📘 হে যুবক! ফিরে এসো রবের দিকে > 📄 সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির কারণ

📄 সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির কারণ


হযরত আবু বকর রা.-এর ইন্তেকালের পর খলিফাতুল মুসলিমিন নির্বাচিত হলেন হযরত উমর রা.। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার স্থলে সেনাপতি নিযুক্ত করেন হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.-কে। হযরত উমর রা. খেলাফতের মসনদে বসে কেন অপরাজেয় সেনাপতি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন? অথচ তিনি প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে मुसलमानों کا একের-পর-এক বিজয় উপহার দিয়েছেন। কে আছে এমন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর তরবারিকে ভেঙে দেবে? আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছেন।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ হযরত উমর রা. নিজেই বর্ণনা করেছেন। আল্লাহু আকবার! কী ছিল সে কথা, যা হযরত উমর রা. বলেছেন?
مَا عَزَلْتُ خَالِداً عَنْ سُخْطَةِ وَلَا عَنْ خِيَانَةٍ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ فُتِنُوا بِـ خَالِدٍ، فَأَرَدْتُ أَنْ يَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ النَّصْرَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الصَّانِعِ وَلَيْسَ مِنْ عِنْدِ خَالِدٍ
'আমি ক্রোধ কিংবা খেয়ানতের বশবর্তী হয়ে খালিদকে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিইনি। কিন্তু আমি দেখেছি, লোকেরা খালিদের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হচ্ছে। আমি চেয়েছি লোকদের এ কথা জানাতে যে, مسلمانوں کا বিজয় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, খালিদের পক্ষ থেকে নয়।'
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ছিলেন এমন এক বীর যে, লোকেরা মনে করতে লাগল, যুদ্ধে مسلمانوں کا বিজয় অর্জিত হয় খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর শক্তি ও নিপুণ বুদ্ধিতে। লোকেদের মনে এ কথা বদ্ধমূল হয়ে গেল, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদই مسلمانوں کا বিজয়ের কারণ। অথচ مسلمانوں کا বিজয় কোনো শক্তি আর সৈন্যবলে নয়, مسلمانوں کا বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাদের এ ধারণার মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে হযরত উমর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
হে মুসলিম যুব ও তরুণ প্রজন্ম! হে ইসলামের প্রাণশক্তি তরুণ প্রজন্ম! তোমরা হবে খালিদের অনুসারী। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. হবেন তোমাদের নেতা। তোমরা পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তাদের যারা উম্মাহর বিজয়ের পথ রচনা করে গেছেন। তোমাদের আইকন হবে তারা যাঁদের রক্তে সিঞ্চিত হয়েছে ইসলাম নামক বৃক্ষ। মুসলিম যুবকদের আইকন কোনো ফাসেক ফাজের নায়ক ও প্লেয়াররা নয়, মুসলিম তরুণদের আইকন হবেন সাহাবায়ে কেরাম। মুসলিম তরুণ প্রজন্ম অনুসরণ করবে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ও তার সঙ্গীদের। হে তরুণ! হে যুবক! তোমাদের হতে হবে উম্মাহর উমর, খালিদ, আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.দের মত। তোমাদের হতে হবে উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী। ইসলামের বিজয় পথ তৈরি করতে হবে তোমাদের। এ জাতির কান্ডারি তোমরাই। আল্লাহর জমিনের আল্লাহর কালিমা বুলন্দি করার জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে সময়ের খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে।
আজ দিকে দিকে তাকিয়ে দেখো মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। মুসলিম নারী-শিশুদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর আকাশ। উত্তাল সমুদ্রের তরঙ্গে ভাসছে মুসলমানের লাশ। আজ জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে मुसलमानों کا। পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে मुसलमानों کا রক্তে ভেসে যাচ্ছে মানচিত্র। কুফরি শক্তির হাত থেকে তাদের রক্ষা করার ঈমানি দায়িত্বে তোমাকেই এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহর কসম! আজ মুসলমানরা তাকিয়ে আছে তোমাদের পানে। তোমাদের ডাকছে আহাজারি করে। তোমাদের এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রার্থনা করছে আল্লাহর দরবারে। হে উম্মাহর তরুণ প্রজন্ম! হে উম্মাহর তরুণ শক্তি! হে উম্মাহর সৈনিক! তোমরা এগিয়ে আসো জমানার খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে। জুলুম ও নিপীড়ন থেকে তাদের মুক্ত করো। পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করো আল্লাহর দ্বীন। যে দ্বীন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমানতস্বরূপ রেখে গেছেন তোমাদের নিকট।
প্রার্থনা করি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেন আমাদের হৃদয়কে জীবন্ত করে দেন। এবং আমাদের সৎপথে পরিচালিত করেন। ভ্রষ্টতা ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করেন। মুসলিম উম্মাহর তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে জাগ্রত করেন। তাদের শক্তি, সাহসকে ইসলামের বিজয়ের জন্য কবুল করে নেন। আমিন।

হযরত আবু বকর রা.-এর ইন্তেকালের পর খলিফাতুল মুসলিমিন নির্বাচিত হলেন হযরত উমর রা.। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার স্থলে সেনাপতি নিযুক্ত করেন হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.-কে। হযরত উমর রা. খেলাফতের মসনদে বসে কেন অপরাজেয় সেনাপতি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন? অথচ তিনি প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে मुसलमानों کا একের-পর-এক বিজয় উপহার দিয়েছেন। কে আছে এমন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর তরবারিকে ভেঙে দেবে? আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছেন।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ হযরত উমর রা. নিজেই বর্ণনা করেছেন। আল্লাহু আকবার! কী ছিল সে কথা, যা হযরত উমর রা. বলেছেন?
مَا عَزَلْتُ خَالِداً عَنْ سُخْطَةِ وَلَا عَنْ خِيَانَةٍ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ فُتِنُوا بِـ خَالِدٍ، فَأَرَدْتُ أَنْ يَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ النَّصْرَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الصَّانِعِ وَلَيْسَ مِنْ عِنْدِ خَالِدٍ
'আমি ক্রোধ কিংবা খেয়ানতের বশবর্তী হয়ে খালিদকে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিইনি। কিন্তু আমি দেখেছি, লোকেরা খালিদের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হচ্ছে। আমি চেয়েছি লোকদের এ কথা জানাতে যে, مسلمانوں کا বিজয় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, খালিদের পক্ষ থেকে নয়।'
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ছিলেন এমন এক বীর যে, লোকেরা মনে করতে লাগল, যুদ্ধে مسلمانوں کا বিজয় অর্জিত হয় খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর শক্তি ও নিপুণ বুদ্ধিতে। লোকেদের মনে এ কথা বদ্ধমূল হয়ে গেল, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদই مسلمانوں کا বিজয়ের কারণ। অথচ مسلمانوں کا বিজয় কোনো শক্তি আর সৈন্যবলে নয়, مسلمانوں کا বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাদের এ ধারণার মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে হযরত উমর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
হে মুসলিম যুব ও তরুণ প্রজন্ম! হে ইসলামের প্রাণশক্তি তরুণ প্রজন্ম! তোমরা হবে খালিদের অনুসারী। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. হবেন তোমাদের নেতা। তোমরা পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তাদের যারা উম্মাহর বিজয়ের পথ রচনা করে গেছেন। তোমাদের আইকন হবে তারা যাঁদের রক্তে সিঞ্চিত হয়েছে ইসলাম নামক বৃক্ষ। মুসলিম যুবকদের আইকন কোনো ফাসেক ফাজের নায়ক ও প্লেয়াররা নয়, মুসলিম তরুণদের আইকন হবেন সাহাবায়ে কেরাম। মুসলিম তরুণ প্রজন্ম অনুসরণ করবে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ও তার সঙ্গীদের। হে তরুণ! হে যুবক! তোমাদের হতে হবে উম্মাহর উমর, খালিদ, আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.দের মত। তোমাদের হতে হবে উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী। ইসলামের বিজয় পথ তৈরি করতে হবে তোমাদের। এ জাতির কান্ডারি তোমরাই। আল্লাহর জমিনের আল্লাহর কালিমা বুলন্দি করার জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে সময়ের খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে।
আজ দিকে দিকে তাকিয়ে দেখো মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। মুসলিম নারী-শিশুদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর আকাশ। উত্তাল সমুদ্রের তরঙ্গে ভাসছে মুসলমানের লাশ। আজ জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে मुसलमानों کا। পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে मुसलमानों کا রক্তে ভেসে যাচ্ছে মানচিত্র। কুফরি শক্তির হাত থেকে তাদের রক্ষা করার ঈমানি দায়িত্বে তোমাকেই এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহর কসম! আজ মুসলমানরা তাকিয়ে আছে তোমাদের পানে। তোমাদের ডাকছে আহাজারি করে। তোমাদের এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রার্থনা করছে আল্লাহর দরবারে। হে উম্মাহর তরুণ প্রজন্ম! হে উম্মাহর তরুণ শক্তি! হে উম্মাহর সৈনিক! তোমরা এগিয়ে আসো জমানার খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে। জুলুম ও নিপীড়ন থেকে তাদের মুক্ত করো। পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করো আল্লাহর দ্বীন। যে দ্বীন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমানতস্বরূপ রেখে গেছেন তোমাদের নিকট।
প্রার্থনা করি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেন আমাদের হৃদয়কে জীবন্ত করে দেন। এবং আমাদের সৎপথে পরিচালিত করেন। ভ্রষ্টতা ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করেন। মুসলিম উম্মাহর তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে জাগ্রত করেন। তাদের শক্তি, সাহসকে ইসলামের বিজয়ের জন্য কবুল করে নেন। আমিন।

হযরত আবু বকর রা.-এর ইন্তেকালের পর খলিফাতুল মুসলিমিন নির্বাচিত হলেন হযরত উমর রা.। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার স্থলে সেনাপতি নিযুক্ত করেন হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.-কে। হযরত উমর রা. খেলাফতের মসনদে বসে কেন অপরাজেয় সেনাপতি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন? অথচ তিনি প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে मुसलमानों کا একের-পর-এক বিজয় উপহার দিয়েছেন। কে আছে এমন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর তরবারিকে ভেঙে দেবে? আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছেন।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ হযরত উমর রা. নিজেই বর্ণনা করেছেন। আল্লাহু আকবার! কী ছিল সে কথা, যা হযরত উমর রা. বলেছেন?
مَا عَزَلْتُ خَالِداً عَنْ سُخْطَةِ وَلَا عَنْ خِيَانَةٍ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ فُتِنُوا بِـ خَالِدٍ، فَأَرَدْتُ أَنْ يَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ النَّصْرَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الصَّانِعِ وَلَيْسَ مِنْ عِنْدِ خَالِدٍ
'আমি ক্রোধ কিংবা খেয়ানতের বশবর্তী হয়ে খালিদকে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিইনি। কিন্তু আমি দেখেছি, লোকেরা খালিদের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হচ্ছে। আমি চেয়েছি লোকদের এ কথা জানাতে যে, مسلمانوں کا বিজয় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, খালিদের পক্ষ থেকে নয়।'
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ছিলেন এমন এক বীর যে, লোকেরা মনে করতে লাগল, যুদ্ধে مسلمانوں کا বিজয় অর্জিত হয় খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর শক্তি ও নিপুণ বুদ্ধিতে। লোকেদের মনে এ কথা বদ্ধমূল হয়ে গেল, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদই مسلمانوں کا বিজয়ের কারণ। অথচ مسلمانوں کا বিজয় কোনো শক্তি আর সৈন্যবলে নয়, مسلمانوں کا বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাদের এ ধারণার মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে হযরত উমর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
হে মুসলিম যুব ও তরুণ প্রজন্ম! হে ইসলামের প্রাণশক্তি তরুণ প্রজন্ম! তোমরা হবে খালিদের অনুসারী। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. হবেন তোমাদের নেতা। তোমরা পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তাদের যারা উম্মাহর বিজয়ের পথ রচনা করে গেছেন। তোমাদের আইকন হবে তারা যাঁদের রক্তে সিঞ্চিত হয়েছে ইসলাম নামক বৃক্ষ। মুসলিম যুবকদের আইকন কোনো ফাসেক ফাজের নায়ক ও প্লেয়াররা নয়, মুসলিম তরুণদের আইকন হবেন সাহাবায়ে কেরাম। মুসলিম তরুণ প্রজন্ম অনুসরণ করবে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ও তার সঙ্গীদের। হে তরুণ! হে যুবক! তোমাদের হতে হবে উম্মাহর উমর, খালিদ, আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.দের মত। তোমাদের হতে হবে উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী। ইসলামের বিজয় পথ তৈরি করতে হবে তোমাদের। এ জাতির কান্ডারি তোমরাই। আল্লাহর জমিনের আল্লাহর কালিমা বুলন্দি করার জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে সময়ের খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে।
আজ দিকে দিকে তাকিয়ে দেখো মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। মুসলিম নারী-শিশুদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর আকাশ। উত্তাল সমুদ্রের তরঙ্গে ভাসছে মুসলমানের লাশ। আজ জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে मुसलमानों کا। পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে मुसलमानों کا রক্তে ভেসে যাচ্ছে মানচিত্র। কুফরি শক্তির হাত থেকে তাদের রক্ষা করার ঈমানি দায়িত্বে তোমাকেই এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহর কসম! আজ মুসলমানরা তাকিয়ে আছে তোমাদের পানে। তোমাদের ডাকছে আহাজারি করে। তোমাদের এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রার্থনা করছে আল্লাহর দরবারে। হে উম্মাহর তরুণ প্রজন্ম! হে উম্মাহর তরুণ শক্তি! হে উম্মাহর সৈনিক! তোমরা এগিয়ে আসো জমানার খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে। জুলুম ও নিপীড়ন থেকে তাদের মুক্ত করো। পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করো আল্লাহর দ্বীন। যে দ্বীন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমানতস্বরূপ রেখে গেছেন তোমাদের নিকট।
প্রার্থনা করি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেন আমাদের হৃদয়কে জীবন্ত করে দেন। এবং আমাদের সৎপথে পরিচালিত করেন। ভ্রষ্টতা ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করেন। মুসলিম উম্মাহর তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে জাগ্রত করেন। তাদের শক্তি, সাহসকে ইসলামের বিজয়ের জন্য কবুল করে নেন। আমিন।

হযরত আবু বকর রা.-এর ইন্তেকালের পর খলিফাতুল মুসলিমিন নির্বাচিত হলেন হযরত উমর রা.। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার স্থলে সেনাপতি নিযুক্ত করেন হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.-কে। হযরত উমর রা. খেলাফতের মসনদে বসে কেন অপরাজেয় সেনাপতি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন? অথচ তিনি প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে मुसलमानों کا একের-পর-এক বিজয় উপহার দিয়েছেন। কে আছে এমন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর তরবারিকে ভেঙে দেবে? আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছেন।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ হযরত উমর রা. নিজেই বর্ণনা করেছেন। আল্লাহু আকবার! কী ছিল সে কথা, যা হযরত উমর রা. বলেছেন?
مَا عَزَلْتُ خَالِداً عَنْ سُخْطَةِ وَلَا عَنْ خِيَانَةٍ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ فُتِنُوا بِـ خَالِدٍ، فَأَرَدْتُ أَنْ يَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ النَّصْرَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الصَّانِعِ وَلَيْسَ مِنْ عِنْدِ خَالِدٍ
'আমি ক্রোধ কিংবা খেয়ানতের বশবর্তী হয়ে খালিদকে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিইনি। কিন্তু আমি দেখেছি, লোকেরা খালিদের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হচ্ছে। আমি চেয়েছি লোকদের এ কথা জানাতে যে, مسلمانوں کا বিজয় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, খালিদের পক্ষ থেকে নয়।'
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ছিলেন এমন এক বীর যে, লোকেরা মনে করতে লাগল, যুদ্ধে مسلمانوں کا বিজয় অর্জিত হয় খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর শক্তি ও নিপুণ বুদ্ধিতে। লোকেদের মনে এ কথা বদ্ধমূল হয়ে গেল, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদই مسلمانوں کا বিজয়ের কারণ। অথচ مسلمانوں کا বিজয় কোনো শক্তি আর সৈন্যবলে নয়, مسلمانوں کا বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাদের এ ধারণার মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে হযরত উমর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
হে মুসলিম যুব ও তরুণ প্রজন্ম! হে ইসলামের প্রাণশক্তি তরুণ প্রজন্ম! তোমরা হবে খালিদের অনুসারী। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. হবেন তোমাদের নেতা। তোমরা পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তাদের যারা উম্মাহর বিজয়ের পথ রচনা করে গেছেন। তোমাদের আইকন হবে তারা যাঁদের রক্তে সিঞ্চিত হয়েছে ইসলাম নামক বৃক্ষ। মুসলিম যুবকদের আইকন কোনো ফাসেক ফাজের নায়ক ও প্লেয়াররা নয়, মুসলিম তরুণদের আইকন হবেন সাহাবায়ে কেরাম। মুসলিম তরুণ প্রজন্ম অনুসরণ করবে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ও তার সঙ্গীদের। হে তরুণ! হে যুবক! তোমাদের হতে হবে উম্মাহর উমর, খালিদ, আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.দের মত। তোমাদের হতে হবে উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী। ইসলামের বিজয় পথ তৈরি করতে হবে তোমাদের। এ জাতির কান্ডারি তোমরাই। আল্লাহর জমিনের আল্লাহর কালিমা বুলন্দি করার জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে সময়ের খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে।
আজ দিকে দিকে তাকিয়ে দেখো মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। মুসলিম নারী-শিশুদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর আকাশ। উত্তাল সমুদ্রের তরঙ্গে ভাসছে মুসলমানের লাশ। আজ জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে मुसलमानों کا। পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে मुसलमानों کا রক্তে ভেসে যাচ্ছে মানচিত্র। কুফরি শক্তির হাত থেকে তাদের রক্ষা করার ঈমানি দায়িত্বে তোমাকেই এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহর কসম! আজ মুসলমানরা তাকিয়ে আছে তোমাদের পানে। তোমাদের ডাকছে আহাজারি করে। তোমাদের এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রার্থনা করছে আল্লাহর দরবারে। হে উম্মাহর তরুণ প্রজন্ম! হে উম্মাহর তরুণ শক্তি! হে উম্মাহর সৈনিক! তোমরা এগিয়ে আসো জমানার খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে। জুলুম ও নিপীড়ন থেকে তাদের মুক্ত করো। পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করো আল্লাহর দ্বীন। যে দ্বীন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমানতস্বরূপ রেখে গেছেন তোমাদের নিকট।
প্রার্থনা করি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেন আমাদের হৃদয়কে জীবন্ত করে দেন। এবং আমাদের সৎপথে পরিচালিত করেন। ভ্রষ্টতা ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করেন। মুসলিম উম্মাহর তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে জাগ্রত করেন। তাদের শক্তি, সাহসকে ইসলামের বিজয়ের জন্য কবুল করে নেন। আমিন।

হযরত আবু বকর রা.-এর ইন্তেকালের পর খলিফাতুল মুসলিমিন নির্বাচিত হলেন হযরত উমর রা.। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার স্থলে সেনাপতি নিযুক্ত করেন হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.-কে। হযরত উমর রা. খেলাফতের মসনদে বসে কেন অপরাজেয় সেনাপতি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন? অথচ তিনি প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে मुसलमानों کا একের-পর-এক বিজয় উপহার দিয়েছেন। কে আছে এমন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর তরবারিকে ভেঙে দেবে? আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছেন।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ হযরত উমর রা. নিজেই বর্ণনা করেছেন। আল্লাহু আকবার! কী ছিল সে কথা, যা হযরত উমর রা. বলেছেন?
مَا عَزَلْتُ خَالِداً عَنْ سُخْطَةِ وَلَا عَنْ خِيَانَةٍ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ فُتِنُوا بِـ خَالِدٍ، فَأَرَدْتُ أَنْ يَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ النَّصْرَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الصَّانِعِ وَلَيْسَ مِنْ عِنْدِ خَالِدٍ
'আমি ক্রোধ কিংবা খেয়ানতের বশবর্তী হয়ে খালিদকে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিইনি। কিন্তু আমি দেখেছি, লোকেরা খালিদের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হচ্ছে। আমি চেয়েছি লোকদের এ কথা জানাতে যে, مسلمانوں کا বিজয় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, খালিদের পক্ষ থেকে নয়।'
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ছিলেন এমন এক বীর যে, লোকেরা মনে করতে লাগল, যুদ্ধে مسلمانوں کا বিজয় অর্জিত হয় খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর শক্তি ও নিপুণ বুদ্ধিতে। লোকেদের মনে এ কথা বদ্ধমূল হয়ে গেল, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদই مسلمانوں کا বিজয়ের কারণ। অথচ مسلمانوں کا বিজয় কোনো শক্তি আর সৈন্যবলে নয়, مسلمانوں کا বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাদের এ ধারণার মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে হযরত উমর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
হে মুসলিম যুব ও তরুণ প্রজন্ম! হে ইসলামের প্রাণশক্তি তরুণ প্রজন্ম! তোমরা হবে খালিদের অনুসারী। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. হবেন তোমাদের নেতা। তোমরা পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তাদের যারা উম্মাহর বিজয়ের পথ রচনা করে গেছেন। তোমাদের আইকন হবে তারা যাঁদের রক্তে সিঞ্চিত হয়েছে ইসলাম নামক বৃক্ষ। মুসলিম যুবকদের আইকন কোনো ফাসেক ফাজের নায়ক ও প্লেয়াররা নয়, মুসলিম তরুণদের আইকন হবেন সাহাবায়ে কেরাম। মুসলিম তরুণ প্রজন্ম অনুসরণ করবে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ও তার সঙ্গীদের। হে তরুণ! হে যুবক! তোমাদের হতে হবে উম্মাহর উমর, খালিদ, আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.দের মত। তোমাদের হতে হবে উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী। ইসলামের বিজয় পথ তৈরি করতে হবে তোমাদের। এ জাতির কান্ডারি তোমরাই। আল্লাহর জমিনের আল্লাহর কালিমা বুলন্দি করার জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে সময়ের খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে।
আজ দিকে দিকে তাকিয়ে দেখো মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। মুসলিম নারী-শিশুদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর আকাশ। উত্তাল সমুদ্রের তরঙ্গে ভাসছে মুসলমানের লাশ। আজ জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে मुसलमानों کا। পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে मुसलमानों کا রক্তে ভেসে যাচ্ছে মানচিত্র। কুফরি শক্তির হাত থেকে তাদের রক্ষা করার ঈমানি দায়িত্বে তোমাকেই এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহর কসম! আজ মুসলমানরা তাকিয়ে আছে তোমাদের পানে। তোমাদের ডাকছে আহাজারি করে। তোমাদের এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রার্থনা করছে আল্লাহর দরবারে। হে উম্মাহর তরুণ প্রজন্ম! হে উম্মাহর তরুণ শক্তি! হে উম্মাহর সৈনিক! তোমরা এগিয়ে আসো জমানার খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে। জুলুম ও নিপীড়ন থেকে তাদের মুক্ত করো। পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করো আল্লাহর দ্বীন। যে দ্বীন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমানতস্বরূপ রেখে গেছেন তোমাদের নিকট।
প্রার্থনা করি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেন আমাদের হৃদয়কে জীবন্ত করে দেন। এবং আমাদের সৎপথে পরিচালিত করেন। ভ্রষ্টতা ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করেন। মুসলিম উম্মাহর তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে জাগ্রত করেন। তাদের শক্তি, সাহসকে ইসলামের বিজয়ের জন্য কবুল করে নেন। আমিন।

হযরত আবু বকর রা.-এর ইন্তেকালের পর খলিফাতুল মুসলিমিন নির্বাচিত হলেন হযরত উমর রা.। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার স্থলে সেনাপতি নিযুক্ত করেন হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.-কে। হযরত উমর রা. খেলাফতের মসনদে বসে কেন অপরাজেয় সেনাপতি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন? অথচ তিনি প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে मुसलमानों کا একের-পর-এক বিজয় উপহার দিয়েছেন। কে আছে এমন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর তরবারিকে ভেঙে দেবে? আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছেন।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ হযরত উমর রা. নিজেই বর্ণনা করেছেন। আল্লাহু আকবার! কী ছিল সে কথা, যা হযরত উমর রা. বলেছেন?
مَا عَزَلْتُ خَالِداً عَنْ سُخْطَةِ وَلَا عَنْ خِيَانَةٍ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ فُتِنُوا بِـ خَالِدٍ، فَأَرَدْتُ أَنْ يَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ النَّصْرَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الصَّانِعِ وَلَيْسَ مِنْ عِنْدِ خَالِدٍ
'আমি ক্রোধ কিংবা খেয়ানতের বশবর্তী হয়ে খালিদকে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিইনি। কিন্তু আমি দেখেছি, লোকেরা খালিদের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হচ্ছে। আমি চেয়েছি লোকদের এ কথা জানাতে যে, مسلمانوں کا বিজয় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, খালিদের পক্ষ থেকে নয়।'
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ছিলেন এমন এক বীর যে, লোকেরা মনে করতে লাগল, যুদ্ধে مسلمانوں کا বিজয় অর্জিত হয় খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর শক্তি ও নিপুণ বুদ্ধিতে। লোকেদের মনে এ কথা বদ্ধমূল হয়ে গেল, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদই مسلمانوں کا বিজয়ের কারণ। অথচ مسلمانوں کا বিজয় কোনো শক্তি আর সৈন্যবলে নয়, مسلمانوں کا বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাদের এ ধারণার মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে হযরত উমর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
হে মুসলিম যুব ও তরুণ প্রজন্ম! হে ইসলামের প্রাণশক্তি তরুণ প্রজন্ম! তোমরা হবে খালিদের অনুসারী। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. হবেন তোমাদের নেতা। তোমরা পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তাদের যারা উম্মাহর বিজয়ের পথ রচনা করে গেছেন। তোমাদের আইকন হবে তারা যাঁদের রক্তে সিঞ্চিত হয়েছে ইসলাম নামক বৃক্ষ। মুসলিম যুবকদের আইকন কোনো ফাসেক ফাজের নায়ক ও প্লেয়াররা নয়, মুসলিম তরুণদের আইকন হবেন সাহাবায়ে কেরাম। মুসলিম তরুণ প্রজন্ম অনুসরণ করবে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ও তার সঙ্গীদের। হে তরুণ! হে যুবক! তোমাদের হতে হবে উম্মাহর উমর, খালিদ, আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.দের মত। তোমাদের হতে হবে উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী। ইসলামের বিজয় পথ তৈরি করতে হবে তোমাদের। এ জাতির কান্ডারি তোমরাই। আল্লাহর জমিনের আল্লাহর কালিমা বুলন্দি করার জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে সময়ের খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে।
আজ দিকে দিকে তাকিয়ে দেখো মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। মুসলিম নারী-শিশুদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর আকাশ। উত্তাল সমুদ্রের তরঙ্গে ভাসছে মুসলমানের লাশ। আজ জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে मुसलमानों کا। পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে मुसलमानों کا রক্তে ভেসে যাচ্ছে মানচিত্র। কুফরি শক্তির হাত থেকে তাদের রক্ষা করার ঈমানি দায়িত্বে তোমাকেই এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহর কসম! আজ মুসলমানরা তাকিয়ে আছে তোমাদের পানে। তোমাদের ডাকছে আহাজারি করে। তোমাদের এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রার্থনা করছে আল্লাহর দরবারে। হে উম্মাহর তরুণ প্রজন্ম! হে উম্মাহর তরুণ শক্তি! হে উম্মাহর সৈনিক! তোমরা এগিয়ে আসো জমানার খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে। জুলুম ও নিপীড়ন থেকে তাদের মুক্ত করো। পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করো আল্লাহর দ্বীন। যে দ্বীন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমানতস্বরূপ রেখে গেছেন তোমাদের নিকট।
প্রার্থনা করি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেন আমাদের হৃদয়কে জীবন্ত করে দেন। এবং আমাদের সৎপথে পরিচালিত করেন। ভ্রষ্টতা ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করেন। মুসলিম উম্মাহর তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে জাগ্রত করেন। তাদের শক্তি, সাহসকে ইসলামের বিজয়ের জন্য কবুল করে নেন। আমিন।

হযরত আবু বকর রা.-এর ইন্তেকালের পর খলিফাতুল মুসলিমিন নির্বাচিত হলেন হযরত উমর রা.। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার স্থলে সেনাপতি নিযুক্ত করেন হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.-কে। হযরত উমর রা. খেলাফতের মসনদে বসে কেন অপরাজেয় সেনাপতি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন? অথচ তিনি প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে मुसलमानों کا একের-পর-এক বিজয় উপহার দিয়েছেন। কে আছে এমন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর তরবারিকে ভেঙে দেবে? আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছেন।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ হযরত উমর রা. নিজেই বর্ণনা করেছেন। আল্লাহু আকবার! কী ছিল সে কথা, যা হযরত উমর রা. বলেছেন?
مَا عَزَلْتُ خَالِداً عَنْ سُخْطَةِ وَلَا عَنْ خِيَانَةٍ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ فُتِنُوا بِـ خَالِدٍ، فَأَرَدْتُ أَنْ يَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ النَّصْرَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الصَّانِعِ وَلَيْسَ مِنْ عِنْدِ خَالِدٍ
'আমি ক্রোধ কিংবা খেয়ানতের বশবর্তী হয়ে খালিদকে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিইনি। কিন্তু আমি দেখেছি, লোকেরা খালিদের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হচ্ছে। আমি চেয়েছি লোকদের এ কথা জানাতে যে, مسلمانوں کا বিজয় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, খালিদের পক্ষ থেকে নয়।'
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ছিলেন এমন এক বীর যে, লোকেরা মনে করতে লাগল, যুদ্ধে مسلمانوں کا বিজয় অর্জিত হয় খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর শক্তি ও নিপুণ বুদ্ধিতে। লোকেদের মনে এ কথা বদ্ধমূল হয়ে গেল, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদই مسلمانوں کا বিজয়ের কারণ। অথচ مسلمانوں کا বিজয় কোনো শক্তি আর সৈন্যবলে নয়, مسلمانوں کا বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাদের এ ধারণার মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে হযরত উমর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
হে মুসলিম যুব ও তরুণ প্রজন্ম! হে ইসলামের প্রাণশক্তি তরুণ প্রজন্ম! তোমরা হবে খালিদের অনুসারী। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. হবেন তোমাদের নেতা। তোমরা পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তাদের যারা উম্মাহর বিজয়ের পথ রচনা করে গেছেন। তোমাদের আইকন হবে তারা যাঁদের রক্তে সিঞ্চিত হয়েছে ইসলাম নামক বৃক্ষ। মুসলিম যুবকদের আইকন কোনো ফাসেক ফাজের নায়ক ও প্লেয়াররা নয়, মুসলিম তরুণদের আইকন হবেন সাহাবায়ে কেরাম। মুসলিম তরুণ প্রজন্ম অনুসরণ করবে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ও তার সঙ্গীদের। হে তরুণ! হে যুবক! তোমাদের হতে হবে উম্মাহর উমর, খালিদ, আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.দের মত। তোমাদের হতে হবে উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী। ইসলামের বিজয় পথ তৈরি করতে হবে তোমাদের। এ জাতির কান্ডারি তোমরাই। আল্লাহর জমিনের আল্লাহর কালিমা বুলন্দি করার জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে সময়ের খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে।
আজ দিকে দিকে তাকিয়ে দেখো মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। মুসলিম নারী-শিশুদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর আকাশ। উত্তাল সমুদ্রের তরঙ্গে ভাসছে মুসলমানের লাশ। আজ জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে मुसलमानों کا। পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে मुसलमानों کا রক্তে ভেসে যাচ্ছে মানচিত্র। কুফরি শক্তির হাত থেকে তাদের রক্ষা করার ঈমানি দায়িত্বে তোমাকেই এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহর কসম! আজ মুসলমানরা তাকিয়ে আছে তোমাদের পানে। তোমাদের ডাকছে আহাজারি করে। তোমাদের এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রার্থনা করছে আল্লাহর দরবারে। হে উম্মাহর তরুণ প্রজন্ম! হে উম্মাহর তরুণ শক্তি! হে উম্মাহর সৈনিক! তোমরা এগিয়ে আসো জমানার খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে। জুলুম ও নিপীড়ন থেকে তাদের মুক্ত করো। পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করো আল্লাহর দ্বীন। যে দ্বীন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমানতস্বরূপ রেখে গেছেন তোমাদের নিকট।
প্রার্থনা করি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেন আমাদের হৃদয়কে জীবন্ত করে দেন। এবং আমাদের সৎপথে পরিচালিত করেন। ভ্রষ্টতা ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করেন। মুসলিম উম্মাহর তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে জাগ্রত করেন। তাদের শক্তি, সাহসকে ইসলামের বিজয়ের জন্য কবুল করে নেন। আমিন।

হযরত আবু বকর রা.-এর ইন্তেকালের পর খলিফাতুল মুসলিমিন নির্বাচিত হলেন হযরত উমর রা.। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার স্থলে সেনাপতি নিযুক্ত করেন হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.-কে। হযরত উমর রা. খেলাফতের মসনদে বসে কেন অপরাজেয় সেনাপতি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন? অথচ তিনি প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে मुसलमानों کا একের-পর-এক বিজয় উপহার দিয়েছেন। কে আছে এমন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর তরবারিকে ভেঙে দেবে? আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছেন।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ হযরত উমর রা. নিজেই বর্ণনা করেছেন। আল্লাহু আকবার! কী ছিল সে কথা, যা হযরত উমর রা. বলেছেন?
مَا عَزَلْتُ خَالِداً عَنْ سُخْطَةِ وَلَا عَنْ خِيَانَةٍ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ فُتِنُوا بِـ خَالِدٍ، فَأَرَدْتُ أَنْ يَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ النَّصْرَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الصَّانِعِ وَلَيْسَ مِنْ عِنْدِ خَالِدٍ
'আমি ক্রোধ কিংবা খেয়ানতের বশবর্তী হয়ে খালিদকে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিইনি। কিন্তু আমি দেখেছি, লোকেরা খালিদের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হচ্ছে। আমি চেয়েছি লোকদের এ কথা জানাতে যে, مسلمانوں کا বিজয় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, খালিদের পক্ষ থেকে নয়।'
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ছিলেন এমন এক বীর যে, লোকেরা মনে করতে লাগল, যুদ্ধে مسلمانوں کا বিজয় অর্জিত হয় খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর শক্তি ও নিপুণ বুদ্ধিতে। লোকেদের মনে এ কথা বদ্ধমূল হয়ে গেল, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদই مسلمانوں کا বিজয়ের কারণ। অথচ مسلمانوں کا বিজয় কোনো শক্তি আর সৈন্যবলে নয়, مسلمانوں کا বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাদের এ ধারণার মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে হযরত উমর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
হে মুসলিম যুব ও তরুণ প্রজন্ম! হে ইসলামের প্রাণশক্তি তরুণ প্রজন্ম! তোমরা হবে খালিদের অনুসারী। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. হবেন তোমাদের নেতা। তোমরা পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তাদের যারা উম্মাহর বিজয়ের পথ রচনা করে গেছেন। তোমাদের আইকন হবে তারা যাঁদের রক্তে সিঞ্চিত হয়েছে ইসলাম নামক বৃক্ষ। মুসলিম যুবকদের আইকন কোনো ফাসেক ফাজের নায়ক ও প্লেয়াররা নয়, মুসলিম তরুণদের আইকন হবেন সাহাবায়ে কেরাম। মুসলিম তরুণ প্রজন্ম অনুসরণ করবে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ও তার সঙ্গীদের। হে তরুণ! হে যুবক! তোমাদের হতে হবে উম্মাহর উমর, খালিদ, আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.দের মত। তোমাদের হতে হবে উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী। ইসলামের বিজয় পথ তৈরি করতে হবে তোমাদের। এ জাতির কান্ডারি তোমরাই। আল্লাহর জমিনের আল্লাহর কালিমা বুলন্দি করার জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে সময়ের খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে।
আজ দিকে দিকে তাকিয়ে দেখো মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। মুসলিম নারী-শিশুদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর আকাশ। উত্তাল সমুদ্রের তরঙ্গে ভাসছে মুসলমানের লাশ। আজ জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে मुसलमानों کا। পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে मुसलमानों کا রক্তে ভেসে যাচ্ছে মানচিত্র। কুফরি শক্তির হাত থেকে তাদের রক্ষা করার ঈমানি দায়িত্বে তোমাকেই এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহর কসম! আজ মুসলমানরা তাকিয়ে আছে তোমাদের পানে। তোমাদের ডাকছে আহাজারি করে। তোমাদের এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রার্থনা করছে আল্লাহর দরবারে। হে উম্মাহর তরুণ প্রজন্ম! হে উম্মাহর তরুণ শক্তি! হে উম্মাহর সৈনিক! তোমরা এগিয়ে আসো জমানার খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে। জুলুম ও নিপীড়ন থেকে তাদের মুক্ত করো। পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করো আল্লাহর দ্বীন। যে দ্বীন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমানতস্বরূপ রেখে গেছেন তোমাদের নিকট।
প্রার্থনা করি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেন আমাদের হৃদয়কে জীবন্ত করে দেন। এবং আমাদের সৎপথে পরিচালিত করেন। ভ্রষ্টতা ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করেন। মুসলিম উম্মাহর তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে জাগ্রত করেন। তাদের শক্তি, সাহসকে ইসলামের বিজয়ের জন্য কবুল করে নেন। আমিন।

হযরত আবু বকর রা.-এর ইন্তেকালের পর খলিফাতুল মুসলিমিন নির্বাচিত হলেন হযরত উমর রা.। খলিফা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন। তার স্থলে সেনাপতি নিযুক্ত করেন হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.-কে। হযরত উমর রা. খেলাফতের মসনদে বসে কেন অপরাজেয় সেনাপতি হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিলেন? অথচ তিনি প্রতিটি যুদ্ধে অসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে मुसलमानों کا একের-পর-এক বিজয় উপহার দিয়েছেন। কে আছে এমন যে হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর তরবারিকে ভেঙে দেবে? আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাকে সাইফুল্লাহ (আল্লাহর তরবারি) উপাধি দিয়েছেন।
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার কারণ হযরত উমর রা. নিজেই বর্ণনা করেছেন। আল্লাহু আকবার! কী ছিল সে কথা, যা হযরত উমর রা. বলেছেন?
مَا عَزَلْتُ خَالِداً عَنْ سُخْطَةِ وَلَا عَنْ خِيَانَةٍ، وَلَكِنِّي رَأَيْتُ النَّاسَ قَدْ فُتِنُوا بِـ خَالِدٍ، فَأَرَدْتُ أَنْ يَعْلَمَ النَّاسُ أَنَّ النَّصْرَ مِنْ عِنْدِ اللَّهِ الصَّانِعِ وَلَيْسَ مِنْ عِنْدِ خَالِدٍ
'আমি ক্রোধ কিংবা খেয়ানতের বশবর্তী হয়ে খালিদকে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিইনি। কিন্তু আমি দেখেছি, লোকেরা খালিদের ব্যাপারে ফিতনায় পতিত হচ্ছে। আমি চেয়েছি লোকদের এ কথা জানাতে যে, مسلمانوں کا বিজয় আসে একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকে, খালিদের পক্ষ থেকে নয়।'
হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ছিলেন এমন এক বীর যে, লোকেরা মনে করতে লাগল, যুদ্ধে مسلمانوں کا বিজয় অর্জিত হয় খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-এর শক্তি ও নিপুণ বুদ্ধিতে। লোকেদের মনে এ কথা বদ্ধমূল হয়ে গেল, হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদই مسلمانوں کا বিজয়ের কারণ। অথচ مسلمانوں کا বিজয় কোনো শক্তি আর সৈন্যবলে নয়, مسلمانوں کا বিজয় আসে আল্লাহর পক্ষ থেকে। তাদের এ ধারণার মূলোৎপাটন করার লক্ষ্যে হযরত উমর রা. খালিদ বিন ওয়ালিদ রা.-কে সেনাপতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেন।
হে মুসলিম যুব ও তরুণ প্রজন্ম! হে ইসলামের প্রাণশক্তি তরুণ প্রজন্ম! তোমরা হবে খালিদের অনুসারী। হযরত খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. হবেন তোমাদের নেতা। তোমরা পদাঙ্ক অনুসরণ করবে তাদের যারা উম্মাহর বিজয়ের পথ রচনা করে গেছেন। তোমাদের আইকন হবে তারা যাঁদের রক্তে সিঞ্চিত হয়েছে ইসলাম নামক বৃক্ষ। মুসলিম যুবকদের আইকন কোনো ফাসেক ফাজের নায়ক ও প্লেয়াররা নয়, মুসলিম তরুণদের আইকন হবেন সাহাবায়ে কেরাম। মুসলিম তরুণ প্রজন্ম অনুসরণ করবে খালিদ বিন ওয়ালিদ রা. ও তার সঙ্গীদের। হে তরুণ! হে যুবক! তোমাদের হতে হবে উম্মাহর উমর, খালিদ, আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ রা.দের মত। তোমাদের হতে হবে উম্মাহর অতন্দ্র প্রহরী। ইসলামের বিজয় পথ তৈরি করতে হবে তোমাদের। এ জাতির কান্ডারি তোমরাই। আল্লাহর জমিনের আল্লাহর কালিমা বুলন্দি করার জন্য তোমাদের এগিয়ে আসতে হবে সময়ের খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে।
আজ দিকে দিকে তাকিয়ে দেখো মুসলমানরা নির্যাতিত হচ্ছে। মুসলিম নারী-শিশুদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পৃথিবীর আকাশ। উত্তাল সমুদ্রের তরঙ্গে ভাসছে মুসলমানের লাশ। আজ জীবন্ত আগুনে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে मुसलमानों کا। পৃথিবীর প্রান্তে প্রান্তে मुसलमानों کا রক্তে ভেসে যাচ্ছে মানচিত্র। কুফরি শক্তির হাত থেকে তাদের রক্ষা করার ঈমানি দায়িত্বে তোমাকেই এগিয়ে আসতে হবে। আল্লাহর কসম! আজ মুসলমানরা তাকিয়ে আছে তোমাদের পানে। তোমাদের ডাকছে আহাজারি করে। তোমাদের এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রার্থনা করছে আল্লাহর দরবারে। হে উম্মাহর তরুণ প্রজন্ম! হে উম্মাহর তরুণ শক্তি! হে উম্মাহর সৈনিক! তোমরা এগিয়ে আসো জমানার খালিদ বিন ওয়ালিদ হয়ে। জুলুম ও নিপীড়ন থেকে তাদের মুক্ত করো। পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠা করো আল্লাহর দ্বীন। যে দ্বীন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমানতস্বরূপ রেখে গেছেন তোমাদের নিকট।
প্রার্থনা করি, আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যেন আমাদের হৃদয়কে জীবন্ত করে দেন। এবং আমাদের সৎপথে পরিচালিত করেন। ভ্রষ্টতা ও গোমরাহি থেকে হেফাজত করেন। মুসলিম উম্মাহর তরুণ প্রজন্মের হৃদয়কে জাগ্রত করেন। তাদের শক্তি, সাহসকে ইসলামের বিজয়ের জন্য কবুল করে নেন। আমিন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00