📘 আইয়ুহাল ওয়ালাদ ! হে বৎস > 📄 কিমিয়ায়ে সাআদাত

📄 কিমিয়ায়ে সাআদাত


ইহয়াউ উলূমুদ্দীন রচনার পর ইমাম গায্যালী কিমিয়ায়ে সাআদাত লিখেন। ফার্সী ভাষায় ছোট ছোট বাক্যে সহজ, সাবলীল ভঙ্গিতে রচিত কিতাবটি চারটি পর্ব ও চারটি রোকনে বিন্যস্ত।
প্রথম পর্ব- আত্মপরিচয় লাভ বা নিজেকে চেনা।
দ্বিতীয় পর্ব- আল্লাহর পরিচয় লাভ বা আল্লাহকে চেনা।
তৃতীয় পর্ব- দুনিয়ার হাকীকত সম্পর্কে জ্ঞান লাভ।
চতুর্থ পর্ব- আখেরাতের হাকীকত সম্পর্কে জ্ঞান লাভ।
চারটি পর্বের পর রয়েছে চারটি রোকন বা অধ্যায়। প্রত্যেকটি রোকন দশটি আসল বা ধারায় বিভক্ত।
প্রথম রোকন- আল্লাহর আদেশ পালন বা ইবাদত।
দ্বিতীয় রোকন আচার-আচরণ ও জীবন যাপনের ক্ষেত্রে আদব রক্ষা করা বা মুআমেলাত।
এ দু'টি রোকন বাহ্যিক আচরণের সাথে সম্পর্কিত।
আভ্যন্তরীণ অবস্থার সাথে সম্পর্কিত দুটি হচ্ছে:
তৃতীয় রোকন - অপছন্দনীয় স্বভাব-চরিত্র থেকে অন্তরকে পবিত্র করা। যেমন: ক্রোধ, কৃপণতা, হিংসা, অহংকার ও নিজেকে উত্তম মনে করা।
চতুর্থ রোকন- সুন্দর ও পছন্দনীয় চরিত্রে অন্তরকে সজ্জিত করা প্রসঙ্গে। যেমন: সবর, শোকর, ভালবাসা, আল্লাহর প্রতি আশা পোষণ ও ভরসা।
শিক্ষা-দীক্ষা প্রসঙ্গে ইমাম গাযযালীর দৃষ্টিভঙ্গি প্রধানতঃ দ্বিতীয় ও তৃতীয় রোকনে উল্লেখিত হয়েছে। কাজেই এর ধারাগুলোর দিকে দৃষ্টিপাত করা এখানে সমীচীন হবে।
দ্বিতীয় রোকনের ১০টি উসূল বা ধারা হচ্ছে, নিম্নোক্ত ১০টি বিষয়ের নিয়মাবলী: (১) আহার করা (২) বিয়ে-শাদী (৩) উপার্জন ও ব্যবসা (৪) হালাল রিজিক তালাশ করা (৫) মানুষের সাথে মেলামেশা (৬) নির্জনতা (৭) সফর (৮) সামা (ধর্মীয় গান) ও মত্ততা (৯) সৎকাজের আদেশ দান ও অসৎ কাজে নিষেধ করা এবং (১০) শাসনকার্য পরিচালনা।
তৃতীয় রোকনের ১০টি উসূলের শিরোনাম: (১) নফসের শুদ্ধি ও কৃচ্ছতা (২) ক্ষুধা ও লজ্জাস্থানের শাহওয়াত (৩) কথা বলার বিপদাপদ (৪) ক্রোধ, হিংসা-বিদ্বেষ (৫) দুনিয়ার ভালবাসা (৬) সম্পদের লোভ ও কৃপণতা (৭) ক্ষমতার লোভ (৮) ইবাদতে রিয়ার চিকিৎসা (৯) অহংকার ও আত্মপ্রশংসার চিকিৎসা এবং (১০) গাফলতি, গোমরাহী ও আত্মম্ভরিতার বিপদাপদ।

📘 আইয়ুহাল ওয়ালাদ ! হে বৎস > 📄 নসীহাতুল মুলূক

📄 নসীহাতুল মুলূক


কিতাবটির রচনাকাল ৪৯৮ হিজরীর পরে। একটি ভূমিকা, পাঁচটি অধ্যায় ও একটি উপসংহার সম্বলিত কিতাবটির শিক্ষা সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে রয়েছে: তৃতীয় অধ্যায়ঃ দবীরদের (সচিব) জীবনচরিত, পঞ্চম অধ্যায়ঃ জ্ঞানী মনীষীদের তত্ত্বকথা ও ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ জ্ঞানী লোকদের গুণাবলী ।

📘 আইয়ুহাল ওয়ালাদ ! হে বৎস > 📄 রেসালা আইয়ুহাল ওয়ালাদ

📄 রেসালা আইয়ুহাল ওয়ালাদ


একজন ছাত্রের কিছু জিজ্ঞাসার জবাবে লেখা এই পুস্তিকাটি জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কোর পক্ষ হতে ১৯৫১ সালে বৈরুতে ফরাসী ভাষায় তরজমাসহ প্রকাশিত হয়।

📘 আইয়ুহাল ওয়ালাদ ! হে বৎস > 📄 আল আদাব ফিদ্দীন

📄 আল আদাব ফিদ্দীন


আরবী ভাষার এই রেসালায় ৭৫টি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা আছে। প্রাত্যহিক জীবন যাপন ও মানুষের সাথে মেলামেশার নিয়মাবলী এবং আলেম, পেশাজীবী, সরকারী কর্মচারী প্রভৃতি শ্রেণীর লোকদের অনুসরণীয় নীতিমালা বিষয়ক পুস্তক। এসব নির্দেশনার মধ্যে ৫টি বিশেষ করে শিক্ষা-দীক্ষা সম্পর্কিত। যেমন: আলেমের শিষ্টাচার, শিক্ষকের শিষ্টাচার এবং সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার শিষ্টাচার প্রভৃতি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00