📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ পড়া

📄 কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ পড়া


আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতের বেলা ১১ রাকআত সালাত আদায় করতেন। যখন সুবহে সাদিক হতো, তখন দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। এরপর ডান কাত হয়ে শয্যা গ্রহণ করতেন, যতক্ষণ না মুয়াজ্জিন এসে তাঁকে সালাতের খবর দিতেন।'৫২

আব্দুল্লাহ বিন উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জীবদ্দশায় লোকেরা যখন কোনো স্বপ্ন দেখত, তা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট এসে বর্ণনা করত। আমিও কোনো স্বপ্ন দেখে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে এসে বর্ণনা করার আকাঙ্ক্ষা করতাম। আমি তখন যুবক ছিলাম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জমানায় মসজিদে ঘুমাতাম। একদা আমি স্বপ্নে দেখলাম, যেন দুজন ফেরেশতা আমাকে ধরে জাহান্নামের দিকে নিয়ে চলেছেন। তা যেন কূপের পাড় বাঁধানোর ন্যায় পাড় বাঁধানো এবং তাতে দুটি খুঁটি রয়েছে। হঠাৎ দেখি, সেখানে অনেক পরিচিত লোকজন। তখন আমি বলতে লাগলাম, “আমি জাহান্নাম থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” তখন অন্য এক ফেরেশতা এসে আমাদের সাথে মিলিত হলেন। তিনি আমাকে বললেন, “তুমি ভয় পেয়ো না।” অতঃপর আমি এ স্বপ্ন (আমার বোন উম্মুল মুমিনিন) হাফসা রা.-এর কাছে বর্ণনা করলাম। এরপর হাফসা রা. তা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন :

نِعْمَ الرَّجُلُ عَبْدُ اللَّهِ، لَوْ كَانَ يُصَلِّي مِنْ اللَّيْلِ “আব্দুল্লাহ কতই না ভালো লোক! যদি সে রাত জেগে সালাত (তাহাজ্জুদ) আদায় করত।”

এরপর থেকে তিনি রাতের খুব অল্প সময়ই ঘুমাতেন।৫৩

আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেন :
أَحَبُّ الصَّلَاةِ إِلَى اللهِ صَلَاةُ دَاوُدَ عَلَيْهِ السَّلَامُ، وَأَحَبُّ الصِّيَامِ إِلَى اللهِ صِيَامُ دَاوُدَ، وَكَانَ يَنَامُ نِصْفَ اللَّيْلِ وَيَقُومُ ثُلُثَهُ، وَيَنَامُ سُدُسَهُ، وَيَصُومُ يَوْمًا، وَيُفْطِرُ يَوْمًا
'আল্লাহ তাআলার কাছে সর্বাধিক প্রিয় সালাত হলো, দাউদ আ.-এর সালাত এবং সর্বাধিক প্রিয় সাওম হলো, দাউদ আ.-এর সাওম। তিনি (দাউদ আ.) অর্ধরাত পর্যন্ত ঘুমাতেন, রাতের এক-তৃতীয়াংশ তাহাজ্জুদ পড়তেন এবং রাতের এক-ষষ্ঠাংশ ঘুমাতেন। তিনি একদিন সাওম পালন করতেন এবং একদিন সাওম ছাড়া কাটাতেন। '৫৪

আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন : يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الآخِرُ يَقُولُ: مَنْ يَدْعُونِي، فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ، مَنْ يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ
'আমাদের মহিমান্বিত মহান রব প্রতিরাতে যখন রাতের এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকে, দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, “কে আছে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দেবো। কে আছে আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে দান করব। কে আছে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো।”'৫৫

জাবির রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি— إِنَّ فِي اللَّيْلِ لَسَاعَةً لَا يُوَافِقُهَا رَجُلٌ مُسْلِمٌ، يَسْأَلُ اللهَ خَيْرًا مِنْ أَمْرِ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ، وَذَلِكَ كُلَّ لَيْلَةٍ مِنْ أَمْرِ الدُّنْيَا إِلَّا أَعْطَاهُ وَذَلِكَ كُلَّ لَيْلَةٍ
“নিশ্চয় রাতের এমন একটি সময় রয়েছে, কোনো মুসলিম যদি ঠিক সে সময় আল্লাহ তাআলার কাছে দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণের প্রার্থনা করে, তবে অবশ্যই আল্লাহ তাআলা তাকে তা দান করবেন। এই সুযোগ প্রতিটি রাতেই রয়েছে।””৫৬

আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, “ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত কোনটি এবং রমাজানের সাওমের পর সর্বোত্তম সাওম কোনটি?” তিনি উত্তর দিলেন—
أَفْضَلُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ الصَّلَاةُ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ، وَأَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ صِيَامُ شَهْرٍ اللهِ الْمُحَرَّمِ
“ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হলো, গভীর রাতের সালাت এবং রমাজানের সাওমের পর সর্বোত্তম সাওম হলো, আল্লাহর মাস মুহাররামের সাওম।””৫৭

আব্দুল্লাহ বিন সালাম রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'যখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনায় আগমন করলেন, তখন লোকেরা দ্রুত তাঁর দিকে ছুটে গেল। আর বলাবলি হচ্ছিল যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগমন করেছেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগমন করেছেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগমন করেছেন। আমিও লোকদের সাথে তাঁকে দেখতে এলাম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চেহারা যখন আমার সামনে প্রতিভাত হলো, আমি বুঝতে পারলাম, ইহা কোনো মিথ্যাবাদীর চেহারা নয়। তখন তিনি প্রথমে যে কথাটি বলেছিলেন, তা হলো :
يَا أَيُّهَا النَّاسُ أَفْشُوا السَّلَامَ، وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ وَصَلُّوا بِاللَّيْلِ وَالنَّاسُ نِيَامُ، تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ بِسَلَامٍ
“হে লোকসকল, সালামের প্রসার করো, লোকদের আহার করাও এবং মানুষ যখন ঘুমন্ত থাকে, তখন সালাত আদায় করো—তবে তোমরা নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করবে।””৫৮

আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
رَحِمَ اللهُ رَجُلًا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ فَصَلَّى، وَأَيْقَظَ امْرَأَتَهُ، فَإِنْ أَبَتْ، نَضَحَ فِي وَجْهِهَا الْمَاءَ، رَحِمَ اللَّهُ امْرَأَةً قَامَتْ مِنَ اللَّيْلِ فَصَلَّتْ، وَأَيْقَظَتْ زَوْجَهَا، فَإِنْ أَبَى، نَضَحَتْ فِي وَجْهِهِ الْمَاءَ
'আল্লাহ তাআলা সেই স্বামীর প্রতি রহম করুন, যে রাতে উঠে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করে এবং স্ত্রীকেও জাগিয়ে তোলে। স্ত্রী যদি উঠতে না চায়, তবে তার মুখে পানির ছিটা দেয়। আল্লাহ তাআলা সেই স্ত্রীর প্রতিও রহম করুন, যে রাতে উঠে সালাত আদায় করে এবং স্বামীকেও জাগিয়ে তোলে। যদি স্বামী উঠতে না চায়, তবে তার মুখে পানির ছিটা দেয়।’৫৯

টিকাঃ
৫২. সহিহুল বুখারি: ৩৬১০
৫৩. সহিহুল বুখারি : ১১২২
৫৪. সহিহুল বুখারি : ১১৩১
৫৫. সহিহুল বুখারি: ১১৪৫
৫৬. সহিহ মুসলিম: ৭৫৭
৫৭. সহিহ মুসলিম: ১১৬৩
৫৮. সুনানু ইবনি মাজাহ : ১৩৩৪
৫৯. সুনানু আবি দাউদ : ১৩০৮

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 বিতরের সালাত আদায় করা

📄 বিতরের সালাত আদায় করা


আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমার প্রিয় বন্ধু (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ের অসিয়ত করেছেন; আমি মৃত্যু পর্যন্ত সেগুলো পরিত্যাগ করব না। (এক) প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা। (দুই) চাশতের সালাত আদায় করা। এবং (তিন) বিতরের সালাত আদায় করে ঘুমানো।’৬০

আব্দুল্লাহ বিন উমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন : اجْعَلُوا آخِرَ صَلَاتِكُمْ بِاللَّيْلِ وِتْرًا 'তোমাদের রাতের শেষ সালাত যেন বিতরের সালাত হয়। '৬১
আব্দুল্লাহ বিন আমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'জনৈক লোক নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করল, "রাতের সালাতের ব্যাপারে আপনার মতামত কী?” রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তখন মিম্বারের ওপর ছিলেন। তিনি বললেন, “দুই রাকআত দুই রাকআত করে আদায় করবে। যখন তোমাদের কারও ভোর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হয়, তখন সে আরও এক রাকআত আদায় করে নেবে। আর এটি তার পূর্বের সালাতকে বিতর (বিজোড়) বানিয়ে দেবে।”” (নাফি রহ. বলেন) ইবনে উমর রা. বলতেন, 'তোমরা বিতরকে রাতের শেষ সালাত হিসেবে আদায় করবে। কারণ, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ নির্দেশ দিয়েছেন। '৬২

টিকাঃ
৬০. সহিহুল বুখারি : ১১৭৮
৬১. সহিহুল বুখারি: ৯৯৮
৬২. সহিহুল বুখারি: ৭৪২

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 সুন্নাতে মুয়াক্কাদাসমূহের প্রতি যত্নশীল হওয়া

📄 সুন্নাতে মুয়াক্কাদাসমূহের প্রতি যত্নশীল হওয়া


ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে জোহরের পূর্বে দুই রাকআত এবং পরে দুই রাকআত, মাগরিবের পরে দুই রাকআত, ইশার পর দুই রাকআত এবং জুমআর পর দুই রাকআত সালাত আদায় করেছি। আর মাগরিব, ইশা ও জুমআর (দুই রাকআত) সালাত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে তাঁর ঘরেই আদায় করেছি। '৬৩
আব্দুল্লাহ বিন শাকিক রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি আয়িশা রা.-কে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নফল সালাতের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, “নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জোহরের আগে ঘরে চার রাকআত সালাত আদায় করতেন। অতঃপর (মসজিদে) বের হয়ে যেতেন এবং লোকদের সাথে সালাত আদায় করতেন। এরপর (ঘরে) প্রবেশ করে দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। তিনি লোকদের নিয়ে মাগরিবের সালাত আদায় করে (ঘরে) প্রবেশ করে দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। ইশার সময় লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করে আমার ঘরে প্রবেশ করতেন এবং দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। তিনি রাতের বেলায় নয় রাকআত সালাত আদায় করতেন—যার মাঝে বিতরও ছিল। দীর্ঘ রাত পর্যন্ত দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন এবং দীর্ঘ রাত বসে আদায় করতেন। তিনি যখন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কিরাত পড়তেন, তখন দাঁড়ানো অবস্থাতেই রুকু ও সিজদা করতেন। আর যখন বসে বসে কিরাত পাঠ করতেন, তখন বসে বসেই রুকু ও সিজদা করতেন। তারপর সুবহে সাদিক উদিত হলে দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন।””৬৪

উম্মে হাবিবা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি-
مَنْ صَلَّى اثْنَتَيْ عَشْرَةَ رَكْعَةً فِي يَوْمٍ وَلَيْلَةٍ، بُنِيَ لَهُ بِهِنَّ بَيْتُ فِي الْجَنَّةِ
“যে ব্যক্তি প্রতি দিনে ও রাতে ১২ রাকআত সালাত (সুন্নাতে মুআক্কাদা) আদায় করবে, বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতে একটি ঘর নির্মাণ করা হবে।”’৬৫

আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'দুই রাকআত সালাত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে কোনো অবস্থাতেই পরিত্যাগ করতেন না। তা হলো, ফজরের আগের দুই রাকআত এবং আসরের পরের দুই রাকআত। '৬৬

আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের দুই রাকআত নফল সালাতের প্রতি অন্যান্য নফল সালাতের তুলনায় অধিক যত্নশীল ছিলেন। '৬৭

আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জোহরের পূর্বে চার রাকআত এবং ফজরের পূর্বের দুই রাকআত সালাত কখনো ছাড়তেন না।'৬৮
আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
رَكْعَتَا الْفَجْرِ خَيْرٌ مِنْ الدُّنْيَا وَمَا فِيهَا
‘ফজরের (আগের) দুই রাকআত সালাত দুনিয়া এবং দুনিয়ার মাঝে যা কিছু আছে, তার চেয়ে উত্তম।’৬৯

টিকাঃ
৬৩. সহিহু মুসলিম: ৭২৯
৬৪. সহিহু মুসলিম : ৭৩০
৬৫. সহিহু মুসলিম: ৭২৮
৬৬. সহিহুল বুখারি: ৫৯২
৬৭. সহিহুল বুখারি : ১১৬৩
৬৮. সহিহুল বুখারি : ১১৮২
৬৯. সহিহ মুসলিম : ৭২৫

📘 হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহ > 📄 ঘুমানোর আগে বিছানা ঝেড়ে নেওয়া

📄 ঘুমানোর আগে বিছানা ঝেড়ে নেওয়া


আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, 'যখন তোমাদের কেউ শয্যা গ্রহণ করতে যায়, সে যেন তার লুঙ্গির ভেতরের অংশ দিয়ে বিছানা ঝেড়ে নেয়। কারণ, তার অবর্তমানে তার অগোচরে বিছানায় কষ্টদায়ক কোনো কিছু থাকতে পারে। অতঃপর বলবে :
بِاسْمِكَ رَبِّ وَضَعْتُ جَنْبِي وَبِكَ أَرْفَعُهُ، إِنْ أَمْسَكْتَ نَفْسِي فَارْحَمْهَا، وَإِنْ أَرْسَلْتَهَا فَاحْفَظْهَا بِمَا تَحْفَظُ بِهِ عِبَادَكَ الصَّالِحِينَ
“হে আমার প্রতিপালক, আপনার নামেই আমার দেহ বিছানায় রাখলাম এবং আপনার নামেই আবার উঠব। যদি আপনি ইতিমধ্যে আমার জান কবজ করে নেন, তাহলে তার ওপর দয়া করুন। আর যদি আমাকে ফিরিয়ে দেন, তবে আপনার নেক বান্দাদের হিফাজত করার ন্যায় তার হিফাজত করুন।”৭০

টিকাঃ
৭০. সহিহুল বুখারি : ৬৩২০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00