📄 নসীহাতুল মুলূক
কিতাবটির রচনাকাল ৪৯৮ হিজরীর পরে। একটি ভূমিকা, পাঁচটি অধ্যায় ও একটি উপসংহার সম্বলিত কিতাবটির শিক্ষা সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে রয়েছে: তৃতীয় অধ্যায়ঃ দবীরদের (সচিব) জীবনচরিত, পঞ্চম অধ্যায়ঃ জ্ঞানী মনীষীদের তত্ত্বকথা ও ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ জ্ঞানী লোকদের গুণাবলী ।
📄 রেসালা আইয়ুহাল ওয়ালাদ
একজন ছাত্রের কিছু জিজ্ঞাসার জবাবে লেখা এই পুস্তিকাটি জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর পক্ষ হতে ১৯৫১ সালে বৈরুতে ফরাসী ভাষায় তরজমাসহ প্রকাশিত হয়।
📄 আল আদাব ফিদ্দীন
আরবী ভাষার এই রেসালায় ৭৫টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা আছে। প্রাত্যহিক জীবন যাপন ও মানুষের সাথে মেলামেশার নিয়মাবলী এবং আলেম, পেশাজীবী, সরকারী কর্মচারী প্রভৃতি শ্রেণীর লোকদের অনুসরণীয় নীতিমালা বিষয়ক পুস্তক। এসব নির্দেশনার মধ্যে ৫টি বিশেষ করে শিক্ষা-দীক্ষা সম্পর্কিত। যেমন: আলেমের শিষ্টাচার, শিক্ষকের শিষ্টাচার এবং সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার শিষ্টাচার প্রভৃতি।
📄 ফাতেহাতুল উলুম
জীবনের শেষ বছরে তিনি আরবী ভাষায় এটি লিপিবদ্ধ করেন। কিতাবের আটটি অধ্যায়ের মধ্যে রয়েছে, ইলমের ফযিলত, নিয়তের শুদ্ধতা, জ্ঞান অনুসন্ধান, দুনিয়াদার ও পরকাল সন্ধানী আলেমের মাঝে তফাৎ, জ্ঞানের প্রকারভেদ, তর্ক বাহাসের শর্তাবলী, শিক্ষক ও ছাত্রের শিষ্টাচার, আমীর ওমরাদের সম্পদ থেকে জ্ঞানীদের ভোগ ব্যবহারের পরিমাণ।