📄 সালাত আদায়ের সময় সামনে ‘সুতরা’ বা বেড়াদণ্ড রাখা
• ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জন্য বর্শা পুঁতে দেওয়া হতো। অতঃপর তিনি সেদিকে ফিরে সালাত আদায় করতেন।'৪৫
আবু হুজাইফা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'একদা দুপুরবেলা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিকট আগমন করলেন। তাঁর জন্য অজুর পানি আনা হলো। তিনি অজু করলেন এবং আমাদের নিয়ে জোহর ও আসরের সালাত আদায় করলেন। সালাতের সময় তাঁর সামনে ছিল লৌহযুক্ত ছড়ি, যার অপর পাশ দিয়ে মহিলা ও গাধা চলাচল করছিল।'৪৬
আবু সালিহ সাম্মাক রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি আবু সাইদ খুদরি রা.-কে জুমআর দিন লোকদের জন্য সুতরা হিসেবে সামনে কোনো কিছু রেখে সালাত আদায় করতে দেখেছি। আবু মুআইত গোত্রের এক যুবক তাঁর সামনে দিয়ে যেতে চাইল। আবু সাইদ রা. তার বুকে ধাক্কা মারলেন। যুবকটি লক্ষ করে দেখল, তাঁর সামনে দিয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো পথ নেই। তাই সে পুনরায় অতিক্রম করতে চাইল। কিন্তু আবু সাইদ রা. এবার আগের তুলনায় আরও জোরে ধাক্কা দিলেন। অতঃপর যুবকটি মারওয়ানের নিকট গিয়ে আবু সাইদ রা.-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল। আবু সাইদ রা.-ও তার পিছু পিছু মারওয়ানের নিকট প্রবেশ করলেন। মারওয়ান বললেন, “হে আবু সাইদ, আপনার ও আপনার ভাতিজার ব্যাপার কী?” আবু সাইদ রা. বললেন, “আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি—
إِذَا صَلَّى أَحَدُكُمْ إِلَى شَيْءٍ يَسْتُرُهُ مِنَ النَّاسِ فَأَرَادَ أَحَدٌ أَنْ يَجْتَازَ بَيْنَ يَدَيْهِ، فَلْيَدْفَعْهُ فَإِنْ أَبَى فَلْيُقَاتِلْهُ فَإِنَّمَا هُوَ شَيْطَانٌ
“তোমাদের কেউ যদি তার সামনে সুতরা রেখে সালাত আদায় করে, আর অন্য কেউ তার সামনে দিয়ে (সুতরার ভেতর দিক দিয়ে) অতিক্রম করতে চায়, তাহলে যেন সে তাকে বাধা দেয়। যদি সে না মানে, তবে যেন তার সাথে লড়াই করে। কারণ, সে শয়তান।””৪৭
টিকাঃ
৪৪. সুতরা হলো, সালাত আদায়কারীর সামনে একহাত লম্বা সাইজের কোনো লাঠি বা অন্য কিছু দিয়ে রাখা, যাতে কেউ সামনে দিয়ে গেলে অসুবিধা না হয়।
৪৫. সহিহুল বুখারি: ৪৯৮
৪৬. সহিহুল বুখারি: ৪৯৯, সহিহু মুসলিম : ৫০৩
৪৭. সহিহুল বুখারি: ৫০৯, সহিহু মুসলিম : ৫০৫
📄 নফল সালাত বাড়িতে আদায় করা
ইবনে উমর রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
اجْعَلُوا فِي بُيُوتِكُمْ مِنْ صَلَاتِكُمْ وَلَا تَتَّخِذُوهَا قُبُورًا
'তোমরা তোমাদের ঘরেও কিছু সালাত আদায় কোরো। ঘরকে কবরে পরিণত কোরো না। '৪৮
জাইদ বিন সাবিত রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমাজান মাসে একটি ছোট কামরা বানালেন। তিনি (হাদিসের মূল বর্ণনাকারী বিশর বিন সাইদ) বলেন, মনে হয় (জাইদ বিন সাবিত রা.) কামরাটি চাটাইয়ের তৈরি ছিল বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি সেখানে কয়েক রাত সালাত আদায় করলেন। তখন সাহাবিদের কেউ কেউ তাঁর সঙ্গে সালাত আদায় করতে লাগলেন। এ ব্যাপারে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন জানতে পারলেন, তখন তিনি নামাজ পড়া থেকে বিরত হলেন এবং তাদের নিকট বের হয়ে বললেন :
قَدْ عَرَفْتُ الَّذِي رَأَيْتُ مِنْ صَنِيعِكُمْ، فَصَلُّوا أَيُّهَا النَّاسُ فِي بُيُوتِكُمْ، فَإِنَّ أَفْضَلَ الصَّلَاةِ صَلَاةُ المَرْءِ فِي بَيْتِهِ إِلَّا المَكْتُوبَةَ
“তোমাদের কার্যকলাপ দেখে আমি বুঝতে পেরেছি। হে লোকসকল, তোমরা তোমাদের ঘরে সালাত আদায় কোরো। কারণ, ফরজ সালাত ব্যতীত লোকদের ঘরে আদায় করা সালাতই সর্বোত্তম।”৪৯
টিকাঃ
৪৮. সহিহুল বুখারি: ৪৩২
৪৯. সহিহুল বুখারি: ৭৩১
📄 চাশতের সালাত আদায় করা
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমার প্রিয় বন্ধু (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে তিনটি বিষয়ের ওসিয়ত করেছেন; আমি মৃত্যু পর্যন্ত সেগুলো পরিত্যাগ করব না। (এক) প্রতি মাসে তিন দিন রোজা রাখা, (দুই) চাশতের সালাত আদায় করা এবং (তিন) বিতরের সালাত আদায় করে ঘুমানো।৫০
• আবু জার রা. থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
يُصْبِحُ عَلَى كُلِّ سُلَامَى مِنْ أَحَدِكُمْ صَدَقَةٌ، فَكُلُّ تَسْبِيحَةٍ صَدَقَةٌ، وَكُلُّ تَحْمِيدَةٍ صَدَقَةٌ، وَكُلُّ تَهْلِيلَةٍ صَدَقَةٌ، وَكُلُّ تَكْبِيرَةٍ صَدَقَةٌ، وَأَمْرُ بِالْمَعْرُوفِ صَدَقَةٌ، وَنَهْيُ عَنِ الْمُنْكَرِ صَدَقَةٌ، وَيُجْزِئُ مِنْ ذَلِكَ رَكْعَتَانِ يَرْكَعُهُمَا مِنَ الضُّحَى
'তোমাদের কেউ যখন ভোরবেলায় উপনীত হয়, তখন তার প্রতিটি জোড়ার ওপর একটি সদাকা ওয়াজিব হয়। তবে প্রত্যেক “সুবহানাল্লাহ” বলা সদাকা, প্রত্যেক “আলহামদুলিল্লাহ” বলা সদাকা, প্রত্যেক “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” বলা সদাকা, প্রত্যেক “আল্লাহু আকবার” বলা সদাকা, আমর বিল মারুফ (সৎ কাজের আদেশ) সদাকা এবং নাহি আনিল মুনকার (অসৎ কাজে বাধা দান) সদাকা। আর চাশতের সময় দুই রাকআত সালাত আদায় করা এ সবের পক্ষ থেকে যথেষ্ট। '৫১
টিকাঃ
৫০. সহিহুল বুখারি : ১১৭৮
৫১. সহিহু মুসলিম: ৭২০
📄 কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ পড়া
আয়িশা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতের বেলা ১১ রাকআত সালাত আদায় করতেন। যখন সুবহে সাদিক হতো, তখন দুই রাকআত সালাত আদায় করতেন। এরপর ডান কাত হয়ে শয্যা গ্রহণ করতেন, যতক্ষণ না মুয়াজ্জিন এসে তাঁকে সালাতের খবর দিতেন।'৫২
আব্দুল্লাহ বিন উমর রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জীবদ্দশায় লোকেরা যখন কোনো স্বপ্ন দেখত, তা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর নিকট এসে বর্ণনা করত। আমিও কোনো স্বপ্ন দেখে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে এসে বর্ণনা করার আকাঙ্ক্ষা করতাম। আমি তখন যুবক ছিলাম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর জমানায় মসজিদে ঘুমাতাম। একদা আমি স্বপ্নে দেখলাম, যেন দুজন ফেরেশতা আমাকে ধরে জাহান্নামের দিকে নিয়ে চলেছেন। তা যেন কূপের পাড় বাঁধানোর ন্যায় পাড় বাঁধানো এবং তাতে দুটি খুঁটি রয়েছে। হঠাৎ দেখি, সেখানে অনেক পরিচিত লোকজন। তখন আমি বলতে লাগলাম, “আমি জাহান্নাম থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি।” তখন অন্য এক ফেরেশতা এসে আমাদের সাথে মিলিত হলেন। তিনি আমাকে বললেন, “তুমি ভয় পেয়ো না।” অতঃপর আমি এ স্বপ্ন (আমার বোন উম্মুল মুমিনিন) হাফসা রা.-এর কাছে বর্ণনা করলাম। এরপর হাফসা রা. তা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর কাছে বর্ণনা করলেন। তিনি বললেন :
نِعْمَ الرَّجُلُ عَبْدُ اللَّهِ، لَوْ كَانَ يُصَلِّي مِنْ اللَّيْلِ “আব্দুল্লাহ কতই না ভালো লোক! যদি সে রাত জেগে সালাত (তাহাজ্জুদ) আদায় করত।”
এরপর থেকে তিনি রাতের খুব অল্প সময়ই ঘুমাতেন।৫৩
আব্দুল্লাহ বিন আমর বিন আস রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলেছেন :
أَحَبُّ الصَّلَاةِ إِلَى اللهِ صَلَاةُ دَاوُدَ عَلَيْهِ السَّلَامُ، وَأَحَبُّ الصِّيَامِ إِلَى اللهِ صِيَامُ دَاوُدَ، وَكَانَ يَنَامُ نِصْفَ اللَّيْلِ وَيَقُومُ ثُلُثَهُ، وَيَنَامُ سُدُسَهُ، وَيَصُومُ يَوْمًا، وَيُفْطِرُ يَوْمًا
'আল্লাহ তাআলার কাছে সর্বাধিক প্রিয় সালাত হলো, দাউদ আ.-এর সালাত এবং সর্বাধিক প্রিয় সাওম হলো, দাউদ আ.-এর সাওম। তিনি (দাউদ আ.) অর্ধরাত পর্যন্ত ঘুমাতেন, রাতের এক-তৃতীয়াংশ তাহাজ্জুদ পড়তেন এবং রাতের এক-ষষ্ঠাংশ ঘুমাতেন। তিনি একদিন সাওম পালন করতেন এবং একদিন সাওম ছাড়া কাটাতেন। '৫৪
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন : يَنْزِلُ رَبُّنَا تَبَارَكَ وَتَعَالَى كُلَّ لَيْلَةٍ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا حِينَ يَبْقَى ثُلُثُ اللَّيْلِ الآخِرُ يَقُولُ: مَنْ يَدْعُونِي، فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ، مَنْ يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ
'আমাদের মহিমান্বিত মহান রব প্রতিরাতে যখন রাতের এক-তৃতীয়াংশ বাকি থাকে, দুনিয়ার আসমানে অবতরণ করেন এবং বলেন, “কে আছে আমাকে ডাকবে? আমি তার ডাকে সাড়া দেবো। কে আছে আমার কাছে চাইবে? আমি তাকে দান করব। কে আছে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে? আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো।”'৫৫
জাবির রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে বলতে শুনেছি— إِنَّ فِي اللَّيْلِ لَسَاعَةً لَا يُوَافِقُهَا رَجُلٌ مُسْلِمٌ، يَسْأَلُ اللهَ خَيْرًا مِنْ أَمْرِ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ، إِلَّا أَعْطَاهُ إِيَّاهُ، وَذَلِكَ كُلَّ لَيْلَةٍ مِنْ أَمْرِ الدُّنْيَا إِلَّا أَعْطَاهُ وَذَلِكَ كُلَّ لَيْلَةٍ
“নিশ্চয় রাতের এমন একটি সময় রয়েছে, কোনো মুসলিম যদি ঠিক সে সময় আল্লাহ তাআলার কাছে দুনিয়া-আখিরাতের কল্যাণের প্রার্থনা করে, তবে অবশ্যই আল্লাহ তাআলা তাকে তা দান করবেন। এই সুযোগ প্রতিটি রাতেই রয়েছে।””৫৬
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো, “ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত কোনটি এবং রমাজানের সাওমের পর সর্বোত্তম সাওম কোনটি?” তিনি উত্তর দিলেন—
أَفْضَلُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الصَّلَاةِ الْمَكْتُوبَةِ الصَّلَاةُ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ، وَأَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانَ صِيَامُ شَهْرٍ اللهِ الْمُحَرَّمِ
“ফরজ সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হলো, গভীর রাতের সালাت এবং রমাজানের সাওমের পর সর্বোত্তম সাওম হলো, আল্লাহর মাস মুহাররামের সাওম।””৫৭
আব্দুল্লাহ বিন সালাম রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'যখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনায় আগমন করলেন, তখন লোকেরা দ্রুত তাঁর দিকে ছুটে গেল। আর বলাবলি হচ্ছিল যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগমন করেছেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগমন করেছেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আগমন করেছেন। আমিও লোকদের সাথে তাঁকে দেখতে এলাম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর চেহারা যখন আমার সামনে প্রতিভাত হলো, আমি বুঝতে পারলাম, ইহা কোনো মিথ্যাবাদীর চেহারা নয়। তখন তিনি প্রথমে যে কথাটি বলেছিলেন, তা হলো :
يَا أَيُّهَا النَّاسُ أَفْشُوا السَّلَامَ، وَأَطْعِمُوا الطَّعَامَ وَصَلُّوا بِاللَّيْلِ وَالنَّاسُ نِيَامُ، تَدْخُلُوا الْجَنَّةَ بِسَلَامٍ
“হে লোকসকল, সালামের প্রসার করো, লোকদের আহার করাও এবং মানুষ যখন ঘুমন্ত থাকে, তখন সালাত আদায় করো—তবে তোমরা নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করবে।””৫৮
আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :
رَحِمَ اللهُ رَجُلًا قَامَ مِنَ اللَّيْلِ فَصَلَّى، وَأَيْقَظَ امْرَأَتَهُ، فَإِنْ أَبَتْ، نَضَحَ فِي وَجْهِهَا الْمَاءَ، رَحِمَ اللَّهُ امْرَأَةً قَامَتْ مِنَ اللَّيْلِ فَصَلَّتْ، وَأَيْقَظَتْ زَوْجَهَا، فَإِنْ أَبَى، نَضَحَتْ فِي وَجْهِهِ الْمَاءَ
'আল্লাহ তাআলা সেই স্বামীর প্রতি রহম করুন, যে রাতে উঠে (তাহাজ্জুদের) সালাত আদায় করে এবং স্ত্রীকেও জাগিয়ে তোলে। স্ত্রী যদি উঠতে না চায়, তবে তার মুখে পানির ছিটা দেয়। আল্লাহ তাআলা সেই স্ত্রীর প্রতিও রহম করুন, যে রাতে উঠে সালাত আদায় করে এবং স্বামীকেও জাগিয়ে তোলে। যদি স্বামী উঠতে না চায়, তবে তার মুখে পানির ছিটা দেয়।’৫৯
টিকাঃ
৫২. সহিহুল বুখারি: ৩৬১০
৫৩. সহিহুল বুখারি : ১১২২
৫৪. সহিহুল বুখারি : ১১৩১
৫৫. সহিহুল বুখারি: ১১৪৫
৫৬. সহিহ মুসলিম: ৭৫৭
৫৭. সহিহ মুসলিম: ১১৬৩
৫৮. সুনানু ইবনি মাজাহ : ১৩৩৪
৫৯. সুনানু আবি দাউদ : ১৩০৮