📄 জান্নাতিরা যেভাবে বালাখানা দেখবে...
সাহল ইবনু সা'দ রা. হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জান্নাতিগণ জান্নাতের বালাখানাগুলিকে এমন গভীরভাবে দেখবে, যেভাবে তোমরা আকাশের তারকা দেখে থাক।”
টিকাঃ
২০৬. সহিহ বুখারি, মুসলিম: ১৮৯৯।
📄 জান্নাতের নিয়ামত
উক্ত রাবী রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এমন এক মজলিসে উপস্থিত ছিলাম, যেখানে তিনি জান্নাত সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি তা সমাপ্ত করলেন এবং আলোচনার শেষে বললেন, “জান্নাতে এমন নিয়ামত (সুখ-সামগ্রী) বিদ্যমান আছে যা কোন চক্ষু দর্শন করেনি, কোন কর্ণ শ্রবণ করেনি এবং কোন মানুষের মনে তার ধারণার উদ্রেকও হয়নি। তারপর তিনি এই আয়াত পাঠ করলেন, যার অর্থ হল—'তারা শয্যা ত্যাগ করে আকাঙ্ক্ষা ও আশংকার সাথে তাদের প্রতিপালককে ডাকে এবং আমি তাদেরকে যে রিযিক প্রদান করেছি তা হতে তারা দান করে। কেউ-ই জানে না তার জন্য তার কৃতকর্মের বিনিময় স্বরূপ নয়ন-প্রীতিকর কি পুরস্কার লুকিয়ে রাখা হয়েছে।”
টিকাঃ
২০৭. সুরা সাজদাহ: ১৬-১৭, সহিহ বুখারি: ১৯০০।
📄 জান্নাতিদের জন্য বিশেষ ঘোষণা
আবু সাঈদ খুদরি রা. ও আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জান্নাতিরা যখন জান্নাতে প্রবেশ করে যাবে তখন একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করবে যে, তোমাদের জন্য এখন অনন্ত জীবন; তোমরা আর কখনো মরবে না। তোমাদের জন্য এখন চির সুস্বাস্থ্য; তোমরা আর কখনো অসুস্থ হবে না। তোমাদের জন্য এখন চির যৌবন; তোমরা আর কখনো বৃদ্ধ হবে না। তোমাদের জন্য এখন চির সুখ ও পরমানন্দ; তোমরা আর কখনো দুঃখ-কষ্ট পাবে না।”
টিকাঃ
২০৮. সহিহ মুসলিম: ১৯০১।
📄 নিম্ন জান্নাতিদের মর্যাদা...
আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে নিম্নতম জান্নাতির মর্যাদা এই হবে যে, তাকে আল্লাহ তায়ালা বলবেন, 'তুমি আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ কর (আমি অমুক জিনিস চাই, অমুক বস্তু চাই ইত্যাদি)।' সুতরাং সে কামনা করবে আর কামনা করতেই থাকবে। তিনি বলবেন, 'তুমি কামনা করলে কি?' সে উত্তর দেবে, 'হ্যাঁ।' তিনি তাকে বলবেন, 'তোমার জন্য সেই পরিমাণ রইল, যে পরিমাণ তুমি কামনা করেছ এবং তার সাথে সাথে তার সমতুল্য আরও কিছু রইল।”
টিকাঃ
২০৯. সহিহ মুসলিম: ১৯০২।