদ আল্লাহ তাআলা কর্তৃক প্রেরিত গ্রন্থ (নাউযুবিল্লাহ)। অথচ দুনিয়ার সকল মানুষ জানেন যে, বাইবেল ও বেদ নামে কোনো পুস্তক আল্লাহ তাআলা অবতীর্ণ করেননি। পবিত্র কুরআনে ধর্মের পরিচয় দিয়ে বলা হয়েছে,
আহলে কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যে যারা কাফির, তারা জাহান্নামে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম।

এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা অমুসলিমদের দুইভাগে ভাগ করেছেন। এক. আহলে কিতাব তথা আসমানী কিতাবের অনুসারী। দুই. মুশরিক বা পৌত্তলিক। 'আহলে কিতাব' বা আসমানী কিতাবের অনুসারীরা আবার কয়েক ভাগে বিভক্ত। আল্লাহ তাআলা অপর আয়াতে বলেছেন-
যারা ঈমান এনেছে এবং যারা ইহুদী হয়েছে, যারা সাবিয়ী, খৃস্টান ও অগ্নিপূজক এবং যারা মুশরিক হয়েছে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবেন। আল্লাহ সব কিছুর সম্যক প্রত্যক্ষকারী।

উক্ত আয়াতে আল্লাহ তাআলা 'আহলে কিতাব'-এর তিন প্রকার উল্লেখ করেছেন। ১. ইহুদী, ২. সাবিয়ী, ৩. খৃস্টান। আল্লাহ তাআলা অমুসলিমদের আরেকটি শ্রেণীর কথা উল্লেখ করেছেন, যারা কোনো ধর্মেই বিশ্বাস করে না। তাদেরকে 'প্রকৃতিবাদী বা নাস্তিক' বলা যায়।

তারা বলে, একমাত্র পার্থিব জীবনই আমাদের জীবন, আমরা মরি ও বাঁচি আর কালই আমাদের ধ্বংস করে। বস্তুত এ ব্যাপারে তাদের কোনো জ্ঞান নেই, তারা তো মনগড়া কথা বলে।

উপরিউক্ত তিন আয়াত মিলে আমরা ছয় প্রকার অমুসলিমের পরিচয় লাভ করতে পারি-১. ইহুদী, ২. সাবিয়ী, ৩. খৃস্টান, ৪. অগ্নিপূজক, ৫. মুশরিক বা পৌত্তলিক, ৬. প্রকৃতিবাদী বা নাস্তিক। কুরআনে বর্ণিত আহলে কিতাবদের ধর্মগ্রন্থকে যাচাই করে দেখা যেতে পারে- তাদের ধর্মগ্রন্থ খোদাপ্রদত্ত নাকি মানব রচিত; খোদাপ্রদত্ত হলে বিকৃত নাকি অবিকৃত। আর 'বেদ' কোনোভাবেই খোদাপ্রদত্ত গ্রন্থ হতে পারে না। তাছাড়া বাইবেল ও বেদের লেখকগণ কখনো দাবী করেননি যে, তাদের লেখা গ্রন্থ আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত; বরং এটা খুবই স্পষ্ট যে, বাইবেল ও বেদ মানব রচিত।

যেমন- বাইবেল লেখক ইউহোন্না/যোহন লিখেছেন, “ঈসা আরও অনেক কিছু করেছিলেন। যদি সেগুলো এক এক করে লেখা হত তবে এত কিতাব হত যে, আমার মনে হয় সেগুলো এই দুনিয়াতে ধরত না।” এ থেকে স্পষ্ট যে, ঈসা সম্পর্কে তিনি অনেক কিছু জানেন, তার মধ্য থেকে কিছু লিপিবদ্ধ করেছেন। বাইবেল লেখক লুক লিখেছেন, “মাননীয় থিয়ফিল, আমাদের মধ্যে যে সব ঘটনা ঘটেছে তা যারা প্রথম থেকে নিজের চোখে দেখেছেন ও আল্লাহর সুসংবাদ তবলিগ করেছেন, তারা আমাদের কাছে সব কিছু জানিয়েছেন আর তাদের কথামতই অনেকে সেই সব বিষয়গুলো পরপর লিখেছেন। সেই সব বিষয় সম্বন্ধে প্রথম থেকে ভালভাবে খোঁজ-খবর নিয়ে আপনার জন্য তা একটা একটা করে লেখা আমিও ভাল মনে করলাম।” “মাননীয় থিয়ফিল, ঈসাকে বেহেশতে তুলে নেবার আগে পর্যন্ত তিনি যা করেছিলেন ও শিক্ষা দিয়েছিলেন তার সমস্তই আমি আমার আগের কিতাবে (অর্থাৎ বাইবেল, নতুন নিয়ম-তৃতীয় পুস্তক 'লুক'।) লিখেছি। বাইবেল লেখক পৌল লিখেছেন, “আমি পৌল নিজের হাতে এই শুভেচ্ছা [বাইবেলের অংশ] বাণী লিখছি।”

এখানে পৌল এবং লুক উভয়ের কথাই স্পষ্ট যে, তারা কোনো কারণে ঈসা মসীহ সম্পর্কে যা জানেন, তা লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তারা স্পষ্ট বলেছেন যে, শুধু মাত্র তারাই লেখেননি অনেকেই লিখেছেন সে ধারাবাহিকাতায় তারাও লিখেছেন। বাইবেল মানব রচিত হওয়ার আরো সুস্পষ্ট প্রমাণ হলো, মুসার কথিত তাওরাতে মুসার মৃত্যু ও তার পরবর্তী ঘটনা বিদ্যমান। অনুরূপ ঈসার কথিত ইনজিলে ঈসার মৃত্যু ও তার পরবর্তী ঘটনা বিদ্যমান।

কোনো নবীর মৃত্যুর পরের কাহিনী তাঁর উপর নাযিল হওয়া কিতাবে কীভাবে থাকতে পারে?! বোঝা গেল, এগুলো তাঁদের উপর নাযিল হওয়া সেই আসমানী কিতাব নয়; তাঁদের মৃত্যুর পর কোনো ব্যক্তির লেখা জীবনীগ্রন্থ মাত্র। যার প্রমাণ আমরা তাদের প্রকাশিত 'ইঞ্জিল শরীফ'র সূচীপত্রে দেখতে পাই। সেখানে 'ইঞ্জিলে'র শুরুতেই লেখা আছে- “খোদাবন্দ ঈসা মসীহের জীবনী"। পবিত্র কুরআনের অনেক আয়াতে বলা হয়েছে যে, ইহুদী-খৃস্টানরা নিজের হাতে কিতাব লেখে, তারপর বলে এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে। অথচ এটা আদৌ আল্লাহর পক্ষ থেকে নয়। (সূরা বাকারা ৭৯, সূরা আল ইমরান ৭৮) পন্নী সাহেবের বক্তব্য কুরআনের সরাসরি বিপরীত।

হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ 'বেদ' সম্পর্কে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক-২০১৩ (অষ্টম শ্রেণি)-এর হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা বইয়ের ১০ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, “বেদ আমাদের আদি ও প্রধান ধর্মগ্রন্থ। বেদ চিরন্তন ও শাশ্বত। বেদ মানে জ্ঞান। প্রাচীন ঋষিদের ধ্যানে পাওয়া পবিত্র জ্ঞান।” ষষ্ঠ শ্রেণির বইয়ে বলা হয়েছে, “বেদ ঋষিদের ধ্যানলব্ধ পবিত্র জ্ঞান। ধ্যানের মাধ্যমে ঋষিগণ সেই সত্য দর্শন করে তাকে ভাবের আবেগে প্রকাশ কেরছেন। এ জন্যই বলা হয়, বেদ সৃষ্ট নয়, দৃষ্ট। বেদ কেউ সৃষ্টি করেননি, উপলব্ধি করেছেন মাত্র। "বেদের উৎপত্তি সম্বন্ধে নানাপ্রকার বর্ণনা আছে। অনেকের মতে বেদ ব্রহ্মার নিশ্বাস হতে নিঃসৃত। বেদের সূত্রগুলি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মনীষীর মনীষায় আবির্ভূত হয়েছিল। এই সব মনীষী মন্ত্রদ্রষ্টা ঋষি নামে খ্যাত। তারা মনসনেত্রে মন্ত্রদর্শন এবং স্বরসংযোগে গান করে প্রকাশ করতেন। ঋষি পরিবারের লোকেরা তা শুনে স্মরণ করে রাখতেন বলে বেদের অপর এক নাম 'শ্রুতি'।" "বেদের মন্ত্রপ্রাপ্ত ঋষির সংখ্যা প্রায় ৪২ জন। তন্মধ্যে মহিলা ঋষি আছেন ৭ জন। বেদের জ্ঞান ঋষিদের মাধ্যমে ঈশ্বর আমাদের দিয়েছেন বলে বেদকে অপৌরুষেয় বলে।”

যাদের ধর্মপুস্তক তাদের বক্তব্য হলো, সেগুলো আল্লাহ তাআলা কর্তৃক অবতীর্ণ নয় আর পন্নী বলেছেন, সেগুলো আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত পুস্তক! হিন্দু ও খৃস্টানদের ঈশ্বর যদি তাদের ধর্মপুস্তক পাঠিয়েও থাকেন, তারপরও তো এগুলো কোনোভাবেই আল্লাহ প্রদত্ত গ্রন্থ নয়; কখনো হতে পারে না। বায়াজীদ খান পন্নী বেদ ও বাইবেলকে আল্লাহ প্রদত্ত গ্রন্থ বলে সেগুলোর অনুসারীদেরকে তার কাছে নিতে চাচ্ছেন। অর্থাৎ সকল ধর্ম মিলে জগাখিচুরী মার্কা এক ধর্ম বানানো অপপ্রয়াস চালাচ্ছেন- সম্রাট আকবরের মত তিনিও নতুন ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু আল্লাহ তাআলা তার আগেই তার যবনিকাপাত ঘটিয়েছেন। আমাদের উচিৎ মৃত্যু উপস্থিত হওয়ার আগেই তাওবা করে আল্লাহর একমাত্র পছন্দনীয় ধর্ম মানা তাঁর একমাত্র অবিকৃত গ্রন্থ কুরআন মানা এবং মুহাম্মাদ সা. এর অনুসরণ করা।

টিকাঃ
৫০. সূরা বায়্যিনাহ: আয়াত-৬
৫১. সূরা হজ্জ্ব: আয়াত-১৭
৫২. সূরা জাসিয়া: আয়াত-২৪
৫৩. বাইবেল, নতুন নিয়ম, ইউহোন্না/যোহন ২১:২৫
৫৪. লুক ১:১-৩
৫৫. প্রেরিত ১:১-২
৫৬. কলসীয় ৪:১৮, আরো দেখুন, ২ তীমথিয় ২:৮, কলসীয় ১:২৩-২৬, রোমীয় ১:১-৩, ১ করিন্থীয় ১৫:১-১১, গালাতীয় ১:১-২০, থিষলনীকীয় ৫:১
৫৭. দেখুন, দ্বিতীয় বিবরণ ৩১-৩৪ অধ্যায়
৫৮. মথি ২৮:২-৭, লুক ২৪:৩৬-৪৪, যোহন ২১:৪-১২
৫৯. হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ১০ পৃ.
৬০. পৌরাণিক অভিধান, পৃষ্ঠা ৩৬৯-৩৭০
৬১. জ্ঞান মঞ্জরী, দ্বিতীয় খণ্ড, ১৭ পৃষ্ঠা

বায়াজীদ খান পন্নী ও তাঁর অনুসারীদের বিশ্বাস হলো, বাইবেল ও বেদ আল্লাহ তাআলা কর্তৃক প্রেরিত গ্রন্থ (নাউযুবিল্লাহ)। অথচ দুনিয়ার সকল মানুষ জানেন যে, বাইবেল ও বেদ নামে কোনো পুস্তক আল্লাহ তাআলা অবতীর্ণ করেননি। পবিত্র কুরআনে ধর্মের পরিচয় দিয়ে বলা হয়েছে,
আহলে কিতাব ও মুশরিকদের মধ্যে যারা কাফির, তারা জাহান্নামে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির অধম।

এই আয়াতে আল্লাহ তাআলা অমুসলিমদের দুইভাগে ভাগ করেছেন। এক. আহলে কিতাব তথা আসমানী কিতাবের অনুসারী। দুই. মুশরিক বা পৌত্তলিক। 'আহলে কিতাব' বা আসমানী কিতাবের অনুসারীরা আবার কয়েক ভাগে বিভক্ত। আল্লাহ তাআলা অমুসলিমদের আরেকটি শ্রেণীর কথা উল্লেখ করেছেন, যারা কোনো ধর্মেই বিশ্বাস করে না। তাদেরকে 'প্রকৃতিবাদী বা নাস্তিক' বলা যায়।

বস্তুত এ ব্যাপারে তাদের কোনো জ্ঞান নেই, তারা তো মনগড়া কথা বলে। উপরিউক্ত তিন আয়াত মিলে আমরা ছয় প্রকার অমুসলিমের পরিচয় লাভ করতে পারি-১. ইহুদী, ২. সাবিয়ী, ৩. খৃস্টান, ৪. অগ্নিপূজক, ৫. মুশরিক বা পৌত্তলিক, ৬. প্রকৃতিবাদী বা নাস্তিক। কুরআনে বর্ণিত আহলে কিতাবদের ধর্মগ্রন্থকে যাচাই করে দেখা যেতে পারে- তাদের ধর্মগ্রন্থ খোদাপ্রদত্ত নাকি মানব রচিত; খোদাপ্রদত্ত হলে বিকৃত নাকি অবিকৃত। আর 'বেদ' কোনোভাবেই খোদাপ্রদত্ত গ্রন্থ হতে পারে না। তাছাড়া বাইবেল ও বেদের লেখকগণ কখনো দাবী করেননি যে, তাদের লেখা গ্রন্থ আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত; বরং এটা খুবই স্পষ্ট যে, বাইবেল ও বেদ মানব রচিত।

যেমন- বাইবেল লেখক ইউহোন্না/যোহন লিখেছেন, “ঈসা আরও অনেক কিছু করেছিলেন। যদি সেগুলো এক এক করে লেখা হত তবে এত কিতাব হত যে, আমার মনে হয় সেগুলো এই দুনিয়াতে ধরত না।” এ থেকে স্পষ্ট যে, ঈসা সম্পর্কে তিনি অনেক কিছু জানেন, তার মধ্য থেকে কিছু লিপিবদ্ধ করেছেন। বাইবেল লেখক লুক লিখেছেন, “মাননীয় থিয়ফিল, আমাদের মধ্যে যে সব ঘটনা ঘটেছে তা যারা প্রথম থেকে নিজের চোখে দেখেছেন ও আল্লাহর সুসংবাদ তবলিগ করেছেন, তারা আমাদের কাছে সব কিছু জানিয়েছেন আর তাদের কথামতই অনেকে সেই সব বিষয়গুলো পরপর লিখেছেন। সেই সব বিষয় সম্বন্ধে প্রথম থেকে ভালভাবে খোঁজ-খবর নিয়ে আপনার জন্য তা একটা একটা করে লেখা আমিও ভাল মনে করলাম।” “মাননীয় থিয়ফিল, ঈসাকে বেহেশতে তুলে নেবার আগে পর্যন্ত তিনি যা করেছিলেন ও শিক্ষা দিয়েছিলেন তার সমস্তই আমি আমার আগের কিতাবে লিখেছি। বাইবেল লেখক পৌল লিখেছেন, “আমি পৌল নিজের হাতে এই শুভেচ্ছা [বাইবেলের অংশ] বাণী লিখছি।”

এখানে পৌল এবং লুক উভয়ের কথাই স্পষ্ট যে, তারা কোনো কারণে ঈসা মসীহ সম্পর্কে যা জানেন, তা লিপিবদ্ধ করেছেন এবং তারা স্পষ্ট বলেছেন যে, শুধু মাত্র তারাই লেখেননি অনেকেই লিখেছেন সে ধারাবাহিকাতায় তারাও লিখেছেন। বাইবেল মানব রচিত হওয়ার আরো সুস্পষ্ট প্রমাণ হলো, মুসার কথিত তাওরাতে মুসার মৃত্যু ও তার পরবর্তী ঘটনা বিদ্যমান। অনুরূপ ঈসার কথিত ইনজিলে ঈসার মৃত্যু ও তার পরবর্তী ঘটনা বিদ্যমান।

কোনো নবীর মৃত্যুর পরের কাহিনী তাঁর উপর নাযিল হওয়া কিতাবে কীভাবে থাকতে পারে?! বোঝা গেল, এগুলো তাঁদের উপর নাযিল হওয়া সেই আসমানী কিতাব নয়; তাঁদের মৃত্যুর পর কোনো ব্যক্তির লেখা জীবনীগ্রন্থ মাত্র। যার প্রমাণ আমরা তাদের প্রকাশিত 'ইঞ্জিল শরীফ'র সূচীপত্রে দেখতে পাই। সেখানে 'ইঞ্জিলে'র শুরুতেই লেখা আছে- “খোদাবন্দ ঈসা মসীহের জীবনী"। পবিত্র কুরআনের অনেক আয়াতে বলা হয়েছে যে, ইহুদী-খৃস্টানরা নিজের হাতে কিতাব লেখে, তারপর বলে এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে। অথচ এটা আদৌ আল্লাহর পক্ষ থেকে নয়। পন্নী সাহেবের বক্তব্য কুরআনের সরাসরি বিপরীত।

টিকাঃ
৫০. সূরা বায়্যিনাহ: আয়াত-৬
৫১. সূরা হজ্জ্ব: আয়াত-১৭
৫২. সূরা জাসিয়া: আয়াত-২৪
৫৩. বাইবেল, নতুন নিয়ম, ইউহোন্না/যোহন ২১:২৫
৫৪. লুক ১:১-৩
৫৫. প্রেরিত ১:১-২
৫৬. কলসীয় ৪:১৮
৫৭. দেখুন, দ্বিতীয় বিবরণ ৩১-৩৪ অধ্যায়
৫৮. মথি ২৮:২-৭, লুক ২৪:৩৬-৪৪, যোহন ২১:৪-১২
৫৯. হিন্দুধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ১০ পৃ.
৬০. পৌরাণিক অভিধান, পৃষ্ঠা ৩৬৯-৩৭০
৬১. জ্ঞান মঞ্জরী, দ্বিতীয় খণ্ড, ১৭ পৃষ্ঠা

ফন্ট সাইজ
15px
17px