📄 জান্নাত পেতে হলে...
জান্নাত পেতে হলে সুরা ইখলাস পাঠ:
জান্নাতকে পেতে হলে সুরা ইখলাস পাঠ করা চাই। সুরা ইখলাস পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাত দান করবেন। এমনই সুসংবাদ দিয়েছেন আখেরি নবি মুহাম্মাদে আরাবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- “যে ব্যক্তি সুরা ইখলাস দশবার পাঠ করবে আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতে একটি বাড়ি নির্মাণ করে দিবেন।” (সুবহানাল্লাহ)
দুনিয়ার মানুষের জন্য এত অল্প সময়ে জান্নাত লাভের আশায় কি পরিমান মেহনত করা দরকার। বাহ! আল্লাহ তায়ালা কত দয়া করেছেন মানবের উপর। আল্লাহ তায়ালা খুব স্বল্প সময়ে কত বড় জান্নাত দেওয়ার ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে জান্নাতের আমল করে জান্নাতি হওয়ার তাওফিক দান করুন.
প্রিয় যুবক ভাই! তুমি যদি এ কাজ প্রতিদিন করতে পারো তাহলে জান্নাতে তোমার জন্য অসংখ্য বাড়ি নির্মিত হবে। তাই আর দেরি নয় এবার জান্নাতের সুখময় উদ্যানে শান্তির জন্য জান্নাতি আমল শুরু করে দাও।
টিকাঃ
[৯২] সিলসিলা সহিহা: ৫৮৯।
📄 সূরা ইখলাসের ফযিলত
আবু দারদা রা. থেকে বর্ণিত। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- “তোমাদের কেউ কি রাতের মধ্যে পুরো কুরআনের তৃতীয়াংশ তিলাওয়াত করতে সক্ষম হয়? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, হে রাসুল! এক রাতে কি কুরআনের তৃতীয়াংশ পাঠ করা যায়? (কিভাবে তা সম্ভব?) তখন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সুরা ইখলাসই কুরআনের এক তৃতীয়াংশ সমপরিমাণ হয়ে থাকে।”
আনাস রা. থেকে বর্ণিত। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- “যে বান্দা সুরা কাফিরুন তিলাওয়াত করবেন, আল্লাহ তায়ালা তাকে পুরো কুরআনুল কারিমের এক চতুর্থাংশ পড়ার সওয়াব দান করবেন। আর যে বান্দা সুরা ইখলাস পাঠ করবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে পুরো কুরআনুল করিম পড়ার এক তৃতীয়াংশ সমপরিমাণ সওয়াব দান করবেন।”
টিকাঃ
[৯৩] সহিহ মুসলিম: ২১২৭।
[৯৪] সুনানে তিরমিযি: ২৮৯৩।
📄 সূরা ইখলাস পাঠ হলো ইমানের নিদর্শন
জাবির রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি ফজর নামাজে দাঁড়িয়ে প্রথম রাকাআতে সুরা ফাতিহা পাঠ করলো, তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এই বান্দা আল্লাহকে চিনেছে ও বুকে আল্লাহর পরিচয় গেঁথে নিয়েছে। অতঃপর ঐ লোকটি দ্বিতীয় রাকাআতে সুরা ইখলাস তিলাওয়াত করে সালাত শেষ করার পর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, এই বান্দা আল্লাহর প্রতি ইমান এনেছে। তখন তালহা রা. বলেন, আমিও এই দুই সুরাকে দুই রাকাআতে পড়তে পছন্দ করি.
টিকাঃ
[৯৫] সহিহ ইবনু হিব্বান: ২৪৫১।
📄 জান্নাত ওয়াজিব হবে
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে সুরা ইখলাস তিলাওয়াত করতে শুনে বলেন-
“এই ব্যক্তির উপর ওয়াজিব হয়েছে। আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! কি ওয়াজিব হয়েছে? রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে।”
আনাস রা. বলেন-
“এক ব্যক্তি নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে এসে বলেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি সুরা ইখলাসকে তিলাওয়াত করতে ভালোবাসি। তখন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, নিশ্চয়ই এই সুরা তিলাওয়াত করতে ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে."
টিকাঃ
[৯৬] মুয়াত্তায়ে মালেক, সহিহ আত তারগিব : ১৪৭৮।
[৯৭] সুনানু তিরমিযি: ২৯০১।