📘 হেযবুত তওহীদ স্বরূপ বিশ্লেষণ 📄 হেযবুত তওহীদ : সংক্ষিপ্ত পরিচয়

📄 হেযবুত তওহীদ : সংক্ষিপ্ত পরিচয়


হেযবুত তওহীদের প্রতিষ্ঠাতা বায়াজীদ খান পন্নী ১১ মার্চ ১৯২৫ করটিয়ার পন্নী পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। গ্রামের স্কুলে পাঠ শেষে এইচ.এম. ইনস্টিটিউশন থেকে ১৯৪২ সনে মেট্রিকুলেশান তারপর বগুড়া সরকারী কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষার ১ম বর্ষ এবং কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে ২য় বর্ষ সমাপ্ত করে। পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার। ১৯৬৩ খৃ. তিনি প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।

বায়াজীদ খান পন্নী নিজেকে আল্লাহর পক্ষ থেকে মনোনীত, মুজিযাপ্রাপ্ত ইত্যাদি বিভিন্ন উদ্ভট দাবী করতে শুরু করেন। নিজের রচিত কিছু বইয়ে তার আকীদা-বিশ্বাস তুলে ধরেন। ১৯৯৫ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারী, তিনি দাউদ মহল, করটিয়া, টাঙ্গাইলে 'হেযবুত তওহীদ' প্রতিষ্ঠা করে। নিজ গ্রামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে তার দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে যান। একপর্যায়ে তার উদ্ভট আকীদা-বিশ্বাস ও বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা জনগণের সামনে প্রকাশিত হলে সাধারণ জনতার চাপে গ্রাম ছাড়তে বাধ্য হয়। প্রথমে সশস্ত্র সংগ্রাম, রাষ্ট্র দখল-এরূপ উগ্রপন্থায় সোচ্চার ছিল- যা তার রচিত গ্রন্থাবলীতে বিদ্যমান। কিন্তু পরবর্তীতে দেশের পরিবেশ সুবিধাজনক না দেখে সুর পরিবর্তন করে জঙ্গিবাদ বিরোধী স্লোগান দিতে শুরু করে। বায়াজীদ খান পন্নী ২০১২ সালে মারা যায়।

📘 হেযবুত তওহীদ স্বরূপ বিশ্লেষণ 📄 হেযবুত তওহীদের আকীদা-বিশ্বাস

📄 হেযবুত তওহীদের আকীদা-বিশ্বাস


'হেযবুত তওহীদের আকীদা-বিশ্বাস' শিরোনামে আলোচনা করতে হলে আবশ্যকভাবেই বইয়ের কলেবর বিরাট আকার ধারণ করবে। আলোচনা-পর্যালোচনার সেই বিস্তৃত পরিসরে প্রবেশের অবকাশ আমাদের নেই। তাই আমরা কয়েকটি বিষয়ে খুব সংক্ষেপে আলোকপাত করার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ। প্রথমে আমরা তাদের আকীদা-বিশ্বাস উল্লেখ করব তাদের রচিত এবং নিজস্ব প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত গ্রন্থ থেকে। তারপর সংক্ষেপে জবাব দেয়ার চেষ্টা করব। আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে সঠিক ও সহীহ বুঝার এবং মানার তাওফীক দান করুন। আমীন।

📘 হেযবুত তওহীদ স্বরূপ বিশ্লেষণ 📄 ৫. প্রকৃত ইসলামে বর্তমানে কেউ নেই

📄 ৫. প্রকৃত ইসলামে বর্তমানে কেউ নেই


পন্নীর বক্তব্য: "মহানবীর ভবিষ্যদ্বাণী মোতাবেক ৬০/৭০ বছর যখন উম্মতে মোহাম্মদীর জাতি হিসাবে মৃত্যু হোলো তখন কি রইলো?"

“পৃথিবীর কর্তৃত্ব গত কয়েক শতাব্দী ধরেই ইহুদি-খ্রিষ্টানদের হাতে আছে। কর্তৃত্বের কথা দূরে থাক, এ জাতি আজ ফুটবলের মতো অন্যান্য সব জাতির লাথি খাচ্ছে। তাহলে এ জাতি মো'মেন বা ঈমানদার হলে আল্লাহ মিথ্যা ওয়াদা করেছেন (নাউযুবিল্লাহ), আর আল্লাহ যদি মিথ্যা না বলে থাকেন তবে এই জাতি তার সমস্ত নামাজ, যাকাত, হজ্ব রোযা সব সুদ্ধ বেঈমান অর্থাৎ কাফের, মোশরেক।”

“১৩০০ বছর ধরে বহুভাবে বিকৃত হওয়া ইসলাম ও অন্যান্য ধর্মগুলোও মানুষকে কেবল সুখস্বপ্নে বিভোর করে প্রতারিতই করে এবং করবে। সেগুলো আর মানুষের ধর্ম নয়, কল্যাণের ধর্ম নয়, সেগুলো পুরোহিত-আলেম, পীর, রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী, ডানপন্থী, রক্ষণশীল আর উগ্রপন্থী জঙ্গিদের ধর্ম।”

“ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা কোনো স্কুলেও নাই, মাদ্রাসায়ও নাই, আছে একমাত্র হেযবুত তওহীদের কাছে।”

পন্নীর মতে বর্তমান পৃথিবীর দেড় শতাধিক মুসলিমের মধ্যে বিদ্যমান সকল নামাযী, রোযাদার, হাজী, পরহেজগার, উলামায়ে কেরাম এবং ওলীআল্লাহ- বুযুর্গদের কেউই প্রকৃত ইসলামের উপর নেই! সবাই পথভ্রষ্ট-গোমরাহ হয়ে গেছে! (নাউযুবিল্লাহ!) অথচ মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
«لا تزال طائفة من أمتى قائمة بأمر الله لا يضرهم من خذلهم أو خالفهم حتى يأتى أمر الله وهم ظاهرون على الناس».
আমার উম্মাতের একদল লোক সর্বদাই হকের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে। তাদের সঙ্গ ত্যাগ করে বা বিরোধিতা করে কেউ তাদের কোনো অনিষ্ট করতে পারবে না। এমন কি এভাবে আল্লাহর আদেশ (অর্থাৎ কিয়ামত) এসে পড়বে আর তারা যেমনটি ছিল তেমনটিই থাকবে।

ইমাম বুখারী রহ. বলেছেন, “নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সালাম) - এর বাণী 'আমার উম্মাতের মধ্যে একদল সর্বদাই হকের উপর বিজয়ী থাকবে'- বলে যাদের বুঝানো হয়েছে, তাঁরা হলেন উলামায়ে কেরাম।”

"উম্মতে মোহাম্মাদীর সকল সদস্য কখনোই গোমরাহ হয়ে যাবে না, দীনে হকের উপর কমপক্ষে একদল লোক সর্বদাই অটল-অবিচল থাকবে”-এই মর্মে চারজন খোলাফায়ে রাশেদীনসহ চল্লিশের বেশি সংখ্যক সাহাবী থেকে বর্ণিত শতাধিক হাদীস রয়েছে। এই বিরাট সংখ্যক হাদীসে যেখানে রাসূলুল্লাহ বলেছেন যে, কিয়ামত পর্যন্ত একদল মানুষ হকের উপর থাকবে, সবাই পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে না, সেখানে পন্নী বলছে, সবাই গোমরাহ, পথভ্রষ্ট হয়ে গেছে। যারা 'সবাই খারাপ, শুধুমাত্র আমরা ভালো' বলে, তাদের সম্পর্কেও মহানবী আমাদের নির্দেশনা দিয়ে গিয়েছেন। তিনি বলেছেন-
"إذا قال الرجل : هلك الناس فهو أهلكهم "
“যদি কোনো লোক বলে 'মানুষ বরবাদ হয়ে গেছে' তাহলে সে সব মানুষের চেয়ে বেশি বরবাদ, বেশি ধ্বংসপ্রাপ্ত।”

টিকাঃ
৮৫. এ ইসলাম ইসলামই নয়: পৃষ্ঠা-১২৪
৮৬. মহাসত্যের আহ্বান: পৃষ্ঠা-১৫
৮৭. চলমান সংকট নিরসনে আদর্শিক লড়াই: পৃষ্ঠা-৫
৮৮. চলমান সংকট নিরসনে আদর্শিক লড়াই, পৃষ্ঠা ১৩
৮৯. মুসলিম ১০৩৭, বুখারী ২৭১০
৯০. মুসলিম ২৬২৩

📘 হেযবুত তওহীদ স্বরূপ বিশ্লেষণ 📄 ৬. হেযবুত তওহীদ নতুন ধর্ম

📄 ৬. হেযবুত তওহীদ নতুন ধর্ম


(১) ঐক্যবদ্ধ হও। (২) (নেতার আদেশ) শোন। (৩) (নেতার ঐ আদেশ) পালন করো। (৪) হেজরত করো। (৫) (এই দীনুল হক কে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জন্য) আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ করো।

পন্নী নিম্নোক্ত ছকের মাধ্যমে পাঁচটি কর্মসূচীকে বোঝানোর চেষ্টা করেছে। কর্মসূচী অর্থ (ক) আল্লাহ ও রসুলের ওপর ঈমান- (তওহীদ) (ক) ঐক্য (খ) সালাত (নামাজ)' (খ) (নেতার আদেশ)- শোনা (গ) যাকাত (গ) (ঐ আদেশ)- পালন করা (ঘ) হজ্ব (ঘ) হেজরত করা (ঙ) সওম (রোজা) (ঙ) আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ করা

বায়াজীদ খান পন্নীর এসলাম হলো: ঐক্য (ঈমান), নেতার আদেশ শোনার প্রশিক্ষণ (নামায), নেতার আদেশ মানা (যাকাত), হিজরত (হজ্ব), জিহাদ সশস্ত্র সংগ্রাম (সওম)। অর্থাৎ পন্নীর এসলাম এবং আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামে অনেক পার্থক্য রয়েছে। কয়েকটি লক্ষ করুন:

পার্থক্য-১: পন্নীর এসলামে ঈমান মানে ঐক্য। আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামে ঈমান মানে ঐক্য নয়; ঈমান (ঈমান)-এর শাব্দিক অর্থ বিশ্বাস স্থাপন করা, সত্যায়ন করা ইত্যাদি। পরিভাষায়: নবীজী দীনের অত্যাবশ্যকীয় বিস্তারিত এবং সংক্ষিপ্ত যে বিধানাবলী নিয়ে এসেছেন সেগুলোসহ চূড়ান্তভাবে তাকে সত্যায়ন করাকেই ঈমান বলে। ঈমান সম্পর্কে মহানবীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ঈমান হলো, তুমি আল্লাহ, তাঁর ফিরিশতাকুল, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর প্রেরিত নবীগণ ও শেষ দিনের উপর ঈমান রাখবে এবং তুমি তাকদীর ও তার ভালো ও মন্দের প্রতিও ঈমান রাখবে।

পার্থক্য-২: পন্নীর এসলামে নামায মানে ট্রেনিং। আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামে নামায মানে প্রশিক্ষণ নয়; নামায হলো, নির্দিষ্ট সময়ে নির্ধারিত পদ্ধতিতে আদায় করা হয় এমন একটি ইবাদত।

পার্থক্য-৩: পন্নীর এসলামে যাকাত মানে নেতার আদেশ মানা। আল্লাহ প্রদত্ত ইসলামে নেতার আদেশ মানাকে যাকাত বলা হয় না। যাকাত হলো, আল্লাহ তাআলার নির্দেশিত পন্থায় সম্পদ ব্যয় করার মাধ্যমে আদায় করা আল্লাহর একটি ইবাদত।

পার্থক্য-৪: হেযবুত তওহীদ ধর্মের স্রষ্টা/আল্লাহ্ যা করতে পারেন এ ধর্মের অনুসারী/মানুষও তাই করতে পারে। ইসলাম ধর্মে আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাঁকে কেউ জন্ম দেয়নি, তাঁর সমতুল্য কেউ নেই। তিনি সকল কিছুর স্রষ্টা এবং সবকিছুর কর্মবিধায়ক। আর মানুষ হলো তাঁর একটি দুর্বল সৃষ্টিমাত্র।

পার্থক্য-৫: হেযবুত তওহীদ ধর্মে সালাত/নামায, রোযা ইত্যাদি হাজারো কাজ সব আনুষঙ্গিক, গৌণ। জনাব পন্নী বলছেন: “দীনের আর বাকি যেটুকু আছে, নামায, রোযা ইত্যাদি হাজারো কাজ, সব আনুষঙ্গিক, গৌণ।” পক্ষান্তরে আল্লাহর প্রদত্ত ধর্মে নামায-রোজা হচ্ছে এই ধর্মের ভিত্তি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত: এ কথার সাক্ষ্য দেয়া যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোনো ইলাহ নেই, সালাত কায়িম করা, যাকাত আদায় করা, রমযানের সাওম পালন করা ও বাইতুল্লাহ্র হজ্জ করা।”

পার্থক্য-৬: হেযবুত তওহীদ ধর্মে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা অনাবশ্যক। “প্রথম হলো পৃথিবীতে আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠিত কোরে শান্তি প্রতিষ্ঠা কোরে, তারপর আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা। প্রথমটা ফরজ, দ্বিতীয়টা নফল।"

পার্থক্য-৭: হেযবুত তওহীদ ধর্মে বেদ-বাইবেল আসমানী কিতাব। ইসলাম ধর্মে বাইবেল কোনো আসমানী কিতাব নয়; মানব রচিত গ্রন্থ। বেদকে খোদ তার অনুসারীরাই আসমানী কিতাব বলে দাবী করে না। আল্লাহ তাআলা বলেছেন- আর তাদের (ইহুদী-নাসারা) মধ্যে একদল রয়েছে, যারা বিকৃত উচ্চারণে মুখ বাঁকিয়ে কিতাব পাঠ করে, যাতে তোমরা মনে কর যে, তারা কিতাব থেকেই পাঠ করছে। অথচ তারা যা আবৃত্তি করছে তা আদৌ কিতাব নয় এবং বলে যে, এসব কথা আল্লাহর পক্ষ থেকে আগত। অথচ এসব আল্লাহর পক্ষ থেকে প্রেরিত নয়। তারা বলে এসব আল্লাহর কথা অথচ এসব আল্লাহর কথা নয়। আর তারা জেনে শুনেই আল্লাহর প্রতি মিথ্যারোপ করে।

পার্থক্য-৮: হেযবুত তওহীদ ধর্মে ফিরিশতা, দেবদেবী ও প্রকৃতি একই জিনিস। "মানুষকে বিজ্ঞান শেখাবার পর তিনি [আল্লাহ] তার মালায়েকদের ডেকে সব জিনিষের নাম জিজ্ঞাসা কোরলেন- তারা বোলতে পারলেন না। কারণ আগেই বোলেছি, মালায়েকরা প্রাকৃতিক শক্তিমাত্র।” কিন্তু ইসলামধর্মে ফিরিশতা আল্লাহর মাখলুক। তারা কখনো আল্লাহর নাফরমানী করে না, আল্লাহ তাআলা যা বলেন শুধু তাই করে। প্রকৃতি (চাঁদ, সূর্য, গ্রহ-নক্ষত্র) আল্লাহর সৃষ্টি। আর কিছু মানুষ দেবদেবীর নাম রেখেছে এবং আকৃতি মানুষের সৃষ্টি জড়বস্তু।

পার্থক্য-৯: হেযবুত তওহীদ ধর্মে জান্নাত লাভের জন্য আমল শর্ত নয়। “বিশ্বনবী এ কথাটি পরিষ্কার করে দিয়েছেন যে, আল্লাহর সাথে তাঁর বান্দার চুক্তি এই যে, বান্দা তাঁর পক্ষ থেকে যদি এই শর্ত পালন করে যে, সে আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ইলাহ অর্থাৎ বিধাতা বলে স্বীকার করবে না- তবে আল্লাহও তাঁর পক্ষ থেকে এই শর্ত পালন করবেন যে, তিনি তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। এখানে অন্য কোনো কাজের শর্ত নেই। এই একটি কাজের শর্ত পালন করলে আর কোনো গোনাহই তাকে জান্নাত থেকে ফেরাতে পারবে না; এমনকি চুরির মত কবিরা গোনাহও না।”

পার্থক্য-১০: পন্নী সাহেবের বক্তব্য পড়লে স্পষ্ট বোঝা যায়, তিনি নিজেকে 'সংস্কারক' দাবী করার ছদ্মাবরণে প্রকারান্তরে নবী হওয়ারই দাবী করতে চান। তার বক্তব্য দেখুন: “হেযবুত তওহীদ সৃষ্টি করেছেন আল্লাহ স্বয়ং, তিনিই একে গত ১৯ বছর ধরে পরিচালনা করে আসছেন। এই আন্দোলন প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহ মানবজাতির মধ্য থেকে মাননীয় এমামুযযামানকে এ যুগের নেতা হিসাবে মনোনীত করেছেন।” পক্ষান্তরে ইসলাম ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা আল্লাহ তাআলা আর তাঁর পক্ষ থেকে প্রেরিত সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আমরা (মুসলিম) মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুসারী।

টিকাঃ
৯১. এসলামের প্রকৃত রূপরেখা, পৃষ্ঠা ৬১-৬২, আরো দেখুন, এসলাম শুধু নাম থাকবে, পৃষ্ঠা ২৫, জঙ্গিবাদ সঙ্কট সমাধানের উপায়, পৃষ্ঠা ৬৪, এ জাতির পায়ে লুটিয়ে পড়বে বিশ্ব, পৃষ্ঠা ১৮-১৯
৯২. বুখারী ৯, মুসলিম ৩৫
৯৩. বুখারী ৫০, মুসলিম ৮
৯৪. তাকওয়া ও হেদায়াহ, পৃষ্ঠা ২, দাজ্জাল? ইহুদী-খৃষ্টান সভ্যতা! পৃষ্ঠা ১০, এ ইসলাম ইসলামই নয়, পৃষ্ঠা ১৮
৯৫. সূরা ইখলাস
৯৬. সূরা যুমার: ৬২
৯৭. সূরা নিসা: ২৮
৯৮. এ ইসলাম ইসলামই নয়, পৃষ্ঠা ২১
৯৯. মুসলিম হাদীস-১২৩, বুখারী: হাদীস-৪২৪৩
১০০. এ ইসলাম ইসলামই নয়, পৃষ্ঠা ১১০
১০১. বুখারী: হাদীস-৬০৯৯
১০২. এ ইসলাম ইসলামই নয়, পৃষ্ঠা ১৩৯-১৪০, সকল ধর্মের মর্মকথা সবার উর্ধ্বে মানবতা: পৃষ্ঠা-৫
১০৩. সূরা আলে ইমরান: আয়াত-৭৮
১০৪. এ ইসলাম ইসলামই নয়: পৃষ্ঠা-১৬, ১৯
১০৫. সূরা তাহরীম: আয়াত-৬
১০৬. সূরা ফুরকান: আয়াত-৫৯, আলিফ লাম মীম সিজদাহ: আয়াত-৪
১০৭. সূরা আরাফ ১৯৪, সূরা ইউসুফ ৪০, সূরা আনকাবুত ১৭, সূরা ফুরক্বান ৩, সূরা হজ্জ্ব আয়াত-৭৩
১০৮. মো'মেন, মুসলিম ও উম্মতে মোহাম্মদীর আকীদা: পৃষ্ঠা-৭
১০৯. চলমান সংকট নিরসনে আদর্শিক লড়াই: পৃষ্ঠা-১৫
১১০. জঙ্গিবাদ সঙ্কট সমাধানের উপায়: পৃষ্ঠা-৬৪
১১১. সকল ধর্মের মর্মকথা সবার ঊর্ধ্বে মানবতা: পৃষ্ঠা-১৫

ফন্ট সাইজ
15px
17px