📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 আল্লাহকে যে ভালোবাসবে সে

📄 আল্লাহকে যে ভালোবাসবে সে


আয়েশা রা. বলেন-
“নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোনো এক যুদ্ধের আমীর নিযুক্ত করে পাঠালেন। ঐ ব্যক্তি যুদ্ধের সফরকালে সে তার সাথীদের জন্য সালাত পড়তো এবং সুরা ইখলাসের মাধ্যমে সালাত পূর্ণ পড়তেন। অতঃপর তারা এ যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর রাসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়টা অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম জানালেন, তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করো সে এ কাজ কেন করেছে? সাহাবায়ে কেরাম তাকে জিজ্ঞেস করলো, সে বলতে লাগলো আমি সুরা ইখলাস পাঠ করার কারণ হলো এ সুরাতে আল্লাহর গুণবাচক নাম রয়েছে; তাই আমি এ সুরাকে ভালোবাসি। তখন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে সুসংবাদ প্রদান করো যে, আল্লাহ তায়ালাও তাকে খুব ভালোবাসে।”

টিকাঃ
[৪১] সহিহ বুখারি: ৭৩৭৫, সহিহ মুসলিম: ৮১৩।

আয়েশা রা. বলেন-
“নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোনো এক যুদ্ধের আমীর নিযুক্ত করে পাঠালেন। ঐ ব্যক্তি যুদ্ধের সফরকালে সে তার সাথীদের জন্য সালাত পড়তো এবং সুরা ইখলাসের মাধ্যমে সালাত পূর্ণ পড়তেন। অতঃপর তারা এ যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর রাসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়টা অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম জানালেন, তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করো সে এ কাজ কেন করেছে? সাহাবায়ে কেরাম তাকে জিজ্ঞেস করলো, সে বলতে লাগলো আমি সুরা ইখলাস পাঠ করার কারণ হলো এ সুরাতে আল্লাহর গুণবাচক নাম রয়েছে; তাই আমি এ সুরাকে ভালোবাসি। তখন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে সুসংবাদ প্রদান করো যে, আল্লাহ তায়ালাও তাকে খুব ভালোবাসে।”

টিকাঃ
[৪১] সহিহ বুখারি: ৭৩৭৫, সহিহ মুসলিম: ৮১৩।

📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 জান্নাতে তার বাড়ি হবে

📄 জান্নাতে তার বাড়ি হবে


মুয়াজ বিন আনাস রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুরা ইখলাস দশবার পাঠ করবে, দয়াময় আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতে বাড়ি নির্মাণ করে দিবেন (সুবহানাল্লাহ)।”

আব্দুল্লাহ ইবনু হাবিব রা. বলেন, “একদা আমরা অন্ধকার বৃষ্টির রাতে বের হয়ে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তালাশ করছিলাম, অতঃপর আমরা তার দেখা পেলাম। তিনি বলেন, তুমি বলো, আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি কি বলব? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি মুআওয়্যিযাতাইন অর্থাৎ সুরা নাস ও ফালাক পাঠ করো। সকালে-বিকেলে তিনবার পাঠ করবে, এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।”

উকবা বিন আমের রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
“হে উকবা! আমি কি তোমাকে এমন সুরা শিক্ষা দিবো না যে সুরাটির মতো তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও কুরআনে এমন কোনো সুরা নাযিল হয়নি। হে উকবা! তোমার থেকে যেন এমন কোনো রাত না যায়, যে রাতে তুমি এ সুরাটি তিলাওয়াত করোনি। তা হলো নাস, ফালাক, ইখলাস."

টিকাঃ
[৪২] মুসনাদু আহমাদ: ১৫৬১০।
[৪৩] সহিহ আল জা'মে: ১৫৩৪।
[৪৪] মুসনাদু আহমাদ: ১৭৪৫২।

মুয়াজ বিন আনাস রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুরা ইখলাস দশবার পাঠ করবে, দয়াময় আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতে বাড়ি নির্মাণ করে দিবেন (সুবহানাল্লাহ)।”

আব্দুল্লাহ ইবনু হাবিব রা. বলেন, “একদা আমরা অন্ধকার বৃষ্টির রাতে বের হয়ে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তালাশ করছিলাম, অতঃপর আমরা তার দেখা পেলাম। তিনি বলেন, তুমি বলো, আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি কি বলব? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি মুআওয়্যিযাতাইন অর্থাৎ সুরা নাস ও ফালাক পাঠ করো। সকালে-বিকেলে তিনবার পাঠ করবে, এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।”

উকবা বিন আমের রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
“হে উকবা! আমি কি তোমাকে এমন সুরা শিক্ষা দিবো না যে সুরাটির মতো তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও কুরআনে এমন কোনো সুরা নাযিল হয়নি। হে উকবা! তোমার থেকে যেন এমন কোনো রাত না যায়, যে রাতে তুমি এ সুরাটি তিলাওয়াত করোনি। তা হলো নাস, ফালাক, ইখলাস."

টিকাঃ
[৪২] মুসনাদু আহমাদ: ১৫৬১০।
[৪৩] সহিহ আল জা'মে: ১৫৩৪।
[৪৪] মুসনাদু আহমাদ: ১৭৪৫২।

📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 জান্নাতের মেহমান হতে হলে

📄 জান্নাতের মেহমান হতে হলে


জান্নাতের মেহমান হতে হলে..

সাদ্দাদ বিন আউস রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার হলো-
“হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রভু, তুমি ব্যতিত ইবাদতের যোগ্য আর কোনো উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো, আর আমি হচ্ছি তোমার বান্দা, আমি আমার সাধ্যমত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় কামনা করছি, আমার প্রতি তোমার নেয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করতেছি। আমি আমার গুনাহের খাতার কথা স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, নিশ্চয় তুমি ব্যতিত আর কেউ গুনাহ ক্ষমাকারী নেই।

যে ব্যক্তি দৃঢ়বিশ্বাস নিয়ে এ দোয়া দিনে পাঠ করবে, আর সন্ধ্যার পূর্বে মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতে যাবে। আর যে ব্যক্তি রাতের বেলায় একিনসহ এ দোয়া পাঠ করবে এবং সকাল হওয়ার পূর্বে যদি মৃত্যুবরণ করে তাহলে সেও জান্নাতি হবে।”

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, “সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার হলো সবচে' ফযিলত সম্পন্ন ও অনেক উত্তম দোয়া। তা হচ্ছে—'হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রভু, তুমি ব্যতিত ইবাদতের যোগ্য আর কোনো উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো, আর আমি হচ্ছি তোমার বান্দা, আমি আমার সাধ্যমত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় কামনা করছি, আমার প্রতি তোমার নেয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করতেছি। আমি আমার গুনাহের খাতার কথা স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, নিশ্চয় তুমি ব্যতিত আর কেউ গুনাহ ক্ষমাকারী নেই।' যে ব্যক্তি দৃঢ়বিশ্বাস নিয়ে এ দোয়া দিনে পাঠ করবে, আর সন্ধ্যার পূর্বে মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতে যাবে। আর যে ব্যক্তি রাতের বেলায় একিনসহ এ দোয়া পাঠ করবে এবং সকাল হওয়ার পূর্বে যদি মৃত্যুবরণ করে তাহলে সেও জান্নাতি হবে।"

অর্থাৎ তুমি, তোমার মুখ, অন্তর ও হৃদয়ের আবেগ ও ভালোবাসা দিয়ে বিশ্বাস করবে তিনি সেই প্রভু যিনি এ সমগ্র দুনিয়ার একচ্ছত্র অধিপতি। তিন সব কার্য সম্পাদন করেন তার নিজের দয়া ও রহমতে। তুমি তার বান্দা, তিনি সে মহান সত্তা যাকে ইচ্ছা সুস্থ রাখেন যাকে ইচ্ছে অসুস্থ রাখেন। তিনি চাইলে তোমাকেও সুস্থ রাখবেন ও অসুস্থ রাখবেন। তিনি চাইলে ধনী বানাবেন চাইলে ফকির-মিসকিন বানিয়ে রাখবেন। তিনি চাইলে তোমাকে সঠিক পথে চালাবেন, আর চাইলে তোমাকে বক্র পথে চালাবেন। সবই তার ইচ্ছা।

এমনিভাবে তোমার হৃদয়ে একথা বদ্ধমুল করে নিতে হবে যে, তুমি তার বান্দা, তাই তোমাকে তার সব আদেশ মেনে নিতে হবে, তার নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে থাকতে হবে। তাইতো তুমি এ কথা স্বীকৃতি দিচ্ছো যে, হে আল্লাহ! আপনি আমার রব, আমি আপনার বান্দা, আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি আপনার ওয়াদা ও অঙ্গীকারাবদ্ধ। হ্যাঁ, তোমাকে তিনি অনস্তিত্ব থেকে সৃষ্টি করেছেন। হ্যাঁ, প্রতিটি বান্দাই আল্লাহর সাথে ওয়াদা করেছে যে, আল্লাহর প্রতিটি বিধানের উপর পরিপূর্ণভাবে আমল করবে। আর যখন আল্লাহ তায়ালা তাদের থেকে ওয়াদা নিলো যে, তাতে কোনো কিছু গোপন করবে না।

টিকাঃ
[৪৫] সহিহ বুখারি: ৬৩০৬।
[৪৬] শরহু রিয়াজুস সালেহিন: ২/৮১৭-৮১৮।
[৪৯] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৬/৭১৮।

জান্নাতের মেহমান হতে হলে..

সাদ্দাদ বিন আউস রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার হলো-
“হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রভু, তুমি ব্যতিত ইবাদতের যোগ্য আর কোনো উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো, আর আমি হচ্ছি তোমার বান্দা, আমি আমার সাধ্যমত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় কামনা করছি, আমার প্রতি তোমার নেয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করতেছি। আমি আমার গুনাহের খাতার কথা স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, নিশ্চয় তুমি ব্যতিত আর কেউ গুনাহ ক্ষমাকারী নেই।

যে ব্যক্তি দৃঢ়বিশ্বাস নিয়ে এ দোয়া দিনে পাঠ করবে, আর সন্ধ্যার পূর্বে মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতে যাবে। আর যে ব্যক্তি রাতের বেলায় একিনসহ এ দোয়া পাঠ করবে এবং সকাল হওয়ার পূর্বে যদি মৃত্যুবরণ করে তাহলে সেও জান্নাতি হবে।”

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, “সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার হলো সবচে' ফযিলত সম্পন্ন ও অনেক উত্তম দোয়া। তা হচ্ছে—'হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রভু, তুমি ব্যতিত ইবাদতের যোগ্য আর কোনো উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো, আর আমি হচ্ছি তোমার বান্দা, আমি আমার সাধ্যমত তোমার প্রতিশ্রুতিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার আশ্রয় কামনা করছি, আমার প্রতি তোমার নেয়ামতের স্বীকৃতি প্রদান করতেছি। আমি আমার গুনাহের খাতার কথা স্বীকার করছি। অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও, নিশ্চয় তুমি ব্যতিত আর কেউ গুনাহ ক্ষমাকারী নেই।' যে ব্যক্তি দৃঢ়বিশ্বাস নিয়ে এ দোয়া দিনে পাঠ করবে, আর সন্ধ্যার পূর্বে মৃত্যুবরণ করবে সে জান্নাতে যাবে। আর যে ব্যক্তি রাতের বেলায় একিনসহ এ দোয়া পাঠ করবে এবং সকাল হওয়ার পূর্বে যদি মৃত্যুবরণ করে তাহলে সেও জান্নাতি হবে।"

অর্থাৎ তুমি, তোমার মুখ, অন্তর ও হৃদয়ের আবেগ ও ভালোবাসা দিয়ে বিশ্বাস করবে তিনি সেই প্রভু যিনি এ সমগ্র দুনিয়ার একচ্ছত্র অধিপতি। তিন সব কার্য সম্পাদন করেন তার নিজের দয়া ও রহমতে। তুমি তার বান্দা, তিনি সে মহান সত্তা যাকে ইচ্ছা সুস্থ রাখেন যাকে ইচ্ছে অসুস্থ রাখেন। তিনি চাইলে তোমাকেও সুস্থ রাখবেন ও অসুস্থ রাখবেন। তিনি চাইলে ধনী বানাবেন চাইলে ফকির-মিসকিন বানিয়ে রাখবেন। তিনি চাইলে তোমাকে সঠিক পথে চালাবেন, আর চাইলে তোমাকে বক্র পথে চালাবেন। সবই তার ইচ্ছা।

এমনিভাবে তোমার হৃদয়ে একথা বদ্ধমুল করে নিতে হবে যে, তুমি তার বান্দা, তাই তোমাকে তার সব আদেশ মেনে নিতে হবে, তার নিষেধাজ্ঞা থেকে বেঁচে থাকতে হবে। তাইতো তুমি এ কথা স্বীকৃতি দিচ্ছো যে, হে আল্লাহ! আপনি আমার রব, আমি আপনার বান্দা, আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন। আমি আপনার ওয়াদা ও অঙ্গীকারাবদ্ধ। হ্যাঁ, তোমাকে তিনি অনস্তিত্ব থেকে সৃষ্টি করেছেন। হ্যাঁ, প্রতিটি বান্দাই আল্লাহর সাথে ওয়াদা করেছে যে, আল্লাহর প্রতিটি বিধানের উপর পরিপূর্ণভাবে আমল করবে। আর যখন আল্লাহ তায়ালা তাদের থেকে ওয়াদা নিলো যে, তাতে কোনো কিছু গোপন করবে না।

টিকাঃ
[৪৫] সহিহ বুখারি: ৬৩০৬।
[৪৬] শরহু রিয়াজুস সালেহিন: ২/৮১৭-৮১৮।
[৪৯] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৬/৭১৮।

📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 তারাই আপনার জান্নাতের উপায় হবে...

📄 তারাই আপনার জান্নাতের উপায় হবে...


জাবের বিন আব্দুল্লাহ রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তির তিনের অধিক কন্যা সন্তান হবে আর সে ব্যক্তি সেগুলোকে লালন-পালন করে ও যথেষ্ট ব্যবস্থা করে এবং তাদের উপর দয়া করে তাহলে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবেই। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠলো, ইয়া রাসুলুল্লাহ! দু'জনের যে ব্যক্তি লালন-পালন করবে, নবিজি তখন বললেন, হ্যাঁ, সে ব্যক্তিও জান্নাতে যাবে।”

ইবনু বায রহ. বলেন, উপরোক্ত হাদিসের মাধ্যমে বুঝা যায় যে, এটার মাধ্যমে নারিদের উপর ইহসান করা হয়েছে। আর নারিদের সাথে ভালো আচরণ করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। আর সেজন্য আল্লাহর কাছে অনেক প্রতিদান পাবে, কারণ এটা জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যম। জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ। আর যে ব্যক্তির বোন, ফুফু, খালা ও অভাবী অন্যান্য আত্মীয় স্বজনকে লালন-পালন করবে, তাদের সাথে উত্তম আচরণ করবে ও খাদ্য পোশাক-আশাক ইত্যাদি প্রদান করবে, আল্লাহ তায়ালা তাকেও মহা সওয়াব দান করে জান্নাত দান করবেন। উপরোক্ত হাদিসে তিন জনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নয়, বরং যে ব্যক্তি একজন, দুইজন, ও একাধিক কন্যা সন্তানের লালন-পালন করবে ও তাতে ধৈর্যধারণ করে ও তাদের সাথে উত্তম আচরণ করে, হতে পারে আল্লাহ তায়ালা সবাইকে এই মহা সওয়াব দান করবে। যেমনটাই বুঝা যায় অভাবী ও দুঃখীদের পাশে দাড়ানোর বিভিন্ন আয়াত ও হাদিস থেকে। আর এ সওয়াব মিলবে ও জান্নাতে যাওয়ার উপায় হবে দাদা-দাদি, নানা-নানি, পিতা-মাতা সহ সবার ক্ষেত্রেই। কারণ পিতা-মাতার সম্মান ও শ্রদ্ধা করা সন্তানের উপর ওয়াজিব। আল্লাহ তায়ালা সর্বাধিক তাওফিক দানকারী।

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, উপরোক্ত হাদিসে কন্যা সন্তানকে লালন-পালনের ব্যপারে অনেক ফযিলত এসেছে। কারণ নারিজাতি একটু দুর্বল। আর সাধারণত পরিবারবর্গ তাদেরকে কোনো যত্ন নেয় না এবং দামও দেয় না। কারণ তারা আয়-রোজগার করতে পারে না। তাই প্রিয়তম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দুইজন কন্যাকে লালন-পালন করবে, কিয়ামত দিবসে সে ব্যক্তি আর আমি দুই আঙ্গুলের ফাকা সম পরিমান থাকবো। তখন তিনি তার হাতের মধ্যমা কনিষ্ঠা আঙ্গুলকে একসাথে করলেন। অর্থ্যাৎ সে ব্যক্তি আখেরাতে জান্নাতে নবিজির সাথে থাকবে।

লালন-পালনের পরিমাণ: লালন-পালনের দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, সাধারণত শরীরের কাপড়-চোপড়, খাবার-দাবার ও বসবাসের জন্য উপযোগী স্থান। এমনিভাবে তার হৃদয়ের খাদ্য তথা দ্বীনি ইলম, অন্তর পরিশুদ্ধতা, সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকার ব্যবস্থা করা।

টিকাঃ
[৪৮] মুসনাদু আহমাদ: ৮৪২৫; হাদিসটি হাসান।
[৪৯] ফাতাওয়ায়ে ইবনু বায: ২৫/৩৬৫।
[৫০] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৩/১০৫-১০৬।

জাবের বিন আব্দুল্লাহ রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তির তিনের অধিক কন্যা সন্তান হবে আর সে ব্যক্তি সেগুলোকে লালন-পালন করে ও যথেষ্ট ব্যবস্থা করে এবং তাদের উপর দয়া করে তাহলে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবেই। তখন এক ব্যক্তি বলে উঠলো, ইয়া রাসুলুল্লাহ! দু'জনের যে ব্যক্তি লালন-পালন করবে, নবিজি তখন বললেন, হ্যাঁ, সে ব্যক্তিও জান্নাতে যাবে।”

ইবনু বায রহ. বলেন, উপরোক্ত হাদিসের মাধ্যমে বুঝা যায় যে, এটার মাধ্যমে নারিদের উপর ইহসান করা হয়েছে। আর নারিদের সাথে ভালো আচরণ করার প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। আর সেজন্য আল্লাহর কাছে অনেক প্রতিদান পাবে, কারণ এটা জান্নাতে যাওয়ার মাধ্যম। জাহান্নাম থেকে মুক্তির কারণ। আর যে ব্যক্তির বোন, ফুফু, খালা ও অভাবী অন্যান্য আত্মীয় স্বজনকে লালন-পালন করবে, তাদের সাথে উত্তম আচরণ করবে ও খাদ্য পোশাক-আশাক ইত্যাদি প্রদান করবে, আল্লাহ তায়ালা তাকেও মহা সওয়াব দান করে জান্নাত দান করবেন। উপরোক্ত হাদিসে তিন জনের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নয়, বরং যে ব্যক্তি একজন, দুইজন, ও একাধিক কন্যা সন্তানের লালন-পালন করবে ও তাতে ধৈর্যধারণ করে ও তাদের সাথে উত্তম আচরণ করে, হতে পারে আল্লাহ তায়ালা সবাইকে এই মহা সওয়াব দান করবে। যেমনটাই বুঝা যায় অভাবী ও দুঃখীদের পাশে দাড়ানোর বিভিন্ন আয়াত ও হাদিস থেকে। আর এ সওয়াব মিলবে ও জান্নাতে যাওয়ার উপায় হবে দাদা-দাদি, নানা-নানি, পিতা-মাতা সহ সবার ক্ষেত্রেই। কারণ পিতা-মাতার সম্মান ও শ্রদ্ধা করা সন্তানের উপর ওয়াজিব। আল্লাহ তায়ালা সর্বাধিক তাওফিক দানকারী।

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, উপরোক্ত হাদিসে কন্যা সন্তানকে লালন-পালনের ব্যপারে অনেক ফযিলত এসেছে। কারণ নারিজাতি একটু দুর্বল। আর সাধারণত পরিবারবর্গ তাদেরকে কোনো যত্ন নেয় না এবং দামও দেয় না। কারণ তারা আয়-রোজগার করতে পারে না। তাই প্রিয়তম রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি দুইজন কন্যাকে লালন-পালন করবে, কিয়ামত দিবসে সে ব্যক্তি আর আমি দুই আঙ্গুলের ফাকা সম পরিমান থাকবো। তখন তিনি তার হাতের মধ্যমা কনিষ্ঠা আঙ্গুলকে একসাথে করলেন। অর্থ্যাৎ সে ব্যক্তি আখেরাতে জান্নাতে নবিজির সাথে থাকবে।

লালন-পালনের পরিমাণ: লালন-পালনের দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, সাধারণত শরীরের কাপড়-চোপড়, খাবার-দাবার ও বসবাসের জন্য উপযোগী স্থান। এমনিভাবে তার হৃদয়ের খাদ্য তথা দ্বীনি ইলম, অন্তর পরিশুদ্ধতা, সৎ কাজের আদেশ, অসৎ কাজ থেকে বিরত থাকার ব্যবস্থা করা।

টিকাঃ
[৪৮] মুসনাদু আহমাদ: ৮৪২৫; হাদিসটি হাসান।
[৪৯] ফাতাওয়ায়ে ইবনু বায: ২৫/৩৬৫।
[৫০] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৩/১০৫-১০৬।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00