📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 ঈদুল ফিতরের রাত থেকে ইমাম আসার আগ পর্যন্ত তাকবির বলতে থাকা

📄 ঈদুল ফিতরের রাত থেকে ইমাম আসার আগ পর্যন্ত তাকবির বলতে থাকা


আল্লাহ তাআলা বলেন: وَلِتُكْمِلُوا الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا اللهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ
'আর তোমরা যেন এই সংখ্যা সম্পূর্ণ করো এবং যাতে আল্লাহর মহিমা-কীর্তন করো, তোমাদের যে পথনির্দেশ দিয়েছেন সে মতে। এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো।'¹⁵⁵

এ ব্যাপারে সাহাবা, তাবিয়িন ও অন্যদের থেকে অনেক বর্ণনা রয়েছে, তাঁরা ইদের দিন ইদগাহে যাওয়ার সময় তাকবির বলতে থাকতেন, যতক্ষণ না ইমাম বের হয়ে আসতেন। ¹⁵⁶

টিকাঃ
১৫৫. সুরা আল-বাকারা : ১৮৫
১৫৬. দেখুন, ফারইয়াৰি রহ. রচিত আহকামুল ইদাইন

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 ঈদুল আজহার রাত ও দিনে এবং আইয়ামে তাশরিকে তাকবির বলা

📄 ঈদুল আজহার রাত ও দিনে এবং আইয়ামে তাশরিকে তাকবির বলা


পূর্বসূত্র তথা ইমাম ফারইয়াৰি রহ. রচিত 'আহকামুল ইদাইনে' এ সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ এসেছে।

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 উমরার ইহরামের নিয়ত করা থেকে হারামে প্রবেশের আগ পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করা

📄 উমরার ইহরামের নিয়ত করা থেকে হারামে প্রবেশের আগ পর্যন্ত তালবিয়া পাঠ করা


• ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আমি দেখেছি, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুলহুলাইফাতে তাঁর বাহনে আরোহণ করলেন, অতঃপর তালবিয়া পাঠ করতে শুরু করলেন, যতক্ষণ না তাঁর বাহন (হারামে প্রবেশ করে) সোজা হয়ে দাঁড়াল।' ¹⁵⁷

• নাফি রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'ইবনে উমর রা. যখন হারামের নিকটবর্তী হতেন, তখন তালবিয়া পাঠ বন্ধ করে দিতেন। এরপর জি-তুয়া নামক স্থানে রাত যাপন করতেন। তিনি সেখানে ফজরের সালাত আদায় করতেন এবং গোসল করতেন। এ ব্যাপারে তিনি বর্ণনা করেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরূপ করতেন।' ¹⁵⁸

টিকাঃ
১৫৭. সহিহুল বুখারি : ১৫১৪
১৫৮. সহিহুল বুখারি : ১৫৭৩

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 হজ ও উমরার সময় সাফা-মারওয়ায় অবস্থান করা এবং দুআ করা

📄 হজ ও উমরার সময় সাফা-মারওয়ায় অবস্থান করা এবং দুআ করা


জাবির বিন আব্দুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত। তিনি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর হজের বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, '...তারপর তিনি দরজা দিয়ে সাফা পাহাড়ের দিকে বের হলেন। যখন সাফা পাহাড়ের নিকটবর্তী হলেন, এই আয়াত পাঠ করলেন :
إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ
“নিশ্চয় সাফা-মারওয়া পাহাড়দ্বয় আল্লাহ তাআলার নিদর্শনাবলির অন্যতম।”

তিনি আরও বললেন, 'আল্লাহ তাআলা যে পাহাড়ের কথা শুরুতে উল্লেখ করেছেন, আমি সে পাহাড় দিয়ে আরম্ভ করব।' এ বলে তিনি সাফা পাহাড় দিয়ে শুরু করলেন। এরপর এতটা ওপরে আরোহণ করলেন যে, সেখান থেকে বাইতুল্লাহ দেখতে পেলেন। তারপর তিনি কিবলামুখী হয়ে আল্লাহ তাআলার একত্ব এবং বড়ত্বের ঘোষণা দিয়ে বললেন :
لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرُ، لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ، أَنْجَزَ وَعْدَهُ، وَنَصَرَ عَبْدَهُ، وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَهُ
“আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনি একক; তাঁর কোনো শরিক নেই। তাঁর জন্যই রাজত্ব এবং তাঁর জন্যই সকল প্রশংসা। তিনি প্রতিটি জিনিসের ওপর ক্ষমতাবান। এক আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনি নিজ প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন, আপন বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং একাই বাহিনীকে পরাভূত করেছেন।”
অতঃপর তিনি দুআ করলেন। এভাবে তিনবার করলেন। এরপর তিনি নেমে মারওয়া পাহাড়ের দিকে অগ্রসর হলেন। যখন তিনি উপত্যকার সমতল ভূমিতে (বাতনে ওয়াদিতে) পৌঁছলেন, তখন তিনি উপত্যকা অতিক্রম করা পর্যন্ত দ্রুত চললেন। অতঃপর তিনি স্বাভাবিকভাবে হেঁটে মারওয়া পাহাড়ে উঠলেন। তারপর মারওয়া পাহাড়েও তা-ই করলেন, যা করেছেন সাফা পাহাড়ে। '¹⁵⁹

টিকাঃ
১৫৯. সহিহু মুসলিম : ১২১৮

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00