📄 খুব সহজেই জান্নাত মিলবে
উবাইদ বিন হুনাইক রা. বলেন, তিনি বলেন, আমি হাদিস সম্রাট আবু হুরায়রা রা.-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন-“আমি একবার নবিজির কাছে আসলাম এবং শুনলাম এক ব্যক্তি সুরা ইখলাস পড়লেন, তখন নবিজি বললেন, তার জন্য ওয়াজিব হয়ে গেছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে প্রিয়তম রাসুল! কি ওয়াজিব হয়ে গেছে? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে। আবু হুরায়রা বলেন, আমি তাকে এ সংবাদ দিতে ইচ্ছা করেছিলাম, কিন্তু খাবার তার থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করে দিলো, এরপর তার কাছে গিয়ে দেখলাম সে চলে গেছে।”
ইবনু ওমর রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুরা ইখলাস কুরআনুল কারিমের এক তৃতীয়াংশের সমপরিমান আর সুরা কাফিরুন এক চতুর্থাংশের সমপরিমাণ।"
টিকাঃ
[৩৮] সহিহুত তারগিব: ১৪৭৮; হাদিসটির সনদ সহিহ।
[৩৯] সহিহুল জা'মে: ৪৪০৫; হাদিসটি সহিহ।
উবাইদ বিন হুনাইক রা. বলেন, তিনি বলেন, আমি হাদিস সম্রাট আবু হুরায়রা রা.-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন-“আমি একবার নবিজির কাছে আসলাম এবং শুনলাম এক ব্যক্তি সুরা ইখলাস পড়লেন, তখন নবিজি বললেন, তার জন্য ওয়াজিব হয়ে গেছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে প্রিয়তম রাসুল! কি ওয়াজিব হয়ে গেছে? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে। আবু হুরায়রা বলেন, আমি তাকে এ সংবাদ দিতে ইচ্ছা করেছিলাম, কিন্তু খাবার তার থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করে দিলো, এরপর তার কাছে গিয়ে দেখলাম সে চলে গেছে।”
ইবনু ওমর রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুরা ইখলাস কুরআনুল কারিমের এক তৃতীয়াংশের সমপরিমান আর সুরা কাফিরুন এক চতুর্থাংশের সমপরিমাণ।"
টিকাঃ
[৩৮] সহিহুত তারগিব: ১৪৭৮; হাদিসটির সনদ সহিহ।
[৩৯] সহিহুল জা'মে: ৪৪০৫; হাদিসটি সহিহ।
📄 জান্নাতকে যে ভালোবাসবে সে যেন
আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “জনৈক ব্যক্তি প্রিয়তমের দরবারে এসে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি এই সুরা (ইখলাসকে) ভালোবাসি। তখন উত্তরে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে."
টিকাঃ
[৪০] মিশকাত শরিফ: ২১৩০।
আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “জনৈক ব্যক্তি প্রিয়তমের দরবারে এসে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি এই সুরা (ইখলাসকে) ভালোবাসি। তখন উত্তরে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে."
টিকাঃ
[৪০] মিশকাত শরিফ: ২১৩০।
📄 আল্লাহকে যে ভালোবাসবে সে
আয়েশা রা. বলেন-
“নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোনো এক যুদ্ধের আমীর নিযুক্ত করে পাঠালেন। ঐ ব্যক্তি যুদ্ধের সফরকালে সে তার সাথীদের জন্য সালাত পড়তো এবং সুরা ইখলাসের মাধ্যমে সালাত পূর্ণ পড়তেন। অতঃপর তারা এ যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর রাসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়টা অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম জানালেন, তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করো সে এ কাজ কেন করেছে? সাহাবায়ে কেরাম তাকে জিজ্ঞেস করলো, সে বলতে লাগলো আমি সুরা ইখলাস পাঠ করার কারণ হলো এ সুরাতে আল্লাহর গুণবাচক নাম রয়েছে; তাই আমি এ সুরাকে ভালোবাসি। তখন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে সুসংবাদ প্রদান করো যে, আল্লাহ তায়ালাও তাকে খুব ভালোবাসে।”
টিকাঃ
[৪১] সহিহ বুখারি: ৭৩৭৫, সহিহ মুসলিম: ৮১৩।
আয়েশা রা. বলেন-
“নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোনো এক যুদ্ধের আমীর নিযুক্ত করে পাঠালেন। ঐ ব্যক্তি যুদ্ধের সফরকালে সে তার সাথীদের জন্য সালাত পড়তো এবং সুরা ইখলাসের মাধ্যমে সালাত পূর্ণ পড়তেন। অতঃপর তারা এ যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর রাসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়টা অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম জানালেন, তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করো সে এ কাজ কেন করেছে? সাহাবায়ে কেরাম তাকে জিজ্ঞেস করলো, সে বলতে লাগলো আমি সুরা ইখলাস পাঠ করার কারণ হলো এ সুরাতে আল্লাহর গুণবাচক নাম রয়েছে; তাই আমি এ সুরাকে ভালোবাসি। তখন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে সুসংবাদ প্রদান করো যে, আল্লাহ তায়ালাও তাকে খুব ভালোবাসে।”
টিকাঃ
[৪১] সহিহ বুখারি: ৭৩৭৫, সহিহ মুসলিম: ৮১৩।
📄 জান্নাতে তার বাড়ি হবে
মুয়াজ বিন আনাস রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুরা ইখলাস দশবার পাঠ করবে, দয়াময় আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতে বাড়ি নির্মাণ করে দিবেন (সুবহানাল্লাহ)।”
আব্দুল্লাহ ইবনু হাবিব রা. বলেন, “একদা আমরা অন্ধকার বৃষ্টির রাতে বের হয়ে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তালাশ করছিলাম, অতঃপর আমরা তার দেখা পেলাম। তিনি বলেন, তুমি বলো, আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি কি বলব? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি মুআওয়্যিযাতাইন অর্থাৎ সুরা নাস ও ফালাক পাঠ করো। সকালে-বিকেলে তিনবার পাঠ করবে, এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।”
উকবা বিন আমের রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
“হে উকবা! আমি কি তোমাকে এমন সুরা শিক্ষা দিবো না যে সুরাটির মতো তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও কুরআনে এমন কোনো সুরা নাযিল হয়নি। হে উকবা! তোমার থেকে যেন এমন কোনো রাত না যায়, যে রাতে তুমি এ সুরাটি তিলাওয়াত করোনি। তা হলো নাস, ফালাক, ইখলাস."
টিকাঃ
[৪২] মুসনাদু আহমাদ: ১৫৬১০।
[৪৩] সহিহ আল জা'মে: ১৫৩৪।
[৪৪] মুসনাদু আহমাদ: ১৭৪৫২।
মুয়াজ বিন আনাস রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুরা ইখলাস দশবার পাঠ করবে, দয়াময় আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতে বাড়ি নির্মাণ করে দিবেন (সুবহানাল্লাহ)।”
আব্দুল্লাহ ইবনু হাবিব রা. বলেন, “একদা আমরা অন্ধকার বৃষ্টির রাতে বের হয়ে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে তালাশ করছিলাম, অতঃপর আমরা তার দেখা পেলাম। তিনি বলেন, তুমি বলো, আমি বললাম, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি কি বলব? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তুমি মুআওয়্যিযাতাইন অর্থাৎ সুরা নাস ও ফালাক পাঠ করো। সকালে-বিকেলে তিনবার পাঠ করবে, এটাই তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।”
উকবা বিন আমের রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-
“হে উকবা! আমি কি তোমাকে এমন সুরা শিক্ষা দিবো না যে সুরাটির মতো তাওরাত, যাবুর, ইঞ্জিল ও কুরআনে এমন কোনো সুরা নাযিল হয়নি। হে উকবা! তোমার থেকে যেন এমন কোনো রাত না যায়, যে রাতে তুমি এ সুরাটি তিলাওয়াত করোনি। তা হলো নাস, ফালাক, ইখলাস."
টিকাঃ
[৪২] মুসনাদু আহমাদ: ১৫৬১০।
[৪৩] সহিহ আল জা'মে: ১৫৩৪।
[৪৪] মুসনাদু আহমাদ: ১৭৪৫২।