📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 জান্নাত পেতে যে সন্তুষ্ট...

📄 জান্নাত পেতে যে সন্তুষ্ট...


আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালাকে রব, ইসলামকে তার দ্বীন ও প্রিয় নবিকে রাসুল হিসেবে মনোনিত করে সন্তুষ্ট থাকবে। তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। এতে আবু সাঈদ আশ্চর্য হয়ে গেলেন, তখন তিনি পুনরায় বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনি সে কথাটি আমাকে পুনরায় বলুন, তার বিনীত আবেদন শুনে নবিজি পুনরায় তাকে বললেন এবং সাথে একটি কথা বললেন, আরো একটি আমল আছে যার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে জান্নাতে একশত মর্যাদায় সমুন্নত করবেন, যে প্রত্যেকটি মর্যাদার মাঝে আকাশ ও জমিনসম দুরত্ব রয়েছে। এ কথা শুনে আবু সাঈদ পুনরায় জিজ্ঞাসা করলো, ইয়া রাসুলুল্লাহ! সেটা কি আমল? তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। উপরোক্ত হাদিসের শেষে রয়েছে-যে ব্যক্তি বলবে, আমি আল্লাহকে রব ও ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদকে আমার নবি হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট রয়েছি, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।”

টিকাঃ
[৩২] সহিহ মুসলিম: ১৮৮৪।

আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালাকে রব, ইসলামকে তার দ্বীন ও প্রিয় নবিকে রাসুল হিসেবে মনোনিত করে সন্তুষ্ট থাকবে। তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। এতে আবু সাঈদ আশ্চর্য হয়ে গেলেন, তখন তিনি পুনরায় বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনি সে কথাটি আমাকে পুনরায় বলুন, তার বিনীত আবেদন শুনে নবিজি পুনরায় তাকে বললেন এবং সাথে একটি কথা বললেন, আরো একটি আমল আছে যার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে জান্নাতে একশত মর্যাদায় সমুন্নত করবেন, যে প্রত্যেকটি মর্যাদার মাঝে আকাশ ও জমিনসম দুরত্ব রয়েছে। এ কথা শুনে আবু সাঈদ পুনরায় জিজ্ঞাসা করলো, ইয়া রাসুলুল্লাহ! সেটা কি আমল? তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। উপরোক্ত হাদিসের শেষে রয়েছে-যে ব্যক্তি বলবে, আমি আল্লাহকে রব ও ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদকে আমার নবি হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট রয়েছি, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।”

টিকাঃ
[৩২] সহিহ মুসলিম: ১৮৮৪।

📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 মসজিদের মিনার থেকে আহ্বানকারীকে জান্নাত ডাকছে...

📄 মসজিদের মিনার থেকে আহ্বানকারীকে জান্নাত ডাকছে...


ইবনু ওমর রা. থেকে বর্ণিত, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি বারো বৎসর আযান দিবেন তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে। প্রতিদিন তার আযানের বিনিময়ে সত্তরটি নেকি ও ইকামতের বিনিময়ে ত্রিশটি নেকি লেখা হবে."

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, মুয়াবিয়া রা. থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আখেরাতের ময়দানে যখন মানবজাতিকে পুনরায় উঠানো হবে, তখন মুয়াযযিনের গর্দান সবার তুলনায় উঁচু থাকবে। কেননা মুয়াযযিন এই দুনিয়ার জমিনে আল্লাহ তায়ালার বড়ত্ব ঘোষণা করতেন। নবিজির শাহাদাতের সাক্ষ্য প্রদান করতেন। মানবজাতিকে নামাজের দিকে আহবান করতেন। দিশেহারা এ জাতিকে কল্যাণ ও সফলতার দিকে ডাকতেন। আর আযান দেওয়া হতো কোনো উঁচু স্থানের উপর উঠে, তাইতো আল্লাহ তায়ালা তাকে কিয়ামত দিবসে সবার থেকে উঁচু স্থানটিই দান করবেন। তাদের চেহারায় ঠিকরে পড়বে নূর। নূরের আলোয় জ্বলজ্বল করবে তাদের সমুজ্জল চেহারা। তাইতো প্রতিটি মানবের হৃদয়ে জান্নাত পাওয়ার আশায় এ ধরনের কামনা থাকা জরুরী। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন, মানব যদি জানতো যে আযানের মধ্যে কত সওয়াব ও মর্যাদা নিহিত রয়েছে, তাহলে তাদের মাঝে লটারির প্রয়োজন পড়ে যেত."

আবু সাঈদ খুদরি রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানব ও জ্বিন জাতিও যে আযানের শব্দ শুনবে আখেরাতের ময়দানে সে আল্লাহর দরবারে সাক্ষি দিবে। মুয়াযযিনের সাথি আখেরাতের ময়দানে সাক্ষি দিবে যে-সে মুয়াযযিন ছিলো."

সারকথা হলো-প্রিয়তমের ইবাদতে দিশেহারা মানবজাতিকে তার দিকে আহ্বান করা অনেক সওয়াব ও ফজিলত। তাই মানবের হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি মানবজাতিকে আহবান করার স্পৃহা থাকতে হবে, তাহলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সেই সুন্দর কুঠির দান করবেন।

জ্ঞাতব্য বিষয়: কিন্তু যেসব মসজিদে নির্ধারিত মুয়াযযিন রয়েছে, সেখানে গিয়ে আবার সওয়াব পাওয়ার জন্য তার অনুমতি ব্যতিত আগে বেড়ে আযান দেওয়া যাবে না। তবে হ্যাঁ মুয়াযযিন সাহেবের কাছে অনুমতি চাওয়ার পর সে যদি আযান দেওয়ার জন্য অনুমতি প্রদান করেন, তাহলে মালিকের কদমে সিজদা দেওয়ার জন্য, মানবকে ডাকার জন্য আযান দেওয়ার অনুমতি আছে। ফযিলতের প্রতি আবেগপ্লুত হয়ে তার আগে আযান দেওয়াকে বৈধ বলা যাবে না। কারণ এ সম্পর্কে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কোনো ব্যক্তির জন্য অন্য ব্যক্তির সম্মানের স্থান দখল করা বৈধ হবে না।”

টিকাঃ
[৩৩] মিশকাত শরিফ: ৬৭৮।
[৩৪] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৫/৩২।
[৩৫] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৫/৩৩।

ইবনু ওমর রা. থেকে বর্ণিত, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি বারো বৎসর আযান দিবেন তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে। প্রতিদিন তার আযানের বিনিময়ে সত্তরটি নেকি ও ইকামতের বিনিময়ে ত্রিশটি নেকি লেখা হবে."

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, মুয়াবিয়া রা. থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আখেরাতের ময়দানে যখন মানবজাতিকে পুনরায় উঠানো হবে, তখন মুয়াযযিনের গর্দান সবার তুলনায় উঁচু থাকবে। কেননা মুয়াযযিন এই দুনিয়ার জমিনে আল্লাহ তায়ালার বড়ত্ব ঘোষণা করতেন। নবিজির শাহাদাতের সাক্ষ্য প্রদান করতেন। মানবজাতিকে নামাজের দিকে আহবান করতেন। দিশেহারা এ জাতিকে কল্যাণ ও সফলতার দিকে ডাকতেন। আর আযান দেওয়া হতো কোনো উঁচু স্থানের উপর উঠে, তাইতো আল্লাহ তায়ালা তাকে কিয়ামত দিবসে সবার থেকে উঁচু স্থানটিই দান করবেন। তাদের চেহারায় ঠিকরে পড়বে নূর। নূরের আলোয় জ্বলজ্বল করবে তাদের সমুজ্জল চেহারা। তাইতো প্রতিটি মানবের হৃদয়ে জান্নাত পাওয়ার আশায় এ ধরনের কামনা থাকা জরুরী। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন, মানব যদি জানতো যে আযানের মধ্যে কত সওয়াব ও মর্যাদা নিহিত রয়েছে, তাহলে তাদের মাঝে লটারির প্রয়োজন পড়ে যেত."

আবু সাঈদ খুদরি রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানব ও জ্বিন জাতিও যে আযানের শব্দ শুনবে আখেরাতের ময়দানে সে আল্লাহর দরবারে সাক্ষি দিবে। মুয়াযযিনের সাথি আখেরাতের ময়দানে সাক্ষি দিবে যে-সে মুয়াযযিন ছিলো."

সারকথা হলো-প্রিয়তমের ইবাদতে দিশেহারা মানবজাতিকে তার দিকে আহ্বান করা অনেক সওয়াব ও ফজিলত। তাই মানবের হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি মানবজাতিকে আহবান করার স্পৃহা থাকতে হবে, তাহলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সেই সুন্দর কুঠির দান করবেন।

জ্ঞাতব্য বিষয়: কিন্তু যেসব মসজিদে নির্ধারিত মুয়াযযিন রয়েছে, সেখানে গিয়ে আবার সওয়াব পাওয়ার জন্য তার অনুমতি ব্যতিত আগে বেড়ে আযান দেওয়া যাবে না। তবে হ্যাঁ মুয়াযযিন সাহেবের কাছে অনুমতি চাওয়ার পর সে যদি আযান দেওয়ার জন্য অনুমতি প্রদান করেন, তাহলে মালিকের কদমে সিজদা দেওয়ার জন্য, মানবকে ডাকার জন্য আযান দেওয়ার অনুমতি আছে। ফযিলতের প্রতি আবেগপ্লুত হয়ে তার আগে আযান দেওয়াকে বৈধ বলা যাবে না। কারণ এ সম্পর্কে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কোনো ব্যক্তির জন্য অন্য ব্যক্তির সম্মানের স্থান দখল করা বৈধ হবে না।”

টিকাঃ
[৩৩] মিশকাত শরিফ: ৬৭৮।
[৩৪] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৫/৩২।
[৩৫] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৫/৩৩।

📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 একটু সময় প্রভুর জন্য : জান্নাত তোমার জীবনের জন্য

📄 একটু সময় প্রভুর জন্য : জান্নাত তোমার জীবনের জন্য


একটু সময় প্রভুর জন্য: জান্নাত তোমার জীবনের জন্য

উকবা বিন আমের রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুন্দর করে ওযু করে অতঃপর হৃদয় ও মন দিয়ে প্রভুর কদমে সিজদা করে দু রাকাআত সালাত আদায় করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।” (সুবহানাল্লাহ!)

হানযালা রা. বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি সালাতের প্রতিটি ওয়াক্ত, ওযু, প্রতিটি রুকু-সিজদার প্রতি লক্ষ্য করে যথারীতি সালাত আদায় করবে এবং সে এটা মনে করে যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এসব আমার উপর দায়িত্ব। তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”

প্রিয় ভাই! কিন্তু আজকাল আমরা সালাতের প্রতি কোনো গুরুত্বই দিচ্ছি না। কোনোরকম সালাত শেষ করলেই হলো। তিনি সেই প্রিয়তম প্রভু, যিনি তোমাকে রহমত ও দয়া করেন প্রতিটি ক্ষণে-ক্ষণে। তার প্রতি তোমার এত অবিচার...! না। আসো আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই-আমরা নামাজের প্রতিটি রুকন ও কাজের প্রতি গুরত্ব দিয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে সালাত পড়বো ইনশা আল্লাহ!

টিকাঃ
[৩৬] সহিহ মুসলিম: ২৩৪।
[৩৭] সহিহুত তারগিব: ৩৮১; সনদ সহিহ।

একটু সময় প্রভুর জন্য: জান্নাত তোমার জীবনের জন্য

উকবা বিন আমের রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুন্দর করে ওযু করে অতঃপর হৃদয় ও মন দিয়ে প্রভুর কদমে সিজদা করে দু রাকাআত সালাত আদায় করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।” (সুবহানাল্লাহ!)

হানযালা রা. বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি সালাতের প্রতিটি ওয়াক্ত, ওযু, প্রতিটি রুকু-সিজদার প্রতি লক্ষ্য করে যথারীতি সালাত আদায় করবে এবং সে এটা মনে করে যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এসব আমার উপর দায়িত্ব। তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”

প্রিয় ভাই! কিন্তু আজকাল আমরা সালাতের প্রতি কোনো গুরুত্বই দিচ্ছি না। কোনোরকম সালাত শেষ করলেই হলো। তিনি সেই প্রিয়তম প্রভু, যিনি তোমাকে রহমত ও দয়া করেন প্রতিটি ক্ষণে-ক্ষণে। তার প্রতি তোমার এত অবিচার...! না। আসো আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই-আমরা নামাজের প্রতিটি রুকন ও কাজের প্রতি গুরত্ব দিয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে সালাত পড়বো ইনশা আল্লাহ!

টিকাঃ
[৩৬] সহিহ মুসলিম: ২৩৪।
[৩৭] সহিহুত তারগিব: ৩৮১; সনদ সহিহ।

📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 খুব সহজেই জান্নাত মিলবে

📄 খুব সহজেই জান্নাত মিলবে


উবাইদ বিন হুনাইক রা. বলেন, তিনি বলেন, আমি হাদিস সম্রাট আবু হুরায়রা রা.-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন-“আমি একবার নবিজির কাছে আসলাম এবং শুনলাম এক ব্যক্তি সুরা ইখলাস পড়লেন, তখন নবিজি বললেন, তার জন্য ওয়াজিব হয়ে গেছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে প্রিয়তম রাসুল! কি ওয়াজিব হয়ে গেছে? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে। আবু হুরায়রা বলেন, আমি তাকে এ সংবাদ দিতে ইচ্ছা করেছিলাম, কিন্তু খাবার তার থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করে দিলো, এরপর তার কাছে গিয়ে দেখলাম সে চলে গেছে।”

ইবনু ওমর রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুরা ইখলাস কুরআনুল কারিমের এক তৃতীয়াংশের সমপরিমান আর সুরা কাফিরুন এক চতুর্থাংশের সমপরিমাণ।"

টিকাঃ
[৩৮] সহিহুত তারগিব: ১৪৭৮; হাদিসটির সনদ সহিহ।
[৩৯] সহিহুল জা'মে: ৪৪০৫; হাদিসটি সহিহ।

উবাইদ বিন হুনাইক রা. বলেন, তিনি বলেন, আমি হাদিস সম্রাট আবু হুরায়রা রা.-কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন-“আমি একবার নবিজির কাছে আসলাম এবং শুনলাম এক ব্যক্তি সুরা ইখলাস পড়লেন, তখন নবিজি বললেন, তার জন্য ওয়াজিব হয়ে গেছে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে প্রিয়তম রাসুল! কি ওয়াজিব হয়ে গেছে? তখন নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে গেছে। আবু হুরায়রা বলেন, আমি তাকে এ সংবাদ দিতে ইচ্ছা করেছিলাম, কিন্তু খাবার তার থেকে আমাকে বিচ্ছিন্ন করে দিলো, এরপর তার কাছে গিয়ে দেখলাম সে চলে গেছে।”

ইবনু ওমর রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুরা ইখলাস কুরআনুল কারিমের এক তৃতীয়াংশের সমপরিমান আর সুরা কাফিরুন এক চতুর্থাংশের সমপরিমাণ।"

টিকাঃ
[৩৮] সহিহুত তারগিব: ১৪৭৮; হাদিসটির সনদ সহিহ।
[৩৯] সহিহুল জা'মে: ৪৪০৫; হাদিসটি সহিহ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00