📄 একটু সময় প্রভুর জন্য : জান্নাত তোমার জীবনের জন্য
একটু সময় প্রভুর জন্য: জান্নাত তোমার জীবনের জন্য
উকবা বিন আমের রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুন্দর করে ওযু করে অতঃপর হৃদয় ও মন দিয়ে প্রভুর কদমে সিজদা করে দু রাকাআত সালাত আদায় করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।” (সুবহানাল্লাহ!)
হানযালা রা. বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি সালাতের প্রতিটি ওয়াক্ত, ওযু, প্রতিটি রুকু-সিজদার প্রতি লক্ষ্য করে যথারীতি সালাত আদায় করবে এবং সে এটা মনে করে যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এসব আমার উপর দায়িত্ব। তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”
প্রিয় ভাই! কিন্তু আজকাল আমরা সালাতের প্রতি কোনো গুরুত্বই দিচ্ছি না। কোনোরকম সালাত শেষ করলেই হলো। তিনি সেই প্রিয়তম প্রভু, যিনি তোমাকে রহমত ও দয়া করেন প্রতিটি ক্ষণে-ক্ষণে। তার প্রতি তোমার এত অবিচার...! না। আসো আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই-আমরা নামাজের প্রতিটি রুকন ও কাজের প্রতি গুরত্ব দিয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে সালাত পড়বো ইনশা আল্লাহ!
টিকাঃ
[৩৬] সহিহ মুসলিম: ২৩৪।
[৩৭] সহিহুত তারগিব: ৩৮১; সনদ সহিহ।
একটু সময় প্রভুর জন্য: জান্নাত তোমার জীবনের জন্য
উকবা বিন আমের রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুন্দর করে ওযু করে অতঃপর হৃদয় ও মন দিয়ে প্রভুর কদমে সিজদা করে দু রাকাআত সালাত আদায় করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।” (সুবহানাল্লাহ!)
হানযালা রা. বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি সালাতের প্রতিটি ওয়াক্ত, ওযু, প্রতিটি রুকু-সিজদার প্রতি লক্ষ্য করে যথারীতি সালাত আদায় করবে এবং সে এটা মনে করে যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এসব আমার উপর দায়িত্ব। তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”
প্রিয় ভাই! কিন্তু আজকাল আমরা সালাতের প্রতি কোনো গুরুত্বই দিচ্ছি না। কোনোরকম সালাত শেষ করলেই হলো। তিনি সেই প্রিয়তম প্রভু, যিনি তোমাকে রহমত ও দয়া করেন প্রতিটি ক্ষণে-ক্ষণে। তার প্রতি তোমার এত অবিচার...! না। আসো আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই-আমরা নামাজের প্রতিটি রুকন ও কাজের প্রতি গুরত্ব দিয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে সালাত পড়বো ইনশা আল্লাহ!
টিকাঃ
[৩৬] সহিহ মুসলিম: ২৩৪।
[৩৭] সহিহুত তারগিব: ৩৮১; সনদ সহিহ।
📄 খুব সহজেই জান্নাত মিলবে
উবাইদ বিন হুনাইক রা. বলেন, তিনি বলেন, আমি হাদিস সম্রাট আবু হুরায়রা রা.-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন-“আমি একবার নবিজির কাছে আসলাম এবং শুনলাম এক ব্যক্তি সুরা ইখলাস পড়লেন, তখন নবিজি বললেন, তার জন্য ওয়াজিব হয়ে গেছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে প্রিয়তম রাসুল! কি ওয়াজিব হয়ে গেছে? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে। আবু হুরায়রা বলেন, আমি তাকে এ সংবাদ দিতে ইচ্ছা করেছিলাম, কিন্তু খাবার তার থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করে দিলো, এরপর তার কাছে গিয়ে দেখলাম সে চলে গেছে।”
ইবনু ওমর রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুরা ইখলাস কুরআনুল কারিমের এক তৃতীয়াংশের সমপরিমান আর সুরা কাফিরুন এক চতুর্থাংশের সমপরিমাণ।"
টিকাঃ
[৩৮] সহিহুত তারগিব: ১৪৭৮; হাদিসটির সনদ সহিহ।
[৩৯] সহিহুল জা'মে: ৪৪০৫; হাদিসটি সহিহ।
উবাইদ বিন হুনাইক রা. বলেন, তিনি বলেন, আমি হাদিস সম্রাট আবু হুরায়রা রা.-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন-“আমি একবার নবিজির কাছে আসলাম এবং শুনলাম এক ব্যক্তি সুরা ইখলাস পড়লেন, তখন নবিজি বললেন, তার জন্য ওয়াজিব হয়ে গেছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে প্রিয়তম রাসুল! কি ওয়াজিব হয়ে গেছে? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে। আবু হুরায়রা বলেন, আমি তাকে এ সংবাদ দিতে ইচ্ছা করেছিলাম, কিন্তু খাবার তার থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করে দিলো, এরপর তার কাছে গিয়ে দেখলাম সে চলে গেছে।”
ইবনু ওমর রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুরা ইখলাস কুরআনুল কারিমের এক তৃতীয়াংশের সমপরিমান আর সুরা কাফিরুন এক চতুর্থাংশের সমপরিমাণ।"
টিকাঃ
[৩৮] সহিহুত তারগিব: ১৪৭৮; হাদিসটির সনদ সহিহ।
[৩৯] সহিহুল জা'মে: ৪৪০৫; হাদিসটি সহিহ।
📄 জান্নাতকে যে ভালোবাসবে সে যেন
আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “জনৈক ব্যক্তি প্রিয়তমের দরবারে এসে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি এই সুরা (ইখলাসকে) ভালোবাসি। তখন উত্তরে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে."
টিকাঃ
[৪০] মিশকাত শরিফ: ২১৩০।
আনাস রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “জনৈক ব্যক্তি প্রিয়তমের দরবারে এসে বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আমি এই সুরা (ইখলাসকে) ভালোবাসি। তখন উত্তরে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এই ভালোবাসা তোমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে."
টিকাঃ
[৪০] মিশকাত শরিফ: ২১৩০।
📄 আল্লাহকে যে ভালোবাসবে সে
আয়েশা রা. বলেন-
“নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোনো এক যুদ্ধের আমীর নিযুক্ত করে পাঠালেন। ঐ ব্যক্তি যুদ্ধের সফরকালে সে তার সাথীদের জন্য সালাত পড়তো এবং সুরা ইখলাসের মাধ্যমে সালাত পূর্ণ পড়তেন। অতঃপর তারা এ যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর রাসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়টা অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম জানালেন, তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করো সে এ কাজ কেন করেছে? সাহাবায়ে কেরাম তাকে জিজ্ঞেস করলো, সে বলতে লাগলো আমি সুরা ইখলাস পাঠ করার কারণ হলো এ সুরাতে আল্লাহর গুণবাচক নাম রয়েছে; তাই আমি এ সুরাকে ভালোবাসি। তখন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে সুসংবাদ প্রদান করো যে, আল্লাহ তায়ালাও তাকে খুব ভালোবাসে।”
টিকাঃ
[৪১] সহিহ বুখারি: ৭৩৭৫, সহিহ মুসলিম: ৮১৩।
আয়েশা রা. বলেন-
“নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে কোনো এক যুদ্ধের আমীর নিযুক্ত করে পাঠালেন। ঐ ব্যক্তি যুদ্ধের সফরকালে সে তার সাথীদের জন্য সালাত পড়তো এবং সুরা ইখলাসের মাধ্যমে সালাত পূর্ণ পড়তেন। অতঃপর তারা এ যুদ্ধ থেকে ফিরে আসার পর রাসুল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ বিষয়টা অন্যান্য সাহাবায়ে কেরাম জানালেন, তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে জিজ্ঞেস করো সে এ কাজ কেন করেছে? সাহাবায়ে কেরাম তাকে জিজ্ঞেস করলো, সে বলতে লাগলো আমি সুরা ইখলাস পাঠ করার কারণ হলো এ সুরাতে আল্লাহর গুণবাচক নাম রয়েছে; তাই আমি এ সুরাকে ভালোবাসি। তখন নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমরা তাকে সুসংবাদ প্রদান করো যে, আল্লাহ তায়ালাও তাকে খুব ভালোবাসে।”
টিকাঃ
[৪১] সহিহ বুখারি: ৭৩৭৫, সহিহ মুসলিম: ৮১৩।