📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 ঈদের সালাতের আগেই সদকাতুল ফিতর উপযুক্ত ব্যক্তিকে দিয়ে দেওয়া

📄 ঈদের সালাতের আগেই সদকাতুল ফিতর উপযুক্ত ব্যক্তিকে দিয়ে দেওয়া


ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'মুসলিমদের প্রত্যেক আজাদ ও গোলাম, পুরুষ ও নারী এবং ছোট-বড় সকলের পক্ষ হতে সদাকাতুল ফিতর হিসেবে খেজুর অথবা যবের এক সা' পরিমাণ আদায় করা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফরজ করেছেন এবং মানুষ নামাজে বের হওয়ার আগেই তা আদায় করে দেওয়ার আদেশ করেছেন। ¹⁶³

টিকাঃ
১৬৩. সহিহুল বুখারি : ১৫০৩

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 নবজাতক শিশুর তাহনিক করা (কিছু চিবিয়ে তার মুখে দেওয়া)

📄 নবজাতক শিশুর তাহনিক করা (কিছু চিবিয়ে তার মুখে দেওয়া)


আবু মুসা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আমার একটি ছেলে জন্মগ্রহণ করলে আমি তাকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট নিয়ে এলাম। তিনি ছেলেটির নাম রাখলেন ইবরাহিম। তারপর খেজুর দিয়ে তাহনিক করলেন এবং তার জন্য বরকতের দুআ করে আমার কাছে ফিরিয়ে দিলেন।' সে ছিল আবু মুসা রা.-এর সবচেয়ে বড় ছেলে। ¹⁶⁴

আনাস বিন মালিক রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আবু তালহার এক ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ল। আবু তালহা রা. বাইরে বের হলে ছেলেটি মারা গেল। আবু তালহা রা. ফিরে এসে জিজ্ঞেস করলেন, “ছেলেটির কী হয়েছে?” উম্মে সুলাইম বললেন, “সে আগের তুলনায় অনেক শান্ত।” তারপর তাঁকে রাতের খাবার দিলেন। তিনি আহার করলেন। তারপর উম্মে সুলাইমের সাথে সহবাস করলেন। সহবাস শেষে উম্মে সুলাইম বললেন, “ছেলেটিকে দাফন করে এসো।” সকাল হলে আবু তালহা রা. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর কাছে এসে ঘটনার বিবরণ দিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “গত রাতে কি তুমি স্ত্রীর সঙ্গে ছিলে (তার সাথে সহবাস করেছ)?” তিনি বললেন, “জি।” তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হে আল্লাহ, এদের দুজনকে বরকত দান করুন।”

কিছু দিন পর উম্মে সুলাইম রা. একটি সন্তান প্রসব করলেন। আবু তালহা রা. আমাকে বললেন, “তুমি তাকে উঠিয়ে নিয়ে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর নিকট নিয়ে যাও।” তিনি তাকে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট নিয়ে গেলেন এবং সাথে কিছু খেজুরও পাঠালেন। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে কোলে তুলে নিয়ে বললেন, “তার সাথে কিছু আছে কি?” উপস্থিত সাহাবিগণ বললেন, “জি, কিছু খেজুর আছে।” রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেগুলো নিয়ে ভালোভাবে চিবিয়ে নিলেন এবং মুখ থেকে বের করে শিশুটির মুখে পুরে দিলেন। এভাবে তিনি বাচ্চাটির তাহনিক করালেন এবং তার নাম রাখলেন আব্দুল্লাহ।'¹⁶⁵

টিকাঃ
১৬৪. সহিহুল বুখারি : ৫৪৬৭
১৬৫. সহিহুল বুখারি: ৫৭৭০

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 আকিকা করা

📄 আকিকা করা


আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের মেয়ে হলে একটি বকরি দিয়ে এবং ছেলে হলে দুটি বকরি দিয়ে আকিকার আদেশ করেছেন।...'¹⁶⁶

উম্মে কুরজ রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আমি নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি-
عَنْ الْغُلَامِ شَاتَانِ مُتَكَافِئَتَانِ، وَعَنْ الْجَارِيَةِ شَاةُ
“পুত্র সন্তানের পক্ষ থেকে পরস্পর সমান দুটি বকরি এবং কন্যা সন্তানের পক্ষ থেকে একটি বকরি।”¹⁶⁷

সামুরা বিন জুনদুব রা. থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
كُلُّ غُلَامٍ رَهِينُ بِعَقِيقَتِهِ تُذْبَحُ عَنْهُ يَوْمَ سَابِعِهِ وَيُحْلَقُ رَأْسُهُ وَيُسَمَّى
'প্রত্যেক সন্তান নিজ আকিকার সাথে আবদ্ধ, যা তার পক্ষ থেকে জন্মের সপ্তম দিনে জবাই করা হয় এবং সেদিন তার মাথা মুণ্ডন করা হবে এবং নাম রাখা হবে।'¹⁶⁸

টিকাঃ
১৬৬. মুসনাদু আহমদ : ২৫২৫০
১৬৭. সুনানু ইবনি মাজাহ : ৩১৬২, সুনানুত তিরমিজি : ১৫১৬, সুনানুন নাসায়ি : ৪২১৫
১৬৮. সুনানুন নাসায়ি : ৪২২০

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 নবজাতক শিশুর কানে আজান দেওয়া

📄 নবজাতক শিশুর কানে আজান দেওয়া


আবু রাফি তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, 'ফাতিমা রা. যখন হাসান বিন আলি রা.-কে প্রসব করলেন, তখন আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে তার কানে সালাতের আজানের ন্যায় আজান দিতে দেখেছি।'¹⁶⁹

বি. দ্র. শিশুর কানে ইকামাত দেওয়ার কথা বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত নেই।

টিকাঃ
১৬৯. সুনানুত তিরমিজি: ১৫১৪, সুনানু আবি দাউদ : ১৫০৫

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00