📄 মুমিনদের জন্য একাধিক স্ত্রী থাকবে
আবু মুসা আশআরি রা. হতে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় জান্নাতে মুমিনদের জন্য একটি শূণ্যগর্ভ মোতির তাঁবু থাকবে, যার দৈর্ঘ্য হবে ষাট মাইল। এর মধ্যে মুমিনদের জন্য একাধিক স্ত্রী থাকবে। যাদের সকলের সাথে মুমিন সহবাস করবে। কিন্তু তাদের কেউ কাউকে দেখতে পাবে না।”
টিকাঃ
২০১. সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম: ১৮৯৪।
📄 জান্নাতের একটি বৃক্ষ
আবু সাঈদ খুদরি রা. হতে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জান্নাতের মধ্যে এমন একটি বৃক্ষ আছে, যার ছায়ায় কোন আরোহী উৎকৃষ্ট, বিশেষভাবে প্রতিপালিত হালকা দেহের দ্রুতগামী ঘোড়ায় চড়ে একশো বছর চললেও তা অতিক্রম করতে সক্ষম হবে না।”
টিকাঃ
২০২. সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম : ১৮৯৫।
📄 জান্নাতিদের মর্যাদার ব্যবধান
উক্ত রাবী (আবু সাঈদ খুদরি রা.) হতে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “অবশ্যই জান্নাতিগণ তাদের উপরের বালাখানার অধিবাসীদের এমনভাবে দেখতে পাবে, যেমন তোমরা আকাশের পূর্ব অথবা পশ্চিম দিগন্তে উজ্জ্বল অস্তগামী তারকা গভীর দৃষ্টিতে দেখতে পাও। এটি হবে তাদের মর্যাদার ব্যবধানের জন্য।” (সাহাবিগণ) বললেন, 'হে আল্লাহর রাসুল! এ তো নবীগণের স্থান; তাঁরা ছাড়া অন্যরা সেখানে পৌঁছতে পারবে না।' তিনি বললেন, “অবশ্যই, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার প্রাণ! সেই লোকরাও (পৌঁছতে পারবে) যারা আল্লাহর প্রতি ইমান রেখে রাসুলগণকে সত্য বলে বিশ্বাস করেছে।”
আবু হুরাইরা রা. হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জান্নাতে ধনুক পরিমাণ স্থান (দুনিয়ার) যেসব বস্তুর উপর সূর্য উদিত কিংবা অস্তমিত হচ্ছে সেসব বস্তু চেয়েও উত্তম।”
টিকাঃ
২০৩. সহিহ বুখারি : ১৮৯৬।
২০৪. সহিহ বুখারি-মুসলিম: ১৮৯৭।
📄 বায়ু প্রবাহের দ্বারা তাদের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে...
আনাস রা. হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জান্নাতে একটি বাজার হবে, যেখানে জান্নাতিগণ প্রত্যেক শুক্রবার আসবে। তখন উত্তর দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হবে, যা তাদের চেহারায় ও কাপড়ে সুগন্ধ ছড়িয়ে দেবে। ফলে তাদের শোভা-সৌন্দর্য আরও বেড়ে যাবে। অতঃপর তারা রূপ-সৌন্দর্যের বৃদ্ধি নিয়ে তাদের স্ত্রীগণের কাছে ফিরবে। তখন তারা তাদেরকে দেখে বলবে, 'আল্লাহর কসম! আপনাদের রূপ-সৌন্দর্য বেড়ে গেছে!' তারাও বলে উঠবে, 'আল্লাহর শপথ! আমাদের যাবার পর তোমাদেরও রূপ-সৌন্দর্য বেড়ে গেছে!”
টিকাঃ
২০৫. সহিহ মুসলিম: ১৮৯৮।