📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 প্রিয় যুবক! তোমাকেই বলছি...

📄 প্রিয় যুবক! তোমাকেই বলছি...


আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা. থেকে বর্ণিত- “নবি নূহ আলাইহিস সালাম মৃত্যুর সময় তার সন্তানকে ডেকে বললেন, আমি তোমাকে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বা একত্ববাদের' আদেশ করে যাচ্ছি, কেননা সাত আসমান, সাত জমিন যদি এক পাল্লায় রাখা হয়। (আর লা ইলাহাকে অন্য পাল্লায় রাখা হয়) তাহলে লা ইলাহার পাল্লাটাই প্রাধান্য পাবে। এমনকি সাত আসমান এক পাল্লায় আর কালিমাকে এক পাল্লায় রাখা হয়, তাহলেও কালিমার পাল্লাটা ভারী হবে।”

অন্য এক বর্ণনায় এসেছে—নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মুসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করলেন, হে প্রভু! আপনি আমাকে এমন কিছু শিক্ষা দিন, যার মাধ্যমে আপনাকে আহবান ও স্মরণ করবো। আল্লাহ তায়ালা বললেন, তুমি বলো, 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' আল্লাহ ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই। মুসা আলাইহিস সালাম তখন বললেন, হে আমার প্রতিপালক! এই কথা তো সব মানুষেরাই বলে থাকে। তখন আল্লাহ তায়ালা বললেন, হে মুসা! তুমি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলো, মুসা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বললেন। আরো বললেন, আমি চাচ্ছি এমন আমল-যে আমল আমার জন্যই বিশেষ থাকবে। তখন আল্লাহ তায়ালা বললেন, হে মুসা! আসমান-জমিন ও আমার অন্যান্য সৃষ্টকে যদি এক নিক্তিতে রাখা হয়, আর 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'-কে আরেক নিক্তিতে রাখা হয়, তবে 'লা ইলাহার পাল্লাটা অন্যটির তুলনায় ভারী হবে।”

আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর রা. থেকে বর্ণিত রয়েছে, তিনি বলেন, 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এটা ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা নেই। এমনকি এটা আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যায়।”

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “মানব থেকে যে ব্যক্তি খুশি মনে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে তখন আকাশের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তা আরশে আযিমে না পৌঁছে।”

প্রিয় যুবক! তোমাকেই বলছি... মন খুলে, প্রাণ খুলে আল্লাহর সেই মহা বাণীটি পড়ো, হৃদয়ের প্রতিটি পরতে-পরতে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর' ভালোবাসার বাতাস প্রবাহিত করো; তাহলে জান্নাত পাবে। বন্ধু-বান্ধববিহীন সেই কবরে এই কালিমাই তোমার পরম বন্ধু হবে। বন্ধুত্বের বাঁধনে কেবল তুমি তাকেই পাবে। আর সবকিছু তোমার পর ও অনেক দূরের হয়ে যাবে। হাশরের সেই কঠিন দিনে এই কালিমাই তোমার ভীতি ও শঙ্কার নিরাপদকারী হবে। এমনই তো সুসংবাদ দিয়েছে আমাদের পরম বন্ধু, দুজাহানের বাদশা, মুহাম্মাদে আরাবি, আহমাদে মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

ইমাম আহমাদ রহ. 'মুসনাদে আহমাদ বিন হাম্বল' কিতাবে হাদিস বর্ণনা করেন। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্র সাক্ষি দিবে কবরে সে একাকিত্ব থাকবে না, এমনিভাবে পুনরুত্থানের সময়েও একাকিত্ব থাকবে না। সেদিন তারা হবেন এমন যে— তাদের মাথা থেকে মাটি সরে যাবে, তখন তারা বলবে, আলহামদুলিল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা সেই সত্তার জন্য যিনি আমাদের থেকে চিন্তাকে সরিয়ে নিয়েছেন।

ইবনু বায রহ. বলেন, যারা শুধু ক্ষণস্থায়ী মুসাফিরখানায় ইমান এনেছে, কিন্তু কোনো পূণ্য কাজ করেনি; তাহলে আল্লাহ তায়ালা দয়ার চাদর বিছিয়ে (তাদেরকে) বান্দাকে ক্ষমাও করে দিতে পারেন। আবার এই দুনিয়ায় তার পাপের শাস্তি ভোগ করাবেন, যে পাপের জন্য বান্দা আল্লাহর কাছে তওবা বা অনুতপ্ত হননি। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা সেই গুনাহগার বান্দাকে শাস্তির মাধ্যমে পবিত্র করে জান্নাত দান করবেন।

তাই প্রতিটি নর-নারির আল্লাহর সুসংবাদ সম্পর্কীয় সুসংবাদ ও হাদিস ভালো করে বুঝা উচিত। আল্লাহর বিধান সম্পর্কে খেয়াল রাখা অবশ্যক। যেসব গুনাহ ও পাপাচার করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন, সেগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। আল্লাহর সেই নিষেধাজ্ঞা বিষয়ের আশে পাশে না যাওয়া। তাকে কঠিন ভয় পাওয়া। প্রভুকে দয়াময় মনে করে তার কাছে রহমত আশা কামনা করা। এটাও স্মরণ করা যে প্রভু তার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করবেন ইনশাআল্লাহ! আর আল্লাহ তার উপর রহম ও দয়ার দৃষ্টি দিবেন- যে নেক আমল করবে। এটাই জান্নাতি মানুষদের কাজ। আহলে ইমান যাদের—তাদেরও প্রভুর প্রতি এমনই ধারণা রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা মহাগ্রন্থ আল কুরআনুল কারিমে ইরশাদ করেছেন-
“তারা সৎকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়তো, তারা আশা ও ভীতি সহকারে আমাকে ডাকতো এবং তারা ছিলো আমার কাছে বিনীত।”

আল্লাহ তায়ালা আরও ইরশাদ করেছেন-
“যাদেরকে তারা আহবান করে, তারা নিজেরাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্য লাভের জন্য মধ্যস্থ তালাশ করে যে-তাদের মধ্যে কে নৈকট্যশীল। তারা তাঁর রহমতের আশা করে এবং তার শাস্তিকে ভয় করে।”

এটাই ইমানের বৈশিষ্ট্য। যারা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনুসরণ করে, তারা এভাবেই আল্লাহকে বিশ্বাস করে ও ভয় করে। আদায় করে প্রিয়তম প্রভুর ফরজ বিধানাবলী। তারা আল্লাহর নিষেধাজ্ঞার বিষয় থেকে অনেক দূরে থাকে। কখনো প্রভুর নির্দেশ অমান্য করে না। এরাই প্রকৃত মুমিন, এরাই জান্নাতি। জান্নাতের সুমহান মর্যাদায় তারাই উন্নীত থাকবে।

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, শাহাদাত বলতে বুঝায়-মুখে স্বীকার করে নেওয়া, হৃদয়ে বিশ্বাস করা, আমলে পরিণত করে যাওয়া। এটাই কালিমায়ে তাইয়্যিবার দাবি। প্রভুকে কেউ যদি সত্যিকার ভালোবাসে ও হৃদয়ে প্রভুর নাম গেঁথে দেওয়ার দাবি করে, তাহলে তাকে অবশ্যই আমল করতে হবে। কিন্তু মুনাফিকরা মুনাফিক হয়েছিলো কেবল মুখে স্বীকার করেছে, কিন্তু হৃদপিন্ডে ছিলো মিথ্যা ও প্রিয় নবির বিরোধিতা। তাই তো মুনাফিকদের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলত-
“মুনাফিকরা আপনার কাছে এসে বলে- আমরাতো সাক্ষ্য দেই যে নিশ্চয় আপনি আল্লাহর প্রেরিত নবি।”

উপরোক্ত আয়াতে শাব্দিকভাবে অনেক দৃঢ়তার অর্থ প্রদান করে। তবুও আল্লাহ তায়ালা তাদের এই এ মিথ্যা দাবিকে সুস্পষ্ট করে ইরশাদ করেছেন। তাদের এ দাবি কেবলই মিথ্যা ও বানোয়াট। কেননা এসব মুনাফিকরা মুখে বললেও হৃদয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বিশ্বাস করে না। আর আমলতো করেই না। তারা কেবল ইমান ও শাহাদাতের কথা মিথ্যা ও বানিয়ে বানিয়ে বলছে।

'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এর অর্থ হলো আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ বা প্রভু নাই, যে প্রভু ইবাদত বা উপাসনার যোগ্য হবে। আর অবুঝ বান্দা-যারা না বুঝে যেসব মূর্তির ইবাদত করতেছে, এসব আদৌ উপাসনার উপযুক্ত না। কিন্তু এ মানবজাতি কেন বুঝেনা যে তাদের এ হাতের বানানো মূর্তির উপাসনা করে আবার নিজেরাই নিজেদের খোদাকে পানিতে চুবিয়ে নষ্ট করে ফেলে। আল্লাহ এসকল অবুঝ মানবকে হিদায়াত দান করুক। আমিন।

টিকাঃ
[২৩] মুসনাদু আহমাদ: ৬৫৮৩; আল মুজমা: ১০/৮৫; হাদিসটির সনদ দুর্বল।
[২৫] সুনানু তিরমিযি: ৩৫১৮; শাইখ আলবানি হাদিসটি দুর্বল বলেছেন।
[২৬] মিশকাত শরিফ: ২৩১৪; হাদিসটি হাসান।
[২৭] হাতেম ফিল কামেল: ৪/১৫৮২; শাইখ আলবানি হাদিসটি দুর্বল বলেছেন।
[২৮] সুরা আম্বিয়া: ৯০।
[২৯] সুরা বনি ইসরাঈল: ৫৭।
[৩০] মাজমাউ ফতোয়া ইবনু বায ২৬/৮০-৮১।
[৩১] সুরা মুনাফিকুন: ১।

আব্দুল্লাহ বিন ওমর রা. থেকে বর্ণিত- “নবি নূহ আলাইহিস সালাম মৃত্যুর সময় তার সন্তানকে ডেকে বললেন, আমি তোমাকে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বা একত্ববাদের' আদেশ করে যাচ্ছি, কেননা সাত আসমান, সাত জমিন যদি এক পাল্লায় রাখা হয়। (আর লা ইলাহাকে অন্য পাল্লায় রাখা হয়) তাহলে লা ইলাহার পাল্লাটাই প্রাধান্য পাবে। এমনকি সাত আসমান এক পাল্লায় আর কালিমাকে এক পাল্লায় রাখা হয়, তাহলেও কালিমার পাল্লাটা ভারী হবে।”

অন্য এক বর্ণনায় এসেছে—নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মুসা আলাইহিস সালাম আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করলেন, হে প্রভু! আপনি আমাকে এমন কিছু শিক্ষা দিন, যার মাধ্যমে আপনাকে আহবান ও স্মরণ করবো। আল্লাহ তায়ালা বললেন, তুমি বলো, 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' আল্লাহ ছাড়া আর কোনো মাবুদ নেই। মুসা আলাইহিস সালাম তখন বললেন, হে আমার প্রতিপালক! এই কথা তো সব মানুষেরাই বলে থাকে। তখন আল্লাহ তায়ালা বললেন, হে মুসা! তুমি লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলো, মুসা 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বললেন। আরো বললেন, আমি চাচ্ছি এমন আমল-যে আমল আমার জন্যই বিশেষ থাকবে। তখন আল্লাহ তায়ালা বললেন, হে মুসা! আসমান-জমিন ও আমার অন্যান্য সৃষ্টকে যদি এক নিক্তিতে রাখা হয়, আর 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'-কে আরেক নিক্তিতে রাখা হয়, তবে 'লা ইলাহার পাল্লাটা অন্যটির তুলনায় ভারী হবে।”

আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর রা. থেকে বর্ণিত রয়েছে, তিনি বলেন, 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এটা ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা নেই। এমনকি এটা আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যায়।”

আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “মানব থেকে যে ব্যক্তি খুশি মনে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে তখন আকাশের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হবে যতক্ষণ পর্যন্ত তা আরশে আযিমে না পৌঁছে।”

প্রিয় যুবক! তোমাকেই বলছি... মন খুলে, প্রাণ খুলে আল্লাহর সেই মহা বাণীটি পড়ো, হৃদয়ের প্রতিটি পরতে-পরতে 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর' ভালোবাসার বাতাস প্রবাহিত করো; তাহলে জান্নাত পাবে। বন্ধু-বান্ধববিহীন সেই কবরে এই কালিমাই তোমার পরম বন্ধু হবে। বন্ধুত্বের বাঁধনে কেবল তুমি তাকেই পাবে। আর সবকিছু তোমার পর ও অনেক দূরের হয়ে যাবে। হাশরের সেই কঠিন দিনে এই কালিমাই তোমার ভীতি ও শঙ্কার নিরাপদকারী হবে। এমনই তো সুসংবাদ দিয়েছে আমাদের পরম বন্ধু, দুজাহানের বাদশা, মুহাম্মাদে আরাবি, আহমাদে মুস্তফা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।

ইমাম আহমাদ রহ. 'মুসনাদে আহমাদ বিন হাম্বল' কিতাবে হাদিস বর্ণনা করেন। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্র সাক্ষি দিবে কবরে সে একাকিত্ব থাকবে না, এমনিভাবে পুনরুত্থানের সময়েও একাকিত্ব থাকবে না। সেদিন তারা হবেন এমন যে— তাদের মাথা থেকে মাটি সরে যাবে, তখন তারা বলবে, আলহামদুলিল্লাহ! সমস্ত প্রশংসা সেই সত্তার জন্য যিনি আমাদের থেকে চিন্তাকে সরিয়ে নিয়েছেন।

ইবনু বায রহ. বলেন, যারা শুধু ক্ষণস্থায়ী মুসাফিরখানায় ইমান এনেছে, কিন্তু কোনো পূণ্য কাজ করেনি; তাহলে আল্লাহ তায়ালা দয়ার চাদর বিছিয়ে (তাদেরকে) বান্দাকে ক্ষমাও করে দিতে পারেন। আবার এই দুনিয়ায় তার পাপের শাস্তি ভোগ করাবেন, যে পাপের জন্য বান্দা আল্লাহর কাছে তওবা বা অনুতপ্ত হননি। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা সেই গুনাহগার বান্দাকে শাস্তির মাধ্যমে পবিত্র করে জান্নাত দান করবেন।

তাই প্রতিটি নর-নারির আল্লাহর সুসংবাদ সম্পর্কীয় সুসংবাদ ও হাদিস ভালো করে বুঝা উচিত। আল্লাহর বিধান সম্পর্কে খেয়াল রাখা অবশ্যক। যেসব গুনাহ ও পাপাচার করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন, সেগুলো থেকে নিজেকে বিরত রাখতে হবে। আল্লাহর সেই নিষেধাজ্ঞা বিষয়ের আশে পাশে না যাওয়া। তাকে কঠিন ভয় পাওয়া। প্রভুকে দয়াময় মনে করে তার কাছে রহমত আশা কামনা করা। এটাও স্মরণ করা যে প্রভু তার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করবেন ইনশাআল্লাহ! আর আল্লাহ তার উপর রহম ও দয়ার দৃষ্টি দিবেন- যে নেক আমল করবে। এটাই জান্নাতি মানুষদের কাজ। আহলে ইমান যাদের—তাদেরও প্রভুর প্রতি এমনই ধারণা রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা মহাগ্রন্থ আল কুরআনুল কারিমে ইরশাদ করেছেন-
“তারা সৎকর্মে ঝাঁপিয়ে পড়তো, তারা আশা ও ভীতি সহকারে আমাকে ডাকতো এবং তারা ছিলো আমার কাছে বিনীত।”

আল্লাহ তায়ালা আরও ইরশাদ করেছেন-
“যাদেরকে তারা আহবান করে, তারা নিজেরাই তো তাদের পালনকর্তার নৈকট্য লাভের জন্য মধ্যস্থ তালাশ করে যে-তাদের মধ্যে কে নৈকট্যশীল। তারা তাঁর রহমতের আশা করে এবং তার শাস্তিকে ভয় করে।”

এটাই ইমানের বৈশিষ্ট্য। যারা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে অনুসরণ করে, তারা এভাবেই আল্লাহকে বিশ্বাস করে ও ভয় করে। আদায় করে প্রিয়তম প্রভুর ফরজ বিধানাবলী। তারা আল্লাহর নিষেধাজ্ঞার বিষয় থেকে অনেক দূরে থাকে। কখনো প্রভুর নির্দেশ অমান্য করে না। এরাই প্রকৃত মুমিন, এরাই জান্নাতি। জান্নাতের সুমহান মর্যাদায় তারাই উন্নীত থাকবে।

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, শাহাদাত বলতে বুঝায়-মুখে স্বীকার করে নেওয়া, হৃদয়ে বিশ্বাস করা, আমলে পরিণত করে যাওয়া। এটাই কালিমায়ে তাইয়্যিবার দাবি। প্রভুকে কেউ যদি সত্যিকার ভালোবাসে ও হৃদয়ে প্রভুর নাম গেঁথে দেওয়ার দাবি করে, তাহলে তাকে অবশ্যই আমল করতে হবে। কিন্তু মুনাফিকরা মুনাফিক হয়েছিলো কেবল মুখে স্বীকার করেছে, কিন্তু হৃদপিন্ডে ছিলো মিথ্যা ও প্রিয় নবির বিরোধিতা। তাই তো মুনাফিকদের ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলত-
“মুনাফিকরা আপনার কাছে এসে বলে- আমরাতো সাক্ষ্য দেই যে নিশ্চয় আপনি আল্লাহর প্রেরিত নবি।”

উপরোক্ত আয়াতে শাব্দিকভাবে অনেক দৃঢ়তার অর্থ প্রদান করে। তবুও আল্লাহ তায়ালা তাদের এই এ মিথ্যা দাবিকে সুস্পষ্ট করে ইরশাদ করেছেন। তাদের এ দাবি কেবলই মিথ্যা ও বানোয়াট। কেননা এসব মুনাফিকরা মুখে বললেও হৃদয়ে আল্লাহ তায়ালাকে বিশ্বাস করে না। আর আমলতো করেই না। তারা কেবল ইমান ও শাহাদাতের কথা মিথ্যা ও বানিয়ে বানিয়ে বলছে।

'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ' এর অর্থ হলো আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ বা প্রভু নাই, যে প্রভু ইবাদত বা উপাসনার যোগ্য হবে। আর অবুঝ বান্দা-যারা না বুঝে যেসব মূর্তির ইবাদত করতেছে, এসব আদৌ উপাসনার উপযুক্ত না। কিন্তু এ মানবজাতি কেন বুঝেনা যে তাদের এ হাতের বানানো মূর্তির উপাসনা করে আবার নিজেরাই নিজেদের খোদাকে পানিতে চুবিয়ে নষ্ট করে ফেলে। আল্লাহ এসকল অবুঝ মানবকে হিদায়াত দান করুক। আমিন।

টিকাঃ
[২৩] মুসনাদু আহমাদ: ৬৫৮৩; আল মুজমা: ১০/৮৫; হাদিসটির সনদ দুর্বল।
[২৫] সুনানু তিরমিযি: ৩৫১৮; শাইখ আলবানি হাদিসটি দুর্বল বলেছেন।
[২৬] মিশকাত শরিফ: ২৩১৪; হাদিসটি হাসান।
[২৭] হাতেম ফিল কামেল: ৪/১৫৮২; শাইখ আলবানি হাদিসটি দুর্বল বলেছেন।
[২৮] সুরা আম্বিয়া: ৯০।
[২৯] সুরা বনি ইসরাঈল: ৫৭।
[৩০] মাজমাউ ফতোয়া ইবনু বায ২৬/৮০-৮১।
[৩১] সুরা মুনাফিকুন: ১।

📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 জান্নাত পেতে যে সন্তুষ্ট...

📄 জান্নাত পেতে যে সন্তুষ্ট...


আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালাকে রব, ইসলামকে তার দ্বীন ও প্রিয় নবিকে রাসুল হিসেবে মনোনিত করে সন্তুষ্ট থাকবে। তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। এতে আবু সাঈদ আশ্চর্য হয়ে গেলেন, তখন তিনি পুনরায় বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনি সে কথাটি আমাকে পুনরায় বলুন, তার বিনীত আবেদন শুনে নবিজি পুনরায় তাকে বললেন এবং সাথে একটি কথা বললেন, আরো একটি আমল আছে যার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে জান্নাতে একশত মর্যাদায় সমুন্নত করবেন, যে প্রত্যেকটি মর্যাদার মাঝে আকাশ ও জমিনসম দুরত্ব রয়েছে। এ কথা শুনে আবু সাঈদ পুনরায় জিজ্ঞাসা করলো, ইয়া রাসুলুল্লাহ! সেটা কি আমল? তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। উপরোক্ত হাদিসের শেষে রয়েছে-যে ব্যক্তি বলবে, আমি আল্লাহকে রব ও ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদকে আমার নবি হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট রয়েছি, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।”

টিকাঃ
[৩২] সহিহ মুসলিম: ১৮৮৪।

আবু সাঈদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- “যে ব্যক্তি আল্লাহ তায়ালাকে রব, ইসলামকে তার দ্বীন ও প্রিয় নবিকে রাসুল হিসেবে মনোনিত করে সন্তুষ্ট থাকবে। তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। এতে আবু সাঈদ আশ্চর্য হয়ে গেলেন, তখন তিনি পুনরায় বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! আপনি সে কথাটি আমাকে পুনরায় বলুন, তার বিনীত আবেদন শুনে নবিজি পুনরায় তাকে বললেন এবং সাথে একটি কথা বললেন, আরো একটি আমল আছে যার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা বান্দাকে জান্নাতে একশত মর্যাদায় সমুন্নত করবেন, যে প্রত্যেকটি মর্যাদার মাঝে আকাশ ও জমিনসম দুরত্ব রয়েছে। এ কথা শুনে আবু সাঈদ পুনরায় জিজ্ঞাসা করলো, ইয়া রাসুলুল্লাহ! সেটা কি আমল? তখন নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা। উপরোক্ত হাদিসের শেষে রয়েছে-যে ব্যক্তি বলবে, আমি আল্লাহকে রব ও ইসলামকে দ্বীন এবং মুহাম্মাদকে আমার নবি হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট রয়েছি, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।”

টিকাঃ
[৩২] সহিহ মুসলিম: ১৮৮৪।

📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 মসজিদের মিনার থেকে আহ্বানকারীকে জান্নাত ডাকছে...

📄 মসজিদের মিনার থেকে আহ্বানকারীকে জান্নাত ডাকছে...


ইবনু ওমর রা. থেকে বর্ণিত, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি বারো বৎসর আযান দিবেন তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে। প্রতিদিন তার আযানের বিনিময়ে সত্তরটি নেকি ও ইকামতের বিনিময়ে ত্রিশটি নেকি লেখা হবে."

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, মুয়াবিয়া রা. থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আখেরাতের ময়দানে যখন মানবজাতিকে পুনরায় উঠানো হবে, তখন মুয়াযযিনের গর্দান সবার তুলনায় উঁচু থাকবে। কেননা মুয়াযযিন এই দুনিয়ার জমিনে আল্লাহ তায়ালার বড়ত্ব ঘোষণা করতেন। নবিজির শাহাদাতের সাক্ষ্য প্রদান করতেন। মানবজাতিকে নামাজের দিকে আহবান করতেন। দিশেহারা এ জাতিকে কল্যাণ ও সফলতার দিকে ডাকতেন। আর আযান দেওয়া হতো কোনো উঁচু স্থানের উপর উঠে, তাইতো আল্লাহ তায়ালা তাকে কিয়ামত দিবসে সবার থেকে উঁচু স্থানটিই দান করবেন। তাদের চেহারায় ঠিকরে পড়বে নূর। নূরের আলোয় জ্বলজ্বল করবে তাদের সমুজ্জল চেহারা। তাইতো প্রতিটি মানবের হৃদয়ে জান্নাত পাওয়ার আশায় এ ধরনের কামনা থাকা জরুরী। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন, মানব যদি জানতো যে আযানের মধ্যে কত সওয়াব ও মর্যাদা নিহিত রয়েছে, তাহলে তাদের মাঝে লটারির প্রয়োজন পড়ে যেত."

আবু সাঈদ খুদরি রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানব ও জ্বিন জাতিও যে আযানের শব্দ শুনবে আখেরাতের ময়দানে সে আল্লাহর দরবারে সাক্ষি দিবে। মুয়াযযিনের সাথি আখেরাতের ময়দানে সাক্ষি দিবে যে-সে মুয়াযযিন ছিলো."

সারকথা হলো-প্রিয়তমের ইবাদতে দিশেহারা মানবজাতিকে তার দিকে আহ্বান করা অনেক সওয়াব ও ফজিলত। তাই মানবের হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি মানবজাতিকে আহবান করার স্পৃহা থাকতে হবে, তাহলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সেই সুন্দর কুঠির দান করবেন।

জ্ঞাতব্য বিষয়: কিন্তু যেসব মসজিদে নির্ধারিত মুয়াযযিন রয়েছে, সেখানে গিয়ে আবার সওয়াব পাওয়ার জন্য তার অনুমতি ব্যতিত আগে বেড়ে আযান দেওয়া যাবে না। তবে হ্যাঁ মুয়াযযিন সাহেবের কাছে অনুমতি চাওয়ার পর সে যদি আযান দেওয়ার জন্য অনুমতি প্রদান করেন, তাহলে মালিকের কদমে সিজদা দেওয়ার জন্য, মানবকে ডাকার জন্য আযান দেওয়ার অনুমতি আছে। ফযিলতের প্রতি আবেগপ্লুত হয়ে তার আগে আযান দেওয়াকে বৈধ বলা যাবে না। কারণ এ সম্পর্কে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কোনো ব্যক্তির জন্য অন্য ব্যক্তির সম্মানের স্থান দখল করা বৈধ হবে না।”

টিকাঃ
[৩৩] মিশকাত শরিফ: ৬৭৮।
[৩৪] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৫/৩২।
[৩৫] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৫/৩৩।

ইবনু ওমর রা. থেকে বর্ণিত, নবি করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি বারো বৎসর আযান দিবেন তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে। প্রতিদিন তার আযানের বিনিময়ে সত্তরটি নেকি ও ইকামতের বিনিময়ে ত্রিশটি নেকি লেখা হবে."

ইবনু আসিমিন রহ. বলেন, মুয়াবিয়া রা. থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আখেরাতের ময়দানে যখন মানবজাতিকে পুনরায় উঠানো হবে, তখন মুয়াযযিনের গর্দান সবার তুলনায় উঁচু থাকবে। কেননা মুয়াযযিন এই দুনিয়ার জমিনে আল্লাহ তায়ালার বড়ত্ব ঘোষণা করতেন। নবিজির শাহাদাতের সাক্ষ্য প্রদান করতেন। মানবজাতিকে নামাজের দিকে আহবান করতেন। দিশেহারা এ জাতিকে কল্যাণ ও সফলতার দিকে ডাকতেন। আর আযান দেওয়া হতো কোনো উঁচু স্থানের উপর উঠে, তাইতো আল্লাহ তায়ালা তাকে কিয়ামত দিবসে সবার থেকে উঁচু স্থানটিই দান করবেন। তাদের চেহারায় ঠিকরে পড়বে নূর। নূরের আলোয় জ্বলজ্বল করবে তাদের সমুজ্জল চেহারা। তাইতো প্রতিটি মানবের হৃদয়ে জান্নাত পাওয়ার আশায় এ ধরনের কামনা থাকা জরুরী। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন, মানব যদি জানতো যে আযানের মধ্যে কত সওয়াব ও মর্যাদা নিহিত রয়েছে, তাহলে তাদের মাঝে লটারির প্রয়োজন পড়ে যেত."

আবু সাঈদ খুদরি রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “মানব ও জ্বিন জাতিও যে আযানের শব্দ শুনবে আখেরাতের ময়দানে সে আল্লাহর দরবারে সাক্ষি দিবে। মুয়াযযিনের সাথি আখেরাতের ময়দানে সাক্ষি দিবে যে-সে মুয়াযযিন ছিলো."

সারকথা হলো-প্রিয়তমের ইবাদতে দিশেহারা মানবজাতিকে তার দিকে আহ্বান করা অনেক সওয়াব ও ফজিলত। তাই মানবের হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি মানবজাতিকে আহবান করার স্পৃহা থাকতে হবে, তাহলে আল্লাহ তাকে জান্নাতের সেই সুন্দর কুঠির দান করবেন।

জ্ঞাতব্য বিষয়: কিন্তু যেসব মসজিদে নির্ধারিত মুয়াযযিন রয়েছে, সেখানে গিয়ে আবার সওয়াব পাওয়ার জন্য তার অনুমতি ব্যতিত আগে বেড়ে আযান দেওয়া যাবে না। তবে হ্যাঁ মুয়াযযিন সাহেবের কাছে অনুমতি চাওয়ার পর সে যদি আযান দেওয়ার জন্য অনুমতি প্রদান করেন, তাহলে মালিকের কদমে সিজদা দেওয়ার জন্য, মানবকে ডাকার জন্য আযান দেওয়ার অনুমতি আছে। ফযিলতের প্রতি আবেগপ্লুত হয়ে তার আগে আযান দেওয়াকে বৈধ বলা যাবে না। কারণ এ সম্পর্কে নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "কোনো ব্যক্তির জন্য অন্য ব্যক্তির সম্মানের স্থান দখল করা বৈধ হবে না।”

টিকাঃ
[৩৩] মিশকাত শরিফ: ৬৭৮।
[৩৪] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৫/৩২।
[৩৫] শরহে রিয়াজুস সালেহিন: ৫/৩৩।

📘 হে যুবক জান্নাত তোমার প্রতিক্ষায় > 📄 একটু সময় প্রভুর জন্য : জান্নাত তোমার জীবনের জন্য

📄 একটু সময় প্রভুর জন্য : জান্নাত তোমার জীবনের জন্য


একটু সময় প্রভুর জন্য: জান্নাত তোমার জীবনের জন্য

উকবা বিন আমের রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুন্দর করে ওযু করে অতঃপর হৃদয় ও মন দিয়ে প্রভুর কদমে সিজদা করে দু রাকাআত সালাত আদায় করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।” (সুবহানাল্লাহ!)

হানযালা রা. বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি সালাতের প্রতিটি ওয়াক্ত, ওযু, প্রতিটি রুকু-সিজদার প্রতি লক্ষ্য করে যথারীতি সালাত আদায় করবে এবং সে এটা মনে করে যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এসব আমার উপর দায়িত্ব। তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”

প্রিয় ভাই! কিন্তু আজকাল আমরা সালাতের প্রতি কোনো গুরুত্বই দিচ্ছি না। কোনোরকম সালাত শেষ করলেই হলো। তিনি সেই প্রিয়তম প্রভু, যিনি তোমাকে রহমত ও দয়া করেন প্রতিটি ক্ষণে-ক্ষণে। তার প্রতি তোমার এত অবিচার...! না। আসো আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই-আমরা নামাজের প্রতিটি রুকন ও কাজের প্রতি গুরত্ব দিয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে সালাত পড়বো ইনশা আল্লাহ!

টিকাঃ
[৩৬] সহিহ মুসলিম: ২৩৪।
[৩৭] সহিহুত তারগিব: ৩৮১; সনদ সহিহ।

একটু সময় প্রভুর জন্য: জান্নাত তোমার জীবনের জন্য

উকবা বিন আমের রা. বলেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-
“যে ব্যক্তি সুন্দর করে ওযু করে অতঃপর হৃদয় ও মন দিয়ে প্রভুর কদমে সিজদা করে দু রাকাআত সালাত আদায় করবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে।” (সুবহানাল্লাহ!)

হানযালা রা. বলেন, আমি নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, “যে ব্যক্তি সালাতের প্রতিটি ওয়াক্ত, ওযু, প্রতিটি রুকু-সিজদার প্রতি লক্ষ্য করে যথারীতি সালাত আদায় করবে এবং সে এটা মনে করে যে, আল্লাহর পক্ষ থেকে এসব আমার উপর দায়িত্ব। তাহলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।”

প্রিয় ভাই! কিন্তু আজকাল আমরা সালাতের প্রতি কোনো গুরুত্বই দিচ্ছি না। কোনোরকম সালাত শেষ করলেই হলো। তিনি সেই প্রিয়তম প্রভু, যিনি তোমাকে রহমত ও দয়া করেন প্রতিটি ক্ষণে-ক্ষণে। তার প্রতি তোমার এত অবিচার...! না। আসো আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হই-আমরা নামাজের প্রতিটি রুকন ও কাজের প্রতি গুরত্ব দিয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে সালাত পড়বো ইনশা আল্লাহ!

টিকাঃ
[৩৬] সহিহ মুসলিম: ২৩৪।
[৩৭] সহিহুত তারগিব: ৩৮১; সনদ সহিহ।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00