📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 নিদ্রাকালীন আজকার পাঠ করা

📄 নিদ্রাকালীন আজকার পাঠ করা


হুজাইফা বিন ইয়ামান রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন শয্যা গ্রহণ করতেন, তখন বলতেন : بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا “(হে আল্লাহ,) তোমার নামেই মৃত্যুবরণ করি এবং জীবিত হই।”

আর যখন জাগ্রত হতেন, তখন বলতেন : الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُور “সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য, যিনি আমাদের মৃত্যুর পর জীবিত করলেন এবং তাঁর কাছেই পুনরুত্থান করতে হবে।””¹¹⁷

আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আমাকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমাজানে জাকাতের মাল পাহারা দেওয়ার দায়িত্ব দিলেন। তখন জনৈক লোক এসে খাদ্যদ্রব্য উঠিয়ে নিতে উদ্যত হলো। আমি তাকে ধরে ফেললাম এবং বললাম, “আমি তোমাকে আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে নিয়ে যাব।"...-এভাবে পুরো হাদিস বর্ণনা করলেন। তাতে রয়েছে—তখন লোকটি বলল, “যখন আপনি ঘুমাতে যাবেন, তখন আয়াতুল কুরসি পাঠ করবেন। এর ফলে আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন পাহারাদার নিযুক্ত করা হবে এবং ভোর পর্যন্ত শয়তান আপনার কাছে আসতে পারবে না।” রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম (এ ঘটনা শুনে) বললেন, “সে সত্য বলেছে; যদিও সে মিথ্যাবাদী। সে ছিল শয়তান ।””¹¹⁸

আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতিরাতে যখন শয্যা গ্রহণ করতেন, তখন উভয় হাতের তালু একত্র করে তাতে ফুঁক দিয়ে “কুল হুওয়াল্লাহু আহাদ”, “কুল আউজু বিরব্বিল ফালাক” এবং “কুল আউজু বিরব্বিন নাস” পাঠ করতেন। অতঃপর হাতের তালু দিয়ে সারা শরীর যতটুকু সম্ভব মাসেহ করতেন। প্রথমে মাথা ও মুখ থেকে শুরু করে দেহের সম্মুখ ভাগের ওপর হাত বোলাতেন। এভাবে তিনবার করতেন। '¹¹⁹
আবু মাসউদ বদরি রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
مَنْ قَرَأَ بِالْآيَتَيْنِ مِنْ آخِرِ سُورَةِ البَقَرَةِ فِي لَيْلَةٍ كَفَتَاهُ
'যে ব্যক্তি রাতে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, সেগুলো তার (নিরাপত্তা ইত্যাদির) জন্য যথেষ্ট হবে।'¹²⁰

আলি রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'ফাতিমা রা. (হাতে) জাঁতা চালানোর দাগ পড়ে যাওয়ার অভিযোগ প্রকাশ করলেন। সে সময় নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট কিছুসংখ্যক যুদ্ধবন্দী আনা হলো। তখন ফাতিমা রা. নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট গেলেন। কিন্তু তাঁকে না পেয়ে আয়িশা রা.-এর নিকট নিজের কথা বলে আসলেন। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ঘরে আসলেন, আয়িশা রা. তাঁকে ফাতিমা রা.-এর আগমনের সংবাদ দিলেন। তা শুনে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আগমন করলেন। তখন আমরা মাত্র শয্যা গ্রহণ করেছিলাম। আমি উঠে বসতে চাইলে তিনি বললেন, “তোমরা নিজ অবস্থায় থাকো।” তিনি আমাদের মাঝে এমনভাবে বসে পড়লেন যে, আমি তাঁর দুই পায়ের শীতলতা আমার বক্ষে অনুভব করলাম। তিনি বললেন,
“তোমরা যা চেয়েছিলে আমি কি তোমাদের তার চেয়েও উত্তম জিনিস শিক্ষা দেবো না? তোমরা যখন শয্যা গ্রহণ করবে, তখন ৩৪ বার "আল্লাহু আকবার”, ৩৩ বার “সুবহানাল্লাহ” এবং ৩৩ বার “আল-হামদুলিল্লাহ” বলবে। তা খাদিম অপেক্ষা অনেক উত্তম।””¹²¹

হাফসা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন, তখন ডান হাত গালের নিচে রাখতেন, অতঃপর তিনবার বলতেন :
اللَّهُمَّ قِنِي عَذَابَكَ يَوْمَ تَبْعَثُ عِبَادَكَ
'হে আল্লাহ, যেদিন আপনার বান্দাদের পুনরুত্থান করবেন, সেদিন আপনার আজাব থেকে আমাকে রক্ষা করুন। '¹²²

আনাস রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন শয্যা গ্রহণ করতেন, তখন বলতেন :
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَطْعَمَنَا وَسَقَانَا، وَكَفَانَا وَآوَانَا، فَكَمْ مِمَّنْ لَا كَافِيَ لهُ وَلَا مُؤْوِيَ
'সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য, যিনি আমাদের খাওয়ালেন এবং পান করালেন। আমাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন এবং আশ্রয় দিয়েছেন। না হলে তো এমন অনেক লোক আছে, যাদের কোনো পৃষ্ঠপোষক ও আশ্রয়দাতা নেই।'¹²³

আব্দুল্লাহ বিন উমর রা. থেকে বর্ণিত, এক লোক শয্যা গ্রহণ করতে গেলে তিনি তাকে এই বলতে আদেশ করলেন :
اللَّهُمَّ خَلَقْتَ نَفْسِي وَأَنْتَ تَوَفَّاهَا، لكَ مَمَاتُهَا وَمَحْيَاهَا، إِنْ أَحْيَيْتَهَا فَاحْفَظْهَا، وَإِنْ أَمَتَهَا فَاغْفِرْ لَهَا، اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ
'হে আল্লাহ, আপনিই আমার সত্তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আপনিই তার মৃত্যু দেবেন। আপনার জন্যই জীবন ও মরণ। যদি আপনি তা জীবিত রাখেন, তবে হিফাজত করুন; আর যদি মৃত্যু দেন, তবে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে সুস্থতা কামনা করছি।'
লোকটি বলল, 'আপনি কি এটা উমর থেকে শুনেছেন?' তিনি বললেন, 'উমর থেকেও শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে শুনেছি।'¹²⁴
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের শয্যা গ্রহণ করার সময় এই দুআ পাঠ করতে আদেশ করতেন—
اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَاوَاتِ وَرَبَّ الْأَرْضِ وَرَبَّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، رَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ، فَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى، وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالْإِنْجِيلِ وَالْفُرْقَانِ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ شَيْءٍ أَنْتَ آخِذُ بِنَاصِيَتِهِ، اللهُمَّ أَنْتَ الْأَوَّلُ فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ، وَأَنْتَ الْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَيْءٌ، اقْضِ عَنَّا الدَّيْنَ، وَأَغْنِنَا مِنَ الْفَقْرِ
“হে আল্লাহ, হে আসমান ও জমিনের প্রতিপালক, মহান আরশের অধিপতি, আমাদের ও প্রত্যেক জিনিসের প্রতিপালক, বীজ ও উদ্ভিদের সৃষ্টিকারী, হে তাওরাত, ইনজিল ও কুরআন অবতীর্ণকারী, আমি এমন প্রত্যেক জিনিসের অনিষ্টতা থেকে আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি, যার অগ্রভাগ আপনি ধরে রেখেছেন (নিয়ন্ত্রণ করছেন)। হে আল্লাহ, আপনিই আদি, আপনার আগে কোনো কিছুই ছিল না। আপনিই অন্ত, আপনার পরে কোনো জিনিস থাকবে না। আপনিই সবকিছুর ওপরে, আপনার ওপরে কিছু নেই। আপনিই সর্বনিকটে, আপনার চেয়ে নিকটবর্তী কিছু নেই। আপনি আমাদের ঋণ আদায়ের তাওফিক দিন এবং দারিদ্র্য থেকে আমাদের মুক্তি দান করুন।”¹²⁵

বারা বিন আজিব রা. থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'যখন তুমি শয্যা গ্রহণ করতে যাবে, তখন সালাতের অজুর ন্যায় অজু করবে। অতঃপর ডান পার্শ্বে শুয়ে বলবে :
اللَّهُمَّ أَسْلَمْتُ وَجْهِي إِلَيْكَ، وَفَوَّضْتُ أَمْرِي إِلَيْكَ، وَأَلْجَأْتُ ظَهْرِي إِلَيْكَ، رَغْبَةً وَرَهْبَةً إِلَيْكَ، لَا مَلْجَأَ وَلَا مَنْجَا مِنْكَ إِلَّا إِلَيْكَ، اللَّهُمَّ آمَنْتُ بِكِتَابِكَ الَّذِي أَنْزَلْتَ، وَبِنَبِيِّكَ الَّذِي أَرْسَلْتَ
“হে আল্লাহ, আমি আমার চেহারা (জীবন)-কে আপনার কাছে সমর্পণ করলাম। আমার সকল বিষয় আপনার কাছে সোপর্দ করলাম এবং আমার পৃষ্ঠদেশকে আপনার দিকেই ন্যস্ত করলাম, আপনার প্রতি ভয় ও প্রত্যাশা নিয়ে। আপনি ছাড়া কোনো আশ্রয়স্থল বা মুক্তির উপায় নেই। হে আল্লাহ, আমি ইমান আনলাম আপনার নাজিলকৃত কিতাবের ওপর এবং আপনার প্রেরিত নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর ওপর।"
যদি তুমি সেই রাতে মৃত্যুবরণ করো, তবে তুমি ফিতরাতের ওপর মৃত্যুবরণ করবে। তাই এই দুআকে তোমার বলা শেষ কথা বানাও। '¹²⁶

টিকাঃ
১১৭. সহিহুল বুখারি: ৬৩১৪
১১৮. সহিহুল বুখারি: ৩২৭৫
১১৯. সহিহুল বুखারি: ৫০১৮, সহিহু মুসলিম: ২১১৯
১২০. সহিহুল বুখারি: ৫০০৯
১২১. সহিহুল বুখারি : ৭৩০৫, সহিহু মুসলিম : ২৭২৭
১২২. সুনানু আবি দাউদ: ৫০৪৫
১২৩. সহিহু মুসলিম: ২৭১৫
১২৪. সহিহু মুসলিম : ২৭১২
১২৫. সহিহু মুসলিম: ২৭১৩
১২৬. সহিহুল বুখারি : ২৪৭, সহিহু মুসলিম: ২৭১০

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 সুগন্ধি ব্যবহার করা

📄 সুগন্ধি ব্যবহার করা


আমর বিন সুলাইম আল-আনসারি রা. থেকে বর্ণিত, আবু সাইদ খুদরি রা. বলেন, 'আমি এ মর্মে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
الْغُسْلُ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَاجِبُ عَلَى كُلِّ مُحْتَلِمٍ، وَأَنْ يَسْتَنَّ، وَأَنْ يَمَسَّ طِيبًا إِنْ وَجَدَ
“জুমআর দিন প্রত্যেক বালিগের জন্য গোসল করা আবশ্যক। আর মিসওয়াক করবে এবং সুগন্ধি পাওয়া গেলে তা ব্যবহার করবে।””

আমর (বিন সুলাইম) বলেন, 'গোসলের ব্যাপারে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তা ওয়াজিব বা আবশ্যক। কিন্তু মিসওয়াক করা ও সুগন্ধি লাগানো ওয়াজিব কি না, তা আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। তবে হাদিসে এরূপই আছে।'¹²⁷

আনাস বিন মালিক রা. থেকে বর্ণিত, তিনি নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর (দৈহিক গঠনের) বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, 'নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাঝারি গঠনের ছিলেন; বেমানান লম্বাও ছিলেন না এবং বেঁটেও ছিলেন না। (তাঁর) শরীরের রং ছিল গোলাপি বর্ণের; ধবধবে সাদা কিংবা তামাটে বর্ণের নয়। মাথার চুল কুঁকড়ানোও ছিল না, আবার সম্পূর্ণ সোজাও ছিল না। চল্লিশ বছর বয়সে তাঁর ওপর ওহি অবতীর্ণ হওয়া শুরু হয়। প্রথম দশ বছর মক্কায় অবস্থানকালে যথারীতি ওহি অবতীর্ণ হতে থাকে। এরপর মদিনায় অতিবাহিত করেন দশ বছর। অতঃপর তাঁর অফাত হয়; অথচ তাঁর মাথা ও দাড়িতে বিশটি সাদা চুলও ছিল না।'

রবিআ বলেন, 'আমি নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর একটি চুল দেখলাম, যা ছিল লাল বর্ণের। আমি এর কারণ জিজ্ঞেস করলে বলা হলো, “সুগন্ধি লাগানোর ফলে তা লাল হয়ে গেছে।””¹²⁸

আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'সর্বোত্তম সুগন্ধি যা আমি পেতাম, তা আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর গায়ে লাগাতাম। ফলে তাঁর দাড়ি ও চুলে সুগন্ধির চমক দেখতে পেতাম।’¹²⁹

আনাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
حُبِّبَ إِلَيَّ مِنْ الدُّنْيَا النِّسَاءُ وَالطَّيبُ، وَجُعِلَ قُرَّةُ عَيْنِي في الصَّلَاةِ
'দুনিয়ার বস্তুসমূহের মধ্যে নারী ও সুগন্ধি আমার কাছে প্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। আর সালাতে রাখা হয়েছে আমার চোখের শীতলতা।'¹³⁰

নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর স্ত্রী আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর গায়ে ইহরাম বাঁধার পূর্বে সুগন্ধি লাগিয়ে দিতাম এবং বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করার পূর্বে হালাল হওয়ার জন্য সুগন্ধি লাগাতাম।’¹³¹

টিকাঃ
১২৭. সহিহুল বুখারি : ৮৮০
১২৮. সহিহুল বুখারি: ৩৫৪৭
১২৯. সহিহুল বুখারি: ৫৯২৩
১৩০. সুনানুন নাসায়ি : ৩৯৩৯
১৩১. সহিহুল বুখারি : ১৫৩৯

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 নতুন কাপড় পরিধানের সময় দুআ পড়া

📄 নতুন কাপড় পরিধানের সময় দুআ পড়া


আবু সাইদ খুদরি রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নতুন কোনো কাপড় পরিধান করতেন, তখন জামা, পাগড়ি, চাদর ইত্যাদি হলে সেটির নামকরণ করতেন। অতঃপর বলতেন :
اللَّهُمَّ لَكَ الْحَمْدُ أَنْتَ كَسَوْتَنِيهِ أَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِهِ وَخَيْرٍ مَا صُنِعَ لَهُ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهِ، وَشَرِّ مَا صُنِعَ لَهُ
“হে আল্লাহ, আপনার জন্যই সকল প্রশংসা। আপনিই এটি আমাকে পরিধান করালেন। আমি এটির কল্যাণ এবং যার জন্য এটিকে বানানো হয়েছে, তার কল্যাণ প্রার্থনা করছি। আর এটির অনিষ্টতা এবং যার জন্য এটি বানানো হয়েছে, তার অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।””¹³²

টিকাঃ
১৩২. সুনানু আবি দাউদ: ৪০২০, সুনানুত তিরমিজি : ১৭৬৭

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 নতুন চাঁদ দেখার পর দুআ পাঠ করা

📄 নতুন চাঁদ দেখার পর দুআ পাঠ করা


তালহা বিন উবাইদুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নতুন চাঁদ দেখতেন, তখন বলতেন :
اللَّهُمَّ أَهْلِلْهُ عَلَيْنَا بِالْيُمْنِ وَالْإِيمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالْإِسْلَامِ، رَبِّي وَرَبُّكَ اللهُ
'হে আল্লাহ, আমাদের ওপর এ চাঁদ উদিত করো বরকত ও ইমানের সাথে এবং শান্তি ও ইসলামের সাথে। '¹³³

টিকাঃ
১৩৩. সুনানুত তিরমিজি: ৩৪৫১, সুনানুদ দারিমি: ১৬৮৮

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00